Earthling Gossip

Earthling Gossip History, Travel, Culture and Food....

11/12/2025
07/11/2025

রম্য রচনা:
দেশের মানুষের এত কালো টাকা যে দেখছেননি কারবার, বৃহস্পতিবার কক্সবাজার থেকে ঢাকা আসার পঞ্চাশটা ফ্লাইটের একটারো কোন টিকেট নাই। তাও ইকোনমি ক্লাসই দশ হাজার করে। আমার পুত্রদের বললাম, ডিয়ার সন্স, তোমরা কি জানো আমাদের দেশের সেরা খেলোয়াড় কে ছিল?
তারা একত্রে উত্তর দিলো, মা তো বলছে তুমিই...

দেখছেননি কী বেয়াদব, ধমক দিয়ে বললাম, আরে খেলা খেলা, ক্রিকেট ফুটবল এসব।

মেজ ছেলের আবার ব্রেন চালু, সে দ্রুত বলল- ঋতুপর্ণা চাকমা।

ছোট ছেলে তারে থামিয়ে বলে, আইছে, চিনো খালি ওরেই। এজন্য বলি প্রেম করো। আমাদের দেশের সেরা প্লেয়ার সাকিব আল হাসান...

আমি- হোপ্, আমাদের সেরা প্লেয়ার তামিম ইকবাল। তো তার বাসা আমাদের মতই চট্টগ্রাম। তো একবার তামিমকে বিমানে বিজনেস ক্লাসে টিকেট না দিয়ে ইকোনমিতে দিছিল। তারপর তামিম্বাই সেটা ছিড়ে ফেলে বাসে করে চিটাং চলি আসে। আমরাও আজ বাসে করে ঢাকা যাবো..

পুত্ররা তো খুব খুশি। তারা আগে কখনো বাসে চড়েনাই। সবসময় প্রাইভেট কার নইলে বিমান। তাই সবার মনে এডভেঞ্চারের স্বাদ।

এদিকে আমরা তো হঠাৎ করি মন চাইছে আরকি কক্সবাজার চলে আসছি। কারো কাছে বাড়তি প্যান্ট নাই৷ ফুলপ্যান্টও ভিজা, তাই শর্টস পরেই টিকেট কাটলাম বাসের।

কাউন্টারের লোকগুলা যাতে মনে করে আমরা বিদেশী, এনজিওওলা, তাই পুত্রদের শিখাই দিলাম ইংলিশে বাতচিত করার জন্য। তাহলে জাইঙ্গা শর্টস পরে কেন আসছি তা নিয়ে ঘাটাবেনা। এমনিতে তো ওরা ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়তেছে। দেখা যাক স্পুকেনে কে কীরকম।

বড় পুত্র কাউন্টারে ঢুকেই বলল- ওহ্ ড্যাড্ দেয়ার আর সো মেনি হট হেয়ার!

আমি- সরি মাই সন...

মেজ পুত্র- ড্যাডি, আইডিটি (আই ডোন্ট থিংক) দিজ বাজ ইজ গুড, লেটস গো টু দা গ্রিন লাইন খাউন্টাড়্!

আমি- নো মাই সন.. হঠাৎ করে আর কোন ইংলিশ শব্দও মনে আসতেছে না, কী বিপদ!

ছোট পুত্র- হেই ওল্ড ম্যান, আই থিংক দিজ বাস ইজ গুড। ইট টোল্ড দেট ইটুল রিচ ঢাকা অনলি ইন সেভেন আওয়ার। লেটস বাই দিজ..

এদিকে আমাদের এই চোস্ত বিটিশ একসেন্টের ইংরেজি শুনে কাউন্টারের সবাই তো চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতেছে। একটা মেয়ে যাত্রীদের ওয়েটিং সিট থেকে মোবাইল ক্যামেরার ফ্লাশ অন করে এসে তেলতেলে গলায় বলল,
আংকেল আংকেল, হুইচ কান্ট্রি ইউ ফ্রম?

মেজ পুত্র সিঙ্গেল, তাই ওকে ঠেলে দিলাম। পোলা চালাক আছে, আমরা সবাই যেহেতু কালো, তাই বেশি অপশন তো নাই, আবার আফ্রিকা বললেও বিশ্বাস করবে না- তাই সে বলল, উই আর শ্রীলংকান...

সাথে সাথে কাউন্টারের সবাই - হেই হেই জয়াসুরিয়া, সাঙ্গাকারা, মালিঙ্গা এসব বলতে লাগলো। ছোট ছেলেকে একজন ধরলো, "মানিকের মাগি হিটে" গানটা শুনাতে...

কী এক কাবজাব... সবার হাতে হাতে ফোন, সবাই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। সবাই আমাদের ভিডিও করতেছে। টিকেট সেলারও ক্যামেরা অন করে বলছে- হ্যালো ঘাইজ, আজ আমাদের সোনাতলা এক্সপ্রেসের কাউন্টারে এসেছেন চারজন শ্রীলঙ্কান। তারা বলছে, তারা নাকি অনেক সুনাম শুনে এসেছে আমাদের সারভিস নিতে। আমরা ছোটবেলায় ক্রিকেটে নিয়মিত শ্রীলঙ্কার কাছে ধুনা খাইতাম। আজ সেই মাহেলা জয়াবর্ধনে, মুত্তিয়া মুরালিধরনের দেশের লোক আমাদের কাউন্টারে টিকেট খুঁজতেসে৷ এটাই রিয়ালিটি। আপনি জাস্ট আপনার কাজটা সৎভাবে করে যান। একদিন আপনি তার ফলটা পাবেনই। যাহোক, ওদের সম্মানার্থে আমি ওদের চারটি টিকেট ফ্রি দিলাম...

এই সময়ে এক্সিডেন্টটা ঘটলো। ফ্রি টিকেটের খুশিতে বড় ছেলে বলে ফেলল, "ধন্যবাদ কাগা, আমনে একেবারে আংগোর মায়ের মতন ভালা..."

আর আমি এই ঝা ঝা ফা ফা তে বিরক্ত হই-- হিচামার টিকটকারের গুষ্টি অগলের মুখে! - বলে ফেললাম...

সাথে সাথে "ওমা, এরা তো নোয়াখাইল্লায়ে না", "ওই ফিড্ ফিড্"- এসব শব্দে কুমিল্লার এক চুতিয়ার নেতৃত্বে আমাদের বের করে দিলো :)

এখন টেম্পু করে ভেঙে ভেঙে আসতেছি, চুদলিংপংয়ের দশা ছাড়তেসেই না। মাত্র চকোরিয়া হারবাং পৌছলাম। রাতে কারো বাসায় জায়গা হলে জানাবেন৷

পপিবীজ বা অপিয়াম বীজ আমাদের দেশে পোস্তদানা নামে পরিচিত ও রান্না-মশলায় ব্যবহার হয়। সাধারণত দেশে অফিসিয়ালি পপিসীড আমদানি অ...
07/11/2025

পপিবীজ বা অপিয়াম বীজ আমাদের দেশে পোস্তদানা নামে পরিচিত ও রান্না-মশলায় ব্যবহার হয়। সাধারণত দেশে অফিসিয়ালি পপিসীড আমদানি অনুমোদিত নেই; বাজারে যেটা পাওয়া যায় তা অননুমোদিত উপায়ে এসেছে। বাজারে বিক্রি হওয়া পোস্তদানার বেশিরভাগই অংকুরোদগম-অক্ষম বা জার্মিনেশন অক্ষম থাকে, তাই সেগুলো থেকে পপি গাছের চাষ করা যায় না এবং সেগুলোকে মাদকোৎপাদনের উৎস হিসেবে ধরা হয় না। কিন্তু সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে “বার্ডফুড” নামে যে দুই কন্টেইনার পপিবীজ আমদানি হয়েছে, সেগুলো জার্মিনেশন-সক্ষম — অর্থাৎ এই বীজ দিয়ে পপি চাষ করা সম্ভব। এছাড়া ডিক্লারেশনে জালিয়াতির প্রমাণও রয়েছে। এই কারণেই ওই চালানকে মাদকজীবী কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত বলে ধরা হচ্ছে।

আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আফগানিস্তান আগে ছিল বড় পপিচাষি দেশ; তালেবান পপি চাষ বন্ধ করলে নতুন চাষভূমির প্রয়োজন তৈরি হতে পারে। সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে অবৈধভাবে পপি চাষ বাড়লে বর্ডারের ওপারে কাঁচা পণ্যের গাম পাঠিয়ে হিরোইন প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হতে পারে, এবং এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বাংলাদেশে। ফলে কেবল আমদানিকারক নয়, পুরো শৃঙ্খলটি খতিয়ে দেখা ও কড়া তদারকির প্রয়োজন।

বিদায়
15/10/2025

বিদায়

14/09/2025

Magnitude 5.9 earthquake jolts Bangladesh

ভ্যাপসা গরম যাতে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে না পারে এজন্য হেলিকপ্টার থেকে সাবমেরিন সবকিছুতে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর আহবান জানিয়েছ...
11/09/2025

ভ্যাপসা গরম যাতে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে না পারে এজন্য হেলিকপ্টার থেকে সাবমেরিন সবকিছুতে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর আহবান জানিয়েছে বৃষ্টি বলয়।

কারন বৃষ্টি বলয় আসার আগেই যদি ভ্যাপসা গরম দেশ থেকে পালিয়ে যায় তাহলে বৃষ্টি বলয় শেষ হওয়ার পরে সে আবারো ফিরে আসবে এবং দেশের মানুষকে কষ্ট দিবে।

ইতোমধ্যেই বৃষ্টি বলয় আসার খবর পেয়েই গোপনে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্লান করছে ভ্যাপসা গরম।তাই সে আপাতত তার তীব্রতা কমিয়ে দিয়েছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় বজ্রবৃষ্টির সাথে ভ্যাপসা গরমের সংঘর্ষে ইতোমধ্যেই গরম পিছু হটতে শুরু করেছে।

তাই অবস্থা বেগতিক দেখে যেভাবেই হোক পালিয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছে ভ্যাপসা গরম।

এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কে জয়লাভ করে।
বৃষ্টি বলয় কি পারবে ভ্যাপসা গরমকে প্রতিহত করতে?

জানতে হলে আমাদের সাথেই থাকুন।খুব শীঘ্রই বৃষ্টি বলয়ের বিস্তারিত আপডেট দেওয়া হবে।
ধন্যবাদ
Bangladesh weather observation team Ltd

06/09/2025

সম্মান তো তারাই চায় যাদের আসলে সম্মান নাই। 🥴
যার সম্মান আছে তারে আপনি সম্মান দিলেই কি আর না দিলেই কি।🙄

গোলাপী ঘাস ফুল (Zephyranthes rosea) কন্দক জাতীয় লিলি পরিবারভুক্ত গাছ। এদের ইংরাজী নাম Rosy Rain lily, Rose Fairy Lily, ...
13/08/2025

গোলাপী ঘাস ফুল (Zephyranthes rosea) কন্দক জাতীয় লিলি পরিবারভুক্ত গাছ।
এদের ইংরাজী নাম Rosy Rain lily, Rose Fairy Lily, Rose Zephyr Lily বা pink rain lily।
এই প্রজাতিটি বাগানের বাহারি উদ্ভিদ হিসেবে বাগানের জন্য লাগানো হয়ে থাকে।

Moss rose এর বাংলা অর্থ হল "পর্তুলিকা" বা "টাইম ফুল"। এটি একটি জনপ্রিয় ফুল যা দেখতে গোলাপের মতো এবং এর পাতাগুলো দেখতে ম...
12/08/2025

Moss rose এর বাংলা অর্থ হল "পর্তুলিকা" বা "টাইম ফুল"। এটি একটি জনপ্রিয় ফুল যা দেখতে গোলাপের মতো এবং এর পাতাগুলো দেখতে মস বা শ্যাওলার মতো, তাই এই নামকরণ। ইংরেজিতে একে "Moss-rose Purslane" বা "Portulaca grandiflora" বলা হয়।
পর্তুলিকা ফুল বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে, যেমন - সাদা, গোলাপী, লাল, হলুদ ইত্যাদি। এটি সাধারণত ছোট এবং নিচু লতানো প্রকৃতির হয়ে থাকে। এই ফুল "টাইম ফুল" নামেও পরিচিত, কারণ এটি সাধারণত দিনের বেলায় ফোটে এবং সূর্যের আলো কমে গেলে বন্ধ হয়ে যায়।

আরও কিছু স্থানীয় নাম: টাইম ফুল (Time Flower), নয়টার ফুল (Noyatar Phool), দশটার ফুল (Doshtar Phool), অফিস ফুল (Office Phool).

18/07/2025

বাংলাদেশে দুই শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বাজে সেক্সুয়াল লাইফ কাটায়!!!
প্রথম শ্রেণি হল গার্মেন্টস শ্রমিকরা। অনুমান করে বলা না, এ ব্যাপারে সত্যি সত্যি রিসার্চ হয়েছে।

মুলতঃ গার্মেন্টস শ্রমিকদের থাকার জায়গা আর কাজের রুটিনই এর জন্য দায়ী। অল্প আয়ের এই গার্মেন্টস শ্রমিকরা সাধারণতঃ এক ঘরে ৬-৭ জন করে থাকে। আবার অনেকের গ্রাম থেকে আসা অসুস্থ বা বৃদ্ধ কোনো আত্মীয় তাদের সাথে স্থায়ীভাবে থাকে, যারা কখনোই ঘর ছেড়ে যায় না। ফলে স্বামী-স্ত্রী দিনের পর দিন এক ঘরে থাকলেও দিন কাটাতে হয় পুরোপুরি ব্যাচেলরের মত।

এরপর হলো কাজের রুটিন। ভোরসকালে উঠে যাওয়া, সারাদিন টানা পরিশ্রম, দুপুরে কেবল ভাজি-ভর্তা দিয়ে ভাত - একজন সাধারণ পেশাজীবির চেয়ে তারা অনেক ক্লান্ত। ফলে ব্যপারটা এতই গুরুতর যে, সাধারণ মানুষের চাইতে কম জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও কেবল বাজে সেক্সুয়াল লাইফের কারণে তাদের মধ্যে জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে কম।

বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে ৬২% কাপল বার্থ-কন্ট্রোল নিয়ে থাকে, সেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকরা ৪২ থেকে ৫২%। কিন্তু এত কম নেওয়ার পরেও তাদের জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে ০.০১% কম।

দ্বিতীয় শ্রেনী হলো, বাংলাদেশের পদস্থ কর্মকর্তারা যাদের চাকরি রেপুটেশনের উপর নির্ভর করে। আরো সংক্ষিপ্ত করে বললে উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা।
বাংলাদেশে পয়সাওয়ালা শ্রেনী, যাদের মধ্যে ধর্মের তেমন প্রভাব নেই, তারা লিমিটলেস সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস পায়। যেমন বেসরকারি কর্মকর্তা, কন্ট্রাক্টর, ব্যাবসায়ি এবং পলিটিশিয়ান। পুরো দেশ থেকে এমনকি বিদেশ থেকেও সাপ্লাই যায় তাদের কাছে।

এখানে পলিটিশিয়ানরা রেপুটেশনে প্রভাবিত হলেও তারা স্কান্ডাল সামাল দিতে জানে। আপনি কয়জন রাজনৈতিক নেতাকে দেখেছেন যারা কেবল নারীঘটিত ব্যপারে পুরো পলিটিকাল ক্যারিয়ার শেষ করে ফেলেছে?

এখানেই ব্যতিক্রম সরকারী কর্মকর্তারা। তাদের লাইফ কেবল তাদের ওই পদ দ্বারাই ডিফাইন করা হয়।

অনেকদিন আগে প্রিয় ডটকমে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম, বাংলাদেশি নারীদের সেক্সকে ব্যাবহার করা নিয়ে। ধর্মীয় প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে বহুগামীতা স্বীকৃত না। সেটা বৈধ দুই বিয়ে হোক বা বেশ্যালয়ে যাওয়া হোক। ফলে একজন স্ত্রী যখন জেনে যাচ্ছে, সেই পুরুষের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস কেবল এক জায়গাতেই পাবে, তখনই সে ব্লাকমেইল করা শুরু করে। অবশ্য সব নারীদের কথা বলা হচ্ছে না।
এক জায়গায় লিখেছিল কিছু কমন ঘটনার কথা। যেমন, স্বামীর কাছে অনেক দিন ধরে একটা জুয়েলারি চাচ্ছে, কিন্তু স্বামী দিচ্ছে না। এখন স্ত্রী তো অল্পদিনেই স্বামীকে চিনে যায়, কখন দুর্বল, কখন ব্লাকমেইলে কাজ হবে। এবার স্বামী যখন বুকের উপরে, সে বলে বসল, সেই জুয়েলারির ব্যবস্থা না করে দিলে আর এগোতে দেবে না। স্বামী তো তখন অর্ধবেহুশ - তার আর উপায় নেই। এভাবেই নানান স্বার্থ হাসিল আর ব্লাকমেইল চলতে থাকে। কারণ স্ত্রী নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে, এর আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, এদিক-ওদিক করলে চাকরি হারাবে, ক্যারিয়ার যাবে।

ব্যাপারটা আরো ভয়ানক মধ্যবয়েসীদের বেলায়। যারা পুরুষের মিড-লাইফ ক্রাইসিসের ব্যাপারে জানেন তারা বুঝতে পারবেন ব্যাপারটা কত সিরিয়াস। সে ছটফট করছে, আর ঘরে মাঝবয়সী মেক্সি পরা বৌ। তার উপর মেনোপজের পরে তাদের সেক্সুয়াল ড্রাইভ একেবারে কমে যায়, মানসিকভাবে তো বটেও, ফিজিকালিও। আর বাঙ্গালী নারীদের তো ঘরে বুয়ার চেয়েও খারাপ গেটআপে থাকার রেপুটেশন আছে।

একটা বড় অংশ হয়ে যায় অনেক মোটা। বাংলাদেশে ফিজিকাল এক্সারসাইজ করে মাত্র ২০-২৫ শতাংশ নারী, যাদের অধিকাংশই হলো মডেল, কর্পোরেট আর স্পোর্টস গার্ল ।

ফলে সেই বৌয়ের সাথে সেক্স পুরো বিনিময় টাইপের হয়ে যায়। বৌ এটা-সেটা আদায় করে নেয়। আর মেনোপজের ফলে আগের মত আর উপভোগ্যও থাকে না।

এক বিসিএস ক্যাডারের লেখা দেখছিলাম, অনেক কষ্ট করে ক্যাডার হবার পর বিয়ে করলো। এদিকে তিন চার-মাস পর বৌ প্রেগন্যান্ট। তারপর থেকে টানা ৯ মাস কাছে যেতে দেয়নি। তারপর বাচ্চা হবার পর থেকে সেই বাচ্চাই সব-স্বামীর দিকে খেয়ালই নেই। আর সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ, কিছুদিন পর ধরা পড়লো ফিস্টুলা, সিজারের সময় হয়েছে। ব্যাস, সারাজীবনের মত সেক্সুয়াল লাইফ গেলো।

উনি লিখেছিলেন, আমারও বয়েস হয়ে যাচ্ছে, ঘরে বেঢপ সাইজের অনাগ্রহি বউ, আর বাড়ির পাশে স্কুল আর কোচিং সেন্টার - শত শত মেয়েরা যাওয়া আসা করে। দ্বিতীয় বিয়ে করতে দেবে না , ভদ্রলোক বলে বেশ্যার কাছেও যেতে পারবো না। আর অ্যাফেয়ারের চেষ্টা করলে বৌ চাকরি খেয়ে দেবে বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে। দিনরাত সুইসাইডের কথা ভাবেন।

এবার আসি আসল কথায়। সাইকোলজিতে Misophonia আর Misokenisia নামে দুটো টার্ম আছে। এই কন্ডিশনগুলোর একটার ব্যাপার এরকম, এক ব্যাক্তি যার নিজের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস নেই, সে অন্য কারো সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি সহ্য করতে পারে না। মানে আরেকজন সেক্স করছে, ইভেন কিস করছে এটাও সে মানতে পারে না।

বাংলাদেশে কর্মকর্তাদের নিয়ে এরকম গবেষণা হয়নি। কিন্তু আমার এক পরিচিতের মতে, বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের বড় একটা অংশ এরকম সাইকোলোজিকাল কন্ডিশন ডেভেলপ করেছে। নিজের সেক্সুয়াল লাইফের বারোটা বেজে গেছে, ফলে সে যে বয়সে সেক্স করতে পারেনি, সেই বয়সে আরেকজন কেন করবে - এটা মানতে পারে না।
হ্যাঁ, বাল্যবিয়ে বন্ধের অনেক কারণ আছে, মিডিয়ায় কাভারেজ পাওয়া যায়, প্রথম আলো ফিচার করে, ইয়ারলি পারফরম্যান্সে যোগ হলো, বিদেশী এনজিওরা বাহবা দেয়।

এর সাথে ব্যাক্তিগত বড় ইস্যুটাও জুড়ে গেল - ফলে আমাদের এসিল্যান্ড সাহেব রাত বারোটায়ও হাজির হন দরিদ্র দিনমজুরের মেয়ের বিয়ে বন্ধ করতে। যে হয়ত লাস্ট ছয়মাস রোদে পুড়েছে এই বিয়ের খরচ এক জায়গায় করতে।

বলে রাখা ভালো, এর আগে মধ্যবিত্তরাও যৌথ বা বড় পরিবারের কারণে একটা ক্রাইসিসে ভুগত। কিন্তু এখন সবদিকে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি আর এক ফ্লাটের বাসার কারণে সে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। মধ্যবিত্ত ছেলেরা বিয়ে করে বৌ নিয়ে শহরে চলে যাচ্ছে, অনেক ভালো সেক্সুয়াল লাইফ এখন।

সবশেষ ব্যাপারটা নারী কর্মকর্তাদের নিয়ে। আমি গত ৬/৭ বছর ধরে অনেকগুলো ফেমিনিস্ট কমিউনিটি নিয়মিত ভিজিট করি। একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি, ফেমিনিস্টদের এমন একটা ব্যাপার এত রাগিয়ে দেয়, যা আর কোনো ব্যপার পারে না।

সেটা হলো, কোন পুরুষ একটা অল্পবয়েসি মেয়ের সাথে রিলেশন বা বিয়ে করছে, এটা তারা কোনোভাবেই মানতে চায় না। ইভেন নারীদের খুন-হবার ব্যাপারেও এত কড়া রিঅ্যাকশন দেখায় না যতটা এই ব্যপারে দেখায়। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও একটা উদাহরণ।

যে যত যাই বলুক, মেয়েদের প্রাইম বয়স ১৬-১৭-১৮, এই বয়সের মত এত সমৃদ্ধ তারা কখনোই আর হয় না। 'সুইট সিক্সটিন' টার্মটা এমনি এমনি আসেনি, পশ্চিমারাই দিয়েছে। তো এই ফেমিনিস্টগুলো সব তাদের প্রাইম বয়স পার করে ফেলেছে, তাদেরকে আগলি দেখায়। সুতরাং তার চেয়ে কম বয়েসি কেউ তার চেয়ে বেশি অ্যাটেনশন পাচ্ছে এটা মানতেই পারে না, হাত কেটে যাওয়াও তার জন্য সহজ।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিয়ে বন্ধ করেছে মাদারীপুরের মাহমুদা আক্তার কণা নামের এক মহিলা, হাজারেরও বেশি। তার ওজন ৩ মণের কাছাকাছি হবে। আমার পছন্দের কমেডিয়ান জর্জ কার্লিনের ভাষায়, "টেকনিকালি তো মনে হয় না এই মহিলা সেক্স করতে পারে"।

আমার মেসেজটা পেয়েছেন আশাকরি।
_____________
আহমাদ খান

Address

Khilgaon
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Earthling Gossip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share