Voice of the Ummah

Voice of the Ummah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Voice of the Ummah, Digital creator, Khulna.

আসসালামু আলাইকুম।আমাদের এই পেজে দেশের স্বার্থে,মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে,ন্যায়ের পক্ষে,অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সম্মানিত আলেম-উলামাদের আলোচনা নিয়মিত আপলোড করা হবে।ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হক কথা বলা, শোনা ও তার ওপর আমল করার তাওফিক দান করুক।

১১৮৭ সালের আজকের এই দিনের ২-রা অক্টোবর সুলতান সালাহউদ্দিন আল-আইয়ুবি রহি. বায়তুল মাকদিস বিজয় করেছিলেন।তিনি সারাটি জীবন বা...
02/10/2026

১১৮৭ সালের আজকের এই দিনের ২-রা অক্টোবর সুলতান সালাহউদ্দিন আল-আইয়ুবি রহি. বায়তুল মাকদিস বিজয় করেছিলেন।
তিনি সারাটি জীবন বায়তুল মাকদিসের জন্য উজাড় করে দিয়েছিলেন।

বায়তুল মাকদিস বিজয়ের জন্য আইয়ুবি রহি. এর পথে হাটা শুরু করেছিলেন আরবের এক ধনীর দুলাল,
কিন্তু জাতি তাকে চিনতে পারল না।
তিনি দীপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছিলেন যতদিন না বায়তুল মাকদিসের ভূখন্ডে আমরা নিরাপত্তা পাচ্ছি ততদিন কোন আ**ম্রি**কান সপ্নেও শান্তিতে থাকার চিন্তা করতে পারবে না।

তিনি সা**পের মাথা আ*ম্রি**কাকে প্রধান টার্গেট করেছেন কেননা ওরাই ই*খু*দিদের নিরাপত্তা দেয়,
অস্র দেয়,মদদ দেয়।
ওদের কারণেই বায়তুল মাকদিস আমাদের হাতছাড়া।
আর ওদের প*ত*নের মধ্য দিয়েই বায়তুল মাকদিস বিজয়ের পথ খুলে যাবে বি ই য-নিল্লাহ।

আজ আরবের ধনীর দুলাল শায়খ ওবিএল রহি. নেই কিন্তু তিনার গড়ে যাওয়া কাফেলা এগিয়ে যাচ্ছে বায়তুল মাকদিসের পথে,বীরেরা দীপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছেন তারা পৃথিবীর যে ভূখন্ডেই লড়াই করুক না কেন তাদের মূল টার্গেট হল বায়তুল মাকদিস।
আল্লাহ তাআ'লা বীরদের সাহায্য করুক আমাদেরকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুক এবং বায়তুল মাকদিসের বিজয় তরান্বিত করুক।

01/10/2026

জাস্ট একবার ভাবুন......আমাদের দেশের কোনো একটি শহরের দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি বি'ল্ডিং যদি একটার পর একটা এভাবে মা'টির সঙ্গে মি'শি'য়ে দেওয়া হতো। তাহলে সেই শহরটা দেখতে কেমন লাগতো?

যে ঘরগুলোতে মানুষ থাকত। যে ভবনগুলোতে পরিবারগুলোর স্বপ্ন ছিল। সবকিছু যদি চোখের সামনে ধ্বং*স'স্তূপে পরিণত করা হতো। তখন আমাদের অনুভূতিটা কেমন হতো?

আজ ২ বিলিয়ন মানুষের সামনে গা'জা*য় কী ভয়াবহ ধ্বং'স*য'জ্ঞ চলছে। একবার দেখুন। 💔

30/09/2026

নবিজী ﷺ এর পবিত্র চাদর মোবারক...

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাদর হাতে আমিরুল মুমিনিন মো°ল্লা মুহাম্মাদ ও'ম'র রাহিমাহুল্লাহ্
এই মজলিসে এই মো°ল্লা মুহাম্মাদ ও'ম'র রাহিমাহুল্লাহ্'কে আমিরুল মুমিনিন ঘোষণা দিয়ে তার হাতে উপস্থিত সকলে বায়াত গ্রহণ করেন! 4 April :1996

বিস্তারিত:-
কান্দাহার শহরের মাঝখানে পুরনো একটি মসজিদ। কারি শাওয়ালি সে মসজিদে নিজের চেয়ারটিতে বসে আছেন। বসে বসে মূলত পাহারা দিচ্ছেন বিশেষ গোপন একটি জিনিস। আজ হতে আড়াইশো বছর ধরে তার পূর্বপুরুষগণ একে পরম যত্নে সংরক্ষণ করে আসছেন এভাবেই।

হঠাৎ মসজিদে একটা লোক ঢুকল। লোকটা ঠিক পরিচিত নয় শাওয়ালির কাছে। লম্বা। শীর্ণকায়। মানুষটা হেঁটে আসছে তার দিকেই। একটা চোখ নেই। চোখের সে জায়গাটা স্রেফ সাদা হয়ে আছে। হাঁটছে খুব ধীর আর আলতো পায়ে। কী কারণে যেন ভীত হয়ে আছে। মাটিতে ঠিকমতো পা রাখতেও ভয় পাচ্ছে সে। শাওয়ালি বারবার লোকটার দিকে তাকিয়ে চেনার চেষ্টা করলেন। একটু পরই তার মনে হল, এ মো|ল্লা উম|র না হয়ে যায় না। তা|`লেবা|নপ্রধান সেই সাহসী মানুষটা। কারি শাওয়ালি সালাম দিয়ে দ্রুত অভিভাবাদন জানালেন তাকে। কাছে এসে মে||ল্ল| উমর সোজা হয়ে দাঁড়ালেন, তারপর কথা বলতে শুরু করার আগে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে দম নিলেন একটু। মাত্রই কয়েক সেকেন্ড। তারপর ফিসফিস করে বললেন-'আমি ভালো করে গোসল করে তারপর নতুন জামাকাপড় ও আতর লাগিয়ে এসেছি। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র আবাখানি কি একটু দেখতে দেবেন?'

তার এ অদ্ভুত কথা শুনে শাওয়ালির চেহারার রঙ পরিবর্তন হল। দুশো বছরের ভিতর এই প্রথম কেউ এসে এভাবে আবদার জানাল। শাওয়ালি কী যেন বিড়বিড় করলেন, তারপর বললেন-'কিন্তু আমি ও আমার অপর দুই সঙ্গী গোসল করিনি, আতরও মাখিনি। আপনি কি অন্য এক সময় আসতে পারবেন?' দুজনেই নির্দিষ্ট একটা সময়ের ব্যাপারে একমত হলেন।

এর কিছু দিন পর তিনি কিছু সঙ্গী নিয়ে ফের হাজির হলেন সেখানে। একটু সময়ের ভিতরই দেখা গেল, মাজার খননের কাজ শুরু হয়েছে। তবে, অপর দুই সঙ্গী নাএলে প্রহরী চাদরখানি বের করবেন না। আড়াইশো বছর যাবৎ নিয়মটা এভাবেই পালিত হয়ে আসছে। আফগ||নদের বিশ্বাস অনুযায়ী, পবিত্র এ চাদরটি হাদিয়া এসেছিল বুখারার আমিরের পক্ষ হতে আফগানি শাসক শাহ দাওরানির (মৃত্যু: ১৭৭২) কাছে। সে সময়ের পর থেকে সম্মিলিত সামাজিক একটি চক্তির অধীনে বংশপরম্পরায় সংরক্ষিত হয়ে আসছে এটি বিশেষ ব্যবস্থাপনায়। এ নিয়মের ব্যত্যয় হয়নি কখনো। কারও জন্য তা ভাঙা সম্ভবও নয়।

পরবর্তী সময়ে শাওয়ালি নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোল্লা পরবার এই চাদর গ্রহণ করার দৃশ্যটি তুলে ধরেছিলেন সবিস্তারে। সেখানে না উল্লেখ করেন 'মে||ল্ল|| উম||র যখন মাজারে ঢুকলেন এবং চাদরের উপর তার নজর পড়ল, তখন তার সারা শরীর কাঁপতে লাগল। এত বেশি বিহ্বল হয়েছিলেন , যার কারণে সেদিন নামাজ পড়তে গিয়ে কেবলা ভুল করে হয়েছিলেন পর্যন্ত। নামাজে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ দিকে। আমি তাকে ধরে কেবলা ঠিক করে দিয়েছিলাম।

মে||ল্লা|| উম||র পবিত্র চাদরখানি শাওয়ালির হাত থেকে গ্রহণ করলেন, তারপর ত||`লেব||নদের নিজস্ব রেডিও স্টেশন 'সাউতুশ শারিয়াহ' থেকে ঘোলা করালেন- 'যারা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাদরটি দেখতে চায়, তারা যেন এখানে এসে উপস্থিত হয়। বিষয়টি প্রচারিত হবার সাথে সাথে ঢল নামল মানুষের। কাছে দূরের বিভিন্ন এলাকা থেকে দল বেঁধে আসছে মানুষ। সবাই চাদর মোবারকটি এক নজর দেখতে চায়। বিগত আড়াইশো বছরে মাত্র দুইবার ছাড়া আর কখনো বের করা হয়নি চাদরটি। প্রথমবার ১৯৩৯ সালে, যখন কান্দ||হ||রে দেখা দিল ভয়াবহ মহামারি। দ্বিতীয়বার বের করা হয়েছিল যখন বাদশা আমানুল্লাহ খান যুদ্ধের জন্য গোত্রগুলোকে সংঘবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন, তখন ১৯৬০ সনের দিকে।

১৯৯৬ সনের এপ্রিলের চার তারিখ ভোরে মে||ল্লা|| উম||র একটি ভবনের ছাদের উপর থেকে দৃশ্যমান হলেন। আলোচনাসভায় আগত আলেমগণ তার দিকেতাকিয়ে আছেন। মে||ল্লা| উম||র নবীজির চাদরটি জড়িয়ে ধরে স্থির হয়ে দাঁড়ালেন সেখানে, তারপর কথা বলতে শুরু করলেন স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে। কথা শেষ হলে পবিত্র কাপড়টি তিনি উঁচু করে ধরলেন, যেন সবাই ভালোমতো দেখতে পায়। এ সময় মানুষ গলা ছেড়ে চিৎকার করতে লাগল। চারপাশ ভরে গেল আবেগাপ্লুত শোরগোলে। অনেকেই নিজের পাগড়ি-টুপি ছুড়ে দিচ্ছেন, নবীজির চাদর মোবারকের একটু ছোঁয়া যদি পাওয়া যায়। এবং এর ঠিক পরপরই শোনা গেল, আরেকটি বিশেষ ধ্বনি। সবাই গলা ছেড়ে মে||ল্ল|| উমরের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল-আমিরুল মুমিনিন! আমিরুল মুমিনিন!

১৯৯৬ সনের বসন্তের সে সকাল থেকে মে||ল্ল|| উম|র 'আমিরুল মুমিনিন' উপাধিতে নতুন করে পরিচিত হয়ে উঠলেন। যদিও তার কাছের লোকেরা তাকে আগে থেকেই এ নামে ডাকতেন; তবু আনুষ্ঠানিকভাবে ডাকা শুরু হয় মূলত সেদিনের কণ্ঠগুলো ধ্বনিত হবার পরই, যখন তিনি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাদর মোবারকটি কাঁধে নিয়ে তাদের সামনে হাজির হয়েছিলেন ধীর পায়ে।

সম্ভবত ত||লেব||^ন আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তিনিই এই মে||ল্ল|! মুহাম্মদ উম||র, যিনি সূচনাকাল থেকেই এর নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন, যার উপস্থিতি আন্দোলনটিকে সব সময় সুসংহত রেখেছে; আপন লক্ষ্যে স্থির রেখেছে আপসহীন এবং নাজুক সময়গুলোতেও এর অবস্থানকে রেখেছে সুদৃঢ় ও ইস্পাতকঠিন। এই বিপ্লবী দলটি ||অ||ফগ|নভূমিতে আবির্ভূত হবার পর থেকে লম্বা শীর্ণকায় এ লোকটি ছিলেন ঐক্য, দৃঢ়তা ও অবিচলতার নেপথ্যশক্তি, নেতৃত্বের পুরো উনিশটি বছর।

বই: অটুট পাথর

কপি পোস্ট

26/09/2026

দাঁড়ি ওয়ালাদের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও এই বলে শ্লোগান দিচ্ছেন বিএনপির নয়ন।

আপনি আওয়ামী লীগ করতে পারেন…
আপনি বিএনপি করতে পারেন…
আপনি জামায়াতে ইসলামী করতে পারেন…
আপনি এনসিপি করতে পারেন…
আপনি ইসলামী আন্দোলন করতে পারেন…
আপনি জাতীয় পার্টি করতে পারেন…

আরও যত রাজনৈতিক দল আছে। যে কোনো দল করতে পারেন।

কিন্তু দাঁড়ি কি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতীক?

দাঁড়িওয়ালা মানেই কি কোনো নির্দিষ্ট দলের কর্মী?

দাঁড়ি তো রাসুলুল্লাহ ﷺ- এর একটি সুন্নাহ ।

কোনো রাজনৈতিক বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি “দাঁড়িওয়ালা” মানুষদের লক্ষ্য করে এমন স্লোগান দেওয়া হয়। সেটি কি শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য থাকে?

এই শ্লোগানের মাধ্যমে নয়ন কি রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নাহকে এর অবমাননা‌ করে নি।

25/09/2026

আমাদের রাসুল ﷺ-এর জন্মভূমি এটা.. আ'মি'রি 'কা*র পা'লিত দা*লা ল'দের দে"শ এটা।

পেছনে কা'লেমা, আর সামনে তাদেরই নাচ-গান...কী নির্মম পরিহাস।এমন দৃশ্য সত্যিই দুঃখজনক।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা জানিয়েছেন, গোলান মালভূমি ইসরায়েলকে দেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্র...
24/09/2026

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা জানিয়েছেন, গোলান মালভূমি ইসরায়েলকে দেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তিনি কৌতুক করে বলেছিলেন, ইসরায়েলকে জমি দিতে এত আগ্রহ থাকলে নিজের অঙ্গরাজ্য নিউ জার্সি দিয়ে দিতে পারেন। বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে এক আলোচনা সভায় ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে আল-শারা বলেন, ট্রাম্প সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে গোলান মালভূমি নিয়ে তিনি বলেন, এটি সিরিয়ার জনগণের ভূখণ্ড এবং কোনো সিরীয় বা মার্কিন প্রেসিডেন্টেরই তা অন্য কাউকে দেওয়ার অধিকার নেই।

ভোরবেলা ছোট্র গাজার মেয়েটি ঘুম থেকে উঠেছিল মায়ের ডাকে। ছোট্ট দুটি হাতে চোখ কচলে সে বলেছিল, আম্মু, আজ কি রুটি আছে? মা হ...
21/09/2026

ভোরবেলা ছোট্র গাজার মেয়েটি ঘুম থেকে উঠেছিল মায়ের ডাকে। ছোট্ট দুটি হাতে চোখ কচলে সে বলেছিল, আম্মু, আজ কি রুটি আছে? মা হেসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন। সেই হাসিটুকুই ছিল তাদের ঘরের সবচেয়ে বড় সম্পদ। কারণ দেয়ালে ফাটল, জানালায় কাচ নেই, তবু ঘরটা ছিল ভালোবাসায় ভরা।

দুপুর গড়াতেই আকাশ কেঁপে উঠল। মুহূর্তের মধ্যে চারপাশ অন্ধকার। ধুলো, ধোঁয়া, চিৎকার। মেয়েটি মায়ের আঁচল খুঁজেছিল, কিন্তু হাতে এসে ঠেকল শুধু পাথর আর ভাঙা ইট। পুরো ঘরটা নেমে এসেছিল তার ছোট্ট শরীরের উপর।

অন্ধকারের নিচে চাপা পড়ে সে হাত বাড়িয়ে দিল। যতটুকু ফাঁক পেল, ততটুকু দিয়ে তার নরম আঙুলগুলো বেরিয়ে এল আলোর দিকে। সে ভাবল, কেউ দেখবে। কেউ ডাক শুনবে। কেউ এসে বলবে, ভয় নেই মা, আমি আছি।

সে অপেক্ষা করল। এক মিনিট, দুই মিনিট, তারপর আরো কতক্ষণ, কেউ জানে না। তার ঠোঁট নড়ছিল, হয়তো মাকে ডাকছিল, হয়তো পানির কথা বলছিল, হয়তো শুধু বলছিল, আমাকে তুলে নাও।

কিন্তু কেউ এল না।

পৃথিবীর সভাগুলোতে তখন দীর্ঘ বক্তৃতা চলছিল। বিবৃতি লেখা হচ্ছিল, উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছিল। আর একটি শিশু ধ্বংসস্তূপের নিচে ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছিল, তার বাড়ানো হাতটি খোলা রেখেই।

শেষ মুহূর্তে সে মানুষের হাত পায়নি। কিন্তু নিষ্পাপ আত্মাটি একা ফেরেনি। তাকে গ্রহণ করলেন তার মহান রব, যিনি কখনো কারো ডাক ফিরিয়ে দেন না। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন বলছে, এই যুদ্ধে এমন হাজারো শিশু হারিয়ে গেছে, যাদের গল্প কেউ লেখেনি।

আজ সেই হাতটি আর নড়ে না। কিন্তু সে হাত প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে পুরো মানবজাতির সামনে। তুমি কোথায় ছিলে?

হে আল্লাহ, এই ছোট্ট মেহমানকে জান্নাতের সবুজ পাখি বানিয়ে দিন। আর আমাদের হৃদয়গুলো জাগিয়ে দিন, যেন আর কোনো শিশুর বাড়ানো হাত খালি না ফেরে।

Disclaimer: This is a humanitarian narrative based on reports from international news and humanitarian organizations. It is shared purely for awareness and does not promote violence, hatred, or any political agenda.

মুহাম্মদ রাজ (নওমুসলিম)

#মানবতা #গাজা #শিশু #যুদ্ধনয়শান্তি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিমের ম/র/দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।গতকা...
19/09/2026

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিমের ম/র/দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গতকাল বিকাল ৩টা থেকে অপ্রতিম মিসিং ছিলো। বয়স ১৩, ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় পরনের এই পাঞ্জাবিটা ছিল গায়ে। আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই।

আজ সকাল ১১টায় প্যারাডাইস রোডের পাশ থেকে তার ম/র/দেহ উদ্ধার করা হয়।

এই দেশে জন্ম নেয়াই আজন্ম পাপ। এরপরেও সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩২ দাত বের করে বলবে, কই দেশে খু/ন, স/ন্ত্রা/স হচ্ছে? আমি তো দেখি না! আর পালিত ছা/গ/লগুলা শেয়ার করে বলবে কি কুল! দেখেছেন!

এই দেশে ১৩ বছরের নিষ্পাপ ফুলের মতো ছেলে শিশুকে করা হয় খু/ন, আর মেয়ে শিশুকে করা হয় রে/প।

এ-দেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা কোথায়?

এই সিস্টেম আমাদের দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of the Ummah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Voice of the Ummah:

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Khulna.