PAIN inside

PAIN inside peace of mind!

(সাময়িক পোস্ট) 🏛️ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!প্রতিষ্ঠান: একটি সুপরিচিত রেস্টুরেন্টঅবস্থান: টাউন নওয়াপাড়া, ফকিরহাট, বাগেরহাটযোগ্য...
20/10/2025

(সাময়িক পোস্ট)

🏛️ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!

প্রতিষ্ঠান: একটি সুপরিচিত রেস্টুরেন্ট
অবস্থান: টাউন নওয়াপাড়া, ফকিরহাট, বাগেরহাট

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিকদের নিকট থেকে নিম্নোক্ত পদে নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে।

---

🍳 ১. সেফ (Chef) – ০১ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম এইচ.এস.সি. (অভিজ্ঞতা থাকলে শিথিলযোগ্য)
অভিজ্ঞতা: অন্তত ৩ বছর (ফাস্টফুড রান্নায় পারদর্শী হতে হবে)
বয়সসীমা: ২৫ – ৪০ বছর
অতিরিক্ত যোগ্যতা: নামাজী, পরিশ্রমী, স্মার্ট ও সুদর্শন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার

---

👨‍🍳 ২. সেফ হেলপার (Chef Helper) – ০২ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম এস.এস.সি. (অভিজ্ঞতা থাকলে শিথিলযোগ্য)
বয়সসীমা: ২০ – ৩৫ বছর
অতিরিক্ত যোগ্যতা: রান্নায় অভিজ্ঞতা, দায়িত্বশীলতা ও কর্মঠ মনোভাব থাকা আবশ্যক

---

🍽️ ৩. ওয়েটার (Waiter) – ০১ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম এইচ.এস.সি.
বয়সসীমা: ২০ – ৩৫ বছর
অতিরিক্ত যোগ্যতা: গ্রাহকসেবা মনোভাবসম্পন্ন, বিনয়ী ও সময়নিষ্ঠ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার

---

📋 সাধারণ শর্তাবলি:

1️⃣ আবেদনকারীর অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র (ভোটার আইডি কার্ড) সংযুক্ত করতে হবে।
2️⃣ আবেদনপত্রের সাথে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও প্রাসঙ্গিক প্রমাণপত্রাদি জমা দিতে হবে।
3️⃣ প্রার্থীগণকে ফোনে বা অনলাইনে যোগাযোগ করে, অথবা সরাসরি সশরীরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত হতে হবে।
4️⃣ বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে।
5️⃣ নামাজী, পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

---

📅 আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫

📍 কর্মস্থল: টাউন নওয়াপাড়া, ফকিরহাট, বাগেরহাট

📞 যোগাযোগ: ০১৯২১১১৪০৬৭ (মোবাইল ও WhatsApp)
📧 ই-মেইল: [email protected]

---

🌿 “অভিজ্ঞ, দক্ষ ও পরিশ্রমী প্রার্থীদের দ্রুত যোগাযোগের আহ্বান জানানো হচ্ছে।”

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ PAIN inside

 #মদিনার একটি হাসপাতালের আই সি ইউতে দীর্ঘ তিন বছর ধরে এভাবে অবচেতন অবস্থায় গভীর পর্যবেক্ষণে আছেন লোকটি। উনি একজন আলেম। ন...
19/09/2025

#মদিনার একটি হাসপাতালের আই সি ইউতে দীর্ঘ তিন বছর ধরে এভাবে অবচেতন অবস্থায় গভীর পর্যবেক্ষণে আছেন লোকটি। উনি একজন আলেম। নাম মাওলানা হেদায়াতুল ইসলাম। বাড়ি ফেনী। তিনি দুই হাজার বাইশের শুরুর দিকে উমরাহর সফরে মদিনা এসে হঠাৎ স্ট্রোক করে মালিক ফাহাদ হসপিটালে ভর্তি হন। সেই থেকে আজ অবধি তিনি আই সি ইউতে আছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি ঘটেনি। কথা বলতে পারেন না। নড়াচড়া করার শক্তিটুকুও নেই। বেঁচে থেকেও যেন মৃত।

তাঁর সাথে পরিবারের কেউ নেই। এমনকি পরিবারের কেউ তাঁর খবরটুকুও নেন না। আসলে দেশ থেকে খবর নেওয়ার তেমন সুযোগও নেই। দীর্ঘ এই তিন বছরের মধ্যে নাকি পরিবারের কেউ উনাকে দেখতেও আসেননি। পরিবারের সদস্যরা জানেনও না লোকটি বেঁচে আছেন নাকি পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। লোকটি তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক বলে জানতে পেরেছি। কিন্তু আজ তিন বছর ধরে তিনি একা। কেউ নেই তাঁর পাশে। স্ত্রী সন্তান থাকলেও পৃথিবীতে তিনি বড্ড একা। অসহায়।

উমরাহর সফরে যখন তিনি স্ট্রোক করেন তখন সাথে তাঁর স্ত্রীও ছিলেন। কিন্তু উমরাহর সফরের নির্দিষ্ট সময় শেষে স্ত্রী দেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান সংকটাপন্ন স্বামীকে আই সি ইউতে একা রেখে। রোগীর অবস্থা অপরিবর্তিত দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নাকি তাঁর স্ত্রীকে এখানে রোগীর সাথে অবস্থান করার প্রস্তাব দিয়েছিল। স্ত্রীর থাকা-খাওয়া সহ যাবতীয় ব্যয়ভার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথা সৌদির হজ্ব মন্ত্রণালয় বহন করবে বলে প্রস্তাবও নাকি করেছিল। কিন্তু তিনি রাজি হননি। তিনি চলে যান দেশে।

তিন বছর ধরে তিনি আই সি ইউতে আছেন। অবস্থার কোনো উন্নতি ঘটেনি। এভাবে আর কতদিন তিনি মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করবেন আল্লাহ ভালো জানেন। একজন রোগীকে আই সি ইউতে রাখার দৈনিক খরচ কী পরিমাণ হতে পারে তা হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরাই ভালো বলতে পারবেন। কিন্তু লোকটি সম্পূর্ণ ফ্রী চিকিৎসা পাচ্ছেন এই দীর্ঘ সময় ধরে। তাঁর চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ সৌদি আরবের হজ্ব মন্ত্রণালয় বহন করছে। দুর্ভাগ্য তিনি চেতনা ফিরে পাচ্ছেন না। তাঁর অবস্থা অপরিবর্তিত।

আজ আমরা তাঁর এক নিকট আত্মীয় সহ মদিনার আল মুয়াসাত হাসপাতালের সংরক্ষিত সুবিশাল আই সি ইউ কেবিনে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের পরিচয় জানতে পেরে জিজ্ঞাসা করেন, "উনার ছেলেসন্তান বা পরিবারের কেউ কি নেই? আরও বলেন, "এই আই সি ইউতে আরো অনেক রোগী রয়েছেন। যাদের স্বজনরা নিয়মিত দেখতে আসেন। খোঁজ নেন। কিন্তু এই রোগীর কোনো স্বজন কখনও আসেন না। খোঁজও নেন না। আমরা ভেবেছি তার পরিবারের কেউ নেই।"

ডাক্তার নার্স আর দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন অভিব্যক্তি শুনে কিছুক্ষণের জন্য থ বনে গিয়েছিলাম। ভাবতে লাগলাম, "আহ! কার জন্য এতসব আয়োজন? যেই স্ত্রী সন্তানের জন্য নিজের জীবনের সুখ আহ্লাদ সব ত্যাগ করে মানুষ রাতদিন পরিশ্রম করে সেই স্ত্রী সন্তান বা পরিবারপরিজনকে যদি জীবনের কঠিন অন্তিম মুহূর্তে পাশে না পায় তাহলে এই জীবনের স্বার্থকতা কী? এটাই বুঝি দুনিয়ার বাস্তবতা? মায়া ভালবাসা আবেগ এসব বুঝি শুধুই অভিনয়? দিনশেষে আসলেই কেউ কারো নয়? সবাই একা?

কিয়ামতের কঠিন দিনে স্ত্রী প্রাণপ্রিয় স্বামীকে চিনবে না। মা-বাবা প্রাণপ্রিয় সন্তানকে চিনবে না। আদরের ভাই বোনকে চিনবে না। সবাই ইয়া নাসফি ইয়া নাফসি করবে। রক্তের বন্ধনগুলো একে একে অচেনা হয়ে যাবে। কেউ পাশে দাঁড়াবে না। এতদিন এসব কথা কোরআন হাদিস থেকে শুধু শুনে এসেছি। অস্বাভাবিক অসম্ভব মনে হতো। কিন্তু আজকের এই ঘটনা আমার চোখ খুলে দিয়েছে। আমাকে এটুকু বুঝতে শিখিয়েছে যে, দুনিয়ার সামান্য অসুস্থতা যদি মানুষকে এতো দূরে ঠেলে দিতে পারে, তাহলে আখিরাতের ভয়াবহ দিনের বাস্তবতা ঠিক কেমন হতে পারে..!?
PAIN inside

07/06/2025

Natural beauty ✨

বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেখানে ফোনের রিংটোন ও নোটিফিকেশন এক মুহূর্তের জন্যও থামে না, সেখানে কিছু মানুষ আছেন যারা সচেতনভাবেই...
29/03/2025

বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেখানে ফোনের রিংটোন ও নোটিফিকেশন এক মুহূর্তের জন্যও থামে না, সেখানে কিছু মানুষ আছেন যারা সচেতনভাবেই তাদের ফোনটি সাইলেন্ট মুডে রাখেন— এমনকি গুরুত্বপূর্ণ কলের অপেক্ষায় থাকলেও। এই অভ্যাস শুধু কাকতালীয় নয়, বরং এটি তাদের জীবনধারার একটি সচেতন সিদ্ধান্ত।

এ ধরনের ব্যক্তিদের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়, যা তাদের কর্মপদ্ধতি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং মানসিক প্রশান্তির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক সর্বদা ফোন সাইলেন্টে রাখা ব্যক্তিদের ৮টি আকর্ষণীয় অভ্যাস—

১. তারা নিজেদের সময় ও মনোযোগের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন।

ফোনের প্রতিটি নোটিফিকেশন বা রিংটোনের ওপর নির্ভরশীল না থেকে, তারা নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী মেসেজ ও কল চেক করেন। এটি তাদের কাজের প্রতি মনোযোগী করে তোলে এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যাঘাত এড়াতে সাহায্য করে।

২. গুরুত্বপূর্ণ কলের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখেন।

সাইলেন্ট ফোন মানে দায়িত্বহীনতা নয়। তারা গুরুত্বপূর্ণ কল মিস না করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখেন, যেমন— বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের কলের আগে মেসেজ করতে বলা, নির্দিষ্ট সময়ে কল চেক করা, বা ক্যালেন্ডারে রিমাইন্ডার সেট করা।

৩. এলোমেলো নোটিফিকেশনের ওপর নির্ভরশীল নন।

তারা টু-ডু লিস্ট বা ডিজিটাল ক্যালেন্ডারের সাহায্যে কাজের তালিকা তৈরি করেন, যাতে রিংটোন বা নোটিফিকেশন ছাড়াই কাজের ধারা অব্যাহত থাকে। এটি তাদের সংগঠিত ও স্বনির্ভর হতে সহায়তা করে।

৪. বাস্তব জীবনের মুহূর্তে গভীরভাবে উপস্থিত থাকেন।

যেহেতু তাদের ফোনের স্ক্রিন ক্রমাগত জ্বলজ্বল করে না, তাই তারা সামনাসামনি কথোপকথনে গভীর মনোযোগ দিতে পারেন। এটি তাদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।

৫. তারা সুস্পষ্টভাবে সীমারেখা নির্ধারণ করেন।

সাইলেন্ট মুডে ফোন রাখার কারণে কেউ ভুল বোঝাবুঝির শিকার না হয়, সে জন্য তারা আগেভাগেই পরিচিতদের জানিয়ে দেন— “আমার ফোন সাধারণত সাইলেন্টে থাকে, তাই মেসেজ করুন”। এটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা তৈরি করে।

৬. তারা "ফিয়ার অব মিসিং আউট" (FOMO) থেকে মুক্ত।

অনেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মিস হওয়ার ভয়ে ফোনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থাকেন, কিন্তু সাইলেন্ট মুড অনুসরণকারীরা বুঝতে পারেন যে সত্যিই জরুরি কিছু হলে মানুষ অন্য উপায়েও যোগাযোগ করবে। ফলে তারা অযথা উদ্বেগ থেকে মুক্ত থাকতে পারেন।

৭. তারা প্রতিদিন ছোট ছোট বিরতি নিয়ে ডিজিটাল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

সব সময় ফোন বাজছে না বলে তারা নির্বিচারে ডিজিটাল বিশ্বে ডুবে থাকেন না। তারা বই পড়া, কাজ করা বা অবসর উপভোগ করার সময় সম্পূর্ণভাবে সেটিতে মনোযোগ দিতে পারেন।

৮. তারা নির্দিষ্ট সময়ে গভীরভাবে সংযোগ স্থাপন করেন।

সাইলেন্ট ফোন মানে যোগাযোগ এড়ানো নয়। বরং তারা নির্দিষ্ট সময়ে ফোন চেক করে আরও মনোযোগী হয়ে উত্তর দেন, যা কথোপকথনকে আরও তাৎপর্যময় করে তোলে।
_________________
সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PAIN inside posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share