23/08/2026
কোরআনের শিক্ষা নিয়ে ভাবলে একটা বিষয় খুব স্পষ্ট যে..... আমরা যেটাকে “সুখ” বলে খুঁজি, আল্লাহ যেন তার চেয়েও বেশি "সন্তুষ্ট" থাকতে শেখান।
তোমার যা আছে, যেভাবে আছো সবকিছু পারফেক্ট না হলেও, আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্ট থাকতে শেখো। কারণ জীবনে সব চাওয়া পূরণ হবে না, সবকিছু নিজের মনের মতোও হবে না। তবুও সেই অসম্পূর্ণতার মাঝেও শান্তিতে থাকা সম্ভব।
আমরা প্রায়ই নিজের জীবনের দিকে তাকাই না, তাকাই অন্যের জীবনের দিকে। কে কত ভালো আছে, কার কী আছে, কে কোথায় পৌঁছে গেছে, এসব দেখতে দেখতে নিজের পাওয়া নিয়ামতগুলোই আমাদের চোখে ছোট হয়ে যায়!
তোমার চেয়ে যে উপরে আছে, তার দিকে তাকিয়ে আফসোস কোরো না। বরং তোমার চেয়ে কষ্টে থাকা মানুষটির দিকে তাকাও।
তখন হয়তো বুঝবে, যে জীবনটাকে তুমি নিয়ে এত অভিযোগ করছো, সেই জীবনেও কত কিছু আছে! যার জন্য অন্য কেউ প্রতিদিন দোয়া করছে।
কেউ তোমার চেয়ে বেশি নিয়ামত পেয়েছে এমনটা ভেবে নিজের জীবনকে ছোট করারও প্রয়োজন নেই। তুমি শুধু তার পাওয়া দেখছো, তার না-পাওয়া দেখছো না! তার হাসিটা দেখছো, তার ভেতরের কষ্টটা জানো না!
আল্লাহ প্রত্যেককে একই রকম জীবন দেননি। কারও প্রাপ্তি দিয়ে পরীক্ষা নেন, কারও অপূর্ণতা দিয়ে। কেউ কর্মগুণে পায়, আবার কেউ নিজের কর্ম গুণেই হারায়।
তাই অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের জীবনের হিসাব মেলাতে যেও না।
সবকিছু নিজের মন মতো না হলেও একবার বলো......“আলহামদুলিল্লাহ, আমার আল্লাহ যা দিয়েছেন, তাতেই আমি সন্তুষ্ট।
কারণ তিনি জানেন, আমার জন্য কোনটা প্রয়োজন আর কোনটা আমার জন্য কল্যাণকর।”
সুখ হয়তো সবসময় বেশি পাওয়ার মধ্যে নেই।
সুখ হলো অল্পের মধ্যেও শান্তি খুঁজে পাওয়া, প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর অপূর্ণতার মাঝেও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা।
যেদিন নিজের জীবনের অভাবের চেয়ে নিয়ামতগুলো গুনতে শিখবে, সেদিন হয়তো বুঝবে......
তোমার জীবনটা যতটা অপূর্ণ মনে হতো, আসলে ততটা অপূর্ণ ছিল না। 🤍
✍️.........Bristi