BD News Center

BD News Center Fastest growing Online News Portal of Bangladesh : Daily National and International News ,Sports , Business , Culture & Entertainment.

BD News Center are committed to Patriotism, Truth, Dignity, National and Social Norms & Values.

মিসরের কোচ আশাবাদী, প্রথম থেকেই সালাহকে পাবেন তাঁরামোহাম্মদ সালাহ কি বিশ্বকাপের প্রথম থেকেই খেলতে পারবেন? মিসরের কোচ হেক...
06/06/2018

মিসরের কোচ আশাবাদী, প্রথম থেকেই সালাহকে পাবেন তাঁরা

মোহাম্মদ সালাহ কি বিশ্বকাপের প্রথম থেকেই খেলতে পারবেন? মিসরের কোচ হেক্টর কুপার মনে করেন ব্যাপারটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।
মিসর কি কেবল মোহাম্মদ সালাহর ওপরই নির্ভরশীল? লিভারপুলের এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরেই বিশ্বকাপে দুর্দান্ত কিছু করার স্বপ্ন দেখছিল ১৯৯০ সালের পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে নাম লেখানো মিসর। ‘দেখছিল’ বলার কারণ, চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের পর সেই স্বপ্নটা কিছুটা ফিকে হওয়ারই শঙ্কার মধ্যে ছিল। রিয়াল মাদ্রিদ ডিফেন্ডার সার্জিও রামোসের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে মাঠ ছাড়ার পর তাঁর বিশ্বকাপই তো সংশয়ের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল এই তারকার। তবে শঙ্কা পেছনে ফেলে সালাহকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নিবিড় চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠার পথেই তিনি। মিসর কোচ হেক্টর কুপার তো মনে করেন সালাহকে উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ থেকেই পাবে তাঁর দল।
অন্তত একটি ম্যাচে পাওয়া যাবে—এমনটা মনে করেই সালাহকে ২৩ জনের প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছে। স্কাই স্পোর্টসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোচ কুপার জানিয়েছেন, এই মৌসুমে ইংলিশ লিগের সেনসেশন তাঁর পুনর্বাসনের শেষ ধাপেই আছেন, ‘তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে। শেষ ধাপেই সে আছে। আমরা তাকে উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই পেতে চাই। তবে সেটি কঠিন চাওয়া। তবে আমার মনে হয় অসম্ভব কিছু নয়।’
মিসর সালাহকে ঘিরে স্বপ্ন দেখলেও কোচ কুপার চান তাঁর প্রতি নির্ভরশীলতা কমাতে, ‘আশা করছি, সালাহর চোট আমাদের খুব প্রভাবিত করবে না। সালাহ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে সে যদি যথাসময়ে সেরে না ওঠে, তাহলে আমরা তার বদলি খেলোয়াড় নিয়ে তৈরি থাকব। এটাই ফুটবল। যেকোনো খেলোয়াড়ই চোটে পড়তে পারে। আমাদের তাকে বদলি করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে আশা করছি তেমনটা ঘটবে না।’
লিভারপুলের হয়ে এই মৌসুমে ৪৪ গোল করেছেন সালাহ। ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ও তিনি। প্রথম আফ্রিকান হিসেবে এই পুরস্কার জেতার গৌরবটা আরও চমৎকারভাবে তিনি উপভোগ করতে পারবেন, যদি বিশ্বকাপে কিছু করতে পারেন। সেই সুযোগ তিনি প্রথম থেকেই পাবেন কি না, সেটা ভবিষ্যৎই বলবে। আপাতত আশায় বুক বাঁধতে তো ক্ষতি নেই!

মেসি-নেইমারদের এক গোলেই মিলবে ১০ হাজার শিশুর খাবার=========================প্রতি মৌসুমে কত কত গোল করেন মেসি ও নেইমার। সে...
01/06/2018

মেসি-নেইমারদের এক গোলেই মিলবে ১০ হাজার শিশুর খাবার
=========================
প্রতি মৌসুমে কত কত গোল করেন মেসি ও নেইমার। সে গোলের মূল্য হিসেবে তাঁদের দল পায় জয়। সমর্থকেরা পায় অনাবিল আনন্দ। কিন্তু সেই একেকটি গোল যদি রূপ নেয় খাদ্যে; আর সে খাদ্যে যদি ক্ষুধা মেটে হাজার হাজার বুভুক্ষু মানুষের? মেসি-নেইমাররা এখন এমন অনুপ্রেরণা নিয়েই খেলতে নামবেন মাঠে।

লাতিন আমেরিকা অঞ্চলটা মূলত পরিচিত ফুটবলের জন্যই। ফুটবল বাদে সামগ্রিকভাবে চিন্তা করলে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার দেশগুলো প্রতিনিয়ত লড়ছে দারিদ্র্যের সঙ্গে। অনেক শিশুই জানে না পরের খাবারটি সময়মতো জুটবে কি না। তাই লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে খাদ্য দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে মাস্টারকার্ড। গতকাল শুরু হয়েছে এ প্রকল্প। ২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত মেসি ও নেইমার যতবার আন্তর্জাতিক কোনো টুর্নামেন্টে গোল করবেন, ততবার ১০ হাজার শিশুর জন্য মাস্টারকার্ড খাদ্য পাঠাবে জাতিসংঘের বিশ্বখাদ্য প্রকল্পের কাছে।

মেসি এ প্রকল্পে অংশ নিতে পেরে তৃপ্ত, ‘আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আসলেই অনেক গর্বিত। এই ছোট্ট কাজটা হাজার হাজার শিশুর মুখে এক চিলতে হাসি ফোটাবে।’ নেইমারও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অনেক খুশি, ‘আমরা চাই এই এলাকার প্রতিটি লোকের হাতে এক থালা খাবার, আর বুকভর্তি আশা থাকুক। আমরা লাতিন আমেরিকানরা বড় কোনো বিষয়ে একত্র হতে জানি। আমরা একসঙ্গে ক্ষুধার বিপক্ষে লড়ব।’

মাস্টারকার্ডের আঞ্চলিক মুখপাত্র অ্যানা ফেরেলের মতে, এই কাজটি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক উপকারী হবে। প্রায় ৪ কোটির মতো মানুষ লাতিন আমেরিকা আর ক্যারিবিয়ান অঞ্চল মিলে ক্ষুধার জ্বালায় কষ্ট পাচ্ছে, যাদের বেশির ভাগই শিশু। দারিদ্র্য দূর করতে এটি একটি পদক্ষেপমাত্র। মাস্টারকার্ড জানিয়েছে, এর মাঝেই ৩ লাখ খাবার তারা দিয়েছে এ প্রকল্পে।

সালাহ মিসরের আনন্দ ও কান্না!=====================মোহাম্মদ সালাহর ইনজুরিতে পুরো মিসর যেন এখন কাঁদছে! রং হারিয়ে ফেলা নীল ন...
30/05/2018

সালাহ মিসরের আনন্দ ও কান্না!
=====================

মোহাম্মদ সালাহর ইনজুরিতে পুরো মিসর যেন এখন কাঁদছে! রং হারিয়ে ফেলা নীল নদের পানি যেন হয়ে আবারও উঠেছে নীল! পুরো দেশটির মধ্যমণি হয়ে ওঠা সালাহকে বিশ্বকাপে দেখা যাবে কি না এ নিয়ে ধোঁয়াশা। নায়কই যদি না থাকে, তাহলে আর মিসরীয়দের জন্য কিসের বিশ্বকাপ! এক সালাহই যাদের জন্য হয়ে উঠেছিল উৎসবের উপলক্ষ, সেই সালাহই এখন দুঃখের নাম। কেনই-বা হবে না?

সালাহ মিসরকে কি না দিয়েছেন! ২০১১ সালে আরব বসন্তর ভয়াবহতা কমে আসলেও পুরো দেশটি এখনো অস্থিরতা মধ্য দিয়ে চলছে। অর্থনৈতিক মন্দা গিলে খাচ্ছে দেশটিকে। সামরিক শাসনের জাঁতাকলে বিদ্ধ দেশের সাধারণ জনগণ। আনন্দ কী, তা তো দেশটির মানুষ ভুলেই গিয়েছিল। সেই হাসি ফিরিয়ে এনেছেন সালাহ। তাঁর হাতে কোনো জাদু নেই, পায়ের জাদুতে মিসরীয়দের সব দুঃখ ভুলিয়ে দিয়েছেন। ২৮ বছর পর দেশকে নিয়ে গিয়েছেন বিশ্বকাপে। এ ছাড়া আর্থিক অনুদান হিসেবে দেশকে দিয়েছেন পাঁচ মিলিয়ন মিসরীয় পাউন্ড। এর পর থেকেই সালাহ মানে মিসরীয়দের কাছে ‘শান্তির এক বার্তা’।

সালাহ লিভারপুলের জার্সিতে মাঠে নামলে পুরো দেশটি যেন থেমে যায়। লিভারপুলের লাল জার্সিতে মিশরই যেন হয়ে ওঠে অলরেডদের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ড। টিভির পর্দায় চোখ আটকে থাকে সবার। সালাহ যতক্ষণ মাঠে থাকে ততক্ষণ থমকে থাকে পিরামিডের দেশ। তাঁদের আনন্দ ও উৎসব একজনকে ঘিরেই, সালাহ।

দেশটির ইতিহাসের সেরা ফুটবলারের জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে না দাঁড়িয়েও ১০ লাখ ভোট পেয়েছেন তিনি। ব্যালট পেপারে থাকা দুই প্রার্থীর নাম কেটে দিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে লিভারপুলের উইঙ্গারের নাম লিখে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। এ ছাড়া দেশটির একটি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সালাহর প্রতি গোলের জন্য বিনা মূল্যে ১১ মিনিট কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছিল শেষ দিকে। ৪ কোটিরও বেশি গ্রাহকের একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বেশ বড় এক সিদ্ধান্ত!

লিভারপুলের জার্সিতে এ মৌসুমে ৪৪ গোল করা সালাহকে নিয়েই বিশ্বকাপে স্বপ্ন বুনছিলেন মিসরীয়রা। কিন্তু সেই সালাহই যদি এখন না থাকে তাহলে তো মিসরের জন্য চিন্তার বিষয়ই। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে সার্জিও রামোসের করা ট্যাকলে কাঁধে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। ফলে বিশ্বকাপে সালাহকে পাওয়া নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা। পুরো মিশরই যেন সালাহর জন্য কাঁদছে। চলছে প্রার্থনা, ‘সালাহকে সুস্থ করে দাও।’

সৌদিতে ভবনে আগুন, ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু-সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি আবাসিক ভবনে আগুন লেগে ৬ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আ...
14/04/2018

সৌদিতে ভবনে আগুন, ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু-

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি আবাসিক ভবনে আগুন লেগে ৬ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আর অন্তত ৮ জন। রিয়াদে অবস্থিত আল নুরা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কূটনীতিক জানিয়েছেন।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, ওই ভবনে বাংলাদেশিসহ কয়েকটি দেশের নির্মাণশ্রমিকেরা থাকতেন। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছেন। আট-১০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের লাশ ও আহত ব্যক্তিদের রিয়াদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ্‌ প্রথম আলোকে টেলিফোনে বলেন, ওই ভবনে আগুনে হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন।

দূতাবাসের শ্রমবিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ওই ভবনে অর্ধশত লোক বাস করেন। আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তাঁরা তথ্য পেয়েছেন।

নিহত ছয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। তাঁরা হলেন সিলেটের জোবায়ের, নরসিংদীর রবিন, গাজীপুরের হিমেল, কিশোরগঞ্জের ইকবাল, নারায়ণগঞ্জের মো. মজিদ, যাত্রাবাড়ীর সোলেমান।

13/04/2018
তিন বছরের জেল হতে পারে স্টোকসের!ক্রিকেট ক্যারিয়ারই হুমকির মুখে পড়ে যেতে পারে ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের। গত সেপ্টেম্ব...
16/01/2018

তিন বছরের জেল হতে পারে স্টোকসের!

ক্রিকেট ক্যারিয়ারই হুমকির মুখে পড়ে যেতে পারে ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের। গত সেপ্টেম্বর ব্রিস্টলে নাইট ক্লাবের বাইরে মারামারির ঘটনাটিকে গতকাল ‘প্রকাশ্যে দাঙ্গা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইংল্যান্ডের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) নামের বিশেষ আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর তিন বছরের জেলও হতে পারে।

ইংলিশ ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) জানিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৈঠক করে তারা সিদ্ধান্ত নেবে, আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরে স্টোকস আদৌ খেলতে পারবেন কি না। ব্রিস্টলের মারামারির ঘটনার পর অ্যাশেজ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে খেলার অনুমতি না পাওয়া এই ক্রিকেটার নিউজিল্যান্ড সফরে ইংল্যান্ড দলে নির্বাচিত হয়েছেন ইতিমধ্যেই। গত সেপ্টেম্বরের সেই মারামারির ঘটনার পর ইসিবি স্টোকসকে অনির্ধারিত সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করে।

গত ২৬ নভেম্বর অ্যাভন ও সমারসেট পুলিশ স্টোকসের বিরুদ্ধে সিপিএস আদালতে একটি অভিযোগ পেশ করে। সেই অভিযোগপত্রে স্টোকসের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কথা বলা হয়। গত ডিসেম্বর মাসে এ ব্যাপারে আরও কিছু প্রমাণ আদালতে পেশ করা হয়।

সিপিএসের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সব তথ্য-প্রমাণ আমলে নিয়ে, এসব বিশ্লেষণ করে সিপিএস সোমবার স্টোকসসহ আরও দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে দাঙ্গা-হাঙ্গামার মাধ্যমে ব্রিস্টল শহরের কেন্দ্রে জননিরাপত্তা বিনষ্টের অভিযোগ আনে। খুব শিগগির স্টোকসকে ওই দুই ব্যক্তির সঙ্গে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।

অ্যাশেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে না পারা স্টোকস এখন আইপিএল থেকে বাদ পড়ার হুমকির মধ্যে আছেন। গত আইপিএলে সাড়ে ১৪ কোটি রুপিতে পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। তাঁকে পেতে এবারও আগ্রহী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তবে ইংল্যান্ডের প্রচলিত আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে দীর্ঘ মেয়াদে হয়তো সাজা অপেক্ষা করছে এই ক্রিকেটারের জন্য। স্টোকসকে নিলে কোনো ঝুঁকি আছে কি না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে চায় আইপিএলের দলগুলো।

ইসিবি যদিও তাঁর আইপিএল খেলার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। তবে আদালত কী রায় দেবেন, কবে দেবেন, এরপরের আইনি পদক্ষেপগুলো কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শঙ্কার মুখে, সাকিবদের সতর্কবার্তাবাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি...
10/01/2018

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শঙ্কার মুখে, সাকিবদের সতর্কবার্তা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বার্ষিক সভায় নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। সিডনিতে মঙ্গলবার এবং বুধবার সেই সভায় যোগ দিয়ে এমসিসি কমিটিকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অশনিসংকেতের কথাই শুনিয়েছেন সাকিব। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে পাওয়া আয়ে ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টো আর সাকিবের বিপরীতমুখী অবস্থান তুলে ধরে এমসিসি এই বলে সতর্ক করেছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের যে বেতনের বৈষম্য, তা কমানো না গেলে দেশের হয়ে খেলার আগ্রহ হারাবে ক্রিকেটাররা। স্পট ফিক্সিংয়ের মতো দুর্নীতিও কমানো যাবে না।

এই কমিটিতে সাবেকদের মধ্যে রিকি পন্টিং, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, কুমার সাঙ্গাকারারাও আছেন। সাকিব সেখানে বলেছেন, বাংলাদেশের অসংখ্য তরুণ ক্রিকেটার টেস্ট ক্রিকেটকে আর তাঁদের লক্ষ্য হিসেবে দেখেন না। টেস্টের তুলনায় টি-টোয়েন্টি থেকে বেশি আয়ের সুযোগ থাকাই এর কারণ।

জাতীয় দল ছেড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রতি ঝুঁকে পড়ার আগ্রহ বাড়ছে ক্রিকেটারদের মধ্যে। এমসিসি কমিটির সদস্য এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক পন্টিং এ ব্যাপারে বলেন, ইংলিশ কিংবা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের আপনি জাতীয় দল ছেড়ে আইপিএল খেলতে দেখবেন না। এর কারণ তারা (বোর্ড) খেলোয়াড়দের সন্তোষজনক পারিতোষিক দিয়ে থাকে। তাই বছরের বেশির ভাগ সময় ধরে টেস্টে সেরা খেলোয়াড় পেতে ইংল্যান্ড কিংবা অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি চুক্তি নিশ্চিত করা উচিত। এতে তাঁদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার আগ্রহে ভাটা পড়বে না।

সাকিবের কথার সূত্র ধরে পন্টিংয়ের ভাষ্য, ‘সাকিব উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনেক দিন ধরে চলে আসা কিছু সমস্যা আর ঘটনার কথা বলেছে। সে এও বলেছে, টাকা (সারা বিশ্বে ক্রিকেট থেকে যে পরিমাণ আয় হয়, এর অংশ) কোথায় যায় সেটা আইসিসিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সে জানে বিশাল অঙ্কের টাকা হয়তো সঠিক জায়গাতেই যাচ্ছে, কিন্তু খেলোয়াড়দের কাছে যেভাবে যাওয়া উচিত, সেভাবে নয়।’

এই ধারা চলতে থাকলে বাংলাদেশের মতো টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘ ঐতিহ্য বা অবকাঠামো নেই, এমন দেশগুলোতে বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেট আরও অগুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়বে। কেবল গৌরবের কথা বলে আর তরুণ ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটে টানা যাবে না। অন্তত এখনকার বাস্তবতায়। ২০ ওভারের ক্রিকেট তরুণদের কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলে, শুধু টেস্ট নয়; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গুরুত্ব অনেক দেশের খেলোয়াড়দের কাছে কমে যাবে বলে শঙ্কার সুর উঠেছে এমসিসির সভায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দেশের ক্রিকেটাররা এর ভালো উদাহরণ।

সাকিবের আহ্বানের প্রতি তাই সায় দিয়েছেন পন্টিং, ‘আমরা দেখতে চাই, টাকা যেখানে যাওয়া উচিত—সেই খেলোয়াড়দের পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে আরও সম্পৃক্ত হবে আইসিসি। এটাও বুঝতে হবে, ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টগুলো খেলোয়াড়দের দেশের প্রতিনিধিত্ব না করার ব্যাপারটি আরও সহজ করে দিচ্ছে, সেটা আরও ভালো বেতন-ভাতা দেওয়ার মধ্য দিয়ে। আইপিএল এ ক্ষেত্রে সম্ভবত সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখে অন্যান্য দেশের ঘরোয়া টুর্নামেন্টকেও প্রভাবিত করছে। এ ধরনের টুর্নামেন্ট খেলার জন্য আপনি কিন্তু খেলোয়াড়দের দোষ দিতে পারবেন না।’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশভেদে খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতার এন্তার পার্থক্য রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ গত বছর আয় করেছেন প্রায় ১৫ লাখ ডলার। অথচ এই একই সময়ে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমারের আয় ৮৬ হাজার ডলার! সাকিব অবশ্য ক্রেমারের চেয়ে বেশি আয় করেছেন। গত বছর ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার আয় করেছেন দেশসেরা এ ক্রিকেটার। টেস্ট খেলুড়ে ১০টি দেশের মধ্যে আয়ে সাকিব কিন্তু শুধু ক্রেমারের চেয়েই এগিয়ে।

বাবরির প্রায়শ্চিত্ত! আমির হয়ে মসজিদ সারাচ্ছেন বলবীরসংবাদ সংস্থা২৫ বছর আগে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের মাথায় উঠে শাবলের ঘা মের...
01/01/2018

বাবরির প্রায়শ্চিত্ত! আমির হয়ে মসজিদ সারাচ্ছেন বলবীর
সংবাদ সংস্থা
২৫ বছর আগে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের মাথায় উঠে শাবলের ঘা মেরেছিলেন তিনি।

এখন লম্বা দাড়ি রেখে তিনি মৌলবি। ভেঙে পড়া শ’খানেক মসজিদ সারাতে চান তিনি।
যেন প্রায়শ্চিত্ত!
এক সময় শিবসেনার সক্রিয় কর্মী বলবীর সিংহ এখন হয়ে গিয়েছেন মহম্মদ আমির। আল্লার নাম জপেন সব সময়। ভোরে আজান করেন। নিয়মিত।

বাবরির মাথায় শাবলের ঘা দেওয়ার পর সব খুইয়েছিলেন বলবীর। বাবা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। না, স্ত্রীও সেই সময় তাঁর হাত ধরে বেরিয়ে আসেননি। বাবার মৃত্যুর পর বাড়ি ফিরে শুনেছিলেন, বাবা নাকি বলে গিয়েছিলেন, তাঁর দ্বিতীয় সন্তানের (বলবীর) মুখ যেন বাড়ির কেউ আর না দেখেন। এমনকী, বলবীরকে যেন তাঁর বাবার মুখাগ্নিও করতে না দেওয়া হয়।

বদলের আরেক নাম যোগেন্দ্র পাল। বলবীরের বন্ধু। ২৫ বছর আগে যিনি বলবীরের সঙ্গেই উঠেছিলেন বাবরির মাথায়। শাবলের ঘায়ে ভেঙেছিলেন মসজিদ। বহু দিন আগেই যিনি হয়ে গিয়েছেন পুরোদস্তুর মুসলিম।

এই বদলে যাওয়াটা সম্ভব হল কী ভাবে?
বলবীর বলছেন, সেটাই স্বাভাবিক ছিল। কারণ, তাঁর পরিবার কোনও দিনই উগ্র হিন্দু ছিলেন না। ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর ইংরেজি, এই তিনটি বিষয়ে এমএ ডিগ্রি পাওয়া বলবীর তাঁর মা, বাবা, ভাই, বোনদের নিয়ে ছোটবেলায় থাকতেন পানিপথের কাছে খুব ছোট্ট একটা গ্রামে। বলবীরের বয়স যখন ১০, তখন তিনি ও তাঁর ভাইদের পড়াশোনার জন্য বলবীরের বাবা দৌলতরাম তাঁদের নিয়ে চলে যান পানিপথে।

বলবীরের কথায়, ‘‘আমার বাবা বরাবরই গাঁধীবাদে (মহাত্মা গাঁধী) বিশ্বাসী। তিনি দেশভাগ দেখেছিলেন। তার যন্ত্রণা বুঝেছিলেন। তাই আমাদের আশপাশে যে মুসলিমরা থাকতেন, উনি তাঁদের আগলে রাখতেন সব সময়। কিন্তু পানিপথের পরিবেশটা ছিল অন্য রকম। হরিয়ানার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা লোকজনরা তেমন মর্যাদা পেতেন না পানিপথে।’’

ফলে একটা গভীর দুঃখবোধ সব সময় তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত বলবীরকে। সেই পানিপথেই একেবারে অচেনা, অজানা আরএসএসের একটি শাখার কর্মীরা বলবীরকে দেখা হলেই ‘আপ’ ‘আপ’ (আপনি, আপনি) বলে সম্বোধন করতেন।

বলবীর বলছেন, ‘‘সেটাই আমার খুব ভালো লেগেছিল। সেই থেকেই ওদের (আরএসএস) সঙ্গে আমার ওঠবোস শুরু হয়। শিবসেনা করতে করতেই বিয়ে করি। এমএ করি রোহতকের মহর্ষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ওই সময় প্রতিবেশীরা ভাবতেন আমি কট্টর হিন্দু। কিন্তু বাবা কোনও দিনই মূর্তি পূজায় বিশ্বাস করতেন না। আমরা কোনও দিনই যেতাম না মন্দিরে। বাড়িতে একটা গীতা ছিল ঠিকই, কিন্তু আমি বা আমার ভাইয়েরা কেউই সেটা কখনও পড়িনি। পানিপথে কেউ বাঁ হাতে রুটি খেলেও তখন তাঁকে ‘মুসলিম’ বলে হেয় করা হয়।’’

শিবসেনার লোকজনদের কাছ থেকে ‘সম্মান’ পেয়ে তাঁদের ভালো লেগে যায় বলবীরের। শিবসেনাই তাঁকে অযোধ্যায় পাঠিয়েছিল বাবরি ভাঙতে। পাঠিয়েছিল বলবীরের বন্ধু যোগেন্দ্র পালকেও। তাঁরা হয়ে যান করসেবক।

বলবীর জানিয়েছেন, বাবরি ভেঙে পানিপথে ফিরে যাওয়ার পর সেখানে তাঁকে ও যোগেন্দ্রকে তুমুল সংবর্ধনা জানানো হয়। তাঁরা যে দু’টি ইট এনেছিলেন বাবরির মাথায় শাবল চালিয়ে, সেগুলি পানিপথে শিবসেনার স্থানীয় অফিসে সাজিয়ে রাখা হয়।

কিন্তু বাড়িতে ঢুকতেই রে রে করে ওঠেন বলবীরের বাবা দৌলতরাম। বলবীরের কথায়, ‘‘বাবা আমাকে বললেন, হয় তুমি এই বাড়িতে থাকবে, না হলে আমি। তো আমিই বেরিয়ে গেলাম বাড়ি থেকে। আমার স্ত্রীও বেরিয়ে এল না। থেকে গেল বাড়িতেই।’’

ওই সময় ভবঘুরের মতো জীবন কাটিয়েছেন বলবীর। জানিয়েছেন, লম্বা দাড়িওলা লোক দেখলেই ভয়ে আঁতকে উঠতেন তখন। বেশ কিছু দিন পর বাড়িতে ফিরে জানতে পারেন, বাবা মারা গিয়েছেন। তিনি বাবরি ভাঙায় যে দুঃখ পেয়েছিলেন বাবা, তাতেই নাকি তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এর পর পুরনো বন্ধু যোগেন্দ্রের খোঁজখবর নিতে গিয়ে আরও মুষড়ে পড়েন বলবীর। জানতে পারেন, যোগেন্দ্র মুসলিম হয়ে গিয়েছেন। যোগেন্দ্র নাকি তখন বলবীরকে বলেছিলেন, বাবরি ভাঙার পর থেকেই তাঁর মাথা বিগড়ে গিয়েছিল। যোগেন্দ্রর মনে হয়েছিল পাপ করেছিলেন বলেই সেটা হয়েছে। প্রায়শ্চিত্ত করতে গিয়ে তাই মুসলিম হয়ে যান যোগেন্দ্র।

এর পরেই আর দেরি না করে সোনেপতে গিয়ে মৌলানা কালিম সিদ্দিকির কাছে মুসলিম ধর্মে দীক্ষা নেন বলবীর। হয়ে যান মহম্মদ আমির।

‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতে কী কী করতে চান বলবীর সিংহ ওরফে মহম্মদ আমির?

বলবীরের কথায়, ‘‘কম করে ভেঙে পড়া শ’খানেক মসজিদকে মেরামত করতে চাই।’’

বলবীরের দাবি, ১৯৯৩ থেকে ২০১৭, এই ২৪ বছরে উত্তর ভারতের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে মেওয়াটে বেশ কিছু ভেঙে পড়া মসজিদ খুঁজে বের করে সেগুলির মেরামত করেছেন তিনি। উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের কাছে মেন্ডুর মসজিদও নাকি সারিয়েছেন বলবীরই। সেই কাজে মুসলিমরাই তাঁকে এগিয়ে এসে সাহায্য করেছেন, দাবি বলবীরের।

চিকিৎসকদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
28/12/2017

চিকিৎসকদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

উপজেলায় ডাক্তার না থাকলে চাকরিচ্যুতি করা হবে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

25/12/2017

ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ যা বললেন

Address

Chief Executive Officer At Bissnesman
Khulna
3571

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD News Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share