15/05/2026
জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল সম্পর্কে বয়ান।
وَالْفَجْرِ ﴿١﴾ وَلَيَالٍ عَشْرٍ ﴿٢﴾
শপথ ভোরের, এবং দশ রাতের। (ফজর: ১-২)
অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে, এখানে 'দশ রাত' বলতে জিলহজ্জের প্রথম ১০ রাতকেই বোঝানো হয়েছে।
২,রাসূলুল্লাহ (সা.) এই দিনগুলোতে ইবাদত করাকে বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।
مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيهَا أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ مِنْ هَذِهِ الأَيَّامِ (يَعْنِي أَيَّامَ الْعَشْرِ)
আল্লাহর নিকট জিলহজ্জের এই ১০ দিনের নেক আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় আর কোনো দিনের আমল নেই। (সহীহ বুখারী: ৯৬৯)
أَفْضَلُ أَيَّامِ الدُّنْيَا أَيَّامُ الْعَشْرِ
দুনিয়ার দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো জিলহজ্জের (প্রথম) দশ দিন।" ( ইবনে হিব্বান: ৩৮৫৩)
৩. রাসূল (সা.) বলেছেন এই দিনগুলোতে তোমরা বেশি বেশি জিকির কর,
فَأَكْثِرُوا فِيهِنَّ مِنَ التَّهْلِيلِ وَالتَّكْبِيرِ وَالتَّحْمِيدِ
তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করো।
৪,রাসূলুল্লাহ (সা.) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখতেন।
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُ تِسْعَ ذِي الْحِجَّةِ
সুনানে আবু দাউদ, ২য় খণ্ড,
পৃষ্ঠা নং ৪৬২, হাদিস নং ২৪৩৭,
৫,আরাফার দিনের রোজা:
৯ই জিলহজ্জের রোজা সম্পর্কে নবীজি (সা.) বলেন:
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ
আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।" (মুসলিম: ১১৬২)
৬,একটি রোজা ৭০ বছর জাহান্নাম থেকে মুক্ত
,عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، بَعَّدَ اللَّهُ وَجْهَهُ عَنِ النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا"
হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী কারীম (সা.)-কে বলতে শুনেছি— “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় (অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তার চেহারাকে জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে সরিয়ে দেবেন।”
সহিহ বুখারি ২৮৪০, সহিহ মুসলিম ১১৫৩
৭,রোজার সওয়ার সম্পর্কে
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ:
«صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ، وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ»
হযরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেন:
"আরাফার দিনের (৯ই জিলহজ) রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।"
সহীহ মুসলিম, ১১৬২ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন: ২৬৫৩)
৮,১০ দিনের আমল সম্পর্কে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "مَا مِنْ أَيَّامٍ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ أَنْ يُتَعَبَّدَ لَهُ فِيهَا مِنْ عَشْرِ ذِي الْحِجَّةِ، يَعْدِلُ صِيَامُ كُلِّ يَوْمٍ مِنْهَا بِصِيَامِ سَنَةٍ، وَقِيَامُ كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْهَا بِقِيَامِ لَيْلَةِ الْقَدْرِ"
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন:
"আল্লাহর নিকট জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনের ইবাদত অন্য যেকোনো দিনের ইবাদতের চেয়ে বেশি প্রিয়। এর প্রতিটি দিনের রোজা এক বছরের রোজার সমান এবং প্রতিটি রাতের ইবাদত শবে কদরের ইবাদতের সমান।"
( তিরমিজি,৭৫৮, ইবনে মাজাহ, ১৭২৮)
৯,চাঁদ দেখার পড় আমল
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا رَأَيْتُمْ هِلَالَ ذِي الْحِجَّةِ، وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ، فَلْيُمْسِكْ عَنْ شَعْرِهِ وَأَظْفَارِهِ»
উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা:) বলেছেন:
"যখন তোমরা জিলহজ মাসের চাঁদ দেখতে পাও এবং তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।"
(সহিহ মুসলিম, ১৯৭৭)
১০,কোরবানি না দিয়েও কোরবানির সওয়াব
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أُمِرْتُ بِيَوْمِ الْأَضْحَى عِيدًا جَعَلَهُ اللَّهُ لِهَذِهِ الْأُمَّةِ» قَالَ رَجُلٌ: أَرَأَيْتَ إِنْ لَمْ أَجِدْ إِلَّا أُضْحِيَّةً مُسْتَعَارَةً (وفي رواية: أُنْثَى مَنِيحَةً)، أَفَأُضَحِّي بِهَا؟ قَالَ: «لَا، وَلَكِنْ تَأْخُذُ مِنْ شَعْرِكَ، وَتُقَلِّمُ أَظْفَارَكَ، وَتَقُصُّ شَارِبَكَ، وَتَحْلِقُ عَانَتَكَ، فَذَلِكَ تَمَامُ أُضْحِيَّتِكَ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ»
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন:
"আমাকে আজহার দিন (১০ই জিলহজ) ঈদ পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা আল্লাহ এই উম্মতের জন্য নির্ধারিত করেছেন।" এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমার কাছে অন্যের থেকে ধার নেওয়া পশু (বা শুধু দুধ পানের জন্য দেওয়া উটনী) ছাড়া আর কোনো পশু না থাকে, তবে আমি কি সেটিই কুরবানি দেব?" রাসূলুল্লাহ (সা:) বললেন, "না; বরং তুমি (ঈদের দিন) তোমার চুল কাটবে, নখ কাটবে, গোঁফ ছাঁটবে এবং নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করবে। আল্লাহর কাছে এটাই তোমার পূর্ণ কুরবানি হিসেবে গণ্য হবে।"
(আবু দাউদ: ২৭৮৯, সনাসায়ি: ৪৩৬৫)
১১, পশমে পশমে সওয়ার
عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ قَالَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا هَذِهِ الأَضَاحِيُّ قَالَ " سُنَّةُ أَبِيكُمْ إِبْرَاهِيمَ " . قَالُوا فَمَا لَنَا فِيهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " بِكُلِّ شَعَرَةٍ حَسَنَةٌ " . قَالُوا فَالصُّوفُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " بِكُلِّ شَعَرَةٍ مِنَ الصُّوفِ حَسَنَةٌ " .
যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এই কোরবানী কী? তিনি বলেন, তোমাদের পিতা ইবরাহীম (আ) এর সুন্নাত (ঐতিহ্য)। তারা পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! এতে আমাদের জন্য কী (সওয়াব) রয়েছে? তিনি বলেন, প্রতিটি পশমের পরিবর্তে পুন্য হবে (এদের পশম তো অনেক বেশি)? তিনি বলেন, লোমশ পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়েও একটি করে নেকী রয়েছে।(ইবনে মাজাহ ৩১২৭)
১২,ঈদগাহে না যাওয়ার নির্দেশ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ وَلَمْ يُضَحِّ فَلاَ يَقْرَبَنَّ مُصَلاَّنَا
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদের মাঠের কাছেও না আসে। (ইবনে মাজাহ ৩১২৩)
১৩,উচ্চস্বরে তাকবির পাঠ করা
تَكْبِيرُ التَّشْرِيقِ: «اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ»
৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব। তবে ১০ তারিখ ঈদগাহে যাওয়ার পথে উচ্চস্বরে এই তাকবির বলা বিশেষ সুন্নাত।
১৪,কুরবানী করা
عَنْ جُنْدَبِ بْنِ سُفْيَانَ الْبَجَلِيِّ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيُعِدْ مَكَانَهَا أُخْرَى، وَمَنْ لَمْ يَكُنْ ذَبَحَ حَتَّى صَلَّيْنَا فَلْيَذْبَحْ بِاسْمِ اللَّهِ»
নবী করীম (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাজের আগে জবেহ করল সে যেন তার বদলে আরেকটি জবেহ করে। আর যে আমাদের সাথে নামাজ পড়ার আগে জবেহ করেনি, সে যেন আল্লাহর নামে জবেহ করে। (সহিহ বুখারি: ৫৫৬২)
১৫,পথ পরিবর্তন করে যাতায়াত করা
عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ يَوْمُ عِيدٍ خَالَفَ الطَّرِيقَ»
হযরত জাবির (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করীম (সা:) ঈদের দিন পথ পরিবর্তন করতেন (ভিন্ন পথে ফিরতেন)
(সহিহ বুখারি: ৯৮৬)
১৬,রক্ত প্রবাহিত করা সম্পর্কে
عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا عَمِلَ آدَمِيٌّ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ مِنْ إِهْرَاقِ الدَّمِ، إِنَّهُ لَيَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَشْعَارِهَا وَأَظْلَافِهَا، وَأَنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ اللَّهِ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ مِنَ الْأَرْضِ، فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا»
হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা:)বলেছেন:
"কুরবানির দিনে রক্ত প্রবাহিত করার (পশু জবাই) চেয়ে আদম সন্তানের অন্য কোনো আমল আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন কুরবানির পশুটি তার শিং, পশম ও খুরসহ উপস্থিত হবে। আর কুরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে (কবুলিয়তের) একটি বিশেষ স্থানে পৌঁছে যায়। সুতরাং তোমরা অত্যন্ত আনন্দ ও তৃপ্ত মনে কুরবানি করো।"
( তিরমিজি: ১৪৯৩, ইবনে মাজাহ: ৩১২৬)
১৭. কেন এই ১০ দিন এত গুরুত্বপূর্ণ?
হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) তার 'ফাতহুল বারী' গ্রন্থে এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিখেছেন:
وَالَّذِي يَظْهَرُ أَنَّ السَّبَبَ فِي امْتِيَازِ عَشْرِ ذِي الْحِجَّةِ لِمَكَانِ اجْتِمَاعِ أُمَّهَاتِ الْعِبَادَةِ فِيهِ، وَهِيَ الصَّلَاةُ وَالصِّيَامُ وَالصَّدَقَةُ وَالْحَجُّ، وَلَا يَتَأَتَّى ذَلِكَ فِي غَيْرِهِ
জিলহজ্জের দশ দিনের বিশেষত্বের প্রকাশ্য কারণ হলো, এতে ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলোর সমন্বয় ঘটেছে। অর্থাৎ সালাত, রোজা, সদকা ও হজ। যা বছরের অন্য কোনো সময় পাওয়া যায় না।"
#ফতোয়ার কিতাব থেকে দলিল:
১… #দলিল:
يُسْتَحَبُّ لِمَنْ أَرَادَ أَنْ يُضَحِّيَ أَنْ لَا يُزِيلَ شَعْرَهُ وَلَا ظُفْرَهُ فِي الْعَشْرِ
যে ব্যক্তি কোরবানি দিতে চায়, তার জন্য জিলহজের ১০ দিনে চুল ও নখ না কাটা মোস্তাহাব।
ফাতাওয়ায়ে শামি (রদ্দুল মুহতার),
৯ম খণ্ড, পৃষ্ঠা নং ৪৫৩,
২… #দলিল:
وَمِنْهَا صَوْمُ تِسْعَةِ أَيَّامٍ مِنْ أَوَّلِ ذِي الْحِجَّةِ
জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা মোস্তাহাব আমলসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি,
১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা নং ২০১,
৩.… #দলিল:
تَكْبِيرُ التَّشْرِيقِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مَنْ يُصَلِّي الْفَرِيضَةَ
তাকবিরে তাশরিক (জিলহজের ৯-১৩ তারিখ) প্রত্যেক ফরজ নামাজির ওপর ওয়াজিব।
তাতারখানিয়া, ২য় খণ্ড,
পৃষ্ঠা নং ৪৬২,
আল্লাহ তা'য়ালা যেন আমাদের প্রত্যেককে জিলহজ মাসের ১০ দিনের দশটি আমল করার তৌফিক দান করেন।