Sheikh Saiful Islam

Sheikh Saiful Islam Learn, know and let know. Know the new in a new way. Establish yourself with innovation......❤️

12/08/2024
বাদুড় : এক রহস্যময় আজব প্রাণি    বাদুড় (Bat)। পৃথিবীর আজব প্রাণীদের মধ্যে একটি। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এরা এখন বিশ্বব্য...
05/06/2021

বাদুড় : এক রহস্যময় আজব প্রাণি
বাদুড় (Bat)। পৃথিবীর আজব প্রাণীদের মধ্যে একটি। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এরা এখন বিশ্বব্যাপী আলোচিত সমালোচিত। এরাই নাকি বর্তমান বিশ্বব্যাপী মহামারী লাগানোর মূল হোতা! এদের ডানা আছে এবং আকাশেও উড়তে পারে কিন্তু তারপরও এটি পাখি নয়। প্রাণী হিসেবে তাদের চিহ্নিত করা হয়!
পা উপরে মাথা নিচে দিয়ে ঘুমানো ও উল্টো করে পৃথিবী দেখা খুব কঠিন কাজ। সেই সাথে বিশ্রাম , সঙ্গম, স্তন্যদান ও প্রসব করার কাজ ও এভাবেই করে তারা। কিন্তু মানুষ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের মত তাদের শিরা পাতলা নয়, বরং ধমনীর মত শক্ত। তাই উল্টে ঝুলে থাকলেও মাথায় রক্ত প্রবাহ বাড়ে না। স্তন্যপায়ী দের মধ্যে এরাই সবচেয়ে বড় প্রজাতি, প্রায় হাজারের উপর ।
বাদুড়ের মুখ অনেকটা শিয়ালের মতো। তাদের খরগোশের মতো বড় বড় দুটো কানও রয়েছে। রয়েছে ছাতার মতো অদ্ভুত দুটি পাখা। কিন্তু বাদুড়ের সবচেয়ে আজব বিষয় হচ্ছে বড় বড় দুটি চোখ থাকতেও সেগুলো দিয়ে তারা দেখতে পায় না। অন্ধ চোখ দিয়ে না দেখলেও ঠিক পথ চলতে পারে চোখে দেখা প্রাণীর মতই। তবে দিনের আলোতে নয়, বাদুড় চলে রাতে আঁধারে।
এক্ষেত্রে বাদুড় তার চোখের দৃষ্টি নয়, কানের শব্দকেই ব্যবহার করে। চলাফেরার কাজটা সে করে কান দিয়েই। যদিও দিনের বেলা পথ চলতে বাদুড়ের সমস্যা হওয়ার কথা নয়, কিন্তু বাদুড়ের তাতে সমস্যা হয়। বাদুড় আসলে পথ চলে শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে। বাদুড় যখন পথ চলে তখন সে একধরনের শব্দ তরঙ্গ বাতাসে ছড়িয়ে দেয়। সেই শব্দ ঘরবাড়ি, গাছপালা, পাহাড়-পর্বত কিংবা বড় কোনো বাধায় প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসে বাদুড়ের কানে। বাদুড়ের মস্তিষ্ক প্রতিফলিত শব্দ থেকে বুঝতে পারে সামনের বাধাটা কত দূরে।
শব্দ ছুঁড়ে দেওয়ার কতক্ষণ পর সেটা আবার কানে ফিরে আসে তার ওপর নির্ভর করেই বাদুড় বাধা ও খোলা পথের নিশানা ঠিক করতে পারে। বাদুড়ের মস্তিষ্ক এখানে সূক্ষ্ম কম্পিউটারের মতো কাজ করে। কারণ সামনের বাধার দূরত্ব কত সেটা বুঝতে অবশ্যই শব্দের বেগ ব্যবহার করতে হয়। বাদুড়ের মস্তিষ্ক নিশ্চয়ই সেটা জানে। মুহূর্তের মধ্যে শব্দের বেগ, দূরত্ব আর সময়ের মধ্যে সঠিক অঙ্ক কষে সঠিক নিশানা ঠিক করতে পারে সে।
দিনের বেলায় মানুষসহ পৃথিবীর অধিকাংশ প্রাণীই জেগে থাকে। তাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডের দরুণ কোটি কোটি শব্দ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। দিবাচর প্রাণীদের কোলাহলে বাদুড়ের পথচলার সেই বিশেষ শব্দ তরঙ্গ হারিয়ে যায়। তাই কোটি কোটি শব্দ তরঙ্গের ভিড়ে নিজের শব্দ তরঙ্গটি খুঁজে খুঁজে পায় না বলেই বাদুড় দিনের বেলা বাসা ছেড়ে বের হয় না।
বাদুড় পথচলার জন্য এক ধরণের শব্দ তরঙ্গ বাতাসে ছুঁড়ে মারে। যা আমরা শুনতে পাই না। রাতে পেয়ারা বা লিচু গাছে আক্রমণ করলে হয়তো বাদুড়ের কিচিরমিচির শব্দ শোনা যায়। কিন্তু সেটা ওদের পথ চলার শব্দ নয়, ওটা ওদের সাধারণ ডাক। পথচলা ও খাদ্য খোঁজার জন্য বাদুড় ইনফ্রাসনিক কিংবা আল্ট্রাসনিক শব্দ ব্যবহার করে। এসব শব্দ আমাদের কান ধরতে পারে না। তাই সেসব শব্দ মানুষের শুনতে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য, বাদুরের এই শব্দ এতই তীক্ষ্ন যে, তা আমাদের কানের পর্দায় আঘাত করলে কানের পর্দা ছিড়ে যাবে। কিন্তু বাদুরের শব্দ ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সিত থাকে বলেই আমারা সে শব্দ শুনতে পাই না।
বাদুড় মূলত ফলভোজি। পেয়ারা, লিচু, জামরুল ইত্যাদি ফলের ঠিকানা খুঁজে বের করতে তারা শব্দ তরঙ্গের সঙ্গে সঙ্গে নাকের গন্ধ শক্তির ওপরও নির্ভর করে। তবে অনেক প্রজাতি পোকামাকড়ও খায়।

পিপড়াঃপিঁপড়া Animalia জগতের Insecta শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এই পর্যন্ত ২০০০০ এর বেশি পিঁপড়া প্রজাতি পাওয়া গেছে।  এন্টার্কটি...
14/09/2020

পিপড়াঃ
পিঁপড়া Animalia জগতের Insecta শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এই পর্যন্ত ২০০০০ এর বেশি পিঁপড়া প্রজাতি পাওয়া গেছে। এন্টার্কটিকা ছাড়া পৃথিবীর সব জায়গাতেই এরা কম বেশি আছে।

কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্যঃ

পৃথিবীতে পিঁপড়ার বসবাস অনেক প্রাচীনকাল থেকেই। প্রায় বলা যায় ডায়নোসর যখন পৃথিবীতে রাজত্ব করেছিল তখনও পিঁপড়া ছিল পৃথিবীতে। খুব ছোট হবার কারণে হয়ত বেশি সুবিধা করে উঠতে পারেনি। প্রত্নতববিদদের মতে, পৃথিবীতে মানুষের বসবাস আনুমানিক ২,০০,০০০ বছর থেকে। আর পিঁপড়াদের বসবাস আনুমানিক ১১০-১৩০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে।

পিঁপড়ারা "ফেরোমেন" নামক এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থের সাহায্যে নিজেদের মাঝে যোগাযোগ করে। যেমন, কোথাও খাদ্য আছে কিনা, কিংবা কোন পথে বিপদ আছে তা অন্যদের জানিয়ে দেয়ার কাজগুলো এরা এভাবেই সম্পন্ন করে।

পিঁপড়া নিজের ওজন থেকে ৩ গুণ ভারি কিছুও অনায়াসেই বহন করে নিয়ে যেতে পারে। আর কোনো কিছু টেনে নেয়ার ক্ষেত্রে নিজের চেয়ে ১০০ গুণ ভারি জিনিস ও এরা টেনে নিয়ে যেতে পারে।
পৃথিবীতে সর্বশেষ গণনা অনুযায়ী মানুষ আছে প্রায় ৭ বিলিয়ন। কিন্তু সম্প্রতি পরিসংখ্যান অনুযায়ী পৃথিবীতে পিঁপড়া আছে প্রায় ১০ কোয়াড্রিলিয়ন এর মত। [১ কোয়াড্রিলিয়ন = ১০,০০,০০০ বিলিয়ন]। যা বোঝা যাচ্ছে সাইজে বড় হলে পৃথিবী হয়ত পিঁপড়ার দখলে থাকতো।
পিঁপড়া কখন ও ঘুমায় না।
পিপড়ার কোনো ফুসফুস নেই। এবং কান ও নেই। শোনার জন্য এরা ভূমির কম্পাঙ্ক ব্যবহার করে ।
কিছু পিঁপড়া সাতার কাটতে পারে।
আমাজন এ কিছু পিঁপড়া পাওয়া গেছে যারা নিজেদের ক্লোন তৈরী করে ফেলতে পারে। একে Asexual reproduction বলা হয়।

Address

Kishoreganj

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801919634230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheikh Saiful Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share