Abdullah Bin Mohsin

Abdullah Bin Mohsin আসক্ত




বই |‌ কাব্য | ভ্রমন

23/08/2026

শানে রেসালাত সম্মেলন

মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর পবিত্র জীবন, আদর্শ ও সুন্নাহর আলোচনা উপলক্ষে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, কটিয়াদী উপজেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শানে রেসালাত সম্মেলন।

📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, বুধবার
⏰ সকাল ৯টা
📍 কটিয়াদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ

দেশের বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম ও মাশায়েখের মূল্যবান আলোচনা শুনতে সবাইকে সপরিবারে উপস্থিত থাকার আন্তরিক আহ্বান।

আসুন, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনাদর্শ জানি, ভালোবাসি ও জীবনে বাস্তবায়ন করি।

#শানে_রেসালাত_সম্মেলন
#সীরাতুন্নবী ﷺ
#হেফাজতে_ইসলাম_বাংলাদেশ
#কটিয়াদী




#শানে_রেসালাত_সম্মেলন

প্রতিশোধ নিতে জানলেপ্রতিকার পাওয়া যায়।চোখে চোখ রাখলে নিতিশত্রু ভয়ে মুখ লুকায়।
12/08/2026

প্রতিশোধ নিতে জানলে
প্রতিকার পাওয়া যায়।
চোখে চোখ রাখলে নিতি
শত্রু ভয়ে মুখ লুকায়।

10/08/2026

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

যারা কৃতকার্য হয়েছো, তোমাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। 🎉
তোমাদের এই অর্জন যেন জীবনের আরও বড় সাফল্যের প্রথম ধাপ হয়। সামনে আরও সুন্দর পথ অপেক্ষা করছে।

আর যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওনি কিংবা অকৃতকার্য হয়েছো, নিজেকে ব্যর্থ মনে করো না।
একটি পরীক্ষার ফলাফল কখনোই একজন মানুষের পুরো জীবন, মেধা কিংবা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না। ব্যর্থতা শেষ নয়, বরং নতুন করে চেষ্টা করার একটি সুযোগ।

মনে রেখো,
“একবার হেরে যাওয়া মানেই জীবন থেকে হেরে যাওয়া নয়।”

আজ কারও মুখে হাসি, কারও চোখে পানি।
কেউ উদযাপন করবে, কেউ হয়তো নীরবে নিজের ভুলগুলো খুঁজবে।
কিন্তু সবার জন্যই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে।

অভিনন্দন সফলদের, আর ভালোবাসা ও সাহস তাদের জন্য যারা এবার সফল হতে পারেনি। ❤️

আল্লাহ তোমাদের প্রত্যেকের ভবিষ্যৎ সুন্দর করুন, তোমাদের জ্ঞান, চরিত্র ও কর্মের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের জন্য কল্যাণের কারণ বানান। আমিন। 🤲

10/08/2026

দাড়ি বিহীন চেহারা!

ক্ষমতার নিজস্ব একটি দরবার থাকে। সেখানে মানুষ আসে, কুর্নিশ করে, কথা শোনে। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দৃশ্যটি ঘট...
09/08/2026

ক্ষমতার নিজস্ব একটি দরবার থাকে। সেখানে মানুষ আসে, কুর্নিশ করে, কথা শোনে। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দৃশ্যটি ঘটে তখন, যখন সেই ক্ষমতাই সত্য ও নসিহতের সন্ধানে আলেমের দরজায় এসে দাঁড়ায়।

যে শাসক আলেমের কাছে যায়, সে শুধু একজন মানুষকে সাক্ষাৎ করতে যায় না; সে নিজের ক্ষমতাকে নসিহতের সামনে দাঁড় করায়।

আলেমের দরবারে শাসকের পদধ্বনি মনে করিয়ে দেয়, রাজদণ্ডের ঊর্ধ্বেও একটি শক্তি আছে। সেই শক্তির নাম সত্য।
ক্ষমতা যেখানে নির্দেশ দেওয়ার অভ্যস্ত, সেখানে আলেমের মজলিসে তাকে শুনতে হয়, ভাবতে হয়, জবাবদিহির কথা স্মরণ করতে হয়।

আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রভাবশালী অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী সাহেবের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের বাবুনগর মাদরাসায় উপস্থিত হয়েছেন।

এ দৃশ্যের তাৎপর্য তাই শুধু একটি সাক্ষাতে সীমাবদ্ধ নয়।

যেদিন শাসক আলেমের দরজায় আসে, সেদিন বোঝা যায় ক্ষমতা এখনো নসিহতের প্রয়োজন অনুভব করে।

আর জাতির জন্য এর চেয়ে আশাব্যঞ্জক দৃশ্য আর কী হতে পারে?

ক্ষমতা যেন সত্যের সামনে নত থাকে,
আলেম যেন সত্য কথা বলার সাহস রাখেন,
আর শাসক যেন সেই সত্য শোনার মানসিকতা রাখেন।

বাচ্চা না হওয়ার জন্য জরায়ুতে পরানো হয়েছিল ‘কপার-টি’...কিন্তু মহান আল্লাহর ইচ্ছার সামনে মানুষের কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসেন...
06/08/2026

বাচ্চা না হওয়ার জন্য জরায়ুতে পরানো হয়েছিল ‘কপার-টি’...

কিন্তু মহান আল্লাহর ইচ্ছার সামনে মানুষের কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসেনা,
কিছুদিন পর যখন সেই মা সন্তান জন্ম দিলেন, তখন দেখা গেল এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য! পৃথিবীর আলো দেখা শিশুটির হাতেই ধরা সেই ‘কপার-টি’, যা থাকার কথা ছিল মায়ের জরায়ুর ভেতরে।

বিজ্ঞানের ভাষায় এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা। কিন্তু একজন মুমিনের চোখে এটি সৃষ্টিকর্তার কুদরতের এক বিস্ময়কর নিদর্শন। কারণ জীবন দান করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন
"তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন, যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তিনি তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।"
(সূরা আশ-শূরা: ৪৯-৫০)

মানুষ চেষ্টা করে, পরিকল্পনা করে, ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কিন্তু সৃষ্টির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থাকে মহান আল্লাহর হাতে।
এই ছোট্ট শিশুটি যেন মনে করিয়ে দিল, আল্লাহ যখন কোনো জীবনকে পৃথিবীতে আনতে চান, তখন কোনো বাধাই তাঁর ইচ্ছাকে থামাতে পারে না।
"তিনি যখন কোনো কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন শুধু বলেন, ‘হও’, আর তা হয়ে যায়।"
(সূরা ইয়াসিন: ৮২)
সন্তান আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামতগুলোর একটি। প্রতিটি শিশুর আগমনই তাঁর রহমত ও কুদরতের এক অনন্য প্রকাশ।

Dr-Abdur Rahman

ছবি: ডা: শাহরিয়ার কবির নাইম

04/08/2026

আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয় দ্বীনি ভাই, স্নেহের ছাত্র, পরম শ্রদ্ধেয় পাঠক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীগণ,

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

কারাগারের এই নিথর, অন্ধকার চার দেয়ালের মাঝে বসে আজ ২৬টি বছর পার হয়ে গেল। ২৬টি বছর! একটি দীর্ঘ জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময়। আজ আমার অবরুদ্ধ, কম্পিত কলমটি যখন হাতে তুলে নিয়েছি, তখন চোখের পানিতে কাগজের বুক ভিজে যাচ্ছে। যে হাত দিয়ে সারাজীবন ইসলামের সুমহান বাণী, ইলমে দ্বীনের আলো আর তাওহীদের দাওয়াত লিখে এসেছি, আজ সেই হাত শিকলে বন্দি। যে চোখগুলো সবসময় উম্মতের কল্যাণের স্বপ্ন দেখতো, আজ ২৬ বছর ধরে তারা লোহার শিকের ওপাশে শুধু শূন্যতা হাতড়ে বেড়ায়।

একদিন আমার লেখনীতে ফুটে উঠেছিল “আঁধার রাতের বন্দিনী”র করুণ আখ্যান, কিংবা “ফিলিস্তিনের রূপসী কন্যা”র বুকফাটা আর্তনাদ। আজ নিয়তির কী নির্মম পরিহাস, আমি নিজেই গত ২৬ বছর ধরে এক আঁধার রাতের চিরস্থায়ী বন্দি! দীর্ঘ ২৬টি বসন্ত আমি দেখিনি। দেখিনি কেমন করে সকালের সূর্য ওঠে, কেমন করে গোধূলির আলো মিলিয়ে যায়। তারুণ্যের যে উদ্দীপনা নিয়ে দ্বীনের খেদমতে নেমেছিলাম, এই লোহার খাঁচা আজ আমার সেই যৌবনকে কেড়ে নিয়ে বার্ধক্যের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমার চুল- দাড়ি পেকে সাদা হয়ে গেছে, শরীরের চামড়া কুঁচকে গেছে, কিন্তু এই নির্মম চার দেয়াল একটুও বদলায়নি।

মনে পড়ে গাজীপুরের শ্রীপুরের সেই চেনা মাটির গন্ধ, বরমী জামিয়া আনোয়ারিয়ার সেই মুখরিত আঙিনা, আর দারুল উলূম দেওবন্দের সেই সোনালী দিনগুলোর কথা। জীবনের প্রতিটি বাঁকে অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা আমাকে থামানোর চেষ্টা করেছে, কিন্তু আল্লাহর মেহেরবানিতে ইলমের তৃষ্ণা আমাকে থামতে দেয়নি। শিক্ষকতার টেবিলে বসে যখন আপনাদের নিষ্পাপ চোখের দিকে তাকাতাম, তখন যে আলোর বিচ্ছুরণ দেখতাম— আজ এই নিঝুম প্রকোষ্ঠে ২৬ বছর ধরে সেই মুখগুলো বড্ড বেশি মনে পড়ে। ২৬টি বছর আমি কোনো ছাত্রের মাথায় হাত রেখে দোয়া করতে পারিনি, কোনো মাদ্রাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে হাদিসের দরস দিতে পারিনি।

আমার পরিবার, আমার কলিজার টুকরো সন্তানেরা— যাদের আমি অবুঝ শিশু রেখে এসেছিলাম— আজ তারা বড় হয়ে গেছে আমার ছায়া ছাড়াই। আমার বৃদ্ধা মা, আমার জীবনসঙ্গী আজ ২৬ বছর ধরে আমার পথ চেয়ে চাতক পাখির মতো প্রহর গুনছেন। একটা মানুষের জীবন থেকে ২৬টি বছর অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়ার চেয়ে বড় যাতনা আর কী হতে পারে? আমি জানি, আপনারা আমার জন্য কাঁদছেন, আমার মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলছেন। আপনাদের এই কান্না, এই দোয়া বৃথা যাবে না। মজলুমের অশ্রু আল্লাহর আরশকে কাঁপিয়ে তোলে।

হে আমার প্রিয় পাঠক, ছাত্র এবং দেশবাসী!

একজন আলেম, একজন শিক্ষক, একজন লেখক হিসেবে কি আমার অপরাধ এটাই ছিল যে আমি সমাজকে আলোর পথ দেখাতে চেয়েছিলাম? আমার লেখা ৩৫টি গ্রন্থ আজ লাইব্রেরির তাকে তাকে শোভা পায়, কিন্তু সেই গ্রন্থের লেখক ২৬ বছর ধরে অন্ধকার কুঠুরিতে তিলে তিলে মরছে। আর কতদিন? আর কতকাল আমাকে এই নির্জন খাঁচায় বন্দি থাকতে হবে? বিবেকবান মানুষের কাছে কি আমার এই দীর্ঘ ২৬ বছরের কান্নার কোনো মূল্য নেই? আপনারা কি আমার এই বন্দি জীবনের অবসান চান না?

কারাগারের এই নির্জনতায় কেবল আল্লাহই আমার একমাত্র সঙ্গী। তাঁর ফয়সালার ওপর আমি সন্তুষ্ট। তবে একজন মানুষ হিসেবে, একজন মজলুম হিসেবে আমি আজ আপনাদের কাছে, পুরো দেশবাসীর কাছে এবং বিশ্ব বিবেকের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি— আমার এই দীর্ঘ ২৬ বছরের বন্দিত্বের অবসান হোক। আমাকে আমার পরিবার, আমার ছাত্র আর আমার প্রিয় কলমের কাছে ফিরে যেতে দিন। আমার মুক্তির জন্য আপনারা আপনাদের কণ্ঠ সোচ্চার করুন।

নিশ্চয়ই কষ্টের পরেই স্বস্তি আসে। অন্ধকার রাত যত গভীর হয়, ভোরের আলো তত নিকটে আসে। আপনাদের দোয়া আর ভালোবাসাই আমার বেঁচে থাকার শেষ সম্বল।

আপনাদের দোয়ার ভিখারী,
মাওলানা আমিরুল ইসলাম
২৬ বছরের দীর্ঘ অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে।

03/08/2026

#ঢাকা টু ময়মনসিংহ আসার সময় কোনভাবেই প্রাইভেটকারে ওঠবেননা।

--

একটি ঘটনা:-

আমি জানতাম এদেশে নিরাপত্তা নেই। ভাবতাম হয়তো সর্বোচ্চ আমার ফোনটাই ছিনতাই হবে। কিন্তু এখন বুঝতে পারি, এই দেশে আসলে একজন মানুষকেও মুহূর্তের মধ্যে গায়েব করে দেওয়া যায়।

গত ৩১ শে জুলাই ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো বাস না পাওয়ায় উত্তরা BNS Center থেকে একটি প্রাইভেট গাড়িতে উঠি । ভাড়া ঠিক করে উঠার পর প্রথম দেখায় সবকিছুই স্বাভাবিক। রাস্তাঘাট, যানজট এসব নিয়েই সাধারণ কথাবার্তা চলছিল। এক মুহূর্তের জন্যও মনে হয়নি, আমি নিজের জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর কয়েক ঘণ্টার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

গাড়ির গাজীপুর বাইপাসের ফ্লাইওভারে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ গাড়ি ঘুরে ঢুকে পড়ল বাইপলাইন রোডে।

আমি বাম দিকের জানালার পাশে বসা ছিলাম। তারপর একজন বলল, " ভাই, আমার বমি আসতেসে। আপনি একটু মাঝখানে বসেন।"

আমি মাঝখানে বসলাম।

এরপরের ঘটনাগুলো ঘটেছে খুবই দ্রুত।

ওরা জানালার গ্লাস তুলে দেয় এবং দুই পাশ থেকে দুজন আমাকে শক্ত করে চেপে ধরে । দুইজনের হাতেই বন্দুক ছিলো আর বন্দুকের নল আমার কোমরের কাছে চেপে ধরে।

সহজাতই আমি নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করি । ধস্তাধস্তি করতে করতে গাড়ির একটি জানালার কাচ ভেঙে ফেলি। কিন্তু সংখ্যায় তারা বেশি ছিল। একপর্যায়ে আমার হাত পা বেঁধে ফেলে, চোখে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে দেয় এবং নাকের কাছে কিছু একটা ধরে যার কারণে আমি কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ি।

তারা আমার ফোন কেড়ে নেয়। ছুরি ও বন্দুকের মুখে ফোনের লক খুলতে বাধ্য করে। আমার পরিচয়, আমি কী করি, আমার পরিবার - সব তথ্য ওরা আমার ফোন ঘেটে বের করে ।

এরপর শুরু হয় আরেক দুঃস্বপ্ন।

ওরা জানিয়ে দেয়, টাকা না দিলে আমাকে আর জীবিত ছাড়া হবে না।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমাকে ওই রাস্তায় নিয়ে ঘুরতে থাকে। নির্যাতন চলতে থাকে। এরপর আমার পরিবারের কাছে ফোন করে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এদিকে আমার পরিবার আমার লোকেশন ট্র্যাক করার চেষ্টা করছিল। তারা টাকা পাঠানোর পর অপহরণকারীরা আমার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন দোকানে টাকা ক্যাশ আউট করেছে। আমার আইফোনটিও নিয়ে গেছে। ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে এটিএম থেকেও টাকা তুলে নিয়েছে। এসব লেনদেনের সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ চলমান আছে।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা বুঝতে পারে, তাদের অবস্থান ধীরে ধীরে শনাক্ত হয়ে যাচ্ছে।

অবশেষে রাত প্রায় ১১টার দিকে, হাত-পা বেঁধে আমাকে রাজেন্দ্রপুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।এরপর স্থানীয় কিছু মানুষ আমাকে উদ্ধার করে এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। তাদের সহায়তায় আমি থানায় গিয়ে পৌছাই।

বর্তমানে আমি চিকিৎসাধীন। আমার পায়ে গুরুতর আঘাত রয়েছে। এখনো স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারি না। ফোন নেই, অনেক মূল্যবান জিনিস নেই। কিন্তু সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে অন্য জায়গায়।

আমি রাস্তার মানুষকে বিশ্বাস করার সাহস হারিয়েছি।

আজ বুঝেছি, একজন সাধারণ মানুষ কত সহজে অপহরণের শিকার হতে পারে। এজন্য হয়তো বাংলাদেশে লিফট কালচার নেই, সাহায্য করার কালচার নেই।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার জীবন, অর্থ, পরিচয় সবকিছু কেড়ে নেওয়া সম্ভব।

এই অভিজ্ঞতার পর আমার একটাই প্রশ্ন আমরা আসলে কতটা নিরাপদ?

যদি একটি ব্যস্ত মহাসড়ক থেকে একজন মানুষকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা যায়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘোরানো যায়, তার ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার টাকা তুলে নেওয়া যায়, তারপর নির্জন স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

আমি বিচার চাওয়ারও সাহস পাই না। এদেশে খুনি ধরা পরার পরও যখন খুনের বিচার হতে দেখি না, সেখানে নিজের জন্য বিচার চাইতে আমার লজ্জা হয়।

তবে আজ আমি ফিরে এসেছি। আল্লাহর রহমতে আমার পায়ে বড় ক্ষতি হলেও এছাড়া কোনো ক্ষতি হয় নি। কিন্তু আগামীকাল যদি অন্য কেউ ফিরে না আসে? সেই দায়ভার কার?

~ Iftekhar Reemon
collected by -- Iftekhar Reemon
( অপরহণ হওয়া ভুক্তভোগী )

ঠিক কিনা?
02/08/2026

ঠিক কিনা?

Address

Kishoreganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdullah Bin Mohsin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share