16/02/2026
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
🌟 আয়াতুল কুরসি – কুরআনের সবচেয়ে মহান ও শ্রেষ্ঠ আয়াত 🌟
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
(সূরা আল-বাকারা: আয়াত ২৫৫)
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম। লা তা'খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাওম। লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী য়াশফাউ ইনদাহু ইল্লা বিইযনিহি। য়া'লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা য়ুহীতূনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা'আ। ওয়াসি'আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়ালা য়াঊদুহু হিফযুহুমা। ওয়াহুয়াল আলিয়্যুল আযীম।
বাংলা অর্থ (সহজ ভাষায়):
আল্লাহ! তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক-সংরক্ষক। তাঁকে তন্দ্রা বা নিদ্রা স্পর্শ করে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁরই। কে এমন যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? তিনি জানেন যা তাদের সামনে আছে এবং যা পেছনে আছে। তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না, কেবল যা তিনি ইচ্ছা করেন তা ছাড়া। তাঁর কুরসি আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টন করে আছে। আর এ দু'য়ের সংরক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ, মহান। 🤲
আয়াতুল কুরসির কয়েকটা অসাধারণ ফজিলত (হাদিস থেকে):
কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াত – রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "কুরআনের সবচেয়ে মহান আয়াত হলো আয়াতুল কুরসি।" (সহিহ মুসলিম)
জান্নাতের পথে একমাত্র মৃত্যু বাধা – যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তার জান্নাতে প্রবেশে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না। (নাসাঈ, সহিহুল জামে)
শয়তান থেকে পুরো রাতের হেফাজত – রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে আল্লাহ একজন ফেরেশতা নিয়োগ করেন যিনি সকাল পর্যন্ত পাহারা দেন, শয়তান কাছে আসতে পারে না। (সহিহ বুখারী)
সকাল-সন্ধ্যায় পড়লে সারাদিন-রাত সুরক্ষা – সকালে পড়লে বিকেল পর্যন্ত, সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত হেফাজত। (তিরমিযী)
জিন, ভূত, জাদু, বিপদ থেকে রক্ষা – নিয়মিত পড়লে হৃদয় শান্ত হয়, মনের অস্থিরতা দূর হয় এবং অদৃশ্য শত্রু থেকে পাহারা পাওয়া যায়।
এই আয়াত পড়লে আল্লাহর রহমত নেমে আসে, হৃদয় ভরে যায় তাওহীদের নূরে। প্রতিদিন নামাজের পর, ঘুমানোর আগে, সকাল-সন্ধ্যা পড়ার অভ্যাস করো।
আজ থেকে শুরু করো! এই পোস্ট পড়ে যদি শান্তি পাও, তাহলে শেয়ার করো যেন অন্যরাও উপকৃত হয়। কমেন্টে লেখো: "আমি প্রতিদিন পড়ি" বা "আলহামদুলিল্লাহ" 🤍
#আয়াতুলকুরসি #কুরআনেরশ্রেষ্ঠআয়াত #আয়াতুলকুরসিরফজিলত #কুরআনতিলাওয়াত #ইসলামিকপোস্ট #আল্লাহররহমত #জান্নাতেরপথ