02/09/2025
ডানপাশে যে ছেলেটি কথা বলছে সে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী। নাম সম্ভবত মুন হবে। উনাকে অনেকেই চেনে ক্যাম্পাসে। বামপাশে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ব্যক্তিটি হলো পাখির মালিক।
ঘটনা:
মুন বাইরে থেকে একজন পাখির মালিক কে ধরে নিয়ে এসেছে এবং তার পাখিগুলোকে ছেড়ে দিচ্ছে। বলছে, "এটা খাঁচায় থাকার জিনিস? " পাখির মালিক কান্না করে দিয়েছে যে তার এত টাকার পাখি ছেড়ে দিচ্ছে। স্বাভাবিক। কিন্তু মুনের হেডাম আর চললো না। কিছুক্ষণ পর একজন আসেন। উনি এটার প্রথম প্রতিবাদ করেন পরে সবাই এটার প্রতিবাদ করে। এরপর মুনকে বলা হয় তিনি যে ৩ টি পাখি ছেড়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে। পরে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে প্রক্টর স্যারেরা এসে তাকেসহ পাখির মালিক কে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায়।
কিছু বিষয়,
আইনগতভাবে পাখি ধরা বা বন্দী করা নিষিদ্ধ হতে পারে। কিন্তু এ ব্যবসা আমাদের চারপাশেই হচ্ছে। চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের বন্দী করে রাখা, একুরিয়ামে মাছ রাখা, পাখি পোষা সহ অনেক কিছুই দেখি আশেপাশে। এমনকি দেখা যাবে অনেক আইনের রক্ষাকর্তারা-ই নিজেদের বাসায় একুরিয়াম রাখে, পাখি পোষে। মুন যে কাজটি করেছে এতে উনি ওই ব্যক্তির পেটে লাথি মেরেছে। তার সংসার চলে এ ব্যবসা থেকে। আর মুন ভাই যদি পাখিগুলোকে ছেড়েই দিতে চায় তাহলে উনি কিনে পাখিগুলো কে ছেড়ে দিতে পারতো।
যা হোক, পরবর্তী তে প্রক্টরিয়াল বডি এসে নিয়ে যায়। স্যারেরা নিশ্চয় ভালো সমাধান দিবেন।
From: Faruk English Academy