09/01/2024
---বউ দেখতে কালো বলে, বাসর রাতে তাকে বলছিলাম!
---শোন তুমি নিজেও জানো তোমার সঙ্গে আমার কোন ভাইবেই যায়না। কোথায় তুমি আর কোথায় আমি?
---তাহলে বিয়ে করলে কেনো আমায়।
---পরিবারের চাপে পরে তোমাকে বিয়ে করতে বাদ্ধ হয়েছি। এখন যেহেতু বিয়ে করেই ফেলছি কিছু তো করার নাই। তুমি তোমার মতো থাকবে আমি আমার মতো থাকবো।
---ঠিক আছে।
---কখনো স্বামী অধিকার খাটাবেনা। আমার কোন কাজে বাধা দিবেনা।
---ঠিক আছে।
---এর পরে এই ভাবে আমাদের দিন কাটতে লাগলো। আমি ওকে অনেক ঘৃনা করতাম। সব সময় রাগ দেখাইতাম বিশ্বাস করুন তবুও মুখ ফুটে আমাকে কিচ্ছু বলতো না।
---রাত জেগে বাসায় আসতাম ও দরজা খুলে দিতো। খাবার টেবিলে বসে একাই খেয়ে উঠতাম তবুও ওকে বলতাম না তুমি খেয়েছো নাকি খাওনি। আমি আমার মতো চলতাম।
---বেশ কিছু দিন যাওয়ার পরে হঠাৎ একদিন রাতে নিজেকে কন্টল করতে না পেরে রিয়ার সঙ্গে আমি শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে যাই। প্রথমে ভেবেছিলা রিয়া আমাকে বাধা দিবে। আশ্চর্যের বিষয় হলো সে আমাকে কোন বাধাই দেয়নি। ( রিয়া হলো মেয়েটির নাম)
---এর পরে আবার সেই আগের মতোই অবলেহা করতে লাগলাম। এই ভাবে বেশ কয়েক মাস যাওয়ার পরে জানতে পারলাম আমার বউ প্রেগনেন্ট যা শুনে বেশ খুশিই হয়েছিলাম। যার করনে রিয়ার সঙ্গে একটু কথা বার্তা শুধুমাত্র বলতাম এর বেশি না।
---আবার বেশ কিছুদিন পরে হঠাৎ রিয়ার পেটে ভিষণ ব্যাথা উঠলো যার কারনে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করলাম।
---হাসপাতালে আসার পরে ডাক্তার আমাকে বললো চিন্তা করবেন না। আপনার বেবি হবে?
"এই বলে ডাক্তার রিয়াকে নিয়ে একটি কেবিনে ডুকে পরে "
---প্রায় ২৫ মিনিট পরে ডাক্তার বাহিরে এসে বললো মি. হাসিব আপনি কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছেন। ডাক্তারের মুখে এই কথাটি শুনেই খুশিতে আত্তহারা হয়ে যাই।
---ঠিক এর পরেই ডাক্তার বলে। মি. হাসিব আরেকটি কষ্টের খবর আছে। সেটা হলো আপনার স্ত্রী মারা গিয়েছে বাচ্ছা ডেলিভারির সময়।
---ডাক্টারের মুখে এই কথাটি শুনেই আমার বুকটা কেমন জানি চিন চিন করে উঠে। বুঝতে পারছিলাম না কি করবো।
আবার ডাক্তার বলে উঠে '
আপনার স্ত্রী মৃত্যু আগে একটি কথা বলে গিয়েছে। তখন ডাক্তার কে বললাম কি কথা বলছে।
---সে বলেছে আপনার জন্যে তার মনে কোন অভিমান নেই। আপনার সঙ্গে যতোটা দিন কাটিয়েছে তার জীবনের শ্রেষ্ট দিন ছিলো সেই গুলা। আর যদি কখনো ভুল করে থাকে তাহলে মাপ চেয়েছে।
-ডাক্টারের মুখে এই কথা গুলা শুনে হ