Sopno 41

Sopno 41 It is much more difficult to protect Independence than to achieve independence_______Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman .

Good morning Bangladesh.God bless them All
11/01/2026

Good morning Bangladesh.
God bless them All

১০ জানুয়ারি: বাঙালির পূর্ণতা পাওয়ার দিন"ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে আসা সেই মহামানব,যার আগমনে পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলার স্বাধীনতা...
10/01/2026

১০ জানুয়ারি: বাঙালির পূর্ণতা পাওয়ার দিন
"ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে আসা সেই মহামানব,
যার আগমনে পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলার স্বাধীনতা।"
১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ অন্ধকার কাটিয়ে ফিরেছিলেন তার প্রিয় বাংলাদেশে। তিনি নিজেই এই দিনটিকে বলেছিলেন— "অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা"।
নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই বাঙালির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। আজ সেই ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি; জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ।

মুক্তির মহানায়ক ও এক ঐতিহাসিক দিন --১৯৭২ সালের এই দিনে পাকিস্তানের কারাগার থেকে দীর্ঘ ৯ মাস পর মুক্তি পেয়েছিলেন বাঙালির ...
08/01/2026

মুক্তির মহানায়ক ও এক ঐতিহাসিক দিন
--
১৯৭২ সালের এই দিনে পাকিস্তানের কারাগার থেকে দীর্ঘ ৯ মাস পর মুক্তি পেয়েছিলেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এক অন্ধকার কারাপ্রকোষ্ঠ থেকে আলোর পথে তাঁর এই অভিযাত্রা ছিল বাংলার মানুষের জন্য দ্বিতীয় বিজয়ের আনন্দ। বঙ্গবন্ধুর মুক্তি কেবল একজন নেতার মুক্তি ছিল না, বরং তা ছিল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণতা প্রাপ্তি।
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সেই মহানায়কের প্রতি, যাঁর অদম্য সাহসে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন মানচিত্র এবং লাল-সবুজের পতাকা।

আওয়ামী লীগের কিছু নেতাদের উদ্দেশ্যে ​একটি খোলা চিঠি :-----------​“ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আর নীরবতা যখন অপরাধ—সময় তখ...
04/01/2026

আওয়ামী লীগের কিছু নেতাদের উদ্দেশ্যে ​একটি খোলা চিঠি :
-----------
​“ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আর নীরবতা যখন অপরাধ—সময় তখন শ্রেষ্ঠ বিচারক!”
​যাঁরা আদর্শের বুলি আওড়িয়ে আওয়ামী লীগকে পুঁজি করে শত শত কোটি টাকা কামিয়েছেন এবং আজ দেশ-বিদেশে বিলাসী জীবন কাটাচ্ছেন—আপনাদের জানাই বিশেষ ‘স্যালুট’! 🫡
​আজ যখন তৃণমূলের সাধারণ কর্মীরা মামলা-হামলায় বিপর্যস্ত, দেশ যখন এক কঠিন ক্রান্তিকাল পার করছে, তখন আপনাদের সেই ‘মঞ্চ কাঁপানো’ চড়া কণ্ঠ আজ ব্যাংক ব্যালান্সের শব্দে চাপা পড়ে গেছে। আপনাদের ফেসবুক প্রোফাইল আজ নিশ্চুপ, কারণ আপনাদের কাছে রাজনীতি ছিল কেবলই আখের গোছানোর সিঁড়ি।
​আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু অপ্রিয় সত্য:
​❌ আপনারা নেতা নন, ব্যবসায়ী: দলকে পণ্য বানিয়ে আপনারা আজ নিরাপদ দূরত্বে সটকে পড়েছেন। কর্মীর ঘাম আর রক্তকে আপনারা বানিয়েছেন আপনাদের বিলাসিতার পুঁজি।
❌ দায়হীন নীরবতা: কর্মীরা যখন রাজপথে লড়ছে, আপনারা তখন ভিনদেশের নিরাপদ আশ্রয়ে আয়েশ করছেন। এই বিশ্বাসঘাতকতা ইতিহাস ভুলে যাবে না।
❌ মুখোশ উন্মোচন: আপনারা প্রমাণ করেছেন—আপনারা দলের জন্য নয়, কেবল নিজের স্বার্থে রাজনীতি করেছেন। আপনাদের এই পলায়নপরতা ধিক্কারযোগ্য!
​মনে রাখবেন— সময় বদলে যায়, কিন্তু সুবিধাবাদীদের এই নীরবতা ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে বড় অপরাধ হিসেবে খোদাই করা থাকবে। সাধারণ কর্মীদের দীর্ঘশ্বাসে আপনাদের ওই প্রাসাদের ভিত একদিন কেঁপে উঠবেই।
​সময় আসবে, মুখোশধারীদের হিসাব হবে! ⚖️🚩
​ #সুযোগসন্ধানী_নেতা #তৃণমূলের_শক্তি #আওয়ামীলীগ #রাজনীতি #প্রতিবাদ #খোলা_চিঠি

শুভ জন্মদিন, প্রাণের ছাত্রলীগ! ❤️⚡শৈশবের ভালোলাগা, কৈশোরের প্রেম — দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।...
04/01/2026

শুভ জন্মদিন, প্রাণের ছাত্রলীগ! ❤️⚡
শৈশবের ভালোলাগা, কৈশোরের প্রেম — দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
১৯৪৮ থেকে ২০২৬; দীর্ঘ ৭৮ বছরের এক অবিরাম লড়াই ও সংগ্রামের মহাকাব্য। বাঙালির প্রতিটি অধিকার আদায় এবং স্বাধিকার আন্দোলনে যে নামটি সবার আগে উচ্চারিত হয়েছে, সেটি হলো— বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সংগ্রামের ইতিহাস: ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ।
ঐতিহ্যের ধারক: শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী এক গর্বিত নাম।
ুণ্ডু উদ্দীপনা: তারুণ্যের শক্তি আর দেশপ্রেমের অগ্নিশপথ।
৭৮ বছরের এই সংগ্রামী পথচলায় অগণিত নেতা-কর্মীর ত্যাগ আর ভালোবাসায় ছাত্রলীগ আজ এক বটবৃক্ষ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। ✊🇧🇩
#ছাত্রলীগ #প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #বাংলাদেশেররাজনীতি

হতাশ হওয়ার কারণ নেই, ঝরে পড়া ফুল থেকেই নতুন গাছের জন্ম হয়___সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।
03/01/2026

হতাশ হওয়ার কারণ নেই, ঝরে পড়া ফুল থেকেই নতুন গাছের জন্ম হয়___সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

03/01/2026

এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামকে নিয়ে বোমা পাঠালেন এবার সাবেক এনসিপি নেত্রী নীলা ইসরাফিল ____আপনাদের মূল্যবান মতামত প্রত্যাশা করছি।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বর্ষীয়ান নেতাসাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক শ্রদ্ধেয়সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে কুমিল্লা মহানগর...
02/01/2026

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বর্ষীয়ান নেতা
সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক শ্রদ্ধেয়
সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে
কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী যুবলীগের
পক্ষ থেকে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

02/01/2026

থানা পোড়ানো ও পুলিশ সদস্য হ/ত্যার স্বীকারোক্তি: নিজেকে হবিগঞ্জ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেক্রেটারি দাবি ।

মঞ্চ থেকে প্রথা মাফিক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর ভাষণ শেষ করলেন৷ জনতা ফেটে পড়ল৷ মাইকের সামনে তখন দীর্ঘদেহী মুজিব...
02/01/2026

মঞ্চ থেকে প্রথা মাফিক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর ভাষণ শেষ করলেন৷ জনতা ফেটে পড়ল৷ মাইকের সামনে তখন দীর্ঘদেহী মুজিবুর রহমান৷ তিনি এবার ইংরাজিতে বক্তব্য শুরু করলেন– ‘প্রাইম মিনিস্টার শ্রীমতি গান্ধী, লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান প্রেজেন্ট…
এরপরেই জনতার প্রবল দাবি– ‘বাংলা…বাংলা’। একটু থেমে গেলেন বঙ্গবন্ধু৷ পাশ থেকে ইন্দিরা মুচকি হেসে জানিয়ে দিলেন ‘বেঙ্গলি…বেঙ্গলি’৷ হাসি খেলে গেল শেখ মুজিবের মুখে৷ নিজের দেশ–বাংলাদেশের তরফে স্বাধীনতার শুভেচ্ছা দিয়েই আপামর ভারতবাসীকে বাংলায় সম্বোধন করলেন বঙ্গবন্ধু৷

দিল্লির সে বিশাল জনসমাগমে বঙ্গবন্ধু বললেন–‘আমার ভাই ও বোনেরা…আপনাদের প্রধানমন্ত্রী, আপনাদের সরকার, আপনাদের সৈন্যবাহিনী, আপনাদের জনসাধারণ যে সাহায্য ও সহানুভূতি আমার দুখী মানুষকে দেখিয়েছে চিরদিন বাংলারমানুষ তা ভুলতে পারবে না। ব্যক্তিগতভাবে আপনারা জানেন, আমি পশ্চিম পাকিস্তানের অন্ধকার সেলের (কারাকক্ষ) মধ্যে বন্দিছিলাম কিছুদিন আগেও। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী আমার জন্য দুনিয়ার এমন জায়গা নাই যেখানে তিনি চেষ্টা করেন নাই আমাকেরক্ষা করার জন্য। আমি ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে কৃতজ্ঞ। আমার সাড়ে সাত কোটি মানুষ তার কাছে এবং তার সরকারের কাছেকৃতজ্ঞ। আমার জনসাধারণ ভারতবর্ষের জনসাধারণের কাছে কৃতজ্ঞ। আর যেভাবে এক কোটি লোকের খাওয়ার বন্দোবস্ত এবংথাকার বন্দোবস্ত আপনারা করেছেন…আমি জানি ভারতবর্ষের মানুষ খুব দুখী আছে সেখানে, তারাও কষ্ট পাচ্ছে, তাদেরও অভাবঅভিযোগ আছে—তা থাকতেও তারা সর্বস্ব দিয়েছে আমার লোকরে সাহায্য করার জন্য, চিরদিন আমরা তা ভুলতে পারবো না।

বঙ্গবন্ধু বললেন ‘আমরা আশা করি, আপনারা জানেন বাংলাদেশ শেষ হয়ে গেছে, আমি সকল প্রকার সাহায্য সহানুভূতি আশা করি এবং এওআশা করি দুনিয়ার শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক যে মানুষ আছে তারা এগিয়ে আসবে আমার মানুষকে সাহায্য করার জন্য।
‘আমি বিশ্বাস করি সেক্যুলারিজমে, আমি বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে, আমি বিশ্বাস করি সোশ্যালিজমে।

‘আমাকে প্রশ্ন করা হয়, শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে আপনার আদর্শে এত মিল কেন? আমি বলি, এটা আদর্শের মিল, এটানীতির মিল, এটা মনুষ্যত্বের মিল, এটা বিশ্ব শান্তির মিল।…’’

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দিল্লীবাসীর উদ্দেশে নিজের ভাষণে বলেছেন, শেখ মুজিবুর রহমান ভারতেরজনগনের মাঝে এসেছেন ইহা ভারতের জন্য আনন্দ ও গৌরবের দিন। তিনি বলেন শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার মানুষকে মুক্তও নয়া জীবন গঠন করার প্রেরনা দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমানের দেহ পাকিস্তানের কারাগারে আটক ছিল তার আদর্শ নয়।ইন্দিরা গান্ধী বলেন তিনি তিনটি বিষয়ে জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং সকল প্রতিশ্রুতি পুরন করেছেন। প্রতিশ্রুতি গুলিহল শরণার্থীদের ফেরত পাঠানো, মুক্তি বাহিনীকে সাহায্য এবং শেখ মুজিবকে মুক্ত করা। শেখ মুজিবুর রহমান তার জনগন ওপরিবারের কাছে ফিরে যাচ্ছেন। শেখ মুজিবকে এখন বিরাট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ হল সমৃদ্ধি, প্রগতিশীলও শক্তিশালী দেশ গঠন এবং দেশের জনগণকে নবজীবন প্রবাহে উদ্ভুত করা।

উল্লেখ্য, ৮ই জানুয়ারী ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে পৌছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রায়২৪ ঘণ্টা লন্ডনে অবস্থানকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড হিথের সাথে সাক্ষাৎ করেন বঙ্গঁবন্ধু। ৯ জানুয়ারি হিথরো থেকে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের বিশেষ বিমানে ঢাকার পথে যাত্রা করেন তিনি। পথিমধ্যে ১০ জানুয়ারি তিনি দিল্লির পালামবিমানবন্দরে (ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট) যাত্রা বিরতি করেন। বিমানবন্দরে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী–সহ মন্ত্রিসভার সকল সদস্য ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাগণ বাংলাদেশের জাতির পিতাকে ঐতিহাসিকঅভ্যর্থনা জানান। ২১ বার গান স্যালুটের মধ্য দিয়ে তাকে রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানানো হয়, ওড়ানো হয় বাংলাদেশ ও ভারতেরজাতীয় পতাকা। বাজানো হয় দুই দেশের জাতীয় সংগীত। এরপর বঙ্গবন্ধুকে দেয়া হয় রাজসিক সংবর্ধনা।

পরে একই বিমানে চড়ে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাংলাদেশে পৌঁছেন বঙ্গবন্ধু। পাকিস্তানের কারাগারে থেকেও যিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রাণপুরুষ, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের যিনি রাষ্ট্রপতি, সেই প্রাণপ্রিয় নেতাকে বাংলার মুক্ত স্বদেশে স্বাগত জানায় লাখো উদ্বেলিত বাঙ্গালী।

02/01/2026

আওয়ামীলীগ ছাড়া এখন আর উপায় নেই___সাধারণ ছাত্রী।

পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া ১৮২ জনের বিচার কাদের কাছে চাইব?গাজী টায়ারসের ছয়তলা ভবনে আগুন লাগার পর টানা পাঁচ দিন জ্বলেছিল সেই ...
02/01/2026

পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া ১৮২ জনের বিচার কাদের কাছে চাইব?

গাজী টায়ারসের ছয়তলা ভবনে আগুন লাগার পর টানা পাঁচ দিন জ্বলেছিল সেই আগুন। ১৮২ জন মানুষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হয়, কিন্তু তাদের লাশও পরিবারের লোকেরা পায়নি। কারণ যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সেখানে কাউকে ঢুকতেই দেয়নি। এটা কোনো দুর্ঘটনা ছিল না, তদন্ত রিপোর্টেও স্পষ্ট লেখা আছে এটা ছিল পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ। কিন্তু এই ১৮২ জনের মৃত্যুর জন্য একটি মামলাও হয়নি, একজন মানুষকেও গ্রেফতার করা হয়নি।

যে সরকার জুলাই মাসে রক্তাক্ত দাঙ্গার মাধ্যমে নির্বাচিত একটি সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের আমলেই ঘটেছে এই গণহত্যা। মুহাম্মদ ইউনূস আর তার তথাকথিত উপদেষ্টা পরিষদ ক্ষমতায় বসেছিল শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, কিন্তু বাস্তবে তারা যা করেছে তা হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়তে দেওয়া। গাজী টায়ারসে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত টানা লুটপাট চলেছে, অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্যও সেখানে যায়নি। এটা কি অক্ষমতা, নাকি ইচ্ছাকৃত উদাসীনতা?

তদন্ত কমিটির রিপোর্টে যা লেখা আছে তা পড়লে মনে হয় এটা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা ছিল না। স্থানীয় মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে মানুষকে ডাকা হয়েছে, একবার নয়, দুইবার। প্রথমে বলা হয়েছে জমি দখলদারদের জড়ো হতে, পরে বলা হয়েছে ডাকাত ঢুকেছে তাদের প্রতিহত করতে। এই ধরনের পরিকল্পিত সমাবেশের পেছনে কারা ছিল, কেন তারা এমনটা করল, এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার কোনো চেষ্টাই করা হয়নি।

ইউনূসের সরকার বলে থাকে তারা বিচার প্রতিষ্ঠা করতে এসেছে। কিন্তু ১৮২ জনের মৃত্যুর বিচার কোথায়? ১২৪৩টি কারখানায় হামলার বিচার কোথায়? উত্তর হলো কোথাও নেই। কারণ যারা এই সন্ত্রাস চালিয়েছে, তারাই হচ্ছে এই সরকারের ভিত্তি। যে মবকালচার দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে, সেই মবকালচারকে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, বা চাইছে না।

মতিঝিল, গুলশান, তেজগাঁও থেকে শুরু করে বারিধারার কূটনৈতিক এলাকা পর্যন্ত কোথাও নিরাপত্তা নেই। ব্যাংকপাড়ায় দিনের বেলা ভবন দখলের চেষ্টা হচ্ছে। গুলশানের মতো এলাকায় বাড়িতে ঢুকে লুটপাট চলছে। আর এসব ঘটনায় যারা ধরা পড়ছে তাদের সংখ্যা হাতেগোনা। মতিঝিলে ৩০-৩৫ জনের মব থানায় হামলা করতে গেলে গ্রেফতার হয়েছে মাত্র তিনজন। বাকিরা? তারা আবার পরেরবার নতুন কোনো লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করবে।

ইউনূসকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছিল পশ্চিমা দেশগুলোর প্রত্যক্ষ সমর্থনে। তারা বলেছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, মানবাধিকার রক্ষা হবে। কিন্তু বাস্তবে যা হয়েছে তা হলো সম্পূর্ণ বিপরীত। একটি নির্বাচিত সরকারকে সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থনে উৎখাত করে যে সরকার ক্ষমতায় বসেছে, তাদের হাতে অর্থনীতি ধ্বংস হয়েছে, শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, আর ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

বিইএফের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান সরাসরি বলেছেন যে বিনিয়োগ হচ্ছে না কারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেই। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন ব্যবসায়িক আস্থা কমে গেছে। এই দুই সংগঠনের প্রধানরা কিন্তু রাজনৈতিক কর্মী নন, তারা ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি। তারা যখন খোলাখুলি বলছেন যে পরিস্থিতি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর, তখন বুঝতে হবে বিষয়টা কতটা গভীর।

আর এই সবকিছুর মূলে রয়েছে ইউনূসের সরকারের অবৈধতা। তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, তাদের কোনো গণভিত্তি নেই, আর তাই তারা কোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। যে মবকে ব্যবহার করে তারা ক্ষমতায় এসেছে, সেই মবই এখন তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। কারখানা মালিকদের বিরুদ্ধে, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে, এমনকি সাধারণ সম্পত্তিশালীদের বিরুদ্ধেও এখন যে কেউ মব নিয়ে হামলা করতে পারছে। আর সরকার নীরব দর্শক হয়ে বসে আছে।

গাজী টায়ারসের ১৮২ জন মৃত মানুষের পরিবারগুলো এখনো অপেক্ষা করছে তাদের প্রিয়জনদের লাশের জন্য। কিন্তু সেই লাশ তারা কখনো পাবে না, কারণ যারা ক্ষমতায় আছে তারা সেই ভবনেই কাউকে ঢুকতে দেয়নি। এটা শুধু অবহেলা নয়, এটা হচ্ছে সুপরিকল্পিত প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা। কারণ যদি সেই ভবনে গিয়ে সত্যিকারের তদন্ত হতো, তাহলে হয়তো বেরিয়ে আসত কারা এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল।

ইউনূস আর তার দল এসেছিল সংস্কারের নামে। কিন্তু তারা যা করছে তা হলো ধ্বংস। অর্থনীতি ধ্বংস, আইনশৃঙ্খলা ধ্বংস, আর সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো ন্যায়বিচারের ধারণাটাই ধ্বংস। একটা দেশ যেখানে ১৮২ জন মানুষ পুড়ে মরতে পারে আর তার কোনো বিচার হয় না, সেই দেশে আর কোনো আইনের শাসন আছে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই।

Address

Dhaka Raipur Highway
Lakshmipur
3707

Telephone

+8801622521745

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sopno 41 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sopno 41:

Share