28/06/2022
এর সঠিক বিচার করা হোক 🥺
শিক্ষক শাসন করবে ওনাদের থেকেই তো আমরা শিক্ষা নিবো ✌️
এখন তো একটু হলেও বুঝতে পারি কেনো আমাদের শাসন করতেন 🤗
শ্রদ্ধা করি আমার প্রিয় BhBhowanigonj ML High School, Lakshmipur.LBhowanigonj ML High School, Lakshmipur.iBhowanigonj ML High School, Lakshmipur.cBhowanigonj ML High School, Lakshmipur.Bhowanigonj ML High School, Lakshmipur.aBhowanigonj ML High School, Lakshmipur.Bhowanigonj ML High School, Lakshmipur.্কুলের শিক্ষকদের কে ও পরিচিত শিক্ষকদের কে 🤗
Bhowanigonj ML High School, Lakshmipur. স্কুলের স্যার দের দেখলে এখন মাথা নত করি আর ভয়ে থাকি ❤️
দেখা হলে সালাম দিয়ে সম্মান জানাই, এখানো মন চাই শিক্ষক দের সাথে আগের মত ক্লাস করি , সময় টা হয়তো আর হবে না কিন্তু ওনাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আমাদের মানুষ করেন,
বর্তমানে ২০২০ সালের করোনা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং থেকে শুরু করে সব ছোট ছোট ছেলে স্কুলের গন্ডি না পারাবার আগেই এখন অনেক কিছু মনে করে তাদের কে এক জন শিক্ষক হিসেবে ওনি শাসন করতেই পারে সাবাভিক এর জন্য মেরে পেলা এটার কোন যৌক্তিক আছে??
আমাদের সময় স্যার আমাদের কে কি মারাই না মারতো এখন সমর গুলো মিস করি যদি পিরে পাইতাম দিন গুলো আবার 😴
______জাফর স্যার কে তো সবাই ভয় পাইতো সেই এসেম্বলির শুরু থেকে শেষের ঘন্টা পর্যন্ত,
______রফিক স্যারের সেই বাংলা ক্লাসের ছোট ছোট প্রশ্ন গুলোর উত্তর না পারলে বেতের বাড়ি,
______বড় কাসেম স্যারের অযথা বেতের বাড়ি পরে মাথায় হাত দিয়ে বলতো বুঝিয়ে বললে তো হত এখনো মনে আছে পানি খেতে গিযে ছিলাম আসার সময় মনে করছে বাইরে আড্ডা দিয়ে ছিলাম দিলো একটা বাড়ি হাটুতে রগে লেগেছিলো ৭ দিনেও ব্যাথা যায়নি তাও ওনাদের কথা মনে পড়ে 😴
______গোপরান স্যারের সেই হাসি খুশির ক্লাস আর মজার কিছু কথা সব মিলিয়ে ভালোই ছিলেন ❤️
______সুবাস স্যার আর প্রদীপ স্যার দুজন ছিলেন মাইরের উপর বাবাজি তবে ভালোর জন্যই মারতেন ✌️ পরীক্ষায় নাম্বার কম পাইলে মাইর গুলার কথা এখনে মনে পড়ে 🤗
_____সুব্রত স্যার ছিলেন দুষ্ট একজন স্যার হাসি মুখের একজন স্যার তবে ক্লাস এ পেটে চিমটি মারে ঠিকি কিন্তু মাঝেমধ্যেও মারতেন এমনিতেই, 🤗
_____ম্যামদের মধ্যে সবাইকে ভালো লাগে ওনারা সবাই অনেক মিশুক প্রকৃতির মানুষ 🤗
_____রিনা ম্যাম একটু বেশি শাসন করতেন এখনো দেখা হলে হাসি মুখে কথা বলেন 🤗
চুলের কাটিং এর জন্য কত মার আর কত ভয়ে থাকতে হত ক্লাসে, পানি দিয়ে চুল বিজিয়ে চুল ঠিক করে ক্লাস করতাম।
বলতে গেলে অনেক কথা আছে ওনাদের নিয়ে সব কিছুতো লিখে প্রকাশ করা যায় না, মনে চাইলেও ওনাদের আমরা আগের মত পাবো না!! আর অনেক স্যার এখন তো নেই শিক্ষকতার মেয়াদ শেষ, স্কুলে ঢুকলে এখন স্যারদের কে ভয় পাই কি জানি কি জিজ্ঞেস করে বসে, স্কুল জীবন অনেকের অনেক গল্প জড়িয়ে আছে তা কখনো মুখে বলে প্রকাশ করা যাবে না । ❤️
বর্তমানে ছেলে পেলেরা এমন এমন ভাব নিয়ে চলাচল করে যা বলার বাইরে।
স্যারদের মুখের উপর কখনো একটা কথা বলিনি, বর্তমানে স্যারদের হুমকি দিয়ে থাকে এখনকার পোলাপান একজন ছাত্র হিসেবে ওর লজ্জা থাকা উচিত 😡
ও স্কুলের পক্ষ থেকে শিক্ষকের মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। তাকে এমন শিক্ষা দিন যাতে অন্য কেনো ছাত্র যেনো দ্বিতীয় বার এসব করতে সাহস না পাই.
জানি না কত টুকু লিখতে পেরেছি, যেই এ কাজ করুক না কেনো তাকে সঠিকভাবে আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার করা হোক 😡 যারা এমন কাজ রে তার ছাত্র হিসেবে জগন্য ও নির্লজ্জ 😡
Post by Mahmudul Hasan Raju - আমার নিজের একজন পাইভেট স্যার আছে এখনে দেখলে দুজন দুজকে জড়িয়ে ধরি 🥰
_______এটায় তো হওয়া উচিত প্রতিটি শিক্ষক ও ছাত্রের সম্পর্ক 🥰
নিছের লেখাটি @অনিকেত প্রান্তর পেইজ থেকে
শিক্ষককে স্ট্যাম্প দিয়েও পেটানো যায়? তাও আবার এমনভাবে মারধর করা হলো শিক্ষক মারাই গেলো।
ঢাকার সাভারের হাজী ইউনুস স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর এক ছাত্র 'এই মহাকর্ম ' সাধন করলো।
স্কুল লাইফে আমাদের নানা অজুহাতে শিক্ষকদের হাতে মাইর খাওয়া লাগতো।
স্কুলে অনুপস্থিত থাকলে মাইর। পিছনের বেঞ্চে বসে বন্ধুর সাথে গুজুরগুজুর করলে মাইর। পরীক্ষায় ফেইল করলে বেতের দাগ বসে যেতো হাতের তালুতে। বোবা হইয়া বইসা থাকতাম কিছুক্ষণ। পড়া না পারলে তো বেইজ্জতির সাথে বেত্রাঘাত ফ্রি। কখনো কখনো দুপুরের মাইরের পর সন্ধ্যায় জ্বর উঠে যেতো।
ভয়ে বাসায় কিছু বলতাম না, যদি আবার বাসায় মারে। এক সকালের মাইরের ব্যথা ভুলে পরেরদিন সকালে স্যাররা ক্লাসে ঢুকলে উঠে দাঁড়িয়ে সালাম ঠুকেছি।
এখনকার পোলাপাইন মোটামুটি মহারাজা। তাদের গায়ে টাচ করা যায় না। করলে খবর আছে!
স্যারের চোদ্দগুষ্টি শেষ। স্যারদের-ম্যামদের গালাগালি হরহামেশাই করা যায়।
এখন স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো যায়, গালি দেওয়া যায়, নকলে ডিস্টার্ব করলে ক্লাস শেষে কিল-ঘুষি দেওয়া যায়। সামনে ইউনিক কিছু হবে...নিশ্চয়।
সমস্যাটা কোথায়?
পারিবারিক শিক্ষাটা এখন আর আগের মতো প্রবল নয় ততটাও, 'মহারাণীদের সব সন্তান মহারাজা', যেমন পারছে, চলছে চলুক।
মানুষের ভেতর ধর্মের প্রভাব কমে যাওয়ার সাথে নৈতিকতার বোধ ক্রমশ ধ্বংস হয়ে যাওয়া। এই কথা মানতে আমার আপত্তি নেই আমরা যতটা আধুনিক হচ্ছি, ধর্ম থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, ততটা মানবিক থেকে পারমাণবিক হচ্ছি...ধ্বংস করা সহজ থেকে সহজতর হচ্ছে।
আর বিশেষ বিশেষ রাজনৈতিক ব্যাকাপ দিয়ে কিশোর গ্যাং তৈরী করাটা আমাদের হাল-ফ্যাশনের রাজনীতি।
একটা বোমা তৈরী হচ্ছে, আমরাই তৈরী করছি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র মিলে-
জনসমাগমেই ব্লাস্ট হবে, কমবেশি আমরা সবাই আহত হবো... অপেক্ষা।