অজানার রাজ্য

অজানার রাজ্য be confident and be classy

12/06/2025
12/06/2025

13/04/2025

Sad lyf...

09/04/2025

Full link on comments

ব্রেক -আপব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ম্যাকক্যান্ডলেস ২০১৮ সালের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, ব্রেকআপের হার কিছ...
05/04/2025

ব্রেক -আপ

ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ম্যাকক্যান্ডলেস ২০১৮ সালের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, ব্রেকআপের হার কিছু বিশেষ সময়ে বেড়ে যায়—বিশেষ করে ভ্যালেন্টাইনস ডে’র ঠিক আগে এবং ডিসেম্বরের ছুটির সময়কালে।

নিউ ইয়র্কের ম্যাচমেকার ররি সাসুন ব্যাখ্যা করেছেন, বড় ইভেন্ট বা ছুটির আগে অনেকেই সম্পর্ক শেষ করে দেন কারণ তারা পারিবারিক মিটিং বা সিরিয়াস সম্পর্কের প্রতীকী দিনগুলো এড়াতে চান। অনেকের মনেই হয়, সম্পর্কটি টিকবে না, তাই বড় দিনে জটিলতা না বাড়িয়ে আগেই সম্পর্কটা শেষ করে দেওয়াই ভালো।

স্প্যাম মেসেজে বাঁচল শতজন, মরলো ‘ব্ল্যাক উইডো’!— এক চাঞ্চল্যকর বাস্তব ঘটনা গল্প আকারেনতুন বছরের উৎসবের জন্য রেড স্কয়ার ছ...
05/04/2025

স্প্যাম মেসেজে বাঁচল শতজন, মরলো ‘ব্ল্যাক উইডো’!
— এক চাঞ্চল্যকর বাস্তব ঘটনা গল্প আকারে

নতুন বছরের উৎসবের জন্য রেড স্কয়ার ছিল প্রস্তুত। হাজার হাজার মানুষ জমা হবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। কিন্তু কেউ জানত না, মৃত্যুও অপেক্ষা করছিল সেদিন—এক 'ব্ল্যাক উইডো'র হাতে।

রাশিয়ার এক রহস্যময় নারী, যাকে ‘ব্ল্যাক উইডো’ নামে ডাকত নিরাপত্তা বাহিনী, পরিকল্পনা করছিল এক ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলার। তার মোবাইল ফোনেই ছিল বোমা বিস্ফোরণের ট্রিগার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঠিক মধ্যরাতের উৎসবের সময় সেই ফোনে একটি কল এলেই ঘটত ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ছিন্নভিন্ন হয়ে যেত উৎসবমুখর জনতা।

কিন্তু নিয়তির খেলা অন্যরকম ছিল।
বিকেলেই ফোনটা বেজে উঠল—একটি স্প্যাম মেসেজ! কেউ একজন নতুন বছরের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছিল—"Happy New Year!"
মেসেজটি ছিল নিরীহ, কিন্তু তার ফলাফল ভয়ংকর!
বোমা আগেই ফেটে গেল, সঙ্গে সঙ্গে উড়ে গেল ‘ব্ল্যাক উইডো’ নিজেই।
তার দুই সহযোগী পালিয়ে গেল, কিন্তু শত শত মানুষের প্রাণ বেঁচে গেল।

রাশিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী পরে জানায়, সাধারণত এই ধরণের ফোনগুলো শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়, যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে। কিন্তু এ দফায় ছিল "সন্ত্রাসীদের অসতর্কতা", আর ভাগ্যক্রমে, একটি স্প্যাম মেসেজ হয়ে গেল শতজন প্রাণ বাঁচানোর নায়ক!

শেষ কথা?
কখনও কখনও, যেটা আমরা বিরক্তির কারণ মনে করি—একটা অপ্রয়োজনীয় মেসেজ—সেটাই হতে পারে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া আশীর্বাদ।

দ্য ব্রিজ টু নোহোয়ার: চোলুতেকা ব্রিজের বিস্ময়কর গল্পচোলুতেকা ব্রিজ হল হন্ডুরাসের চোলুতেকা শহরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ...
04/04/2025

দ্য ব্রিজ টু নোহোয়ার: চোলুতেকা ব্রিজের বিস্ময়কর গল্প

চোলুতেকা ব্রিজ হল হন্ডুরাসের চোলুতেকা শহরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাসপেনশন ব্রিজ। এটি ১৯৩৫-৩৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি ইঞ্জিনিয়ার কর্পস নির্মাণ করেছিল, যা প্যানআমেরিকান মহাসড়কের অংশ হিসেবে তৈরি হয়। তবে এটি শহরের একমাত্র উল্লেখযোগ্য সেতু নয়—১৯৯৬-৯৮ সালে জাপানের হাজামা আন্দো কর্পোরেশন আরও একটি দীর্ঘতর সেতু নির্মাণ করে, যা "দ্য ব্রিজ অব দ্য রাইজিং সান" নামে পরিচিত।

১৯৯৮ সালে, ঠিক নতুন সেতুটি ব্যবহারের সময়েই, ভয়ংকর হারিকেন মিচ হন্ডুরাসে আঘাত হানে। প্রবল বন্যায় দেশের বহু অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়, পুরনো সেতুটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে নতুন চোলুতেকা ব্রিজ দৃঢ়ভাবে টিকে থাকে, যদিও আশপাশের রাস্তা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

প্রচণ্ড স্রোতে চোলুতেকা নদী নিজের প্রবাহপথ বদলে ফেলে, এবং সেতুর নিচ দিয়ে আর পানি প্রবাহিত হয়নি। ফলে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় থাকা সেতুটি নির্জন এক শুষ্ক ভূমির ওপরে দাঁড়িয়ে থাকে, যা এটিকে "দ্য ব্রিজ টু নোহোয়ার" (কোনো জায়গায় না যাওয়ার সেতু) নামে পরিচিত করে তোলে।

পরবর্তীতে, ২০০৩ সালে, সেতুটিকে মহাসড়কের সাথে পুনরায় সংযুক্ত করা হয়, কিন্তু এটি স্থাপত্য ও প্রকৃতির এক আশ্চর্য উদাহরণ হয়ে থেকে যায়।

*অজানা তথ্য*ফ্র্যাঙ্ক রিচার্ডস: "দ্য ক্যানন ম্যান"ফ্র্যাঙ্ক রিচার্ডস ১৮৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং শৈশব থেকেই তিনি প্রচার...
04/04/2025

*অজানা তথ্য*

ফ্র্যাঙ্ক রিচার্ডস: "দ্য ক্যানন ম্যান"

ফ্র্যাঙ্ক রিচার্ডস ১৮৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং শৈশব থেকেই তিনি প্রচারের কেন্দ্রবিন্দু হতে পছন্দ করতেন। কিশোর বয়সে তিনি বুঝতে পারেন যে তার পেটে আঘাত লাগলেও ব্যথা অনুভব হয় না। প্রশিক্ষণ ছাড়াই তার পেটের পেশি এত শক্তিশালী ছিল যে, তিনি যে কোনো আঘাত সহ্য করতে পারতেন।

প্রথমে বন্ধুদের ঘুষি খেয়ে শুরু হলেও, দ্রুত তার খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। সার্কাসে যোগ দিয়ে তিনি শেল্ডহ্যামারের আঘাত সহ্য করার কৌশল দেখাতে শুরু করেন। পরে, একক ক্যারিয়ার গড়ে তুলে পুরো আমেরিকা ভ্রমণ করেন।

১৯৩২ সালে, তিনি সবচেয়ে বিপজ্জনক স্টান্ট করেন—৪৭ কেজি ওজনের কামানের গোলা সরাসরি তার পেটে নেন! সাধারণ মানুষের জন্য এটি প্রাণঘাতী হলেও, তিনি সামান্য আঘাতেই অক্ষত থাকেন। এরপর তিনি "দ্য ক্যানন ম্যান" নামে পরিচিত হন।

তার শো দেখতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ জড়ো হতো, কারণ কেউ-ই প্রথমে বিশ্বাস করতে পারত না যে এটি সম্ভব। যদিও কামানের আঘাত তার শরীরে ক্লান্তি আনত, তিনি দর্শকদের উল্লাসের জন্য কখনোই থামতে চাননি।

Address

Lakshmipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অজানার রাজ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share