Dawaah

Dawaah “আমার কথা (অন্যদের নিকট) পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়”
(হযরত মুহাম্মদ সাঃ - সহীহ বুখারীঃ ৩২১৫)

06/06/2023

_____মেয়েদের শরীরের সব থেকে-
আকর্ষণীয় অঙ্গ
হলো তাদের
" বুকের অংশ "( )
কিন্তু দুঃখের বিষয়
বর্তমানে ৯৬%
মেয়েরা তাদের
বুকের ওড়না গলায় পেচিয়ে
বুক টানটান করে
পথঘাটে চলাফেরা করে।।
অথচ
ওড়নাটা কিন্তু বুক ডেকে রাখার জন্য।
আর কিছু মেয়েরা নাভি বের করে
পাতলা জর্জেট বা সিল্কের শাড়ির সঙ্গে
পিঠে ৩ ইঞ্চি ঘেরা দেওয়া বাউজ পরে
বুক টানটান করে কোমর দোলাতে দোলাতে
বাইরে চলাফেরা করেন।।
এই অবস্থা দেখলে ৬০ বছরের বুড়োর
যৌবনে ধাক্কা দেবে,মন চাইবে.........!?
আপুরা কিসের জন্য শরীরটা খোলামেলা রাখেন?

পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কি??

শ্রদ্ধেয় মা- বোনেরা একবার ও ভেবে দেখেছেন
আপনাদের শরীরটা খোলামেলা দেখার অধিকার একমাত্র
আপনার স্বামীর,পর পুরুষের নয়।।
আপনাদের কি একটু লজ্জা করে না এরকম চলতে??

আপনাদের কারনে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ, গোটা দেশ।

মা-বোনদের আমি অনুরোধ করছি,
প্লীজ আপনারা মানসম্মত পোষাক পরে চলাফেরা করুন।

তাহলে প্রকৃত সম্মান পাবেন দয়া করে কেউ ভুল চোখে দেখবেন না প্লিজ

আর লোক দেখানো পর্দা না করে খাঁটি পর্দা করো
যাতে তুমি ১৮বছরের যুবতি না কি ৮০বছরের বুড়ি বুঝা যায় না,,
আল্লাহ আপনি আমাদেরকে চোখের জিনা থেকে হেফাজত করুন
আল্লাহ সবাই কে বুঝার তৌফিক দান করুন
Copy post ✅

বিয়ে একটি ইবাদাত,ফলে এটি রাসূলের সুন্নাহ মোতাবেক সংঘটিত হতে হবে।অন্যথায় বিয়েই ব্যক্তির ধ্বংসের কারণ হতে পারে,এবং বিয়ে পর...
01/06/2023

বিয়ে একটি ইবাদাত,
ফলে এটি রাসূলের সুন্নাহ মোতাবেক সংঘটিত হতে হবে।
অন্যথায় বিয়েই ব্যক্তির ধ্বংসের কারণ হতে পারে,
এবং বিয়ে পরবর্তী জীবন বারাকাহশূন্য হয়ে যাবে।
যে বিয়ে আল্লাহর নাফরমানির মধ্যে সংঘটিত হয়,
তা কখনোই সুখ সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে না।

বিয়েতে আল্লাহর সাথে নাফরমানী এর কিছু চিত্র:

১. বলা হলো,! যিনি বিয়ে করবেন তিনি নিজে মেয়ে দেখতে,
আমরা শুরু করলাম সবাই মিলে দেখতে!

২. বলা হলো, মেয়ে দ্বীনদার কি না দেখতে,
আর আমরা শুরু করলাম মেয়ে সুন্দর কি না তা দেখতে!

৩. বলা হলো ছেলের দ্বীনকে প্রাধান্য দিতে,
আমরা শুরু করলাম ছেলের টাকা-পয়সাকে প্রাধান্য দিতে!

৪. বলা হলো নিজের পছন্দ মতো মেয়ে দেখে বিয়ে করতে,
আর আমরা শুরু করলাম অন্যের মন রাখতে!

৫. বলা হলো মেয়ের মতামত নিয়ে বিয়ে দিতে,
আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে বাধ্য হয়ে বিয়ে দিতে!

৬. বলা হলো কম খরচে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম
আনুষ্ঠানিকতার নামে টাকা অপচয় করতে!

৭. বলা হলো মসজিদে বিয়ে করতে,
আর আমরা শুরু করলাম সেন্টারে শুটিং করে বিয়ে করতে!

৮. বলা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিয়ে করতে,
আর আমরা শুরু করলাম নিজের স্বার্থের জন্য বিয়ে করতে!

৯. বলা হলো ছেলে পক্ষ ওয়ালীমা করে মানুষকে খাওয়াতে,
আমরা শুরু করলাম মেয়ের বাবার উপর জুলুম করে খাইতে!

১০. বলা হলো স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করতে,
আর আমরা শুরু করলাম যৌতুক নিতে!

১১. বলা হলো দ্রুত বিয়ে করতে,
আমরা শুরু করলাম পিছিয়ে বিয়ে দিতে!

১২. বলা হলো বিয়েকে সহজ করতে,
আমরা শুরু করলাম কঠিন করতে!

১৩. বলা হলো নতুন বউকে দেখে দু'আ করতে,
আমরা শুরু করলাম হাতে টাকা ধরিয়ে দিতে!

১৪. বলা হলো স্বামীকে সম্মান করতে,
আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে নিয়োজিত করতে!

১৫. বলা হলো স্ত্রীকে ভালোবাসতে,
আমরা শুরু করলাম শালীর সাথে মিশতে!

১৬. বলা হলো স্ত্রীর সাথে সুন্দর করে কথা বলতে,
আমরা শুরু করলাম দাসীর মতো আচরণ করতে!

১৭. বলা হলো দেবর থেকে দূরে থাকতে,
আমরা শুরু করলাম দেবরের সাথে ফাজলামিতে মেতে উঠতে!

১৮. বলা হলো স্বামীর জন্য সাজতে,
আমরা শুরু করলাম রাস্তার ছেলের কামনার বস্তু হতে!

১৯. বলা হলো স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে,
আমরা শুরু করলাম তাকে নিয়ে বাজারে বেড়াতে!

২০. বলা হল সামর্থ্যহীন দ্বীনদার পুরুষগণ ফেতনা হতে বাঁচতে কলমা (ইজাব-কবুল) করে রাখবে, আর আমরা শুরু করলাম Engagement/Registry (হিন্দুয়ানী প্রথা) করে রাখতে।

আরো এরকম হাজার ঘটনা আছে যা আমরা সব সময় উল্টোটা করেই থাকি। আমাদের কারনেই বিয়ে দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে, বিয়েতে বরকত কমে গেছে, সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে। দিন দিন বাড়ছে তালাকের সংখ্যা তার কারণ আমরা বিবাহে সুন্নাত থেকে সরে যাচ্ছি।

আল্লাহ্ আমাদের হেদায়েত দান করুক...
আল্লাহুম্মা আমিন...

31/05/2023

বিয়ের পর অনেক মহিলা ঈমানের স্বাদ কেন হারিয়ে ফেলে?

এক মহিলা শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী (র.)কে জিজ্ঞেস করেন, শাইখ আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামায, রোযা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম কিন্তু এখন আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না..

শায়খ আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন, হে আমার মুসলিম বোন তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তাঁর কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী?
মহিলা একটু বিরক্তবোধ করে বলে, শাইখ আমি আপনাকে নামায, রোযা, কুরআন তিলাওয়াত আর আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে বলছেন!

শাইখ আলবানী রহিমাহুল্লাহ বলেন,
আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ, আল্লাহর আনুগত্যে, ইবাদতে তৃপ্ততা পায় না। কেননা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্ততা পাবে না যখন পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক্ব আদায় করবে না।
سألت امرأة الشيخ الالباني رحمه الله فقالت :
يا شيخ قبل زواجي كنتُ فتاةً صوّامة قوّامة ..أجدُ لذةً للقرآن عجيبة .. والآن فقدتُ حلاوة الطاعات ..
❏ قال : ما هي أخبارُ اهتمامك بزوجك !؟
▪قالت : يا شيخ أنا أسألك عن القرآن والصوم والصلاة وحلاوة الطاعة ..وأنت تسألني عن زوجي ! ؟
▫قال : نعم يا أختي .. لماذا لا تَجدُ بعض النساء حلاوة الإيمان ولذَّة الطاعة وأثر العبادة ؟
قال صلى الله عليه وسلّم :
(ولا تَجدُ المرأة حلاوة الإيمان حتَّى تؤدِّي حقَّ زوجها) .
[ সহীহ আত তারগীভ, ১৯৩৯ ]
©

30/05/2023

🤏🏻জানিনা কখন যে, এই আয়োজনের মধ্যমনি হয়ে যাব!
🤏🏻জানিনা কখন যে,ঐ খাটিয়া'র মধ্যে অবস্থানকৃত ❝লাশ❞ এ পরিণত হয়ে উঠব!
🤏🏻জানিনা কখন যেন দুনিয়ার সকল লেনদেন চুকিয়ে আখিরাতে পা রাখব!

কিন্তু এটা তো সত্য আর চিরন্তন তিক্ত সত্য, আর তা হচ্ছে ❝মরণ একদিন আসবেই আসবে❞! নিশ্চয়ই আসবে!

মৃত্যু কে খুব কাছেই মনে হচ্ছে। আর হ্যা এটা তো হাদিসেও এসেছে। তাই আমার পরিচিত অপরিচিত, অনলাইনে-অফলাইনের সকল দ্বীনি মুসলিম ভাই বোনের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী। আমার কোনও আচরণ এ মনে কষ্ট পেয়ে থাকলে, ক্ষমা করবেন ইন শা আল্লাহ। কোনও প্রকার লেনদেন থাকলে অবশ্যই যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। গীবতের পাপসহ সকল পাপ হতে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার নিকট আশ্রয় চাই।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাকে ও আপনাদের ক্ষমা করুন, নেক হায়াত দান করুন, কুরআন সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান দান করুন, হালাল উপার্জন করার তাওফিক দান করুন এবং তাতে বারাকা দান করুন, প্রকৃত মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দান করুন(নির্ধারিত হায়াত শেষে), আখিরাতে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন, আ-মীন।

28/05/2023

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
মেয়ের সামনে গিয়ে বিয়ে পড়ানোর বিধান শরীয়তে নেই।
কারণ মেয়ের সম্মতিতে পিতা বিয়ের আয়োজন করে।
বরং পিতা অথবা পিতার প্রতিনিধি হিসেবে যে কেউ দুজন সাক্ষীর সামনে উক্তবিবাহ ঘোষণা করবে।
বর একবার কবুল বললেই যথেষ্ট হবে তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম গুরুত্বপূর্ণ কথা তিনবার বলতেন বিধায় তিনবার বলা উত্তম।

সাবালিকা মেয়ের সম্মতি ব্যতীত পিতা তাকে এককভাবে বিবাহ দিতে পারেন না। খানসা বিনতে খিযামের আপত্তির কারণে রাসূল (ছাঃ) তার পিতার দেওয়া বিবাহ বাতিল করে দেন এবং পরে তিনি আবু লুবাবাহ ইবনুল মুনযিরের সাথে বিবাহিতা হন (বুখারী হা/৬৯৪৫; মিশকাত হা/৩১২৮, ইবনু মাজাহ হা/১৮৭৩)। তবে কন্যার কর্তব্য পিতার সম্মতিকে গুরুত্ব দেওয়া। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, যেকোন মহিলা তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করে, তার বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল (আবুদাঊদ হা/২০৮৩ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩১৩১ ‘বিবাহ’ অধ্যায়)।

তবে মেয়ে যদি কুমারী হয় এবং তাকে বিয়ের কথা জানানোর পর যদি সে চুপ থাকে, তাহ’লে চুপ থাকাটাই তার সম্মতি হিসাবে গণ্য হবে। আর বিধবা হ’লে মুখে স্পষ্ট সম্মতি নিতে হবে (মুসলিম হা/১৪২১; মিশকাত হা/৩১২৭)।

বিবাহের শর্ত হলো চারটি। (১) পরস্পর বিবাহ বৈধ এমন পাত্র-পাত্রী নির্বাচন (২) উভয়ের সম্মতি (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩১২৬)। (৩) মেয়ের ওলী থাকা (আহমাদ, তিরমিযী; মিশকাত হা/৩১৩০), (৪) দু’জন ন্যায়নিষ্ঠ সাক্ষী থাকা (ত্বাবারাণী, ছহীহুল জামে‘ হা/৭৫৫৮)। বিবাহের দু’টি রুকন হ’ল ঈজাব ও কবুল (নিসা ১৯)। উক্ত শর্তাবলীর কোন একটি পূরণ না হ’লে বিবাহ শুদ্ধ হবে না। উল্লেখ্য যে, যে মেয়ের ওলী নেই, তার ওলী হবেন সরকার (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩১৩১)।

রাসূল (ছাঃ) বলেন, যেকোন মহিলা তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করে, তার বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল (আবুদাঊদ হা/২০৮৩ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩১৩১ ‘বিবাহ’ অধ্যায়)।
অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে বিয়ে হবে না। আবূ মূসা আল-আশআরী বলেন, রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘ওয়ালি ছাড়া বিবাহ শুদ্ধ হবে না’ (আবূ দাঊদ, হা/২০৮৫; তিরমিযী, হা/১১০১)।
এমতাবস্থায় বিবাহ বাতিল। কেননা অলী ছাড়া মেয়ের বিবাহ হয় না (তিরমিযী, হা/১১০১; আবূ দাঊদ, হা/২০৮৫; ইবনু মাজাহ, হা/১৮৮১, আহমাদ, হা/১৯৭৪৬; মিশকাত, হা/৩১৩০)।

তাছাড়া রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘কোনো নারী অন্য কোনো নারীকে বিবাহ দিতে পারে না এবং কোনো নারী নিজেও বিবাহ করতে পারে না। যে নারী নিজে বিবাহ করে সে ব্যভিচারিণী’ (ইবনু মাজাহ, হা/১৮৮২; মিশকাত, হা/৩১৩৭)।

তবে স্মর্তব্য যে, কোনভাবেই গোপনে বা পরিবারের অজ্ঞাতসারে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যাবে না। কেননা বিবাহ হ’ল প্রকাশ্য বিষয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা বিবাহের ঘোষণা দাও’ (আহমাদ হা/১৬১৭৫; ছহীহুল জামে‘ হা/১০৭২)।

উৎস: মাসিক আত-তাহরীক এবং মাসিক আল ইতিছাম।

প্রশ্ন: পায়ের নলা, বুক, পেট ইত্যাদি স্থানের চুল কাটা বা মুণ্ডন করার বিধান কি?▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬উত্তর:আমাদের জানা দরকার যে, শরীরে...
28/05/2023

প্রশ্ন: পায়ের নলা, বুক, পেট ইত্যাদি স্থানের চুল কাটা বা মুণ্ডন করার বিধান কি?
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
উত্তর:
আমাদের জানা দরকার যে, শরীরের তিন ধরণের পশম কাটার বিধান তিন রকম। এক প্রকার নিষেধ, আরেক প্রকার ওয়াজিব আর আরেক প্রকার জায়েয।

বিস্তারিত নিম্নরূপ:

🔰 ১) হাদিসে দাড়ি কাটা ও চোখের ভ্রু কাটা বা তুলে ফেলা (ভ্রু প্লাগ করা) এর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে। যেমন,
▪ ইবনে উমর (রা:) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
خَالِفُوا الْمُشْرِكِينَ وَفِّرُوا اللِّحَى وَأَحْفُوا الشَّوَارِبَ
“তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা কর। দাড়ি ছেড়ে দাও এবং গোঁফ ছোট কর।” (বুখারী ও মুসলিম)

▪তিনি আরও বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
جُزُّوا الشَّوَارِبَ وَأَرْخُوا اللِّحَى خَالِفُوا الْمَجُوسَ
“গোঁফ ছেঁটে ফেল এবং দাড়ি লম্বা কর আর এর মাধ্যমে অগ্নি পূজকদের বিরোধিতা কর।” (মুসলিম)
▪অনুরূপ সহীহ বুখারী ও মুসলিমে ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
لعن الله الواشمات والمستوشمات والنامصات والمتنمصات والمتفلجات للحسن، المغيرات خلق الله
“আল্লাহ তা‘আলা লা‘নত করেছেন উল্কি গ্রহণকারী ও উল্কি অঙ্কন কারী এবং যে সকল নারী ভ্রূর চুল কেটে বা ছেঁটে তা চিকন করে (ভ্রু প্লাগ করে) এবং এ পেশায় নিয়োজিত নারীকে এবং যারা সৌন্দর্যের জন্য দাঁত ফাঁক করে, আল্লাহর সৃষ্টি পরিবর্তন করে”।[সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৫৫৮৭; সহীহ মুসলিম]

🔰 ২) হাদিসে গোঁফ খাটো করা, নাভির নিচের পশম মুণ্ডন করা এবং বগলের নিচের পশম তুলে ফেলার ব্যাপারে নির্দেশ এসেছে। যেমন,
▪আনাস বিন মালিক রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
وقَّت لنا رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم في قصِّ الشَّارب، وقلْم الظُّفر، ونتْف الإبط، وحلق العانة - ألاَّ نترُكَ ذلك أكثرَ من أربعين يومًا"
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জন্য মোচ কাটা, নখ কাটা, বগলের নিচের পশম তুলে ফেলা এবং নাভির নিচের পশম মুণ্ডন করার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন যে, তা যেন আমরা চল্লিশ দিনের বেশি না রাখি।” (সহীহ মুসলিম)

▪নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
جُزُّوا الشَّوَارِبَ وَأَرْخُوا اللِّحَى خَالِفُوا الْمَجُوسَ
“গোঁফ ছেঁটে ফেল এবং দাড়ি লম্বা কর আর এর মাধ্যমে অগ্নি পূজকদের বিরোধিতা কর।” (মুসলিম)

🔰 ৩) আর শরীরের অন্য কোন স্থানের পশম- যেমন দু পায়ের নলা, পেট , বুক ইত্যাদির পশম কাটা বা মুণ্ডনের ব্যাপারে হাদিসে আদেশ বা নিষেধ কোনটাই আসে নি। সুতরাং তা রাখাও যেতে পারে আবার কাটাও যেতে পারে। এতে শরীয়তে কোনই আপত্তি নাই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
الْحَلاَلُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ فِي كِتَابِهِ وَالْحَرَامُ مَا حَرَّمَ اللَّهُ فِي كِتَابِهِ وَمَا سَكَتَ عَنْهُ فَهُوَ مِمَّا عَفَا عَنْهُ
“আল্লাহর কিতাবে যা হালাল বলে উল্লেখ করা হয়েছে তা হালাল আর আল্লাহর কিতাবে যা হারাম বলে উল্লেখ করা হয়েছে তা হারাম। আর যে সব বিষয়ে অনুল্লেখিত রয়েছে সেগুলো ক্ষমার্হ।” (হাসান, ইবনে মাজাহ ৩৩৬৬, তিরমিযী হাদিস নম্বর: ১৭২৬ [আল মাদানি প্রকাশনী])
অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা বৈধ ও অবৈধ বিষয়গুলো কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে বর্ণনা করে দিয়েছেন। কিন্তু যে বিষয়ে কিছুই বলা হয় নি সেগুলো আামাদের জন্য অনুমদিত। এগুলো আমরা করলেও ইনশাআল্লাহ তিনি আমাদের গুনাহ লিখবেন না।
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

- দাড়ি শেভ করলে আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করা হয়, যা করতে তিনি নিষেধ করেছেন। মহান রব আল্লাহ তা‘আলাকে মানবের সেরা শত্রু দুষ্...
27/05/2023

- দাড়ি শেভ করলে আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করা হয়, যা করতে তিনি নিষেধ করেছেন। মহান রব আল্লাহ তা‘আলাকে মানবের সেরা শত্রু দুষ্ট ইবলিশ শয়তান বলল:

﴿وَلَأٓمُرَنَّهُمۡ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلۡقَ ٱللَّهِۚ﴾ [النساء: ١١٩]

“(শয়তান বলল) আর অবশ্যই আমি তাদেরকে নির্দেশ দিব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবে।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১৯]

‘আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করা’ দ্বারা বুঝায়: যে সব নারী শরীরে উল্কি আঁকে ও ভ্রু কাটে এবং দাঁত কাটে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এবং আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করে।” আল্লাহ তা‘আলা এটি নিষেধ করেছেন।[2] এ ছাড়া ‘আলেমদের মতে, দাড়ি শেভ করা অথবা কাটছাট করে ষ্টাইল করে রাখাও আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করার মতো কাজ, যা হারাম।

24/05/2023

________★________
কেমন_হবে_বিচার/কিয়ামত_দিবস-👇👇
-
১। "সেদিন সকলে একত্রিত হবে।"
[সূরা আনআম-২২]
-
২। "দুনিয়ার জমিন হবে রুটির ন্যায়।"
[মিশকাত-৫২৯৮]
-
৩। "মানুষ ন'গ্নপদ, ন'গ্নদেহ ও খা'তনা বিহীন সমবেত হবে।"
[বুখারি, মুসলিম]
-
৪। "কেউ কারোর প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার অবকাশ পাবে না।"
[মিশকাত-৫৩০২]
-
৫। "প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন লোক জা'হান্নামী বলে ঘোষিত হবে।"(ইয়াজুজ-মাজুজ রা)
[বুখারি-৪৭৪১]
-
৬।"ঐদিন মানুষ ঘর্মাক্ত হবে, এমনকি ঘাম তাদের কান পর্যন্ত পৌছাবে।"
[বুখারি]
-
৭। "সূর্যকে অতি নিকটে আনা হবে এবং মানুষের আ'মল অনুপাতে ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে।"
[বুখারি, মুসলিম]
-
৮। "দুনিয়াতে যারা আল্লাহ্'র জন্য সিজদাহ্ করে নাই কিংবা লোক দেখানোর জন্য সিজদাহ্ করেছে তারা সেদিন আল্লাহ্-কে সিজদাহ্ দিতে পারবে না।"
[সূরা ক্বলম-৪২, ৪৩]
-
৯। "মু'মিনদের হিসাব হবে মুখো-মুখি।"
[মিশকাত]
-
১০। "যার হিসাব পুংখানুপুংখ যাচাই করে হবে, সে ধ্বং'স হবে।"
[মিশকাত-৫৩১৫]
-
১১। "ঐদিন মানুষের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হবে।"
[সূরা ইয়াসিন-৬৫]
-
১২। "হাত, পা, কান, চক্ষু এবং চামড়া মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে।"
[সূরা নুর-২৪]
-
১৩। "সেদিনের ১দিনের সময়সীমা হলো দুনিয়ার ৫০ হাজার বছরের সমান।"
[মুসলিম মিশকাত~১৭৭৩]
-
১৪। "তবে ঐ দিন মু'মিনের জন্য একটি ফরজ সালাত আদায়ের সময়ের ন্যায় মনে হবে।"
[বায়হাকী মিশকাত~৫৫৬৩]
-
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুক এবং পরিপূর্ণ ঈমান ও আমল নিয়ে আল্লাহর কাছে যাওয়ার তাওফিক
দান করুন।
-
আমিন..

"ফজরের_সালাতের_১০টি_ফজিলত:-এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ।🔘১.ফজরের সালাত মুমিন ও ...
23/05/2023

"ফজরের_সালাতের_১০টি_ফজিলত:-

এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ।

🔘১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী, কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর!
__(বুখারী ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪; মুসলিম ৬৬১)

🔘২.রাসূল (সাঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়। অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
__(সহিহ মুসলিম, তিরমিজি ২১৮৪)

🔘৩.রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।
__(বুখারী-মুসলিম)

🔘৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে, আল্লাহ তাআলা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!
__(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)

🔘৫. রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।
__(আবু দাউদ ৪৯৪)

🔘৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন। অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মতোই স্পষ্ট দেখবে। __(বুখারী-৫৭৩)

🔘৭. যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে, সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।
__(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)

🔘৮.ফজরের সালাত আদায়কারী, রাসূল (সাঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।
__(সুনানে আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ)

🔘৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।
__(জামে তিরমিজি ৪১৬)

🔘১০. ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে, প্রফুল্ল হয়ে যায়।
__(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)

❤সুবহানাল্লাহ❤

মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন।

05/05/2023

Address

Kaligonj, Rangpur
Lalmonirhat
5520

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dawaah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dawaah:

Share

Category