Iqra Islamic Academy

Iqra Islamic Academy ছোটদের বই মানেই ইকরা ইসলামিক একাডেমি

08/06/2026
🔴বাচ্চার উপর মায়ের বদ নজর, চিকিৎসা নিবেন যেভাবে # # # বাচ্চার উপর মায়ের বদনজর লাগার বিষয়টি বাস্তবঅনেক সময় মা নিজের বাচ্চ...
08/06/2026

🔴বাচ্চার উপর মায়ের বদ নজর, চিকিৎসা নিবেন যেভাবে

# # # বাচ্চার উপর মায়ের বদনজর লাগার বিষয়টি বাস্তব
অনেক সময় মা নিজের বাচ্চাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। প্রশংসা করেন, সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য দেখে অতিরিক্ত ভালো লাগে বা “কী সুন্দর!” বলে ফেলেন—এতে অজান্তেই **বদনজর** লেগে যেতে পারে। বদনজর শুধু অন্যের থেকে নয়, মা-বাবার থেকেও লাগতে পারে। বাচ্চাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল থাকায় এটি খুব দ্রুত প্রভাব ফেলে।

# # # বদনজর লাগলে বাচ্চার যে লক্ষণসমূহ দেখা দেয়
(রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডি ও ইসলামী সোর্স থেকে সংগৃহীত):
- হঠাৎ মায়ের বুকের দুধ বা খাবার খেতে না চাওয়া, ঠেলে সরিয়ে দেওয়া
- অস্বাভাবিক অতিরিক্ত কান্নাকাটি, রাতে ছটফটানি ও চিৎকার করে জেগে ওঠা
- মায়ের কোলে গেলেই কান্না করা
- সুস্থ থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়া বা একের পর এক অসুখ
- গায়ের রং হঠাৎ পরিবর্তন (কালো হয়ে যাওয়া) বা স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাওয়া
- অকারণ ভয় পাওয়া, দুঃস্বপ্ন দেখা, ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা
- বয়সের তুলনায় কথা বলতে দেরি, তোতলানো বা জেদ-রাগ বেড়ে যাওয়া

**গুরুত্বপূর্ণ:** মেডিকেল চেকআপ করানোর পরও সমস্যা না কমলে বদনজরের সম্ভাবনা বিবেচনা করুন।

# # # চিকিৎসা নিবেন যেভাবে

**১. মায়ের অজুর পানি দিয়ে বাচ্চাকে গোসল করানো**
মা অজু করে তার অজুর পানি জমিয়ে রাখুন। এই পানি দিয়ে বাচ্চাকে গোসল করান বা শরীর মুছে দিন। (নজরকারী যদি মা হয় তাহলে এটি খুব কার্যকরী।)

**২. অন্যান্য রুকইয়াহ আমল (প্রতিদিন করুন)**
বাচ্চাকে কোলে নিয়ে বা সামনে রেখে মাথায় হাত রেখে নিচেরগুলো বারবার পড়ুন এবং মাঝে মাঝে ফুঁ দিন (দিনে ২-৩ বার, ১০-১৫ মিনিট):

- **সূরা ফাতিহা**
- **আয়াতুল কুরসি**
- **তিন কুল** (সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস — প্রতিটি ৩ বার)
- **শিফা দোয়া:** আল্লাহুম্মা রাব্বান নাস আযহিবিল বাস, ইশফি আনতাশ শাফি, লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা, শিফাআন লা ইউগাদিরু সাকামা।

**আউযুবিকা দোয়া (বিশেষভাবে বাচ্চার জন্য):**
**আরবি:** أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

**বাংলা উচ্চারণ:** আ‘উযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়তানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিন লাম্মাহ।

**অর্থ:** আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের দ্বারা প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী ও ক্ষতিকর চোখ (বদনজর) থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

**রুকইয়াহ পানি তৈরি করুন:** উপরের আয়াত ও দোয়াগুলো ৩/৭ বার পড়ে পানিতে ফুঁ দিন। বাচ্চাকে খাওয়ান এবং গোসল/মুছিয়ে দিন।

**ঘর পরিষ্কার করুন:** তাবিজ-কবচ, প্রাণীর ছবি, পুতুল ইত্যাদি সরিয়ে ফেলুন।

# # # বাচ্চার মায়ের জন্য মাসনূন আমল (খুব জরুরি)
অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চার সমস্যা মায়ের বদনজর বা অবস্থার কারণে হয়। মা নিজে সেলফ রুকইয়াহ করুন:
- সকাল-সন্ধ্যায় ৩ কুল + আয়াতুল কুরসি + আউযুবিকা দোয়া পড়ুন
- ফরজ নামাজ, অজু-গোসল নিয়মিত করুন
- বাচ্চার গায়ে উপরের দোয়াগুলো পড়ে ফুঁ দিন

মা সুরক্ষিত থাকলে বাচ্চাও দ্রুত সুস্থ হয় ইনশাআল্লাহ।

# # # প্রয়োজনে অভিজ্ঞ রাক্বীর তত্ত্বাবধানে
সমস্যা গুরুতর হলে (অতিরিক্ত চিৎকার, আক্রমণাত্মক আচরণ) অভিজ্ঞ রাক্বীর কাছে সরাসরি রুকইয়াহ করান। প্রতিদিন সার্বজনীন রুকইয়াহ + প্রয়োজনে হিজামাহ। বাচ্চার নিরাপত্তা ও আরাম সবচেয়ে আগে।

**সতর্কতা:**
- বাচ্চার স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা প্রথম। জোর করে ধরে রাখবেন না।
- মেডিকেল চিকিৎসার পাশাপাশি রুকইয়াহ চালিয়ে যান।
- “মাশাআল্লাহ” বলে প্রশংসা করার অভ্যাস গড়ুন।

আল্লাহ তা‘আলা সকল শিশুকে বদনজর, জ্বিন ও সকল অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

যেকোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন। পোস্টটি শেয়ার করে অন্য মায়েদের উপকার করুন।

একজন সম্মানিত গ্রাহকের রিভিউ 💚আলহামদুলিল্লাহ। আজ বইগুলো হাতে পেয়েছি ।অনেক সুন্দর বইগুলি । বাচ্চাদের জন্য অনেক চমৎকার সব...
04/06/2026

একজন সম্মানিত গ্রাহকের রিভিউ 💚

আলহামদুলিল্লাহ। আজ বইগুলো হাতে পেয়েছি ।অনেক সুন্দর বইগুলি । বাচ্চাদের জন্য অনেক চমৎকার সবাইকে এই বইগুলো ফেনা উচিত ছোট ছোট আকারে উনারা যেভাবে বলেছেন । অনেক অনেক ধন্যবাদ ইকরা ইসলামিক একাডেমী কে এত সুন্দর করে বইগুলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

রাত তিনটা। ঘরে সবাই ঘুমাচ্ছে।একজন মা জেগে আছেন। কোলে তাঁর ছোট্ট শিশু, জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে। মা একহাতে বাচ্চাকে বুকে চেপ...
03/06/2026

রাত তিনটা। ঘরে সবাই ঘুমাচ্ছে।
একজন মা জেগে আছেন। কোলে তাঁর ছোট্ট শিশু, জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে। মা একহাতে বাচ্চাকে বুকে চেপে ধরেছেন, আরেক হাতে মাথায় পানি দিচ্ছেন। চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। ঠোঁট নড়ছে, দোয়া করছেন। আল্লাহর কাছে কাঁদছেন।

এই মুহূর্তে কেউ দেখছে না তাঁকে। স্বামী ঘুমাচ্ছেন, পাড়া-প্রতিবেশী জানে না, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো পোস্ট নেই।

কিন্তু আল্লাহ দেখছেন।

এবং এই মুহূর্তটা, এই কান্না, এই ক্লান্তি, এই ভালোবাসা, কোথাও লেখা হয়ে যাচ্ছে। এমন জায়গায়, যেখান থেকে কিছু মুছে যায় না।

আমি আজ সেই মায়েদের জন্য লিখছি, যারা প্রতিদিন দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না "তুমি কেমন আছ?" যারা সংসারের সবার খেয়াল রাখেন, কিন্তু নিজের কথা বলার সময় পান না। যারা ভাবেন, এত কষ্ট করে কী হলো আমার?

তাদের বলতে চাই, অনেক কিছু হলো। আল্লাহর কাছে অনেক কিছু জমা পড়ে গেছে।

সন্তান লালন-পালনের প্রতিটি কষ্টের বিনিময়ে আল্লাহ যা দেবেন, সেটা জানলে আপনি হয়তো আর কখনো নিজেকে "শুধু একজন মা" বলবেন না।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "মা-এর পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত।" (নাসাই, ইবনে মাজাহ)

এই কথাটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে এই জান্নাতের দরজা খোলে মায়ের সেবার মাধ্যমে। আর সেই সেবার বিনিময়ে মায়ের জন্যও জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।

আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, "আমি মানুষকে তার মা-বাবার ব্যাপারে তাকিদ করেছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে গর্ভে ধারণ করেছেন।" (সূরা লুকমান: ১৪)

আল্লাহ নিজে স্বীকার করেছেন মায়ের কষ্টের কথা। এই স্বীকৃতি কম কিছু নয়। সৃষ্টিকর্তা নিজে বললেন, আমি জানি তুমি কতটা কষ্ট করেছ।

গর্ভাবস্থার প্রতিটি দিন, প্রতিটি বমি, প্রতিটি ব্যথা, প্রতিটি রাত যখন পাশ ফেরানো যাচ্ছিল না, এই সবকিছু আল্লাহর কাছে ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়েছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, গর্ভবতী নারী রোজাদার, নামাজি এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারীর সমান সওয়াব পান। (তাবারানি)

শুধু গর্ভ ধারণ করার কারণে। শুধু সন্তানকে বুকের মধ্যে বহন করার কারণে।

সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রতিটি মুহূর্তে মা সওয়াব পাচ্ছেন। রাতে ঘুম ভেঙে উঠছেন, খাওয়াচ্ছেন, এটুকুও আল্লাহর কাছে নেকি। আলেমরা বলেছেন, দুধ খাওয়ানোর প্রতিটি চুমুকের বিনিময়ে একটি করে নেকি লেখা হয়। এবং যে রাতগুলোতে মা ঘুমাতে পারেননি শুধু সন্তানের কারণে, সেই রাতগুলো তাহাজ্জুদের রাতের মতো মূল্যবান হতে পারে, কারণ নিয়ত ছিল আল্লাহর দেওয়া আমানত রক্ষা করার।

একটি কথা আমার মনে গেঁথে গেছে। এক মা আমাকে বলেছিলেন, আমি কখনো মনে করিনি আমার সংসারের কাজের কোনো দাম আছে। মনে হতো আমি শুধু খাটছি।" আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি জানেন সন্তানকে ভালোবেসে একটু আদর করলেও সওয়াব হয়? তিনি অবাক হয়ে তাকালেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি তার সন্তানকে আদর করে, আল্লাহ তার জন্য নেকি লিখে দেন।" (তাবারানি)

মায়ের প্রতিটি চুম্বন, প্রতিটি জড়িয়ে ধরা, প্রতিটি মাথায় হাত বুলানো, সবকিছু আল্লাহর কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।

সন্তান যখন বড় হয়ে নামাজ পড়বে, সেই নামাজের সওয়াবের একটি অংশ মায়ের আমলনামায় যাবে। সন্তান যখন কাউকে সাহায্য করবে, সেই ভালো কাজের একটি অংশ মায়ের কাছে পৌঁছাবে। কারণ মা-ই তাকে মানুষ করেছেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "মানুষ মারা যাওয়ার পর তার আমল বন্ধ হয়ে যায়, তিনটি জিনিস ছাড়া। তার মধ্যে একটি হলো নেক সন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে।" (মুসলিম)

একজন মা সারাজীবন কষ্ট করে যে সন্তান গড়লেন, সেই সন্তান মায়ের মৃত্যুর পরেও তাঁর জন্য দোয়া করতে থাকবে। মা কবরে শুয়ে আছেন, আর সওয়াব আসতেই থাকবে। এর চেয়ে বড় পুরস্কার আর কী হতে পারে?

এবং সবশেষে, জান্নাত। আল্লাহ তাঁর নবীর মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন, যে মা সবরের সাথে সন্তান লালন-পালন করেছেন, তাঁর জন্য জান্নাত অপেক্ষা করছে। সেই জান্নাতে ক্লান্তি নেই, কান্না নেই, অবহেলা নেই। শুধু আছে শান্তি, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি।

তাই প্রিয় মা, আপনি যখন পরের বার রাত তিনটায় জেগে থাকবেন, যখন সারাদিনের ক্লান্তিতে মনে হবে আর পারছেন না, একবার মনে করবেন। এই মুহূর্তটা বৃথা যাচ্ছে না। আল্লাহ দেখছেন। এবং আল্লাহ কখনো কোনো মায়ের কষ্টকে বেহিসাব রাখেন না।

আপনার প্রতিটি ত্যাগ, প্রতিটি নিদ্রাহীন রাত, প্রতিটি চোখের পানি, একদিন পুরস্কার হয়ে ফিরে আসবে। এমন এক জায়গায়, যেখানে কোনো কষ্ট নেই।

শুধু সবর করুন। আল্লাহ আপনাকে দেখছেন।

*আল্লাহ সকল মাকে সুস্বাস্থ্য, সবর এবং জান্নাত দান করুন। আমীন।*

আজকে থেকে অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে।
30/05/2026

আজকে থেকে অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে।

ঈদের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া: আনন্দের সাথে বাড়ছে শিশু ডুবে মৃত্যুর ঝুঁকিবাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু পানিতে ডুবে মার...
27/05/2026

ঈদের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া: আনন্দের সাথে বাড়ছে শিশু ডুবে মৃত্যুর ঝুঁকি

বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য গবেষণা অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর প্রায় ১৪ হাজারের বেশি মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়, যার বড় একটি অংশই শিশু। বিশেষ করে ১ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এখন পানিতে ডুবে যাওয়া। বর্ষাকাল এলে এই ঝুঁকি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

ঈদের ছুটি এলেই শহর থেকে অসংখ্য পরিবার গ্রামে যায়।
শিশুদের জন্য এটা যেন এক নতুন পৃথিবী।

খোলা মাঠ।
গাছপালা।
হাঁস-মুরগি।
নদী।
পুকুর।
খাল-বিল।

শহরের চার দেয়ালে বড় হওয়া বাচ্চাদের কাছে এসব যেন রূপকথার মতো লাগে। তারা দৌড়ায়, খেলতে যায়, কৌতূহল নিয়ে চারপাশ ঘুরে দেখে। আর ঠিক তখনই অদৃশ্যভাবে কাছে চলে আসে ভয়ংকর এক বিপদ—পানি।

বর্ষাকালে গ্রামের প্রায় সব জায়গাতেই পানি জমে থাকে। ছোট একটি ডোবা, বাড়ির পাশের পুকুর, কিংবা একটু দূরের খাল—যেকোনো জায়গাই মুহূর্তে মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠতে পারে। কারণ শহরের অধিকাংশ শিশু সাঁতার জানে না। তারা পানির গভীরতা বোঝে না। বিপদ বুঝে ওঠার আগেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—এই মৃত্যুগুলোর বেশিরভাগই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।

অনেক সময় দেখা যায়, পরিবারের সবাই ঈদের আনন্দে ব্যস্ত। কেউ কুরবানির কাজে, কেউ আত্মীয়দের সাথে গল্পে, কেউ রান্নাবান্নায়। এই ফাঁকে শিশুটি হয়তো সবার অজান্তে বাইরে চলে গেছে। একটু আগে যে শিশুর হাসির শব্দে বাড়ি ভরে ছিল, কিছুক্ষণ পর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারপর শুরু হয় আতঙ্ক, দৌড়াদৌড়ি, কান্না…
অবশেষে কোনো পুকুরের পানিতে ভেসে ওঠে ছোট্ট নিথর শরীর।

এই দৃশ্য কোনো পরিবার যেন কখনো না দেখে।

কেন শহরের শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে?

গ্রামের শিশুদের অনেকেই ছোটবেলা থেকেই পানির সাথে পরিচিত। তারা কমবেশি সাঁতার জানে, পানির ভয় বোঝে। কিন্তু শহরের শিশুরা ভিন্ন পরিবেশে বড় হয়। তারা হয়তো কখনো খোলা পুকুর বা নদীর পাশে যায়নি।

তাদের কাছে পানি মানেই আনন্দ।
কিন্তু সেই আনন্দ কত দ্রুত বিপদে বদলে যেতে পারে, তারা বুঝতে পারে না।

অনেক শিশুই খেলতে খেলতে পা পিছলে পড়ে যায়। কেউ হয়তো পানিতে ভাসতে পারে না, চিৎকারও করতে পারে না। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বড় দুর্ঘটনা ঘটে যায়।

পিতা-মাতার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: নজরদারি

শিশু নিরাপত্তার প্রথম দায়িত্ব পরিবারকেই নিতে হবে।

ঈদের ছুটিতে গ্রামে গেলে কিছু বিষয়ে খুব কঠোর হতে হবে।

১. শিশুকে কখনো একা বাইরে যেতে দিবেন না

বিশেষ করে পানির আশেপাশে।
“একটু খেলতে গেছে” — এই কথাটাই অনেক সময় আজীবনের আফসোস হয়ে যায়।

২. সবসময় একজন দায়িত্বশীল বড় মানুষ নজর রাখবেন

বাড়িতে অনেক মানুষ থাকলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। কারণ সবাই ভাবতে থাকে অন্য কেউ হয়তো দেখছে।
তাই নির্দিষ্টভাবে একজনকে দায়িত্ব দিতে হবে।

৩. শিশুকে আগে থেকেই সতর্ক করুন

রাগারাগি নয়, ভয় দেখানো নয়।
ভালোবাসা দিয়ে বুঝিয়ে বলুন—

> “কাউকে না বলে বাইরে যাওয়া যাবে না।”
“পুকুরের পাশে একা দাঁড়ানো যাবে না।”

৪. বাড়ির আশেপাশের ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা আগে দেখে নিন

গ্রামে গিয়ে আগে খেয়াল করুন কোথায় পুকুর, ডোবা, নালা বা গভীর পানি আছে। শিশুর চলাফেরা সেই অনুযায়ী সীমিত করুন।

৫. সম্ভব হলে শিশুদের সাঁতার শেখান

সাঁতার শুধু খেলাধুলা না, এটা জীবন রক্ষার দক্ষতা।
একদিন এই দক্ষতাই হয়তো জীবন বাঁচাবে।

একটু সচেতনতাই বাঁচাতে পারে একটি জীবন

আমরা অনেক সময় মনে করি দুর্ঘটনা অন্য কারো সাথে ঘটে।
কিন্তু যেসব পরিবার তাদের সন্তান হারিয়েছে, তারাও একদিন এমনটাই ভেবেছিল।

একটা শিশু হারানো মানে শুধু একজন মানুষ হারানো না।
একটা মায়ের বুক খালি হয়ে যাওয়া।
একটা বাবার পৃথিবী অন্ধকার হয়ে যাওয়া।
একটা পরিবারের সব আনন্দ থেমে যাওয়া।

ঈদের আনন্দ হোক নিরাপদ।
শিশুর হাসি যেন কান্নায় না বদলে যায়।

আজ থেকেই সতর্ক হই।
নিজের সন্তানকে দেখি, অন্যের সন্তানকেও দেখি।
কারণ একটি ছোট্ট অসতর্কতা সারাজীবনের অনুশোচনা হয়ে থাকতে পারে।

নোটিশ
23/05/2026

নোটিশ

🔥 সর্বশেষ আপডেট : ৫৮ পেইজের কথা বলার ইনটেলিজেন্স বুক আমাদের কাছে পাচ্ছেন মাত্র : ৯৯৯ টাকায়।
22/05/2026

🔥 সর্বশেষ আপডেট : ৫৮ পেইজের কথা বলার ইনটেলিজেন্স বুক আমাদের কাছে পাচ্ছেন মাত্র : ৯৯৯ টাকায়।

এডুকেশনাল লিখার বিগ সাইজের বোর্ড আমাদের কাছেও পাবেন।
21/05/2026

এডুকেশনাল লিখার বিগ সাইজের বোর্ড আমাদের কাছেও পাবেন।

Address

BanglaBazar, Dhaka
Madaripur
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iqra Islamic Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Iqra Islamic Academy:

Share