Traveller Tahidul

Traveller Tahidul Assalamu Alikum.

Welcome to my page and enjoy it. ভ্রমণের পাশাপাশি মানুষের জীবন, ইতিহাস-ঐতিহ্য, সাংস্কৃতি, ঐতিহাসিক স্থান তুলে ধরার চেষ্টা করি। আমি ভ্রমণ করি, ভ্রমণ করতে ভালোবাসি।

10/07/2026

ফান প্যারাডাইস্ পার্ক, ধুলদী, ফরিদপুর ।। Fun Paradise Park, Faridpur ।। Travel vlog ।। Traveller Tahidul

#ফরিদপুর #পার্কে #ট্রাভেল #ফানপ্যারাডাইস

লাকুটিয়া জমিদার বাড়ি; বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের লাকুটিয়া গ্রামে অবস্থিত প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহা...
19/06/2026

লাকুটিয়া জমিদার বাড়ি; বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের লাকুটিয়া গ্রামে অবস্থিত প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি।
🛖 ১৭ শতকে জমিদার রূপচন্দ্র রায়ের হাত ধরে এই জমিদার বংশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং তাঁর পৌত্র রাজচন্দ্র রায়ের আমলে মূল প্রাসাদটি নির্মিত হয়। বরিশাল অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন এই জমিদার বাড়িটি সম্প্রতি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়েছে এবং বর্তমানে এর মূল ভবনের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে এটিকে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে।
🏛️ ইতিহাস ও ঐতিহ্যপ্রতিষ্ঠাতা: জমিদার রূপচন্দ্র রায় ছিলেন এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা। পরবর্তীতে তাঁর নাতি রাজচন্দ্র রায় ১৭০০ সালের দিকে ইট, সুরকি ও পাথরের গাঁথুনিতে এই মূল প্রাসাদটি তৈরি করেন।
সামাজিক অবদান: এই প্রজাদরদি জমিদার পরিবারের উদ্যোগে বরিশালের বিখ্যাত রাজচন্দ্র কলেজ এবং পুষ্পরানী চৌধুরী ইনস্টিটিউশন (পিআরসি স্কুল) প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়া, লাকুটিয়া থেকে বরিশাল শহর পর্যন্ত মূল সড়কটি তাঁদের আমলেই তৈরি হয়েছিল।
বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও পারিবারিক সংযোগ: এই পরিবারের সন্তান প্যারীলাল রায় ছিলেন একজন নামকরা ব্যারিস্টার। তাঁর দুই ছেলে—প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিখ্যাত ভারতীয় বৈমানিক ইন্দ্রলাল রায় এবং প্রখ্যাত বক্সার পরেশলাল রায়। এছাড়া, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারের সাথেও এই জমিদার বংশের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল।
শেষ জমিদার: এই বংশের শেষ জমিদার ছিলেন দেবেন রায় চৌধুরী। দেশভাগের পর তিনি সপরিবারে ভারতের কলকাতায় চলে যান।
🏗️ স্থাপত্য ও দেখার মতো স্থানমূল প্রাসাদ: এখানে রয়েছে একটি দ্বিমুখী কারুকার্যমণ্ডিত দ্বিতল প্রাসাদ, যা দীর্ঘকাল পরিত্যক্ত থাকার পর ২০২৫-২০২৬ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক প্রথম ধাপের সংস্কার কাজ শেষ করে চুন-সুরকি ও নতুন টালি দিয়ে আদি রূপে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
মঠ ও মন্দির: বাড়ির প্রবেশপথে এবং সীমানার মধ্যে রয়েছে আটচালা দেউলরীতি ও শিখররীতিতে তৈরি বেশ কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন মঠ, উপাসনালয় এবং সমাধিসৌধ।

দীঘি ও মাঠ: প্রাসাদের সামনে ও চারপাশে রয়েছে একটি বিশাল দীঘি (শান বাঁধানো ঘাটসহ), সুপরিসর মাঠ এবং পুরোনো গাছপালা।বর্তমান পরিবেশ: পুরো চত্বরটি বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (BADC) তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
#জমিদার #বরিশাল

গুঠিয়া মসজিদ; বাংলাদেশের বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের চাঙ্গুরিয়া গ্রামে অবস্থিত একটি অত্যন্ত দৃষ্টিন...
18/06/2026

গুঠিয়া মসজিদ; বাংলাদেশের বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের চাঙ্গুরিয়া গ্রামে অবস্থিত একটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর ঐতিহাসিক মসজিদ। এটি দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এবং সমগ্র বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদগুলোর একটি হিসেবে সমাদৃত।
মূল পরিচিতি ও ইতিহাস প্রতিষ্ঠাতা: স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তাঁর নিজ বাড়ির সামনে এই মসজিদ কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করেন।
সময়কাল: ২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০০৬ সালের ২০ অক্টোবর এটি উদ্বোধনের মাধ্যমে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
আয়তন: পুরো কমপ্লেক্সটি প্রায় ১৪ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের চেয়েও আকারে বড়।
স্থাপত্যশৈলী ও প্রধান আকর্ষণগম্বুজ ও মিনার: মসজিদে মোট ২০টি গম্বুজ রয়েছে। এর প্রধান মিনারটির উচ্চতা প্রায় ১৯৩ ফুট (৫৮ মিটার), যা দেশের অন্যতম দীর্ঘতম মিনার।
উপাদান ও ক্যালিওগ্রাফি: মসজিদের স্তম্ভ ও দেয়ালে মিসর থেকে আনা মূল্যবান মার্বেল পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। ভেতরের ও বাইরের দেয়ালে সুদৃশ্য ক্যালিওগ্রাফির মাধ্যমে আল-কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও সুরা খোদাই করা আছে।
ধারণক্ষমতা: মূল মসজিদের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ১,৫০০ জন এবং বাইরের উম্মুক্ত স্থানসহ প্রায় ৫,০০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন। এছাড়া কমপ্লেক্সের বিশাল ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে ২০,০০০-এর বেশি মানুষের ঈদের নামাজ পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: মসজিদের মিনারটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় মক্কা, মদিনা, কারবালাসহ বিশ্বের বিভিন্ন পবিত্র স্থানের মাটি এবং জমজমের পানি ব্যবহার করা হয়েছিল। মহিলাদের জন্য এখানে পৃথক নামাজ আদায়ের সুব্যবস্থা রয়েছে।
#মসজিদ #বরিশাল

কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলার মিলনস্থল ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রূপপুর গ্...
13/06/2026

কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলার মিলনস্থল ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রূপপুর গ্রীন সিটি ঘুরে দেখেছি।

#কুষ্টিয়া #হার্ডিঞ্জব্রিজ #রূপপুর #লালনশাহ

আধ্যাত্মিক সাধক বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের সমাধি ও আখড়াবাড়ী, ছেঁউড়িয়া,  কুমারখালী, কুষ্টিয়া।    #কুষ্টিয়া  #লালন ...
10/06/2026

আধ্যাত্মিক সাধক বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের সমাধি ও আখড়াবাড়ী, ছেঁউড়িয়া, কুমারখালী, কুষ্টিয়া।

#কুষ্টিয়া #লালন #লালনশাহ #ঐতিহাসিক

রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি, শিলাইদহ, কুষ্টিয়া।  #রবীন্দ্রকুঠিবাড়ি    #ঐতিহাসিক    #কুষ্টিয়া
08/06/2026

রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি, শিলাইদহ, কুষ্টিয়া।

#রবীন্দ্রকুঠিবাড়ি #ঐতিহাসিক #কুষ্টিয়া

মথুরাপুর দেউল; বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে অবস্থিত একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রত্নতাত্ত্বি...
05/06/2026

মথুরাপুর দেউল; বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে অবস্থিত একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা মঠ। এটি তার অপূর্ব স্থাপত্যশৈলী এবং দেয়ালের নান্দনিক টেরাকোটা বা পোড়ামাটির অলংকরণের জন্য সুপরিচিত।
দেউলটি ভূমি থেকে প্রায় ২১.২ মিটার (প্রায় ৭০ থেকে ৯০ ফুট) উঁচু। এই মঠটি ১২টি কোণ বিশিষ্ট এবং এর ভেতরে একটি ছোট কক্ষ রয়েছে।
দেউলটি আনুমানিক ষোড়শ বা সপ্তদশ শতাব্দীতে তৈরি করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি রাজা মানসিংহ রাজা প্রতাপাদিত্যকে যুদ্ধে পরাজিত করে বিজয়স্তম্ভ হিসেবে এটি নির্মাণ করেছিলেন।
দেউলের দেয়ালজুড়ে রয়েছে চমৎকার দৃষ্টিনন্দন পোড়ামাটির ফলক বা টেরাকোটার কাজ। এর গায়ে রামায়ণ-মহাভারতের বিভিন্ন দৃশ্য, সিংহ, যুদ্ধ, নৃত্যরত নর-নারী এবং তৎকালীন গ্রামীণ জীবনের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
#ফরিদপুর #মথুরাপুরদেউল #ঐতিহাসিকস্থান #ঐতিহাসিক

কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি; বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার একটি অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রাচীন দর্শনীয় স্থান। ঝালকাঠি সদর উপজেলা...
04/06/2026

কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি; বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার একটি অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রাচীন দর্শনীয় স্থান। ঝালকাঠি সদর উপজেলা থেকে প্রায় ৪-৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে কীর্ত্তিপাশা গ্রামে এই প্রাচীন জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। উনিশ শতকের প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠিত এই রাজকীয় এস্টেটটি বর্তমানে ধ্বংসাবশেষের রূপ নিলেও এটি এ অঞ্চলের সামন্ততান্ত্রিক ইতিহাসের এক মূর্ত প্রতীক।
ইতিহাস ও নামকরণ প্রতিষ্ঠাতা: ১৯ শতকের শুরুর দিকে বিক্রমপুরের জমিদার বংশের বংশধর রাজা রাম সেনগুপ্ত কীর্ত্তিপাশা গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করেন এবং এস্টেটটি প্রতিষ্ঠা করেন। রাজা রাম সেনগুপ্ত তার দুই ছেলে কৃষ্ণ কুমার এবং দেবীচরণের জন্য দুটি আলাদা বাড়ি নির্মাণ করেন। ১০ আনা (বড় হিস্যা) বড় ছেলের রাজকীয় ও তুলনামূলক বড় অংশ, যা পূর্ব বাড়ি হিসেবে পরিচিত। ৬ আনা (ছোট হিস্যা) ছোট ছেলের অংশ, যা পশ্চিম বাড়ি হিসেবে পরিচিত ছিল।
বর্তমান প্রধান আকর্ষণ ও স্থাপনাকালের বিবর্তনে ছোট হিস্যার বাড়িটি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেলেও বড় হিস্যার বেশ কিছু ভগ্নাবশেষ আজও টিকে আছে। এককালের জমকালো নাচঘর এবং নাটমন্দিরের ধ্বংসাবশেষ। প্রাচীন কারুকার্যখচিত বড় ও ছোট হিন্দু মন্দির এবং দুর্গামন্দির, যা এখন লতাগুল্মে ঢাকা। জমিদার বাড়ির মূল ফটকের সামনে বিশাল এক শানবাঁধানো দিঘি বা পুকুর রয়েছে। বড় হিস্যার ঐতিহ্য রক্ষার্থে সেখানে 'কমলীকান্দা নবীন চন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়' এবং একটি দাতব্য চিকিৎসালয়ের ধারাবাহিকতায় নার্সিং ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হয়েছে।
যাতায়াত: ব্যবস্থাঝালকাঠি জেলা শহর থেকে খুব সহজেই সড়কপথে কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়িতে যাওয়া যায়। ঝালকাঠি শহরের ফায়ার সার্ভিস মোড়, কলেজ মোড় কিংবা বাসস্ট্যান্ড থেকে ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক বা সিএনজি ভাড়া করে সরাসরি কীর্ত্তিপাশা বাজারে যাওয়া যায়। কীর্ত্তিপাশা বাজার থেকে সামান্য পায়ে হাঁটলেই মূল জমিদার বাড়ি।
#জমিদারবাড়ি #বরিশাল #ঝালকাঠি

Address

Borunatul
Magura
7600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Traveller Tahidul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share