Afran Rahi

Afran Rahi Hello I'm Afran Rahi, You Know Me, Don't you?
(3)

❌ সবার কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না — ✅ সঠিক মানুষের কাছে বিক্রি করুননতুন ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো—তা...
17/08/2026

❌ সবার কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না — ✅ সঠিক মানুষের কাছে বিক্রি করুন

নতুন ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো—

তারা মনে করে, তাদের কাস্টমার সবাই।

১৮ বছরের ছেলেও কাস্টমার।

৬০ বছরের লোকও কাস্টমার।

ছাত্রও কাস্টমার।

ব্যবসায়ীও কাস্টমার।

অর্থাৎ, সবাই।

কিন্তু একটা uncomfortable সত্যি আছে।

যখন আপনার কাস্টমার সবাই হয়, তখন আসলে আপনার কোনো কাস্টমারই থাকে না।

ফ্যাক্ট ১ — সবার জন্য তৈরি করা অফার সাধারণত কারও জন্যই বিশেষ হয় না।

ধরুন, আপনি একটা বিজ্ঞাপন দিলেন।

এমনভাবে লিখলেন যেন সবাই পছন্দ করে।

ফলাফল?

কেউই খুব বেশি আগ্রহ দেখালো না।

কারণ মানুষ এমন কিছু পছন্দ করে,

যেটা তার জন্য তৈরি মনে হয়।

ফ্যাক্ট ২ — ছোট অডিয়েন্স থেকে বড় ব্যবসা তৈরি করা সম্ভব।

অনেকেই ভাবে,

বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে।

বাস্তবে অনেক সফল ব্যবসা খুব নির্দিষ্ট মানুষের সমস্যা সমাধান করেই বড় হয়েছে।

কারণ তারা সবার মন জিততে যায়নি।

তারা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের মন জিতেছে।

ফ্যাক্ট ৩ — কাস্টমার বুঝলে মার্কেটিং সহজ হয়ে যায়।

আপনি যদি জানেন—

✔ আপনার কাস্টমারের বয়স কত ✔ সে কী সমস্যা নিয়ে চিন্তিত ✔ সে কী চায় ✔ সে কেন কিনবে

তাহলে কনটেন্ট লেখা সহজ হয়।

বিজ্ঞাপন চালানো সহজ হয়।

বিক্রি করাও সহজ হয়।

তাহলে কি করবেন?

প্রোডাক্ট বিক্রি করার আগে,

কাস্টমারকে বুঝার চেষ্টা করুন।

নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—

"আমার আদর্শ কাস্টমার কে?"

যত পরিষ্কার উত্তর পাবেন,

তত দ্রুত ব্যবসা বাড়বে।

মনে রাখবেন,

মার্কেটিংয়ের উদ্দেশ্য সবার কাছে পৌঁছানো না।

মার্কেটিংয়ের উদ্দেশ্য হলো—

সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছানো।

কারণ ১০০০ জন ভুল মানুষের চেয়ে,

১০০ জন সঠিক মানুষ অনেক বেশি মূল্যবান।

আর ব্যবসায় সবচেয়ে বড় শক্তি ফলোয়ার না।

সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—

সেই মানুষগুলো, যারা আপনার দেওয়া সমাধানের জন্য টাকা দিতে প্রস্তুত। 🖤

যে মানুষটার অল্প কষ্ট দেখেই আমি পাগলের মতো হয়ে যেতাম… 🫠আজ তার কষ্ট দেখেও কেন জানি আনন্দ লাগে। 🙂আমি তো কারো ক্ষতি করিনি,ক...
16/08/2026

যে মানুষটার অল্প কষ্ট দেখেই আমি পাগলের মতো হয়ে যেতাম… 🫠
আজ তার কষ্ট দেখেও কেন জানি আনন্দ লাগে। 🙂

আমি তো কারো ক্ষতি করিনি,
কারো অমঙ্গলও চাইনি। ☺️

কিন্তু ওই যে—আমার রব আছেন 👆
তিনি সব দেখেন, সব জানেন।
আমি কিছু করিনি…
তিনি শুধু তাঁর কাজটাই করেছেন। 😑🤲

 # # # ❌ সঠিক সময়ের অপেক্ষা করবেন না — ✅ সময়কে সঠিক বানানঅনেক মানুষের জীবন একটা বাক্যের মধ্যে আটকে থাকে।**"আরেকটু সময় গে...
10/08/2026

# # # ❌ সঠিক সময়ের অপেক্ষা করবেন না — ✅ সময়কে সঠিক বানান

অনেক মানুষের জীবন একটা বাক্যের মধ্যে আটকে থাকে।

**"আরেকটু সময় গেলে শুরু করবো।"**

"পরের মাস থেকে শুরু করবো।"

"পরিস্থিতি একটু ভালো হোক।"

"আরেকটু টাকা জমুক।"

"আরেকটু অভিজ্ঞতা হোক।"

তারপর?

আরেকটা মাস চলে যায়।

আরেকটা বছর চলে যায়।

কিন্তু শুরুটা আর হয় না।

কঠিন শোনালেও একটা সত্যি আছে।

**সঠিক সময় বলে কিছু নেই।**

ফ্যাক্ট ১ — আপনি যে সময়ের অপেক্ষা করছেন, সেই সময় হয়তো কখনও আসবে না।

কারণ জীবনে সবসময়ই কোনো না কোনো সমস্যা থাকবে।

কখনও টাকা কম থাকবে।

কখনও সময় কম থাকবে।

কখনও আত্মবিশ্বাস কম থাকবে।

কখনও সুযোগ কম থাকবে।

যদি সবকিছু ঠিক হওয়ার অপেক্ষা করেন,

তাহলে অনেক সময় কিছুই শুরু করা হয় না।

ফ্যাক্ট ২ — আত্মবিশ্বাস কাজ করার পরে আসে।

বেশিরভাগ মানুষ ভাবে—

"আত্মবিশ্বাস আসলে শুরু করবো।"

বাস্তবতা উল্টো।

আপনি শুরু করেন।

ভুল করেন।

শেখেন।

তারপর আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

আত্মবিশ্বাস শুরু করার কারণ না।

আত্মবিশ্বাস হলো শুরু করার ফলাফল।

ফ্যাক্ট ৩ — ছোট শুরু অনেক বড় অপেক্ষার চেয়ে ভালো।

অনেকেই ১ লাখ টাকার পরিকল্পনা করে।

কিন্তু ১ হাজার টাকার কাজও শুরু করে না।

অনেকেই বড় অফিসের স্বপ্ন দেখে।

কিন্তু ঘরে বসে প্রথম কাস্টমার খোঁজে না।

অথচ বড় কিছু শুরু হয় ছোট কিছু দিয়েই।

তাহলে কি করবেন?

বড় পরিকল্পনা রেখে দিন।

আজকে ছোট একটা পদক্ষেপ নিন।

১টা পোস্ট লিখুন।

১টা ভিডিও বানান।

১জন সম্ভাব্য কাস্টমারের সাথে কথা বলুন।

১টা নতুন স্কিল প্র্যাকটিস করুন।

কারণ আগামী ১ বছর পরে আপনি আফসোস করবেন না যে,

"আমি ছোট করে শুরু করেছিলাম।"

বরং আফসোস করবেন যে,

**"আমি শুরুই করিনি।"**

মনে রাখবেন,

সফল মানুষদের সবচেয়ে বড় সুবিধা প্রতিভা না।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—

তারা অপেক্ষা কম করে,
কাজ বেশি করে।

কারণ সময় কাউকে সুযোগ দেয় না।

সুযোগ তৈরি করতে হয় নিজেকেই। 🖤

এখন থেকে সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করেই ফেসবুকে এ্যাডস ক্যাম্পেইন দেয়া যাবে। প্রয়োজন হবে না পাসপোর্ট এন্ডোর্সমেন্...
06/08/2026

এখন থেকে সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করেই ফেসবুকে এ্যাডস ক্যাম্পেইন দেয়া যাবে। প্রয়োজন হবে না পাসপোর্ট এন্ডোর্সমেন্ট বা ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড!

তবে এ্যাডসের এমাউন্টের সাথে ১৭.২৩% ভ্যাট এ্যাড হবে। সুবিধা হইলো বিজনেস ওনারদের হ্যাসেল অনেকটা কমে যাবে, নিজের এ্যাড নিজে রান করাইতে পারবে। যেটা মেটাও চায়। তারা রিজিওনাল/লোকাল পেমেন্ট মেথড নিয়ে কাজ করছে, যেন‌ সবার কাছে এ্যাডস পেমেন্ট এক্সেসিবল হয়। আবার লোকাল পেমেন্ট মেথড থাকলে সরকারের সাথে মেটার ভ্যাট,ট্যাক্স সংক্রান্ত লিগ্যাল বিষয়াদিও সহজ হয়ে যায়।

অন্য কাউকে দিয়ে এ্যাড রান করাইলে একটা পার্সেন্টেইজ থার্ড পার্টির কাছে চলে যায়। কিন্তু মেটা চায় এ্যাডস এর পেছনে যা খরচ করবেন তার সবটাই যেন মেটার কাছে যায়।

এর জন্য সামনে মেটা এআই ড্রিভেন এ্যাডস ম্যানেজার নিয়ে আসতেছে, তখন এ্যাড দেয়ার জন্য আর থার্ড পার্টি কারোর কাছে যাইতে হবে না। এরই অংশ হিসেবে মেটা কিছুদিন আগে Meta MCP নিয়ে আসছে, যেইটা ChatGPT, Claude এর সাথে কানেক্ট করে এ্যাডস রান করানো যায়(আপাতত লিমিটেড এক্সেস) বা এ্যাডস ম্যানেজার এর বিস্তারিত ইনফরমেশন জানা যায়।

ডিজিটাল মার্কেটার/মেটা এ্যাডস এক্সপার্টরা আমার পোস্ট দেখে মন খারাপ করিয়েন না। ধন্যবাদ।

❌ বেশি শিখার চেষ্টা করবেন না — ✅ বেশি প্রয়োগ করার চেষ্টা করুনবর্তমানে জ্ঞান পাওয়া সবচেয়ে সহজ।YouTube আছে।Google আছে।AI আ...
04/08/2026

❌ বেশি শিখার চেষ্টা করবেন না — ✅ বেশি প্রয়োগ করার চেষ্টা করুন

বর্তমানে জ্ঞান পাওয়া সবচেয়ে সহজ।

YouTube আছে।

Google আছে।

AI আছে।

হাজার হাজার ফ্রি কোর্স আছে।

এক ক্লিকেই পৃথিবীর সেরা মানুষের জ্ঞান পাওয়া যায়।

কিন্তু একটা uncomfortable সত্যি আছে।

জ্ঞান এখন আর শক্তি না।

জ্ঞান প্রয়োগ করার ক্ষমতাই আসল শক্তি।

ফ্যাক্ট ১ — পৃথিবীতে তথ্যের অভাব নেই।

আপনি যদি Facebook Marketing শিখতে চান,

১০ হাজার ভিডিও পাবেন।

SEO শিখতে চান,

হাজার হাজার আর্টিকেল পাবেন।

বিজনেস শিখতে চান,

অগণিত বই পাবেন।

সমস্যা জ্ঞান না।

সমস্যা হলো—

মানুষ শেখে বেশি, করে কম।

ফ্যাক্ট ২ — ৯০% মানুষ জানে কি করতে হবে।

কিন্তু খুব কম মানুষ সেটা করে।

সবাই জানে—

নিয়মিত কাজ করতে হবে।

নতুন স্কিল শিখতে হবে।

কাস্টমারকে ভালো সার্ভিস দিতে হবে।

ধৈর্য ধরতে হবে।

এসব নতুন কিছু না।

প্রশ্ন হলো—

আপনি এগুলো বাস্তবে করছেন কি না।

ফ্যাক্ট ৩ — ছোট অ্যাকশন বড় জ্ঞানের চেয়ে মূল্যবান।

একজন মানুষ ১০০টা বিজনেস বই পড়লো।

আরেকজন ১টা বই পড়ে শেখা জিনিস বাস্তবে প্রয়োগ করলো।

এক বছর পরে কে এগিয়ে থাকবে?

প্রায় সবসময় দ্বিতীয় মানুষটা।

কারণ বাজার সার্টিফিকেট দেখে না।

বাজার ফলাফল দেখে।

তাহলে কি শিখবেন না?

অবশ্যই শিখবেন।

কিন্তু একটা নিয়ম রাখুন।

যত সময় শিখবেন,

অন্তত তত সময় প্রয়োগ করবেন।

একটা ভিডিও দেখলেন?

একটা কাজ করুন।

একটা বই পড়লেন?

একটা আইডিয়া বাস্তবে পরীক্ষা করুন।

মনে রাখবেন,

জ্ঞান সংগ্রহ করা সহজ।

জ্ঞান প্রয়োগ করা কঠিন।

আর এই কঠিন কাজটাই মানুষকে আলাদা করে।

কারণ সফল মানুষরা সাধারণত সবচেয়ে বেশি জানে না।

তারা সবচেয়ে বেশি কাজ করে।

এবং তারা যা জানে, সেটা বাস্তবে ব্যবহার করে। 🖤

02/08/2026

HBD

❌ দ্রুত সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না — ✅ দীর্ঘদিন টিকে থাকার চেষ্টা করুনবর্তমান সময়ে একটা জিনিস খুব বেশি দেখা যায়।সবাই দ্রু...
02/08/2026

❌ দ্রুত সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না — ✅ দীর্ঘদিন টিকে থাকার চেষ্টা করুন

বর্তমান সময়ে একটা জিনিস খুব বেশি দেখা যায়।

সবাই দ্রুত সফল হতে চায়।

৬ মাসে বড় ব্যবসা।

১ বছরে লাখ টাকা ইনকাম।

দ্রুত ফলোয়ার।

দ্রুত পরিচিতি।

দ্রুত সবকিছু।

কিন্তু একটা uncomfortable সত্যি আছে—

দ্রুত পাওয়া জিনিস অনেক সময় দ্রুত হারিয়েও যায়।

ফ্যাক্ট ১ — বেশিরভাগ মানুষ শুরু করে, কিন্তু টিকে থাকতে পারে না।

বিজনেস শুরু করা কঠিন না।

একটা পেজ খোলা যায়।

একটা ওয়েবসাইট বানানো যায়।

একটা প্রোডাক্ট লঞ্চ করা যায়।

কিন্তু ২ বছর পরও একই আগ্রহ নিয়ে কাজ করে যাওয়া—

এটাই আসল চ্যালেঞ্জ।

ফ্যাক্ট ২ — মার্কেট ধৈর্য পরীক্ষা করে।

প্রথম মাসে সেল নাও আসতে পারে।

প্রথম বিজ্ঞাপন কাজ নাও করতে পারে।

প্রথম আইডিয়া সফল নাও হতে পারে।

এগুলো ব্যর্থতা না।

এগুলো শেখার অংশ।

সমস্যা তখন হয়,

যখন মানুষ ফলাফল না দেখে কাজ বন্ধ করে দেয়।

ফ্যাক্ট ৩ — বড় ব্র্যান্ড একদিনে তৈরি হয় না।

আমরা শুধু তাদের সফলতার গল্প দেখি।

কিন্তু এর পিছনের বছরের পর বছর পরিশ্রম দেখি না।

যে মানুষটা আজ বড় ব্র্যান্ডের মালিক,

সে একসময় অল্প কিছু কাস্টমার নিয়েই শুরু করেছিল।

কিন্তু পার্থক্য ছিল একটা জায়গায়—

সে থামেনি।

তাহলে কি করবেন?

দ্রুত ফলাফলের পিছনে না ছুটে,

প্রতিদিন ছোট ছোট উন্নতির দিকে মন দিন।

আজকের চেয়ে আগামীকাল একটু ভালো করুন।

গত মাসের চেয়ে এই মাসে একটু বেশি শিখুন।

গত বছরের চেয়ে এই বছর একটু বেশি মূল্য তৈরি করুন।

মনে রাখবেন,

বিজনেস কোনো স্প্রিন্ট না।

এটা একটা ম্যারাথন।

যে সবচেয়ে দ্রুত দৌড়ায় সে সবসময় জেতে না।

যে সবচেয়ে বেশি সময় টিকে থাকতে পারে,

শেষ পর্যন্ত সে-ই এগিয়ে যায়।

কারণ মার্কেটে সবচেয়ে বড় সুবিধা অনেক সময় প্রতিভা না।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—

ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতা। 🖤

❌ বেশি কাজ করার চেষ্টা করবেন না — ✅ বেশি ফলাফল আনার চেষ্টা করুনঅনেকেই গর্ব করে বলে—"আমি দিনে ১৬ ঘণ্টা কাজ করি।""সকালে উঠ...
01/08/2026

❌ বেশি কাজ করার চেষ্টা করবেন না — ✅ বেশি ফলাফল আনার চেষ্টা করুন

অনেকেই গর্ব করে বলে—

"আমি দিনে ১৬ ঘণ্টা কাজ করি।"

"সকালে উঠেই কাজ।"

"রাত ৩টা পর্যন্ত কাজ।"

শুনতে impressive লাগে।

কিন্তু একটা uncomfortable সত্যি আছে।

বেশি কাজ করা আর বেশি ফলাফল আনা এক জিনিস না।

ফ্যাক্ট ১ — ব্যস্ততা অনেক সময় অগ্রগতির ছদ্মবেশ।

অনেক মানুষ সারাদিন কাজ করে।

মিটিং করে।

মেসেজের উত্তর দেয়।

পোস্ট দেখে।

প্ল্যান করে।

কিন্তু মাস শেষে দেখে—

আয় আগের জায়গাতেই আছে।

কারণ সে কাজ করেছে।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেনি।

ফ্যাক্ট ২ — ৮০% ফলাফল আসে ২০% কাজ থেকে।

আপনার সব কাজ সমান গুরুত্বপূর্ণ না।

কিছু কাজ আছে যা সরাসরি আয় বাড়ায়।

আবার কিছু কাজ আছে যা শুধু সময় খায়।

সমস্যা হলো,

বেশিরভাগ মানুষ ব্যস্ত কাজ আর গুরুত্বপূর্ণ কাজের পার্থক্য বুঝতে পারে না।

ফ্যাক্ট ৩ — সফল মানুষ সময় ম্যানেজ করে না, অগ্রাধিকার ম্যানেজ করে।

সবার কাছেই দিনে ২৪ ঘণ্টা।

কিন্তু সবার ফলাফল এক না।

কারণ কেউ গুরুত্বপূর্ণ কাজ আগে করে।

কেউ সহজ কাজ আগে করে।

তাহলে কি করবেন?

প্রতিদিন কাজ শুরু করার আগে নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন—

"আজকের কোন কাজটা করলে আমার সবচেয়ে বেশি ফলাফল আসবে?"

সেই কাজটা আগে করুন।

ইনবক্স পরে দেখলেও চলবে।

নোটিফিকেশন পরে দেখলেও চলবে।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কাজটা পরে করলে অনেক সময় সুযোগটাই চলে যায়।

মনে রাখবেন,

বিজনেসে মানুষ আপনাকে ঘণ্টা হিসেবে টাকা দেয় না।

ফলাফল হিসেবে দেয়।

ক্লায়েন্ট আপনার পরিশ্রম দেখে পেমেন্ট করে না।

সে পেমেন্ট করে আপনি কি ফলাফল দিয়েছেন সেটা দেখে।

তাই সারাদিন ব্যস্ত থাকার চেয়ে,

দিন শেষে একটা বাস্তব ফলাফল তৈরি করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ সফল মানুষদের একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো—

তারা কাজের পরিমাণ দিয়ে নিজেদের মাপে না।

তারা নিজেদের মাপে ফলাফলের মাধ্যমে। 🖤

❌ সস্তা বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না — ✅ মূল্যবান হওয়ার চেষ্টা করুনবাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন,দাম কমালেই বিক্রি বা...
31/07/2026

❌ সস্তা বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না — ✅ মূল্যবান হওয়ার চেষ্টা করুন

বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন,

দাম কমালেই বিক্রি বাড়বে।

তাই বাজারে নতুন কেউ আসলেই শুরু হয়—

"আমাদের দাম সবচেয়ে কম।"

"আমাদের লাভ কম।"

"আমরা পাইকারি দামে দিচ্ছি।"

কিন্তু একটা uncomfortable সত্যি আছে।

সবচেয়ে কম দামে বিক্রি করা ব্যবসা সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যবসা না।

ফ্যাক্ট ১ — সস্তা জিনিসের কাস্টমার সবচেয়ে দ্রুত চলে যায়।

আজ আপনি ৫০ টাকা কমে বিক্রি করলেন।

কাল অন্য কেউ ১০০ টাকা কমে বিক্রি করবে।

তখন সেই কাস্টমার তার কাছেই চলে যাবে।

কারণ সে আপনার জন্য আসেনি।

সে এসেছে কম দামের জন্য।

ফ্যাক্ট ২ — মানুষ সবসময় সবচেয়ে সস্তা জিনিস কেনে না।

একটু খেয়াল করে দেখুন।

অনেক মানুষ দামি ফোন কেনে।

দামি জুতা কেনে।

দামি রেস্টুরেন্টে যায়।

কেন?

কারণ মানুষ শুধু প্রোডাক্ট কেনে না।

মানুষ বিশ্বাস কেনে।

সুবিধা কেনে।

নিরাপত্তা কেনে।

অভিজ্ঞতা কেনে।

ফ্যাক্ট ৩ — দাম কমানো সবচেয়ে সহজ কৌশল।

যে কেউ দাম কমাতে পারে।

কিন্তু সবাই ভালো সার্ভিস দিতে পারে না।

সবাই বিশ্বাস তৈরি করতে পারে না।

সবাই ব্র্যান্ড তৈরি করতে পারে না।

এখানেই আসল পার্থক্য।

তাহলে কি দাম গুরুত্বপূর্ণ না?

অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু কাস্টমার যেন মনে করে—

"আমি যে টাকা দিচ্ছি, তার চেয়ে বেশি মূল্য পাচ্ছি।"

এই অনুভূতিটা তৈরি করতে পারলে,

দাম অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়।

মনে রাখবেন,

কম দামে বিক্রি করে হয়তো দ্রুত কাস্টমার পাওয়া যায়।

কিন্তু মূল্য তৈরি করে দীর্ঘদিন কাস্টমার ধরে রাখা যায়।

আর ব্যবসায় সবচেয়ে বড় সম্পদ নতুন কাস্টমার না।

সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো—

আবার ফিরে আসা কাস্টমার।

কারণ একবার বিক্রি করে লাভ হয়।

কিন্তু বারবার বিক্রি করে ব্যবসা বড় হয়। 🖤

❌ বেশি প্রোডাক্ট যোগ করবেন না — ✅ সঠিক প্রোডাক্ট খুঁজুননতুন ব্যবসায়ীদের একটা সাধারণ চিন্তা হলো—"আরও বেশি প্রোডাক্ট আনতে ...
29/07/2026

❌ বেশি প্রোডাক্ট যোগ করবেন না — ✅ সঠিক প্রোডাক্ট খুঁজুন

নতুন ব্যবসায়ীদের একটা সাধারণ চিন্তা হলো—

"আরও বেশি প্রোডাক্ট আনতে হবে।"

তারা ভাবে,

১০টা প্রোডাক্ট বিক্রি হচ্ছে না?

আরও ২০টা যোগ করি।

২০টা বিক্রি হচ্ছে না?

আরও ৫০টা যোগ করি।

কিন্তু একটা uncomfortable সত্যি আছে।

বেশি প্রোডাক্ট মানেই বেশি বিক্রি না।

ফ্যাক্ট ১ — অনেক সময় ১টা প্রোডাক্টই পুরো ব্যবসা চালায়।

অনেক বড় ব্যবসার আয়ের বড় অংশ আসে মাত্র ১-২টি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট থেকে।

বাকি প্রোডাক্টগুলো শুধু তালিকায় থাকে।

তাই সংখ্যার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—

কোন প্রোডাক্টটা মানুষ সত্যিই চায়।

ফ্যাক্ট ২ — বেশি অপশন মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

ধরুন,

একজন কাস্টমার আপনার পেজে এলো।

সে ১০০টা প্রোডাক্ট দেখলো।

এখন সে বুঝতেই পারছে না—

কোনটা ভালো?

কোনটা জনপ্রিয়?

কোনটা তার জন্য উপযুক্ত?

ফলে অনেক সময় সে কিছুই কিনে না।

ফ্যাক্ট ৩ — স্টক যত বেশি, ঝুঁকিও তত বেশি।

প্রতিটা নতুন প্রোডাক্ট মানে—

✔ নতুন ইনভেস্টমেন্ট
✔ নতুন ঝুঁকি
✔ নতুন ম্যানেজমেন্ট

তাই শুধু প্রোডাক্ট বাড়ালেই ব্যবসা বাড়ে না।

তাহলে কি করবেন?

প্রথমে খুঁজে বের করুন—

✔ কোন প্রোডাক্ট সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা হয় ✔ কোন প্রোডাক্টে সবচেয়ে বেশি রিপিট কাস্টমার আসে ✔ কোন প্রোডাক্টে সবচেয়ে ভালো লাভ থাকে

তারপর সেই প্রোডাক্টকে আরও শক্তিশালী করুন।

মনে রাখবেন,

বেশিরভাগ ব্যবসা ব্যর্থ হয় প্রোডাক্ট কম থাকার কারণে না।

ব্যর্থ হয় ফোকাস কম থাকার কারণে।

কারণ ১০০টা মাঝারি প্রোডাক্টের চেয়ে,

১টা অসাধারণ প্রোডাক্ট অনেক বেশি শক্তিশালী।

আর যে ব্যবসা জানে তার আসল শক্তি কোথায়,

সে ব্যবসা খুব দ্রুত বড় হতে পারে। 🖤

Address

Kamalganj
Maulvi Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afran Rahi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share