Juri Times 24

Juri Times 24 সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এস.এম. জালাল উদদীন
পরিচালনায়: জুড়ী অনলাইন মিডিয়া ক্লাব ✅

14/06/2026

একদিন এই লেখার প্রতিটি লাইনই হবে আমার বাস্তবতা" যেদিন পৃথিবী আমাকে ভুলে যাবে, সেদিন শুরু হবে আমার আসল যাত্রা 🕋

কবরের নীরবতা থেকে জীবিতদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা 📝🟰⤵️
একদিন আমিও চলে যাবো, তখন কী থাকবে আমার সঙ্গে? ⚖️

মৃত্যু নিয়ে আমরা প্রতিদিন কথা বলি, জানাজায় যাই, কবর দেখি, শোকবার্তা লিখি। কিন্তু কখনো কি নিজের মৃত্যুর কথা ভেবে দেখেছি?

আজ একটু থামুন। একটু নির্জনে বসুন। আর কল্পনা করুন, এই লেখার প্রতিটি শব্দ যেন আপনার নিজের কণ্ঠে বলা হচ্ছে🕯️

"আমি মারা গেছি...🔴
এখন আর কোনো ভয় নেই, কোনো আশা নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই। কারণ আমি জানি, আমি আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না। আমার নিথর দেহটা পড়ে আছে। যে দেহ নিয়ে আমি কত গর্ব করতাম, কত যত্ন নিতাম, কত সাজসজ্জা করতাম, আজ সেটি সম্পূর্ণ অসহায়।

মানুষ আমার পোশাক খুলে ফেলছে, যে লজ্জা আমি সারাজীবন আড়াল করেছি, আজ তার আর কোনো মূল্য নেই। তারা আমাকে গোসল করাচ্ছে, শেষবারের মতো, কিন্তু আমি বলতে পারছি না, পানি ঠান্ডা না গরম, ভালো লাগছে না কষ্ট হচ্ছে, আমি শুধু নীরব। তারপর আমাকে কাফনের সাদা কাপড়ে জড়িয়ে দেওয়া হলো।

আহ্! যে পৃথিবীতে আমার আলমারি ভরা ছিল নানা রঙের পোশাকে, শেষ যাত্রায় আমার প্রাপ্য হলো মাত্র কয়েক গজ সাদা কাপড়। আমাকে ঘর থেকে বের করে আনা হলো, যে ঘর গড়তে আমি জীবনের সেরা সময়গুলো ব্যয় করেছি, যে ঘরের প্রতিটি ইটে আমার স্বপ্ন লুকিয়ে ছিল। আজ সেই ঘর ছেড়ে আমি চলে যাচ্ছি, আর কখনো ফিরবো না।

চারদিকে অনেক মানুষ, কেউ কাঁদছে বুক ভেঙে, কেউ চোখের পানি লুকাচ্ছে, আবার কেউ এসেছে শুধু সামাজিক দায়িত্ব পালনের জন্য।

আমার জানাজা হচ্ছে, কিন্তু কেউ আর আমাকে নাম ধরে ডাকছে না। সবাই বলছে 'লাশটা নিয়ে আসো' 'মৃতদেহটা সামনে রাখো'। সেই আমি, যার নাম একসময় সবাই জানতো, যার পরিচয়ে মানুষ আমাকে চিনতো, আজ আমি শুধু একটি লাশ, এরপর আমাকে নামিয়ে দেওয়া হলো অন্ধকার কবরে।

এক মুঠো, দুই মুঠো, তিন মুঠো মাটি, আর প্রতিটি মাটির স্তরের সঙ্গে দুনিয়ার সব সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল।

মানুষজন ফিরে যাচ্ছে, একজন, দু'জন, ধীরে ধীরে সবাই, আর আমি? আমি রয়ে গেলাম একা, সম্পূর্ণ একা।

যে বন্ধুরা বলতো 'তুই না থাকলে আমাদের চলবে না' তারা কদিন কাঁদবে, তারপর ব্যস্ত হয়ে যাবে জীবনের প্রয়োজনে। যে পরিবার আমাকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারতো না, তাদের জীবনও একদিন স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
আর দুনিয়া?

দুনিয়া তো আমার জন্য থেমে থাকবে না,
পরদিন সূর্য ঠিকই উঠবে, বাজার বসবে, অফিস চলবে, মানুষ হাসবে। আমার জায়গা অন্য কেউ পূরণ করবে। আমার সম্পদ ভাগ হয়ে যাবে। আমার ঘর অন্য কেউ ব্যবহার করবে। আমার বিছানায় অন্য কেউ ঘুমাবে।

কিন্তু তখন; আমার জন্য শুরু হবে সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়, হিসাবের অধ্যায়, একটি নামাজ, যা আমি অবহেলায় ছেড়ে দিয়েছিলাম, একটি গুনাহ, যা ভেবেছিলাম কেউ জানে না, একটি মানুষের চোখের পানি, যার কারণ হয়েছিলাম আমি।

সবকিছুর হিসাব একে একে সামনে আসবে।
তখন আমি হয়তো আকুল হয়ে বলবো;
'হে আল্লাহ! 🤲
আরেকটু সময়, শুধু আরেকটু সময়' কিন্তু তখন আর সময় দেওয়া হবে না। কারণ মৃত্যুর পর আফসোস থাকবে, ফিরে আসার সুযোগ থাকবে না।

জেনে রাখো🙏
মৃত্যুর পর তোমার সঙ্গে যাবে না তোমার সৌন্দর্য। যাবে না তোমার অর্থ-সম্পদ। যাবে না তোমার পদ-পদবি। যাবে না তোমার ক্ষমতা কিংবা পরিচিতি। তোমার সঙ্গে যাবে শুধু তোমার আমল। তোমার প্রতিটি সিজদা, প্রতিটি দোয়া, প্রতিটি গোপন দান, প্রতিটি কুরআন তিলাওয়াত, প্রতিটি ভালো কাজ, আর তোমার প্রতিটি গুনাহও।

তাই হে জীবিত মানুষ, এখনো সময় আছে,
তাওবা করো, নামাজ ঠিক করো, মা-বাবার হক আদায় করো, মানুষকে কষ্ট দেওয়া বন্ধ করো, গোপনে দান করো, আল্লাহর দিকে ফিরে আসো।

কারণ খুব সম্ভব, এই লেখাটি আজ তুমি পড়ছো, কিন্তু একদিন এর প্রতিটি শব্দই তোমার বাস্তবতা হয়ে যাবে।

একবার শুধু নিজেকে প্রশ্ন করো;
যদি আজই আমার জীবনের শেষ দিন হয়... আমি কি আমার রবের সামনে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত?

🤲 হে আল্লাহ, আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন, গুনাহ মাফ করুন, কবরের জীবন সহজ করুন এবং ঈমানের সাথে সুন্দর মৃত্যু নসীব করুন। আমীন।

⚠️ মনে রাখবেন, লেখাটির অনেক অংশ মৃত্যু-পরবর্তী অবস্থার আবেগময় বর্ণনা। ইসলামী আকীদার দৃষ্টিতে নিশ্চিত তথ্য হলো কবর, হিসাব, জান্নাত-জাহান্নাম ও আমলের জবাবদিহি। তবে "মৃত ব্যক্তি ঠিক এভাবেই অনুভব করেন" এমন নির্দিষ্ট বর্ণনা কুরআন-হাদিসে স্পষ্টভাবে নেই। তাই এটি উপদেশমূলক ও চিন্তাজাগানিয়া লেখা হিসেবে শেয়ার করা উত্তম।🎆

লেখক: ✍️
এস. এম. জালাল উদ্দীন
সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।

📆 বুধবার: ০৯ জুন, ২০২৬ খ্রী:

🌌 কুরআন ও হাদিসের আলোকে মানব জীবন

15/03/2026

ইতিহাসের পাতায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র,
মৌলভীবাজারের হাজী ইনজাদ আলী পরিবারের স্বর্ণালী ঐতিহ্য

এস. এম. জালাল উদদীন ✅
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক ইতিহাসে যে কয়েকটি পরিবার বিশেষভাবে আলোচিত, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো জনহিতৈষী হাজী ইনজাদ আলী পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবারটি কেবল নেতৃত্বই দেয়নি, বরং মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা, দানশীলতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বংশপরম্পরায় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছে এই পরিবার।

দানশীলতা ও শিক্ষার আলোকবর্তিকা
হাজী ইনজাদ আলী ছিলেন একজন দূরদর্শী সমাজ সংস্কারক ও মানবদরদী ব্যক্তিত্ব। এমন এক সময়ে তিনি সমাজসেবার কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন, যখন এ অঞ্চলে শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা ছিল অত্যন্ত সীমিত। মানুষের কল্যাণে তিনি উদারহস্তে দান করেছেন এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অন্যতম প্রধান দাতা হিসেবে তাঁর নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়। পাশাপাশি কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ ও জুড়ী হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে তাঁর অবদান এ অঞ্চলের শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর উদ্যোগে গড়ে ওঠা অসংখ্য শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আজও এলাকার মানুষকে জ্ঞান ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে।

একই পরিবারে চার চেয়ারম্যান: এক বিরল ইতিহাস💦

১৯৮৮ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ অবজারভার-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এক বিরল ঘটনা। বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে হাজী ইনজাদ আলীর পরিবারের চার সদস্য বিপুল ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন।

তাঁরা হলেন—⤵️
আছাদ উদ্দিন আহমদ (বটল) — বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান,
কমর উদ্দিন আহমদ (কমই) — গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,
মইন উদ্দিন আহমদ (মইজন) — পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,
ছালেহ উদ্দিন আহমদ — পূর্ব জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

একই পরিবারের চারজন সদস্যের একযোগে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার এই ঘটনা তখন গোটা দেশে আলোচনার জন্ম দেয় এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

ঐতিহ্যের ধারায় নেতৃত্ব:💦
পরবর্তীতেও এই পরিবারের নেতৃত্বের ধারা অব্যাহত থাকে। সামাজিক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন পরিবারের আরও সদস্য।

✍️উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন—
শফিক উদ্দিন আহমদ — সাবেক চেয়ারম্যান
আতিথেয়তা ও সামাজিক প্রভাব
হাজী ইনজাদ আলী পরিবারের সুনাম কেবল রাজনৈতিক অঙ্গনেই সীমাবদ্ধ নয়।

আতিথেয়তা, মানবিকতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার জন্য এই পরিবারটি এলাকায় বিশেষভাবে সম্মানিত। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক বিরোধ মীমাংসা, সালিশ-বিচার এবং মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তারা দীর্ঘদিন ধরে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে আসছেন।

এই পরিবারের মার্জিত জীবনধারা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে আছে।

অবিরাম পথচলা💦
হাজী ইনজাদ আলীর উত্তরসূরিরা আজ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কেউ রাজনীতি, কেউ প্রশাসন, আবার কেউ ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে পরিবারের সম্মান ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে চলেছেন।

বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে এই পরিবারের অবদান মৌলভীবাজারের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা💦
হাজী ইনজাদ আলীর আদর্শকে ধারণ করে তাঁর উত্তরসূরিরা যেভাবে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস। জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব ও হাকলুকি নিউজ টিভি এই ঐতিহ্যবাহী পরিবারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

15/03/2026

এস. এম. জালাল উদদীন  | মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক ইতিহাসে সম্মানের সঙ্গে উ...

15/03/2026

এস. এম. জালাল উদদীন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবগঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ বৃহস্পত....

15/03/2026

দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন, পৃষ্ঠা:৬, প্রিন্ট সংস্করণ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

15/03/2026
15/03/2026

সংসদের শো'ক প্রস্তাবে নেই সিলেটের....

15/03/2026

মৌলভীবাজারে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত...
#মৌলভীবাজার

13/03/2026

এস. এম. জালাল উদদীন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবগঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশ....

Address

Maulvi Bazar
3251

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Juri Times 24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Juri Times 24:

Shortcuts

Share