OG Creations.

OG Creations. আমি মানুষ! তবে খুব সাধারণ! I want to remember what I see in this beautiful genre in a new way. This is my personal blog page.

28/08/2026

প্রয়াত প্রিয় অভিনেতা ওয়াসিমুল বারী রাজিব।

শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি তাঁকে 🙌🙌🙌

26/08/2026

নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যাঃ

আপনি যদি মন থেকে বিশ্বাস করেন- একটা নিশ্বাস থেকে আরেকটা নিশ্বাসের দূরুত্বের মাঝেই মৃত্যু লেখা থাকে। তবে আমার বিশ্বাস আপনার মনে কখনো রাগ, অহংকার, ঘৃনা, লোভ, তৈরীই হবে না। ভালোবাসতে শিখুন, মানসিক শান্তি উপহার পাবেন!

লেখায়- Taibur Rahman ভাই।

গত পরশু বউ হঠাৎ জিজ্ঞেস করতেছে, "আচ্ছা, অফিসে থাকা অবস্থায় তুমি কি আমাকে মিস করো? আমার কথা মনে পরে তোমার?" আমার উত্তর, "...
25/08/2026

গত পরশু বউ হঠাৎ জিজ্ঞেস করতেছে, "আচ্ছা, অফিসে থাকা অবস্থায় তুমি কি আমাকে মিস করো? আমার কথা মনে পরে তোমার?"
আমার উত্তর, "সবসময় মিস না করলেও, আমার ডেস্কের পেপারওয়েট টা দেখে, সবসময় তোমার কথা মনে পড়ে।"

বউ কারন জানতে চাইলে, আমি সরলমনে বললাম, "পেপারওয়েট এর নিচের কাগজগুলো হলাম আমি, ফর ফর করতেছি, কিন্তু উড়তে পারতেছি না। আর তুমি হইলা পেপারওয়েট।"

আজ দুই(০২) দিন ধরে বাসায় আমার খাওয়া-দাওয়া বন্ধ। বুঝলাম না, আমার দোষটা কি.....!!!???

Courtesy- Md. Shahadat Hossain.

24/08/2026

ক্ষুদে বন্ধুদের সাথে সুন্দর একটা বিকেলে❤️❤️‍🩹✅

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব...
23/08/2026

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব্যাংকের কাগজ, চাকরির কাগজ, আদালতের নোটিশ, অনলাইন অর্ডারের বাক্স।

​আমার নাম কামাল। ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, হাজারীবাগ, এই এলাকাগুলোতে আমার রুট। প্রতিদিন একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ঘুরি। বৃষ্টি হলে ভিজি। রোদ হলে পুড়ি। শীত হলে কাঁপি। কাজটা ভালো লাগে না। তবু ছাড়িনি।

​আমাদের অফিসে একটা নিয়ম আছে। ঠিকানা ভুল হলে তিনবার চেষ্টা করতে হয়। তারপর লেখা হয়-

"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"

​এই তিনটা শব্দ আমি জীবনে অসংখ্যবার লিখেছি। কিন্তু একদিন একটা খামের উপর এই তিনটা শব্দ লিখতে গিয়ে আমার হাত থেমে গিয়েছিল। খামের উপর লেখা ছিল-

প্রেরক: আবদুল হালিম
প্রাপক: রাশেদ হালিম
বাড়ি: ১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা।
নিচে ছোট করে লেখা-
জরুরি। ব্যক্তিগত।

অর্থাৎ, আবদুল হালিম নামে এক বয়স্ক বাবা তাঁর ছেলে রাশেদ হালিমের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো, প্রেরক ও প্রাপক দুজনেরই ঠিকানা একই দেয়া-
১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা। মানে বাবা তাঁর নিজের বাড়ির ঠিকানাতেই ছেলের নামে চিঠি পোস্ট করেছেন!

​আমি ঠিকানায় গিয়ে দেখি, ১৭/বি বলে কোনো বাড়িই নেই।
১৭ আছে।
১৭/এ আছে।
১৭/সি আছে।
কিন্তু ১৭/বি নেই।

পাশের দোকানের লোককে জিজ্ঞেস করলাম। ​লোকটা বললো, "আগে ছিল।"
"এখন?"
"ভেঙে ফ্ল্যাট হইছে।"
"হালিম সাহেব?"
লোকটা কাঁধ ঝাঁকালো, "চিনি না।"

​আমি পাশের চায়ের দোকানে গেলাম। ​চা-ওয়ালা বললো, "আবদুল হালিম নামে একজন ছিল।"
"কোথায় গেছে?"
"মারা গেছে।"
"কবে?"
"অনেক বছর।"

​আমি অফিসে ফিরে খামটা "প্রাপককে পাওয়া যায়নি" লিখে জমা দিতে পারতাম। দিইনি। ​পরদিন আবার গেলাম। ১৭ নম্বর বাড়ির পুরোনো দারোয়ানকে পেলাম। বয়স অনেক। নাম গফুর। আমি খামের নামটা বলতেই লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো,

​"আপনি আবদুল হালিম সাহেবের ছেলের লোক?"
"না। কুরিয়ার।''
লোকটা বললো, "আবদুল হালিম সাহেব তো নাই।"
​আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তার ছেলে কোথায়?"
"বিদেশে।"
"কোন দেশে?"
"কানাডা।"
"যোগাযোগ নেই?"
"না।"

আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কেন?"
লোকটা বললো, "বাপ ছেলের ঝামেলা।"

​এই কথাটা বাংলাদেশের মানুষের খুব প্রিয়। সবকিছুর ব্যাখ্যা এক কথায় হয়ে যায়, "ঝামেলা ছিল।"

​আমি বললাম, "কী ঝামেলা?"
লোকটা বললো, "সেইটা আমি জানি না।"
তারপর একটু থেমে বললো, "তবে শেষের দিকে আবদুল হালিম সাহেব প্রতিদিন বিকেলে গেটের সামনে বসে থাকতেন।"
"কেন?"
"ছেলের জন্য।"
"ছেলে আসতো?"
"না।"

​আমি চুপ করে গেলাম।

​কানাডায় ছেলেটার নাম ছিল রাশেদ হালিম। ফেসবুকে খুঁজলাম। পেলাম না। লিংকডইনে পেলাম একজনকে। নাম মিলে যায়। ঢাকায় জন্ম। কানাডায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বয়সও মিলে। আমি তার প্রোফাইলের ছবি দেখলাম। একজন হাসিখুশি মানুষ। বউ। দুইটা বাচ্চা। বরফের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছবি। ক্যাপশনে লেখা-

"Home is where your people are."

​আমি অনেকক্ষণ ঐ কথাটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। হোম ইজ হোয়্যার ইয়োর পিপল আর। মানুষ কত সহজে ইংরেজিতে এমন কথা লিখে ফেলে। নিজের ভাষায় বলতে গেলে বুক কাঁপে।

​আমি তাকে মেসেজ পাঠালাম, "আপনার নামে একটা চিঠি এসেছে।"

কোনো উত্তর নেই।

দুই দিন পর উত্তর এলো, "Who are you?"
আমি বললাম, "আমি কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। আপনার বাবা একটা চিঠি পোস্ট করেছে।"
সে লিখলো, "My father died years ago."
আমি বললাম, "চিঠিটা আপনার জন্যই।"

অনেকক্ষণ কোনো উত্তর নেই।
তারপর লিখলো, "Don't contact me again."

​আমি চুপ করে গেলাম। চিঠিটা আমার ড্রয়ারে রয়ে গেল।
তারপর এক সপ্তাহ। দুই সপ্তাহ। এক মাস। আমি চিঠিটা অফিসে জমা দিইনি।

​একদিন সন্ধ্যায় রাশেদের কাছ থেকে মেসেজ এলো, "What does the letter say?"
আমি বললাম, "আমি খুলি নাই।"
সে আবার লিখলো, "Can you send me a picture?"

​আমি খামের ছবি পাঠালাম।
সে অনেকক্ষণ কোনো উত্তর দিলো না।

তারপর লিখলো, "That's my father's handwriting."
আমি বললাম, "আপনি চিঠিটা চান?"
অনেকক্ষণ পর উত্তর এলো, "Yes."
আমি বললাম, "ঠিকানা দেন।"

​সে ঠিকানা দিল। সেদিনই আমি চিঠিটা পাঠিয়ে দিলাম। কাজ শেষ। ভাবলাম, এবার আমার দায়িত্ব শেষ। তিন দিন পর একটা ফোন এলো। বিদেশি নম্বর। আমি ধরলাম। ওপাশ থেকে একটা পুরুষের গলা।

​"আপনি কামাল?"
"জি।"
"আমি রাশেদ।"
"জি।"
"চিঠিটা পেয়েছি।"

​আমি চুপ করে থাকলাম।

​সে বললো, "আপনি কি জানেন, আমার বাবা মারা যাওয়ার আগে শেষবার আমাকে কী বলেছিলেন?"
"না।"
"বলেছিলেন, তুই যদি কোনোদিন ফিরে আসিস, আমার কাছে আসিস না।"

আমি কিছু বললাম না।

সে বললো, "আমি আর ফিরিনি।"

​তারপর দীর্ঘ নীরবতা।

​"চিঠিতে কী ছিল জানেন?"
"না।"

সে হাসলো।

তারপর বললো, "আমার বাবা কখনো কাউকে চিঠি লিখতেন না।"

আমি অবাক হলাম।

বললাম, "কিন্তু এটা তো আপনার বাবার হাতের লেখা।"
"হ্যাঁ।"
"তাহলে?"
"তিনি লিখেছিলেন। কিন্তু পাঠাননি।"

আমি বুঝলাম না।

রাশেদ বললো, "চিঠিটা তিনি নিজের আলমারিতে রেখে গিয়েছিলেন।"
"কীভাবে পোস্ট হলো?"
"তার বাড়ি বিক্রি করার পর নতুন মালিক পুরোনো আলমারির কাগজপত্রের মধ্যে খামটা পেয়েছিলেন। হয়তো ভেবেছেন পোস্ট করা হয়নি, তাই দয়ায় পড়ে ডাকবাক্সে ফেলে দিয়েছেন।"
আমি বললাম, "চিঠিতে কী ছিল?"
রাশেদ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "একটা মাত্র বাক্য।"
"কী?"

"আমি ভুল করেছিলাম।"

আমি বললাম, "এইটুকু?"
"হ্যাঁ।"
"আর কিছু?"
"না।"

আমি বললাম, "তাহলে আপনি কাঁদছেন কেন?"
রাশেদ কান্না থামিয়ে বললো, "আমি ভেবেছিলাম, বাবারা কখনো ভুল করে না।"

​আমি জানি না কেন, কথাটা শুনে আমার নিজের বাবার কথা মনে পড়লো। আমার বাবা ছিলেন রাগী মানুষ। আমি ছোটবেলায় একবার স্কুল থেকে পালিয়ে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। বাবা জানতে পেরে আমাকে এমন মেরেছিলেন যে তিনদিন স্কুলে যেতে পারিনি। তারপর আমি ঠিক করেছিলাম, কোনোদিন বাবার সঙ্গে কথা বলবো না।

দুদিন পরই বাবা মারা গেলেন। আমার রাগটা রয়ে গেল। বাবা রইলেন না। মানুষের রাগেরও একটা সমস্যা আছে। যার ওপর রাগ করা হয়, সে না থাকলেও রাগটা থেকে যায়। তারপর একদিন সেই রাগের কোনো ঠিকানা থাকে না।

​রাশেদ বলল, "কামাল ভাই?"
"জি?''
"আপনি কি একটা কাজ করবেন?"
"কী?"
"আমার বাবার কবরটা খুঁজে দিতে পারবেন?"
আমি বললাম, "পারবো।"
"কেন জানি না, আমি যেতে চাই।"
"আসবেন?"
"হ্যাঁ।"

​তিন মাস পর রাশেদ ঢাকায় এলো। আমি তাকে বিমানবন্দর থেকে নিতে যাইনি। কিন্তু সে নিজেই আমাকে ফোন করলে।

​"কামাল ভাই, আমি ঢাকায়।"
"কোথায়?"
"পুরোনো বাসার সামনে।"

​আমি গেলাম। সে গাড়ি থেকে নামলো। আমি প্রথমে চিনতেই পারিনি। ছবির চেয়ে মানুষ বাস্তবে অন্যরকম।

​সে আমাকে দেখে বললো, "আপনিই কামাল?"
"জি।"

​সে হাত বাড়ালো। আমি হাত ধরলাম। তার হাত কাঁপছিল। আমরা একসঙ্গে কবরস্থানে গেলাম। তার বাবার কবর খুঁজে পেলাম। রাশেদ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর বসে পড়লো।

কোনো দোয়া পড়লো না। কিছু বললো না। শুধু মাটির উপর হাত রাখলো।

​অনেকক্ষণ পর বললো, "বাবা, আমি এসেছি।"

​আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

​সে আবার বললো, "তুমি বলেছিলে, আসিস না।''

চুপ

''আমি আসিনি।''

চুপ

''তুমি ভুল করেছিলে।"

চুপ

"আমিও ভুল করেছিলাম বাবা।"

​আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। দূরে সরে গেলাম।
মানুষের কিছু কথার সাক্ষী হওয়া উচিত না। কিছু কথা মৃত মানুষের আর জীবিত মানুষের মাঝেই থাকা ভালো।

​ফেরার সময় রাশেদ আমাকে বললো, "কামাল ভাই, আপনি না থাকলে আমি আসতাম না।"
আমি বললাম, "আমি তো শুধু চিঠি পৌঁছাইছি।"
সে বললো, "না।"
"তাহলে?"
"আপনি আমার কাছে একটা ঠিকানা পৌঁছে দিয়েছেন।"
আমি হেসে বললাম, "কবরের ঠিকানা?"
সে মাথা নাড়লো, "না।"
"তাহলে?"
সে বললো, "বাবার কাছে যাওয়ার ঠিকানা।"

​আমি কিছু বললাম না। অফিসে গিয়ে আমার ছেলেকে ফোন করলাম। সে ধরলো না। আবার করলাম। ধরলো।

​বললো, "কী হয়েছে?"
আমি বললাম, "কিছু না।"
"তাহলে ফোন করছো কেন?"
আমি বললাম, "তুই কেমন আছিস?"
সে বললো, "ভালো।"
আমি বললাম, "তোর সঙ্গে আমার কোনোদিন খুব বেশি রাগারাগি হয়েছে?"
ওপাশে সে হাসলো, "আপনার তো প্রতিদিনই রাগারাগি হয়।"
আমি বললাম, "আমি যদি কোনোদিন ভুল করে থাকি?"

সে চুপ করে গেল।

আমি বললাম, "তাহলে আমাকে বলিস।"
"কেন?"
"যাতে আমি ঠিক করতে পারি।"
সে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "আব্বা, আপনি ঠিক আছেন তো?''
"হ্যাঁ।"
"কিছু খাইছেন?"
"না।"
"খেয়ে ঘুমান।"

​ফোন কেটে গেল।

​আমি অনেকক্ষণ ফোনটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। তারপর ড্রয়ার খুললাম। রাশেদের বাবার চিঠির একটা ফটোকপি সেখানে রেখেছিলাম। মাত্র এক লাইন।

''আমি ভুল করেছিলাম।''

আমি কাগজটা হাতে নিয়ে ভাবলাম, মানুষ পৃথিবীতে কত কিছু লিখে। উপন্যাস। কবিতা। ইতিহাস। আইন। প্রেমপত্র। ক্ষমাপত্র। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে কঠিন চিঠিটা সম্ভবত এই তিনটা শব্দের, আমি ভুল করেছিলাম। এই তিনটা শব্দ বলতে একজন বাবার পঁচাত্তর বছর লাগে। একজন ছেলের ত্রিশ বছর। কখনো কখনো পুরো একটা জীবন।

​পরদিন অফিসে গিয়ে টেবিলে এক পুরোনো পার্সেল পড়ে থাকতে দেখলাম। প্রাপক মৃত, প্রেরকের খোঁজ নেই। ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় ধুলো জমছে খামের উপর। আমি কিছুক্ষণ সেটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মনে হলো, পৃথিবীতে কত অভিমান, কত অসম্পূর্ণ কথা এভাবেই কোনো না কোনো টেবিলে ঠিকানাহীন হয়ে জমা পড়ে থাকে।

​অফিসে ভালো লাগলো না। আমি বাড়ি ফিরে এলাম।

আমার ছেলে তখন ঘরে বসে ফোন দেখছিল। আমি তার পাশে গিয়ে বসলাম। সে তাকালো।

আমি বললাম, "তোর সাথে আমার একটা কথা ছিল।"
সে অবাক হয়ে বললো, "কী কথা?"

আমি ড্রয়ার থেকে রাশেদের বাবার চিঠির ফটোকপিটা বের করে তার সামনে রাখলাম।

সে খামটার দিকে, তারপর আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল।
তারপর হঠাৎ উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো।

অনেক বছর পর। খুব অল্প সময়ের জন্য। কিন্তু যথেষ্ট। আমি তার পিঠে হাত রাখলাম। কিছু বললাম না। আমার মনে হলো, সেদিন যদি রাশেদের বাবার চিঠিটা পৌঁছে না দিতাম, তাহলে হয়তো আমার ছেলেকে আমি এই কথাগুলো কোনোদিন বলতাম না।

​আমি এখনও কুরিয়ারে কাজ করি। এখনও ভুল ঠিকানার পার্সেল আসে। এখনো অফিসে তিনটা শব্দ লেখা হয়,

"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"

​কিন্তু আমি আর আগের মতো সহজে লিখতে পারি না। কারণ আমি জানি, কখনো কখনো মানুষ ঠিকানায় থাকে না। অভিমানে থাকে। দূরত্বে থাকে। ভুল বোঝাবুঝিতে থাকে। কখনো বিদেশে থাকে। কখনো কবরের নিচে। আর কখনো, একই বাড়িতে থেকেও একটা দরজার ওপাশে থাকে। তাই কোনো চিঠি হাতে নিয়ে যদি মনে হয়, "লোকটা তো নেই।" আমি একটু অপেক্ষা করি। কারণ ঠিকানাটা ভুল হতে পারে। কিন্তু চিঠিটা নয়। চিঠি সাধারণত ঠিক মানুষটার কাছেই যেতে চায়। শুধু পৌঁছাতে কখনো কখনো একজন কামালের দরকার হয়!

সংগৃহীত।

22/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

আমরা ভাল আছি।

19/08/2026

😀 কাল চুল কাটার একটা সেলুনের সাইনবোর্ডে অদ্ভুত এক লেখা দেখলাম - "আমরা মনের বোঝা হয়ত নয়, কিন্তু মাথার বোঝা অবশ্যই হালকা করি"।

😀 একটা লাইটের দোকানে একবার দেখে ছিলুম সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে - "আপনার বুদ্ধির বাতি জ্বলুক বা নাই জ্বলুক কিন্তু আমাদের বাল্ব অবশ্যই জ্বলবে"।

😀 রাস্তার ধারের একটা চায়ের দোকানের সাইনবোর্ডে একটি নজর কাড়ার মতন লেখা - "আমি অতি সাধারণ হতে পারি, কিন্তু আমার চা একেবারে স্পেশাল"।

😀 একটা ছোট রেস্টুরেন্ট তো সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছিল লেখায়। সাইনবোর্ডে বড় বড় করে লেখা দেখে ছিলুম - "আমরা গ্যারন্টি দিতে পারি যে এখানে ঘরের মতন খাবার পাবেন না, তাই নির্দ্বিধায় ঢুকে পড়ুন"।

😀 ইলেকট্রনিকের দোকানে দার্শনিকের মতন স্লোগান লেখা ছিল সাইনবোর্ডে - "আপনার যদি কোন 'ফ্যান' না থাকে তো আমাদের কাছে থেকে নিয়ে যান"।

😀 এক ফুচকাওয়ালা তার ঠেলার সামনে লিখে রেখে ছিল - "আমাদের ফুচকা খাওয়ার জন্য হৃদয় বড় হওয়ার থেকে হাঁ বড় হওয়াটা বেশি জরুরি"।

😀 ঘড়ির দোকানই বা কম যায় কিসে। একটি দোকান লিখে ছিল - "সময়কে কাবুতে রাখুন, দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে অথবা কবজিতে বেঁধে"।

😀 এক জ্যোতিষি ছিল এই বিষয়ে এক কাঠি ওপরে। তাঁর সাইনবোর্ডে লেখা ছিল - "মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে জীবনের পরবর্তী এপিসোড গুলো দেখে নিন"।

😀 এক ফলওয়ালাও বা বাদ থাকে কেন? সেও একটা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিল - "আপনি শুধু কর্ম করুন, ফল আমি দেবো"।

😀 সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন, হাসতে থাকুন, হাসাতে থাকুন।

(সংগৃহীত)

18/08/2026

২০১৬ থেকে ২০২৬।

পে-স্কেল এভাবেই বারবার ফসকে যাচ্ছে।

জীবন কিন্তু থেমে নেই, রাসেল ভাই!

ভিডিও- .

Khalid Hossain খালিদ যে যুবলীগ করতো তার সাথে বহুদিনের আলাপে কোনদিন টের পাইনি। যুবলীগের কাগজে কলমে কোথাও তার নাম আছে কিনা...
17/08/2026

Khalid Hossain খালিদ যে যুবলীগ করতো তার সাথে বহুদিনের আলাপে কোনদিন টের পাইনি। যুবলীগের কাগজে কলমে কোথাও তার নাম আছে কিনা আমার জানা নেই। ২৪ এর আগষ্টের আগে যতবার তার সাথে কথা হইছে তার মুখে হাসিনা ও তার সরকারের অনাচারের গল্পই শুনেছি। আমার বিভিন্ন রাজনৈতিক পোষ্টে খালিদ আওয়ামীলীগের বিপক্ষে সরাসরি কমেন্টস দিতো। সে হাদী প্রেমিক ছিলো, হাদী প্রেমিকের তো আওয়ামিলীগ প্রীতি থাকবার কথা নয়। সে বিভিন্ন বিষয়ে তার মতামত প্রকাশ করে এটা তার নাগরিক অধিকার, তার ভাবনা প্রকাশের অধিকার। সে হোক অন্য ভাবনার তাই বলে তাকে দমিয়ে দিতে হবে। সে কি আওয়ামিলীগের পক্ষে সরাসরি কোথাও কোন ভুমিকা রেখেছে?

এই ছেলেটা শহর প্রেমিক একটা ছেলে। এলাকা প্রেমিক। তার নাগরিক সচেতনতা দেখে বিভিন্ন বিষয়ে তার প্রতিবাদ দেখে এটাই সবসময় মনে হইছে খালিদ যেন আমাদের কাজটাই করতেছে। প্রতি এলাকায় খালিদের মতো মানুষ থাকা জরুরী খালিদের নিত্য দিনের কর্মকান্ড তাই প্রমান করে।

ছেলেটা আবেগী, সাহসী। তার বিভিন্ন কাজ দেখে এমন প্রায়ই মনে হতো এই ছেলে কোন না কোন ভাবে বিপদে পড়বে, তাকে সাবধান ও করেছি দুএকবার। হলোও তাই। গতকাল তার বঙ্গবন্ধুর শোক দিবসের একটি পোষ্ট দেখে ভ্রু কুঁচকে ভেবেছি ছেলেটা বোকা নাকি? আসলেই বোকা। ও জানেনা অতি সাম্যবাদ আমাদের সমাজ মেনে নেয় না। সম্ভবত সেটাই প্রমানিত হলো।

কি কারনে কাদের ইশারায় খালিদকে গ্রেফতার করা হলো হয়তো জানা হবেনা, তবে খালিদের এই গ্রেফতার মেনে নিতে পারলাম না। তাকে ছেড়ে দেয়া হোক প্রশাসনের কাছে সেই অনুরোধ জানালাম। খালিদ ক্রাইম না, খালিদ খুনী না। সে রাস্তায় রাস্তায় হেটে হেটে শহর পরিস্কার করে,এখানে সেখানে অনিয়ম দেখলে ঝাপিয়ে পড়ে । সে হতদরিদ্র, বিপদে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তার কয়েকটা চ্যারিটি তে আমিও অংশ নিয়েছি। তাকে এই শহরে দরকার। তাকে দমিয়ে দেয়া বা বিপদে ফেলে চুপ করিয়ে দেয়া মানেই শহরের উন্নতি কল্পে আর কোন প্রতিবাদী যুবকের জন্ম না হওয়া।

বিভিন্ন কাজ নিয়ে ফ্যাসিষ্টের আমলে আওয়ামীলীগের কোন নেতার কাছে খালিদ যদি ধর্না ও দেয় তাতেই বা কি? ধরলাম
খালিদ যুবলীগ ই করতো কিন্ত তার কোন আচরনে আমরা সেই প্রমান তো পাইনি। একজন মধ্যপন্থী রাজনৈতিক মানুষকে ধরে জোর করে তাকে এখন যুবলীগ বানাইয়েন না। তাতে যুবলীগের ইমেজ বাড়বে। এই ছেলেটাকে এই শহরে দরকার। একা একা নিজ উদ্যোগে ওর প্রতিবাদ এই শহরকে সমৃদ্ধ করবে।
ওকে ছেড়ে দেন। ছেলেটা আবেগী, চটপটে স্বভাবের চালাক চতুর দেখতে হলেও মুলত সে বোকা। বোকা না হলে এতো অনিয়মের বিপক্ষে শহর দাপিয়ে বেড়ায়? ছেলেটাকে ছেড়ে দেন। ছেলেটাকে মুক্তি দিন।
খালিদের মুক্তি চাই। খালিদকে মুক্তি দিন।

যে ছেলেটা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ডাষ্টবিনের জমানো ময়লা সরিয় নিজে ফুলের গাছ লাগিয়ে বেড়ায় তাকে মুক্ত থাকতে দিন। তাকে শহরের কোনায় কোনায় ফুলের গাছ লাগাতে দিন।

শাহ ইমরান
স্পেন।

মমিনুলের কাট শটে বল যখন বাউন্ডারি স্পর্শ করলো , অফিসিয়ালি বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট জিতলো ।তাও ৯ উইকেটের দাপুটে জ...
16/08/2026

মমিনুলের কাট শটে বল যখন বাউন্ডারি স্পর্শ করলো , অফিসিয়ালি বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট জিতলো ।

তাও ৯ উইকেটের দাপুটে জয় , এটা অবিশ্বাস্য!!

কেনো অবিশ্বাস্য তা বলছি...

সর্বশেষ সিরিজে পাকিস্তান যখন অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে যায় , একটা পরিসংখ্যান দেখে আমি অবাক হয়েছিলাম ।

সর্বশেষ ৩০ বছরে পাকিস্তান ১টা টেস্ট ম্যাচ জিততে পারে নি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে , নট ইভেন অ্যা সিঙ্গেল ওয়ান ।

সর্বশেষ তারা অজিদের পিচে টেস্ট জিতেছে ১৯৯৫ সালে , সিডনি ।

চিন্তা করেন , এর ভেতর তাদের লিজেন্ডারি প্লেয়ার ইউসুফ, ইউনুস , সাকলায়েন মুশতাক, ওয়াসিম আকরাম , শোয়েব আকতার, দানিশ কানেরিয়া, আমিররাসহ এই প্রজন্মের সবাই খেলে গেছে ।

কিন্তু ম্যাচ জিততে পারে নি ।

শুধু এটুকুতেই আপনি বুঝতে পারবেন না হয়তো অস্ট্রেলিয়ার পিচে টেস্ট জেতা কতখানি টাফ ।

কিন্তু সর্বশেষ ৩ টা অ্যাশেজে দাপটের সাথে জয় , পাকিস্তানকে ৩-০ , ভারতকে ৪-১ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে ২-০ এর জয় বলে দেয় নিজেদের পিচে অজিরা কত অপ্রতিরোধ্য!

এই টিমকে বাংলাদেশ তাদের মাটিতে হারিয়েছে ?

অবিশ্বাস্য ভাই , অবিশ্বাস্য!

এটা অস্ট্রেলিয়ার কোনো বি টিম না ভাই ।

পারফেক্ট অস্ট্রেলিয়ান টিম , এই একই বোলিং লাইন আপ দিয়েই ওরা ভারতকে ৩৬ রানে অলআউট করেছিলো... জাস্ট বোল্যান্ড মিসিং ।

আর তাই প্রথম ইনিংসে অজিরা যখন ১৯৮ করলো, সবাই ভাবলো বাংলাদেশ বোধহয় ১০০ এর ভেতর প্যাকেট হবে...

কিন্তু বাংলাদেশ জাস্ট আনপ্রেডিক্টেবল কিছু করলো।

এটা বোধহয় অস্ট্রেলিয়াও ভাবে নি।

বাংলাদেশরে অস্ট্রেলিয়া আমন্ত্রণ জানাইলো ২৩ বছর পরে । তাও এমন পিচে খেলা দিলো যেখানে ওরা কোনো টেস্টই খেলে না ।

ভারতের সাথে খেলার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নি তারা । কোনো প্রস্তুতি নেই নি ।

গতকাল জশ হ্যাজলউড বলতেছে ,

"আমরা ওদের কোনো ভিডিও ফুটেজই পাই নি । আমরা জানিই না ওদের দুর্বলতা কি, শক্তিমত্তা কি!

আমরা জাস্ট আমাদের মতো করে খেললাম। '

মানে অজিরা বাংলাদেশরে গোণাতেই ধরে নাই।

অথচ বাংলাদেশ কি দারুণভাবেই হিউমিলেট করলো ওদের পারফর্ম দিয়ে ।

ট্র্যাভিস হেড যখন আউট হয়ে স্ট্যাম্পের বেল ঠিক করছিলেন , ধারাভাষ্যকার বললেন ,

' আমি জীবনে এরকম হতাশা কখনো দেখি নি একটা প্লেয়ার আউট হয়ে বেইল ঠিক করছে ।

এটা অবিশ্বাস্য ! '

সত্যিই এই জয় অবিশ্বাস্য !

এই জয়টা আমাদের দরকার ছিলো অজিদের মুখে জামা ঘষে দেওয়ার । ক্যাঙারুর গলা চিপে ধরার ।

Just go ahead boys. We wanna see it again.

Captain shanto and Hassan have really impressed us. ❤️

Address

South Paikpara
Mirpur
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OG Creations. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to OG Creations.:

Shortcuts

Share