Tungipara TV

Tungipara TV In this Facebook TV Channel Page there is information, tips and videos for mass people.

07/09/2026
এই ঘটনাটি শুধু একজন কর কর্মকর্তার চাকরি হারানোর খবর নয়। এর ভেতরে আছে কর প্রশাসনের নথি, রাষ্ট্রের রাজস্ব এবং ক্ষমতার অপব্...
04/09/2026

এই ঘটনাটি শুধু একজন কর কর্মকর্তার চাকরি হারানোর খবর নয়। এর ভেতরে আছে কর প্রশাসনের নথি, রাষ্ট্রের রাজস্ব এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি গুরুতর প্রশ্ন। সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপন ও প্রতিবেদন মিলিয়ে ফেসবুকের জন্য এভাবে লেখা যেতে পারে।

১৪৬ কোটি টাকার কর হয়ে গেল শূন্য, আরেক মামলায় ৭৩ কোটি নেমে এলো ১,২৯৯ টাকায়!

একজন কর কর্মকর্তা বদলি হয়ে এলেন একটি সার্কেলে। তার সামনে ছিল দুটি পুরোনো আয়কর মামলা। আগের কর্মকর্তা দুটি মামলায় মোট ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৬ হাজার ৫৫৩ টাকা কর নির্ধারণ করেছিলেন।
এরপর বদলে গেল হিসাব।

২০২০-২১ করবর্ষে নির্ধারিত ৭২ কোটি ৯৬ লাখ ৬ হাজার ৮৬২ টাকার কর নেমে এলো শূন্য টাকায়।

আর ২০২১-২২ করবর্ষে নির্ধারিত ৭৩ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯০ টাকা নেমে এলো মাত্র ১ হাজার ২৯৯ টাকায়।

অর্থাৎ দুই মামলায় রাষ্ট্রের রাজস্ব দাবির প্রায় ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা কার্যত উধাও হয়ে গেল। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের পর এবার উপকর-কমিশনার লিংকন রায়কে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

ঘটনাটি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে কারণ অভিযোগটি শুধু ভুল হিসাবের নয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগের কর্মকর্তার নিষ্পত্তি করা মামলায় নতুন আদেশপত্র ও কর নির্ধারণ আদেশ তৈরি করা হয়েছিল। তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রমাণও পাওয়া যায়। পরে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

মামলাগুলোর করদাতা প্রতিষ্ঠান ধামসুর ইকোনমিক জোন লিমিটেড। এটি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত অর্থনৈতিক অঞ্চলটির ৫১ শতাংশ শেয়ারের মালিক বেস্ট হোল্ডিংস।
কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়।

একই সময়ে সামনে এসেছে আরেক কর কর্মকর্তার ঘটনা। সহকারী কর কমিশনার জান্নাতুল ফেরদৌস মিতুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ৩৮ লাখ টাকার বিনিময়ে একজন করদাতার আয়কর নথির পুরোনো রেকর্ড পরিবর্তন, নতুন রেকর্ড সংযোজন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি করদাতার প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলেও ‘দুর্নীতিপরায়ণ’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি। ফলে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে তাকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে এবং আগামী আট বছরের জন্য তার পদোন্নতি স্থগিত করা হয়েছে। তথ্যসূত্র যুগান্তর।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো, রাষ্ট্রের রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব যাদের হাতে, তাদের একজনের সিদ্ধান্তে কীভাবে ১৪৬ কোটি টাকার কর প্রায় শূন্যে নেমে আসে?

আর যদি কোনো কর্মকর্তা ঘুষ বা অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে করের হিসাব বদলে দিতে পারেন, তাহলে ক্ষতিটা শুধু সরকারি কোষাগারের নয়। এর প্রভাব পড়ে সাধারণ করদাতার ওপরও। সৎভাবে কর দেওয়া মানুষ তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন করেন, কেউ যদি প্রভাব বা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে নিজের করের বোঝা কমিয়ে নিতে পারে, তাহলে নিয়ম মেনে চলার মূল্য কোথায়?

আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। এই ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগেই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। তবে সরকারি নথি ও বিভাগীয় তদন্তে যে অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে, তা অবশ্যই কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা দরকার।

কারণ ১৪৬ কোটি টাকা কোনো ছোট অঙ্ক নয়।
এটি হাজার হাজার মানুষের করের টাকা।

এটি রাষ্ট্রের হাসপাতাল, শিক্ষা, অবকাঠামো ও জনসেবার অর্থ।
আর সেই অর্থ রক্ষার দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তা যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করেন, তাহলে শাস্তি শুধু চাকরি হারানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি রাষ্ট্রের ক্ষতিও প্রকৃত অর্থে উদ্ধার করা হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

রাষ্ট্রের রাজস্বের পাহারাদার যদি পাহারার বদলে দরজা খুলে দেন, তাহলে সেই দরজা দিয়ে শুধু টাকা নয়, মানুষের আস্থাও বেরিয়ে যায়।

আওয়ামী লীগ নেতারা সেদিন কে কোথায় ছিলেন ...?১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নির্মম হত্যাযজ্ঞে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হবার প...
01/09/2026

আওয়ামী লীগ নেতারা সেদিন কে কোথায় ছিলেন ...?

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নির্মম হত্যাযজ্ঞে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হবার পর মোশতাক আহমেদ নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন, এই পদে তিনি মাত্র ৮৩ দিন ছিলেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ইনডেমনিটি বিল পাশ করেন। তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান পরিবর্তন করে এর স্থলে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্টাইলে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান চালু করেন। এই সময় তিনি ‘বাংলাদেশ বেতার’ এই নাম পরিবর্তন করে ‘রেডিও বাংলাদেশ’ করেন ‘রেডিও পাকিস্তান’ এর অনুকরণে !

কোথায় ছিলেন সেদিন আ'লীগের বড় বড় নেতারা? কি ভূমিকা ছিল তাঁদের? তারই সামান্য জানানোর চেষ্টা করছি এই লেখাটিতে। স্রেফ দুই দলে বিভক্ত হয়ে পরেছিলেন তাঁরা। একদলে মীরজাফররা আর আরেক দলে মোহনলালরা।

খন্দকার মোশতাকের ৮৩ দিনের শাসনামলে সঙ্গী ছিলেন বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীসভার ২১ সদস্য। মোশতাকের উপরাষ্ট্রপতি হলেন মোহাম্মদউল্লাহ। আর মন্ত্রীসভার সদস্যরা হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর, পরিকল্পনামন্ত্রী অধ্যাপক ইউসুফ আলী, অর্থমন্ত্রী ড. আজিজুর রহমান মল্লিক, শিক্ষামন্ত্রী ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল মান্নান, কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমিন, এলজিআরডি মন্ত্রী ফণিভূষণ মজুমদার, নৌপরিবহনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, গণপূর্ত ও গৃহায়নমন্ত্রী সোহরাব হোসেন।

প্রতিমন্ত্রীরা হলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী কেএম ওবায়দুর রহমান, ভূমি ও বিমান প্রতিমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, রেল ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নূরুল ইসলাম মঞ্জুর, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, শিল্প প্রতিমন্ত্রী নূরুল ইসলাম চৌধুরী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডল, পশু ও মৎস্য প্রতিমন্ত্রী রিয়াজউদ্দিন আহমদ ভোলা মিয়া, যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ আলতাফ হোসেন ও মোমিনউদ্দিন আহমদ (বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভায় ছিলেন না) ও দেওয়ান ফরিদ গাজি।

মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী রাষ্ট্রপতি মোশতাকের প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা হয়েছিলেন মন্ত্রীর সমমর্যাদায়।

খন্দকার মোশতাক সরকারের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের পথ উন্মুক্ত করে দেন বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করা বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মহিউদ্দীন আহমদ বিশেষ দূত হয়ে। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৫ আগস্ট সংঘটিত হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহ আগে ৮ আগস্ট দেশে ফিরে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

বঙ্গবন্ধু সরকারের আরেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদউল্লাহর স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্রবর্তন হয়েছিল বাকশালব্যবস্থা। বাকশালব্যবস্থার অধীনে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি হলে মোহাম্মদউল্লাহ মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন। ১৫ আগস্টের পর মোশতাকের উপরাষ্ট্রপতি হন মোহাম্মদউল্লাহ এবং পরে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।

মোশতাক জাতীয় সংসদ বহাল রেখেছিলেন, স্পিকার ছিলেন আবদুল মালেক উকিল। তিনি স্পিকার হওয়ার আগে ছিলেন বঙ্গবন্ধু সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্পিকার হিসেবে তিনি বিদেশে স্পিকারদের একটি সম্মেলনেও যোগ দেন।

বঙ্গবন্ধু সরকারের আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর মোশতাকেরও আইনমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি কুখ্যাত ইনডেমনিটি নামক বিলটির রচয়িতা।

মোশতাকের পতনের পর ফণিভূষণ মজুমদার, আবদুল মান্নান, আবদুল মোমিন, সোহরাব হোসেন, অধ্যাপক ইউসুফ আলী, আবদুল মালেক উকিল, আসাদুজ্জামান খান আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

মালেক উকিল আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন শেখ হাসিনা নেতৃত্বে আসার আগ পর্যন্ত।

অধ্যাপক ইউসুফ আলী মোশতাকের পরিকল্পনামন্ত্রী ছিলেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগের (মিজান) সাধারণ সম্পাদক হন। পরে যোগ দেন জিয়ার মন্ত্রীসভায়। জিয়ার মৃত্যুর পর এরশাদেরও মন্ত্রী হন তিনি।

আবু সাঈদ চৌধুরী আ'লীগের রাজনীতিতে ফিরে না এলেও মহিউদ্দীন আহমদ ফিরে আসেন আওয়ামী লীগে। ১৯৮৩ সালের ৮ আগস্ট তিনি বহিষ্কার হলে বাকশাল গঠন করে তার চেয়ারম্যান হন। ১৯৯৩ সালে বাকশাল আ'লীগে অন্তর্ভুক্ত হলে তাকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়।

আবদুল মান্নান ও আবদুল মোমিন দুজনেই ২০০২ সাল পর্যন্ত আ'লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। খন্দকার আসাদুজ্জামান আ'লীগে সক্রিয় ছিলেন। আব্দুল মোমিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী রেবেকা মোমিন নেত্রকোনা থেকে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন।

মোশতাক মন্ত্রীসভার সদস্য দেওয়ান ফরিদ গাজী আ'লীগে ফিরে বেশ কয়েকবার এমপি হয়েছিলেন হবিগঞ্জ -১ আসন থেকে।

সৈয়দ আলতাফ হোসেন বাকশাল প্রবর্তনের পর (ন্যাপ মোজাফফর) থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। পরে মোশতাকের প্রতিমন্ত্রী। মোশতাকের পতনের পর আবার ন্যাপের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

মোমিনউদ্দিন আহমদ বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীসভায় না থাকলেও মোশতাক তাকে প্রতিমন্ত্রী করেন। পরে তিনি বিএনপি হয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।

রিয়াজউদ্দিন আহমদ ভোলা মিয়াও বিএনপি হয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী হন।

ডা. ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডলও জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী হন।

মোশতাকের প্রতিমন্ত্রী নূরুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধু সরকারের প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী। তিনি সামরিক বাহিনীর সমর্থন আদায়ে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনি মোশতাকের সরকারের প্রতি সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে আনুগত্য প্রকাশ করতে খুব একটা দেরি হয়নি কেএম শফিউল্লাহ। বিমানবাহিনী প্রধান একে খন্দকার ও নৌবাহিনী প্রধান এমএইচ খানকে নিয়ে প্রথম দিনেই মোশতাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন তিনি। পরে অবশ্য কয়েক দিনের মধ্যেই কেএম শফিউল্লাহ ও একে খন্দকারকে যথাক্রমে জিয়াউর রহমান ও এমজি তায়েবের কাছে সেনা ও বিমানবাহিনী প্রধানের পদ ছেড়ে দিতে হয়।
এর কয়েকদিন পরই কেএম শফিউল্লাহ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়ে চলে যান বিদেশে। জিয়া ও এরশাদ সরকারের পুরোটা সময় তিনি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। সেই কেএম শফিউল্লাহ পরে আ'লীগে যোগ দিয়ে ১৯৯৬ সালে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

একইভাবে একে খন্দকারও বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে দায়িত্ব নেন। প্রথমে অস্ট্রেলিয়া ও পরে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের দায়িত্ব পালন করেন। ফিরে এসে এরশাদ সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে কিছুদিন কাজ করে পরে পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
এক সময় আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পান একে খন্দকার।

অন্যদিকে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে পরিবারসহ হত্যার পর ২৩ আগস্ট মোশতাক সরকার গ্রেপ্তার করে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান, শেখ আবদুল আজিজ, আবদুস সামাদ আজাদ, এম কোরবান আলী, আবদুল কুদ্দুস মাখন, হাশেম উদ্দিন পাহাড়িসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে।

৩ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে গ্রেপ্তার অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর জিল্লুর রহমান, আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ এবং কয়েক দিনের ব্যবধানে আমির হোসেন আমু, গাজী গোলাম মোস্তফা, এমএ জলিল, এমএ মান্নান, সরদার আমজাদ হোসেন, নুরুল হক, এম শামসুদ্দোহা, এম মতিউর রহমানসহ বেশকিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার এড়াতে প্রতিবেশী ভারতে চলে যান আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, শেখ সেলিম, ওবায়দুল কাদের, ইসমত কাদির গামা, মো. নাসিম, মোস্তফা মহসিন মন্টু, শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, লতিফ সিদ্দিকী, পংকজ ভট্টাচার্য, ডা. এস এ মালেক, এসএম ইউসুফ, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, খোকা রায়, রবিউল মুক্তাদিরসহ তৎকালীন বাকশাল ও বর্তমান আ'লীগের অনেক নেতাকর্মী।

অঅন্যদিকে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বেশকিছু অনুসারীসহ মেঘালয়ে আশ্রয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণ ও খুনিদের বিতাড়িত করার জন্য প্রতিরোধের ডাক দেন। শুরু করেন প্রতিরোধ যুদ্ধ যা স্থায়ী হয়েছিলো ৪ বছর। এতে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন ১০৯ জন মুজিব সেনা।

তথ্যসূত্র: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড: ফ্যাক্টস এন্ড ডকুমেন্টস- অধ্যাপক আবু সাইদ।
মহাপুরুষ- এম আর আকতার মুকুল।
সাংবাদিক এবি সিদ্দিক এর ব্লগ।
জাসদের উত্থান ও পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি- মহিউদ্দীন আহমেদ।

তথ্য সংগ্রহকারী: Anima Afrin

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের জন্য তাঁর জীবনের মূল্যবান ৪৬৮২ দিন (১৩ বছর) জেলের অভ্যন্তরে কাটিয়েছেন।দেশের...
26/08/2026

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের জন্য তাঁর জীবনের মূল্যবান ৪৬৮২ দিন (১৩ বছর) জেলের অভ্যন্তরে কাটিয়েছেন।

দেশের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু’র জেল-জীবন:

#১৯৩৮ = ৭ দিন
#১৯৪৮ = ৪ দিন
#১৯৪৯ = ৯ মাস
#১৯৫০ = ১ বছর
#১৯৫১ = ১ বছর
#১৯৫২ = ২ মাস
#১৯৫৪ = ৮ মাস
#১৯৫৮ = ৩ মাস
#১৯৫৯ = ১ বছর
#১৯৬০ = ১ বছর (গৃহবন্দি, রাজনীতি নিষিদ্ধ)
#১৯৬১ = ১ বছর (গৃহবন্দি, রাজনীতি নিষিদ্ধ)
#১৯৬২ = ৬ মাস
#১৯৬৪ = ১০ মাস
#১৯৬৫ = ১ বছর
#১৯৬৬ = ১১ মাস
#১৯৬৭ = ১ বছর
#১৯৬৯ = ২ বছর
#১৯৭১ = ১০ মাস
#১৯৭২ = ৮ দিন
#সর্বমোট = ৪৬৮২ দিন

জীবনের এতগুলো দিন, এতোখানি ত্যাগের বিনিময়ে জাতির পিতা পেয়েছেন সর্বমোট ১৮ টি বুলেট!

“মুজিব হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায়না; যারা মুজিবকে হত্যা করেছে তারা যেকোন জঘন্য কাজ করতে পারে”- নোবেল বিজয়ী উইলিবান্ট

🇧🇩 মির্জা ফখরুল কিংবা আমীর খসরুকে রাষ্ট্রপতি করা হলে- বিএনপি ও দেশের জন্য হবে অত্যন্ত আত্মঘাতী ও বিপজ্জনক। আর প্রধানমন্ত...
25/07/2026

🇧🇩 মির্জা ফখরুল কিংবা আমীর খসরুকে রাষ্ট্রপতি করা হলে- বিএনপি ও দেশের জন্য হবে অত্যন্ত আত্মঘাতী ও বিপজ্জনক। আর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এটা ভালো করেই জানেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও ভারত ভীষণ খুশি হবে। বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ্য নজরুল ইসলাম খান- জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ তথা ভারত মোকাবেলায় হবে অত্যন্ত দুর্বল চয়েস!

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আপাতমস্তক করাপ্ট। এখনকার প্রজন্ম হয়তো ভুলে গেছে যে- ২০০১-০৬ সালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়ে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে উনি ফোঁকলা করে দিয়েছিলেন। মেডিকেল কলেজে ভর্তি বাণিজ্য, বদলি, পদায়ন ও পদোন্নতি বাণিজ্যসহ স্বাস্থ্যখাতে হরিলুট করেছেন ড. মোশাররফ হোসেন এবং তখনকার ড্যাব নেতা ও বর্তমান এমপি ডা. জাহিদ হোসেন জুটি। বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের ভরাডুবির পেছনে মোশাররফ-জাহিদ জুটিরও অনেক অবদান রয়েছে।

আমি টিআইবির গবেষক হিসেবে (২০০৫-২০২১) স্বাস্থ্য খাতের মাঠপর্যায়ের দুর্নীতির চিত্র নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে ডা. মোশাররফ ও ডা. জাহিদ জুটির ভয়ংকর দুর্নীতির সম্পৃক্ততা পেয়েছিলাম।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দলের সিনিয়র ও মধ্যম সারির সব নেতার আমলনামা আছে। দেশনেত্রী জেলে থাকা অবস্থায় কে কতটা আন্দোলন করেছে; কে কীভাবে অভিনয় করেছে; আপসের মাধ্যমে লোকদেখানো স্বেচ্ছায় কারাবরণ করেছে এবং সিনিয়র নেতাদের মধ্যে কে কীভাবে আওয়ামী-ভারতীয় কানেকশন বজায় রেখে নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য বজায় রেখেছে— এসব উনি খুব ভালোভাবে অবহিত।

দলের সিনিয়র নেতারা দলীয় প্রধান ও দলের প্রতি শতভাগ নিবেদিতপ্রাণ হলে- সদ্য প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি থাকা অবস্থায় তিলে-তিলে মৃত্যুমুখে পতিত হতে হতো না।

আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী সবকিছু বিচার-বিবেচনা করে জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রাষ্ট্র ও ওনার অভিভাবক হওয়ার যোগ্য এমন কাউকেই বেছে নিবেন। এই বিবেচনায় নিচের তিনজনের যেকোনো একজন হতে পারেন:

১. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অথবা
ড. খলিলুর রহমান
২. মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম
৩. ড. আব্দুল মঈন খান

প্রথম দু’জনের যেকোনো একজন প্রেসিডেন্ট আর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিলে জুটি হলে- ভারতের কাপুঁনি শুরু হয়ে যাবে।

ড. মোশাররফ আপাদমস্তক করাপ্ট কিংবা মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরুর মতো আওয়ামী-ভারতীয় ঘনিষ্ঠদের কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে বসাবেন না বলেই আমাদের প্রত্যাশা।

দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে- প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বস্ত-সৎ-ক্লিন ইমেজ ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে আমরা দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত দেখেই বোঝা যাবে- উনি আগামী দিনে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান?

আপনারা কাকে চান, জানান দিয়েন.... এবং আমার নামের পাশে Following অপশন ক্লিক করে- আমার সাথে থাকার নিমন্ত্রণ রইলো❤️👍

নিউ ইয়র্ক থেকে-
মো. রেযাউল করিম
গবেষক - টিআইবি (২০০৫-২০২১)

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে জোহরা তাজউদ্দীন ও আইভি রহমানের সাথে একটি আবেগঘন মুহুর্ত। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবার...
22/05/2026

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে জোহরা তাজউদ্দীন ও আইভি রহমানের সাথে একটি আবেগঘন মুহুর্ত। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর আহ্বায়ক হিসাবে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন জোহরা তাজউদ্দীন।

এই চার দানব মানুষ নামের অমানুষ গুলো প্রফেসর ইউনুস স্যারের মান মর্যাদা  ধুলোর সাথে মিশেয়ে দিয়েছে। হা প্রফেসর ইউনুস স্যার ...
22/05/2026

এই চার দানব মানুষ নামের অমানুষ গুলো প্রফেসর ইউনুস স্যারের মান মর্যাদা ধুলোর সাথে মিশেয়ে দিয়েছে।

হা প্রফেসর ইউনুস স্যার যদি হতাশ না হয়ে শক্তহাতে দমনে এগিয়ে যেতেন তাহলে দেশের জনগণ সাথে থাকতো।

প্রফেসর ইউনুস স্যার ঘোষণা দিয়ে নর্দমার কীটএই উপদেষ্টাদের সরাতে জনতার সাহায্যের প্রয়োজন পড়তো, তাহলে
চার দানব পদত্যাগ করতে বাধ্য হত।

হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর নিরাপদ নিয়ম: সচেতন চালকই নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছায়বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনার একটি বড় অংশ ঘট...
22/05/2026

হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর নিরাপদ নিয়ম: সচেতন চালকই নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছায়

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনার একটি বড় অংশ ঘটে হাইওয়েতে। হাইওয়ে বা মহাসড়কে গাড়ি চালানো যেমন দ্রুতগতির, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণও। তাই এই রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। অনেকেই নিয়ম না জেনে বা মানতে না চাওয়ায় অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনার শিকার হন। এই পোস্টে তুলে ধরা হলো হাইওয়েতে নিরাপদভাবে গাড়ি চালানোর কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও পরামর্শ, যা আপনার জীবন ও অন্যদের জীবন বাঁচাতে সহায়ক হতে পারে।


১. গাড়ির পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিশ্চিত করুন: হাইওয়েতে উঠার আগে আপনার গাড়িটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত কিনা তা যাচাই করুন:

ব্রেক সিস্টেম ঠিক আছে কি না
● টায়ারে যথেষ্ট প্রেশার আছে কি না
● ইঞ্জিন তেল, ব্রেক ফ্লুইড এবং কুল্যান্ট পর্যাপ্ত আছে কি না
● হেডলাইট, টেললাইট ও সিগন্যাল ঠিকমতো কাজ করছে কি না
● ওয়াইপার ও গ্লাস পরিষ্কার আছে কি না
● হঠাৎ গাড়ি বিকল হয়ে হাইওয়ের মাঝখানে আটকে পড়লে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।


২. গতি নিয়ন্ত্রণে রাখুন: হাইওয়েতে গাড়ির গতি সাধারণত অন্যান্য রাস্তায় চলাচলের তুলনায় বেশি হয়। তবে এর মানে এই নয় যে আপনি অতিরিক্ত গতিতে চালাবেন। বাংলাদেশের হাইওয়েতে নিরাপদ গতিসীমা সাধারণত ৮০-১০০ কিমি/ঘণ্টা। গতি নিয়ন্ত্রণে রাখলে:
● সময়মতো ব্রেক করা যায়
● দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমে
● অন্য গাড়ির প্রতিক্রিয়ায় আপনি সহজে সাড়া দিতে পারেন


৩. সিগন্যাল ও লেন ব্যবহার করুন সঠিকভাবে: হাইওয়েতে লেন ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়ম হলো:
● বাঁ দিকের লেন ধীরগতির যানবাহনের জন্য
● ডানদিকের লেন দ্রুতগামী যানবাহনের জন্য
● ওভারটেক করার সময় সিগন্যাল দিন এবং কাজ শেষে নিজের লেনে ফিরে আসুন
● অনেক চালক সিগন্যাল না দিয়েই লেন পরিবর্তন করেন, যা ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।


৪. পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখুন: একটি নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো—সামনের গাড়ির সঙ্গে পর্যাপ্ত দূরত্ব রাখা। এতে হঠাৎ ব্রেক করলে আপনার গাড়িও সময়মতো থামাতে পারবেন। thumb rule হলো—কমপক্ষে ৩ সেকেন্ডের দূরত্ব রাখা।


৫. ওভারটেকিংয়ের নিয়ম মেনে চলুন: হাইওয়েতে ওভারটেক করার আগে অবশ্যই নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন:
● সামনে কোনো বাঁক বা উঁচু-নিচু স্থান নেই
● বিপরীত দিক থেকে কোনো যানবাহন আসছে না
● আপনার গাড়ির গতি ও সক্ষমতা ওভারটেকের জন্য যথেষ্ট
● সাইড সিগন্যাল দিয়ে ওভারটেক করুন এবং দ্রুত নিজের লেনে ফিরে আসুন


৬. ঘুম ও ক্লান্তি থেকে বিরত থাকুন: অনেক চালক দীর্ঘ সময় হাইওয়েতে গাড়ি চালিয়ে থাকেন। কিন্তু ঘুম ঘুম ভাব বা ক্লান্তি নিয়ে গাড়ি চালানো ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর বিরতি নিন, প্রয়োজন হলে বিশ্রাম নিন।


৭. স্মার্ট ড্রাইভিং টেকনিক ব্যবহার করুন:
👉ডানে-বাঁয়ে চোখ চালান: কখনোই শুধু সামনে তাকিয়ে না থেকে, আশপাশের যানবাহন ও অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন
👉Blind Spot চেক করুন: সাইড মিরর ছাড়াও মাথা ঘুরিয়ে নিশ্চিত করুন ওভারটেক করার আগে
👉রাতের বেলায় হেডলাইট dip beam ব্যবহার করুন, যাতে বিপরীত দিকের চালক অন্ধ না হয়ে যায়


৮. নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলুন: হাইওয়েতে যানবাহনের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন আইন রয়েছে। যেমন:
● Horn বাজানো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে
● উল্টো পথে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
● ইউ-টার্নের নির্ধারিত জায়গা ছাড়া ঘুরে না আসা
● রাস্তার পাশে দাঁড়ানো হলে হ্যাজার্ড লাইট চালু রাখা
এসব নিয়ম না মানলে শুধু জরিমানাই নয়, প্রাণঘাতী বিপদের সম্মুখীন হওয়া যায়।


৯. বিপদজনক আবহাওয়ায় ড্রাইভিং এড়িয়ে চলুন: কুয়াশা, প্রবল বৃষ্টি বা ঝড়ো বাতাসে হাইওয়েতে ড্রাইভিং এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ, প্রয়োজনে হেডলাইট ও ফগ লাইট ব্যবহার করুন, গতি অনেক কমিয়ে দিন


১০. চালকের মনোযোগ ও আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
● মোবাইল ফোনে কথা না বলা
● হেডফোন ব্যবহার না করা
● মানসিক চাপ বা রাগ নিয়ে না চালানো
● কোনো ধরনের প্রতিযোগিতামূলক আচরণ না করা
একজন সচেতন চালক যেমন নিজের জীবন রক্ষা করতে পারেন, তেমনি অপরের জীবনও রক্ষা করেন।


উপসংহার: হাইওয়েতে গাড়ি চালানো একদিকে সময় বাঁচায়, অন্যদিকে সতর্ক না হলে প্রাণনাশও ঘটাতে পারে। আপনার একটু সচেতনতা একজন পথচারী বা আরেকটি পরিবারের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে পারে। মনে রাখবেন—নিরাপদে পৌঁছানোই আসল গন্তব্যে পৌঁছানো। তাই প্রতিবার হাইওয়েতে উঠার আগে মনে রাখুন উপরের নিয়মগুলো এবং চালান আত্মবিশ্বাস ও সতর্কতার সঙ্গে।

এই পোস্টটি যদি আপনার উপকারে আসে, তাহলে বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করুন। নিরাপদ হোন, সচেতন থাকুন।

Address

Shah Ali Shoping Complex
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tungipara TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tungipara TV:

Shortcuts

Share