23/11/2025
আপনাদের ঠিক কে কে ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলছে এগুলা সব বিশাল বড় একটা ভূমিকম্পের আগের প্রি-শক? ভূমিকম্প কী ১০০% প্রেডিক্ট করা যায়? প্রি-শকের তুলনায় বরং আফটার-শকই বেশি অনুমেয় এবং সবচেয়ে কমনতম সিনারিও। যতগুলা ফটোকার্ড দেখলাম অমুক তমুক রিসার্চারদের, সবাই বলেছেন ”হতে পারে”। মানে সম্ভাব্যতা। ৫০/৫০। একজনও কী বলছে গ্যারান্টেড একটা মেগা শক হবেই? অথচ তিনদিনে তৈরী হওয়া অজস্র শক-ওয়েভ বিশেষজ্ঞ রিসার্চারদের লেখা শেয়ার করছেন এমন ভাবে যেন এই এখুনি, একটু পরই ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলো বলে। শেষ, সব শেষ।
এই-যে অসংখ্য সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েঞ্জাররা কিছুই নিশ্চিত না হয়ে, শিওর না হয়েই সারাক্ষণ পোস্ট করে বলে বলে ফিরছেন... এগুলা সব প্রি-শক, বিশাল বড় ভূমিকম্প আসতেছে, আসলো বলে, ৭/৮/৯/১০ মাত্রার, বাংলাদেশ শেষ হয়ে যাবে, সব ধ্বংস হয়ে যাবে ইতাদি বলে বলে মানুষকে এমন প্যানিক করাচ্ছেন, এটা আদতে কোন সুফল বয়ে আনবে?
স্বাভাবিক মানুষ আর এংজাইটি ডিজঅর্ডার, প্যানিক অ্যাটাকে ভোগা মানুষদের সাইকোলজি, ফিলোসোফি সবই আলাদা। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাত্রাই হারাম করে দিচ্ছেন ওদের। সতর্ক হবে বলছেন, ভূমিকম্পের সতর্কতা লং-টার্ম জিনিস। পুরান ঢাকায় বাস করা অসংখ্য মানুষ ইমিডিয়েটলি ঘরবাড়ি ছেড়ে দিতে পারবে? ওরা এই মুহূর্তে কী প্রিপারেশন নিতে পারে, কী করা উচিত তা নিয়ে আলাপ করেন। খারাজ মুখার্জি মতো, ’মইরবে সব মইরবে’ বলতে থাকলে হওয়ার আগেই অর্ধেক মরে যাবে।
সতর্ক করতেই যদি চান, ভূমিকম্প হলে কী করণীয় তা নিয়ে বেশি বেশি লেখেন। প্রি-শক, বড় ভূমিকম্পের আলামত এসব বলে বলে আগে থেকে দূর্বল মানুষগুলোকে আরো আতংকিত, নার্ভাস আর মানসিকভাবে পুরোপুরি দূর্বল করে ফেলবেন না।
আর আমি বাস করি কই সেটা ছবিতেই দেখছেন। টানা তিনবার এইটুকু রিজিয়নেই ভূমিকম্প হলো। এপিসেন্টারে বসে বসে ওসব ভূমিকম্প বিশারদদের পোস্ট পড়া লাগে আর কী।।।
#আপনাদের ঠিক কে কে ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলছে এগুলা সব বিশাল বড় একটা ভূমিকম্পের আগের প্রি-শক? ভূমিকম্প কী ১০০% প্রেডিক্ট করা যায়? প্রি-শকের তুলনায় বরং আফটার-শকই বেশি অনুমেয় এবং সবচেয়ে কমনতম সিনারিও। যতগুলা ফটোকার্ড দেখলাম অমুক তমুক রিসার্চারদের, সবাই বলেছেন ”হতে পারে”। মানে সম্ভাব্যতা। ৫০/৫০। একজনও কী বলছে গ্যারান্টেড একটা মেগা শক হবেই? অথচ তিনদিনে তৈরী হওয়া অজস্র শক-ওয়েভ বিশেষজ্ঞ রিসার্চারদের লেখা শেয়ার করছেন এমন ভাবে যেন এই এখুনি, একটু পরই ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলো বলে। শেষ, সব শেষ।
এই-যে অসংখ্য সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েঞ্জাররা কিছুই নিশ্চিত না হয়ে, শিওর না হয়েই সারাক্ষণ পোস্ট করে বলে বলে ফিরছেন... এগুলা সব প্রি-শক, বিশাল বড় ভূমিকম্প আসতেছে, আসলো বলে, ৭/৮/৯/১০ মাত্রার, বাংলাদেশ শেষ হয়ে যাবে, সব ধ্বংস হয়ে যাবে ইতাদি বলে বলে মানুষকে এমন প্যানিক করাচ্ছেন, এটা আদতে কোন সুফল বয়ে আনবে?
স্বাভাবিক মানুষ আর এংজাইটি ডিজঅর্ডার, প্যানিক অ্যাটাকে ভোগা মানুষদের সাইকোলজি, ফিলোসোফি সবই আলাদা। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাত্রাই হারাম করে দিচ্ছেন ওদের। সতর্ক হবে বলছেন, ভূমিকম্পের সতর্কতা লং-টার্ম জিনিস। পুরান ঢাকায় বাস করা অসংখ্য মানুষ ইমিডিয়েটলি ঘরবাড়ি ছেড়ে দিতে পারবে? ওরা এই মুহূর্তে কী প্রিপারেশন নিতে পারে, কী করা উচিত তা নিয়ে আলাপ করেন। খারাজ মুখার্জি মতো, ’মইরবে সব মইরবে’ বলতে থাকলে হওয়ার আগেই অর্ধেক মরে যাবে।
সতর্ক করতেই যদি চান, ভূমিকম্প হলে কী করণীয় তা নিয়ে বেশি বেশি লেখেন। প্রি-শক, বড় ভূমিকম্পের আলামত এসব বলে বলে আগে থেকে দূর্বল মানুষগুলোকে আরো আতংকিত, নার্ভাস আর মানসিকভাবে পুরোপুরি দূর্বল করে ফেলবেন না।
আর আমি বাস করি কই সেটা ছবিতেই দেখছেন। টানা তিনবার এইটুকু রিজিয়নেই ভূমিকম্প হলো। এপিসেন্টারে বসে বসে ওসব ভূমিকম্প বিশারদদের পোস্ট পড়া লাগে আর