Shahidul Islam

Shahidul Islam life is so easy but we make difficult

https://www.prothomalo.com/lifestyle/8p8r61yi6oআমাদের বলা হয়, শুধু পরিশ্রম করলে হবে না। কাজ করতে হবে স্মার্টভাবে। এই কথা...
23/10/2023

https://www.prothomalo.com/lifestyle/8p8r61yi6o

আমাদের বলা হয়, শুধু পরিশ্রম করলে হবে না। কাজ করতে হবে স্মার্টভাবে। এই কথায় নানা রকম ঘাপলা আছে। তবে সে ঘাপলায় একটু পরে যাই। আগে বলি, কতটা কাজ করব।

একটা ‘হাইপোথিসিস’ আছে—রুল অব হানড্রেড। এই হাইপোথিসিস বলে, যেকোনো দক্ষতা গড়ে তুলতে ১ বছরে ১০০ ঘণ্টা সেই কাজটার চর্চা করতে হয়। অর্থাৎ দিনে মাত্র ১৮ মিনিট কাজটার চর্চা করলেই চলে। দিনে ১৮ মিনিট সময় দিয়ে ১ বছরে ১০০ ঘণ্টা মোট ব্যয় করলে সেই দক্ষতার সেরা বা টপ ৫ শতাংশে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব।

এই হাইপোথিসিস কতটা সত্য, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটা আদতে প্রতিদিন নিয়ম করে চর্চার কথা বলে, লেগে থাকার কথা বলে। লেগে থাকলে যেকোনো কাজে দক্ষ হওয়া সম্ভব।

কোডিংয়ের জন্য বলা হয়, ১০০ ঘণ্টা কোডিং করলে প্রাথমিক থেকে মোটামুটি মাধ্যমিক পর্যায়ে যাওয়া সম্ভব। ১০ হাজার ঘণ্টা ব্যয় করলে সেরা ১ শতাংশে থাকা সম্ভব বলে ধরা হয়। শুধু কোডিং নয়, এ কথা সাঁতার, সাইক্লিং, বেহালা বাজানো কিংবা কারাতে—যেকোনো ক্ষেত্রের জন্যই সত্য বলে মনে করেন অনেকে।

স্মার্টনেস আদতে কী
নানাজন নানা কথা বলেন। সব মিলিয়ে সারাংশ হলো, স্মার্ট বলতে বোঝানো হয় একটা কাজ যত সহজে করা যাবে, ততটা সহজে করা। সহজ কাজ কঠিন করে করাকে নিশ্চয়ই স্মার্টনেস বলা যায় না। ফলে কাজটা করতে যেমন হবে, তেমনি কত সহজে করা যায়, তা–ও দেখতে হবে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা মনে পড়ল। ‘সহজ কথা যায় না কওয়া সহজে।’ বড় একটা বাক্য বা ভাব ৫-১০ শব্দে প্রকাশ করা আদতে বেশ কঠিন। বিজ্ঞাপনী সংস্থার কপিরাইটারদের বেতন তাই অনেক। ১০ লাইনের কোড ৫ লাইনে নামিয়ে আনা গেলে মেমোরি কমপ্লেক্সিটি অর্ধেকে নেমে আসে। কঠিন কাজ বটে। উইন্ডোজ অপারেটরে আমরা যে পেইন্ট ব্যবহার করি, তাতে ১০ মিনিটের কাজ ২ মিনিটে করা যায় ফটোশপে। সহজ, তবে কঠিন!

তাই স্মার্ট হওয়ার মানে আমার কাছে এটাই—চিন্তা করে করা। তবে ঘাপলাটা এখানেই। সবার স্মার্টনেস সমান নয়। আবার না ভেবে একই ধাঁচে পরিশ্রম করে গেলেও তো কাজের কাজ হয় না। কাজেই স্মার্টভাবে কাজ করার কথা ভাবলে আমাদের মাথায় যে ব্যাপক চালচিত্র চালু হয়ে যায়, তার চেয়ে ভেবেচিন্তে, ধাপে ধাপে ও নিয়মিত কাজ করার দিকেই আদতে জোর দেওয়া ভালো।

সময় বেশি লাগুক, কম লাগুক, নিজের কাজ করে যান, সেরা আপনি হবেনই
সময় বেশি লাগুক, কম লাগুক, নিজের কাজ করে যান, সেরা আপনি হবেনইছবি: পেক্সেলস
আপনি যে কাজে দক্ষ, একটু ভেবে দেখুন, সেই কাজটা করতে আপনি অনেক চাপ নেন না। যে কাজে অনেক চাপ নেন, তাতে দক্ষ হওয়া কঠিন। আর্থসামাজিক ও পারিবারিক নানা জটিলতা আমাদের আছে। সে জন্য বলা হয়, মানুষ একসঙ্গে এক জীবনে ১৪টার বেশি শাখায় দক্ষ হতে পারে না।

তবে প্রতিদিন ২০ মিনিট সময় দেওয়া আদতে কঠিন কিছু তো নয়। সমস্যাটা কোথায়? বদহজমে। একদিনে ২-৩ ঘণ্টা করে, এক সপ্তাহ ওভাবে করার পর আর ভালো লাগে না। কাজেই শুরুতে বাড়তি চাপ নেওয়ার মানে নেই। রোজ ২০ মিনিট। ব্যস!

এক বছর লেগে থাকুন। সেরা ৫ শতাংশে না হলেও দক্ষ হয়ে উঠবেন কিছুটা হলেও। এটাই আসল কথা। সময় বেশি লাগুক, কম লাগুক, পাশের বাসার কেউ বা পরিচিত কাউকে ঈর্ষা না করে যদি নিজের কাজ করে যান, তাহলে বোধ হয় আর কিছু লাগে না।

এক জীবনে আমরা অনেক কিছুই করতে চাই। এবার নিজেকেই জিজ্ঞেস করুন তো, এর কয়টার পেছনে আমরা দিনে ২০ মিনিট সময় দিই?

স্মার্ট বলতে বোঝানো হয় একটা কাজ যত সহজে করা যাবে, ততটা সহজে করা। সহজ কাজ কঠিন করে করাকে নিশ্চয়ই স্মার্টনেস বলা যায় ....

19/09/2023

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো।

সর্বপ্রথম চাকরি হারাল ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

Copy/Collected/সংগৃহিত

সারমর্ম আমরা অনেক সময় নিজের সামান্য ভূলে প্রতিষ্ঠানের অনেক ক্ষতি করে থাকি।

বেশি কথা না বলে মন দিয়ে কাজ করে যান সফলতা আসবেই। ইনশাআল্লাহ
09/09/2023

বেশি কথা না বলে মন দিয়ে কাজ করে যান সফলতা আসবেই।
ইনশাআল্লাহ

উপকূলে বসবাসরত সকলকে মহান আল্লাহ পাক হেফাজত করুক।
24/10/2022

উপকূলে বসবাসরত সকলকে মহান আল্লাহ পাক হেফাজত করুক।

Address

Pallabi
Mirpur
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahidul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share