Johir Bin Muslim

Johir Bin Muslim from the river to the sea
Palestine will be free ✊

আলহামদুলিল্লাহ।
03/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

গোটা বিশ্বে  ফিলি/স্তিনই মুলত স্বাধীন আর আমরা হলাম পরাধিন।রহমান আল উদয়ান।ফিলিস্তিনি ডক্টর।
03/09/2026

গোটা বিশ্বে ফিলি/স্তিনই মুলত স্বাধীন আর আমরা হলাম পরাধিন।
রহমান আল উদয়ান।
ফিলিস্তিনি ডক্টর।

গাজীপুরের মেয়ে পাথরঘাটার হিন্দু ছেলে শুভর হাত ধরে বি*য়ের দা*বি নিয়ে মন্দিরে! ছেলেটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সে হি*ন্দ...
03/09/2026

গাজীপুরের মেয়ে পাথরঘাটার হিন্দু ছেলে শুভর হাত ধরে বি*য়ের দা*বি নিয়ে মন্দিরে! ছেলেটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সে হি*ন্দু থেকে মু*সলিম হ*বে না। আর ভালোবাসার টানে মুসলিম মেয়েটি নিজের ধ*র্ম প*রিবর্তন করে হিন্দু হ*য়ে শুভকেই বি*য়ে করতে চান।

ঘটনাটি শুনে হয়তো অনেকেই অ*বাক হচ্ছেন। কিন্তু সত্যি বলতে, আজকের সমাজের অবস্থান এমন এক জায়গায় এসে দাঁ*ড়িয়েছে—যেখানে সম্পর্কের সী*মারেখা, ল*জ্জা-শ*রম, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ দিন দিন যেন হা*রিয়ে যাচ্ছে। প*রকীয়া*র মতো সম্পর্ক থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে অ*শা*লীনতা—কত কি*ছুই আজ মানুষের সামনে ঘটছে!

তাহলে প্রশ্ন হলো, আমরা কি সত্যিই এমন এক সময়ে এসে পৌঁছেছি, যার কথা বহু আগেই ইসলাম আমাদের সতর্ক করে দিয়েছিল?

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—

“তোমরা জি*নার নিকটবর্তী হয়ো না। নিশ্চয়ই তা অ*শ্লীল কাজ এবং নি*কৃ*ষ্ট পথ।”
—সূরা আল-ইসরা, ১৭:৩২

রাসূলুল্লাহ ﷺ-ও কি*য়ামতের পূর্ববর্তী সময় সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছেন, এমন সময় আসবে যখন মানুষের মাঝে অ*জ্ঞতা ছড়িয়ে পড়বে, জ্ঞান কমে যাবে এবং প্রকাশ্যে অ*শ্লীলতা ও পা*পের বিস্তার ঘটবে।

আজ চারপাশের সমাজের দিকে তা*কালে প্রশ্ন জাগে—আমরা কি সেই সতর্কবার্তাগুলোকে খুব কাছ থেকে দেখতে শুরু করিনি?

ভালোবাসা মানুষের জীবনের একটি অনুভূতি, কিন্তু একজন মুসলিমের জন্য ভালোবাসার চেয়েও বড় হলো ঈমান। দুনিয়ার কোনো সম্পর্ক, কোনো আবেগ কিংবা কোনো মানুষের জন্য নিজের রবের সঙ্গে সম্পর্ক বি*সর্জন দেওয়া একজন মুমিনের জন্য কতটা ভ*য়ং*কর সিদ্ধান্ত—সেটা আমাদের একবার হলেও ভাবা উচিত।

আজ শুভ আর ওই মুসলিম তরুণীর ঘটনাকে নিয়ে কেউ আলোচনা করবে, কেউ স*মালোচনা করবে, কেউ স*মর্থন করবে। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই—

আমরা কি ভালোবাসার নামে ধীরে ধীরে আমাদের ঈমান, মূল্যবোধ ও আল্লাহর বিধান থেকে দূরে স*রে যাচ্ছি না?

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথের উপর অটল রাখুন, হা*রাম থেকে দূরে রাখুন এবং দুনিয়ার সাময়িক আবেগের বিনিময়ে যেন আমরা কখনো আমাদের ঈমানকে হা*রিয়ে না ফেলি। আমিন।

এক জীবন্ত লা/শের ন্যায় বেঁচে আছেন ডক্টর আফিয়া/ সিদ্দিকী। প্রথম দেখায় বুকটা কেঁপে উঠেছে তো? থমকে গেছেন তো স্ক্রল করতে কর...
03/09/2026

এক জীবন্ত লা/শের ন্যায় বেঁচে আছেন ডক্টর আফিয়া/ সিদ্দিকী।
প্রথম দেখায় বুকটা কেঁপে উঠেছে তো? থমকে গেছেন তো স্ক্রল করতে করতে? ভাবছেন, অবশেষে তাহলে টেক্সাসের সেই অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে উড়ে গেল একটি বন্দি পাখির প্রাণ?
হ্যাঁ, ভুল দেখেননি। ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকী আসলেই বেঁচে নেই। যে মানুষটির শুধু ফুসফুস সচল থাকাকেই আমরা 'বেঁচে থাকা' বলে ধরে নিই, সেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের সংজ্ঞায় হয়তো তিনি কোনোমতে শ্বাস নিচ্ছেন। কিন্তু আপনিই বলুন, বিগত ২১টি বছর ধরে প্রতিটা সেকেন্ড, প্রতিটা মিনিট এবং প্রতিটা দিন যেভাবে একটি জলজ্যান্ত মানুষের আত্মাকে টুকরো টুকরো করে কেটে হত্যা করা হচ্ছে— তাকে কি আদৌ জীবন বলা যায়?

মানুষের তো কেবল ফুসফুস বন্ধ হলেই মৃত্যু হয় না; যখন তার সম্মান, তার মাতৃত্ব, তার অধিকার এবং তার মানবিক অস্তিত্বকে বুটের তলায় পিষে ফেলা হয়, তখনই তার আসল মৃত্যু ঘটে। ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকী প্রতিদিন মরে যান, প্রতি রাতে মরে যান, আর আমরা একবিংশ শতাব্দীর সভ্য মানুষেরা প্রতিদিন তাঁর সেই মৃত্যুর তামাশা দেখি!

আজ থেকে দুই দশক আগে, ২০০৩ সালের এক অভিশপ্ত মার্চ মাসে করাচির রাস্তা থেকে তাঁর তিনটি নিষ্পাপ শিশু সন্তানসহ এই মহীয়সী নারীকে অপহরণ করা হয়েছিল।

অপরাধ? তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত প্রখর মেধার অধিকারী মুসলিম স্নায়ুবিজ্ঞানী (Neuroscientist), যিনি আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (MIT) এবং ব্র্যান্ডাইস ইউনিভার্সিটির মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছিলেন। সেই মেধা এবং তাঁর ধর্মীয় পরিচয়ই যেন তাঁর জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল।

এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর তাঁর কোনো খোঁজ ছিল না। আ*ফ*গা*নিস্তানের কুখ্যাত ‘বাগরাম কারাগার’-এর বন্দিরা তখন গভীর রাতে এক নারীর বুকফাটা কান্নার আওয়াজ শুনতেন, যা বন্দিদের ঘুমাতে দিত না। সেই রহস্যময়ী বন্দি, ‘কয়েদি নম্বর ৬৫৪’ আর কেউ নন, আমাদের ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকী।

সেখানে তাঁর ওপর যে অবর্ণনীয়, পশুতুল্য নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তা শুনলে পাথরের হৃদয়ও গলে জল হয়ে যাবে।

২০০৮ সালে নাটকীয়ভাবে আ*ফ*গা*নিস্তানে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং এক কাল্পনিক অভিযোগে অভিযুক্ত করে আমেরিকার আদালতে তোলা হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি নাকি মার্কিন সেনাদের ওপর গুলি চালাতে চেয়েছিলেন!

অথচ কোনো ফরেনসিক প্রমাণ, কোনো আঙুলের ছাপ কিংবা কোনো মার্কিন সেনার গায়ে আঁচড় লাগার প্রমাণও তারা হাজির করতে পারেনি। তবুও, এক প্রহসনের বিচারে ২০১০ সালে এই নিরাপরাধ নারীকে দেওয়া হয় ৮৬ বছরের দীর্ঘ কারাদণ্ড!

বর্তমানে তিনি বন্দি আছেন আমেরিকার টেক্সাসের এফএমসি কার্সওয়েল (FMC Carswell) নামক একটি অন্ধকার ও নির্মম মেডিকেল কারাগারে। মানবাধিকার কর্মীরা এই কারাগারকে বলেন "Hospital of Horrors" বা 'ভীতিকর হাসপাতাল'। সেখানে কোনো মানুষ বাস করে না, বাস করে কিছু জীবন্ত লাশ।

**কী নির্মমতার মধ্য দিয়ে কাটছে তাঁর প্রতিটি মুহূর্ত, একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন:**

**ভাঙা শরীর, ক্ষতবিক্ষত আত্মা:**
বছরের পর বছর চলা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে তাঁর সামনের দাঁতগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাতের ফলে তাঁর এক কানের শ্রবণশক্তি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। তাঁর মেরুদণ্ড এবং পাকস্থলী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। চোখের দৃষ্টিশক্তি দিন দিন ম্লান হয়ে আসছে। চরম পিটিএসডি (PTSD) এবং ট্রমার মধ্য দিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাঁকে কোনো সুচিকিৎসা দেওয়া হয় না।

**ভীতিকর একাকীত্ব ও নিত্যদিনের হামলা:**
২০২১ সালে এক সহ-বন্দি তাঁর মুখে ফুটন্ত গরম তরল ছুড়ে মারে। সেই তীব্র যন্ত্রণার পর তাঁকে কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে না নিয়ে, উল্টো মাসের পর মাস এক নির্জন অন্ধকার সেলে (Solitary Confinement) ফেলে রাখা হয়, যেখানে চব্বিশ ঘণ্টা লাইট জ্বালিয়ে রেখে তাঁর চোখের ঘুম কেড়ে নেওয়া হতো।

**মাতৃত্বের বুকফাটা হাহাকার:**
একটি মায়ের জন্য এর চেয়ে বড় মৃত্যু আর কী হতে পারে যে, তিনি জানেন না তাঁর অপহৃত সন্তানরা আজ কোথায়, কেমন আছে?

দীর্ঘ দুই দশক পর যখন তাঁর বোন ডঃ ফৌজিয়া সিদ্দিকী অবশেষে তাঁর সাথে দেখা করার অনুমতি পান, তখনও মাঝখানে ছিল একটি নিরেট, মোটা কাঁচের দেয়াল। ডঃ ফৌজিয়া যখন তাঁর সন্তানদের ছবি দেখাতে চেয়েছিলেন, কারাগারের নিষ্ঠুর রক্ষীরা তা কেড়ে নেয়। নিজের মায়ের মৃত্যুর খবরটিও তিনি জানতে পেরেছেন অনেক পরে।

তিনি তো আসলে প্রতিদিন আমাদের মুসলিম উম্মাহর বিবেকহীনতার কারণে মারা যাচ্ছেন। তিনি মারা যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দ্বিমুখী নীতির কারণে।

আজ যদি আমরা তাঁর এই জীবন্ত মৃত্যুর বিরুদ্ধে আওয়াজ না তুলি, তবে ইতিহাসের কাঠগড়ায় আমাদেরও অপরাধী হিসেবে দাঁড়াতে হবে।

আমরা কি শুধু তাঁর নিথর দেহটা কফিনে চড়ে ফিরে আসার অপেক্ষা করব? নাকি জীবিত থাকতেই এই মজলুম বোনের মুক্তির জন্য শেষ চেষ্টাটুকু করব?

আসুন, অন্তত নিজের ওয়ালে এই সত্যটুকু শেয়ার করে বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিই— ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকী আইনি মারপ্যাঁচে আটকে থাকা কোনো সাধারণ কয়েদি নন, তিনি এই আধুনিক পৃথিবীর বুকে এক জীবন্ত শহীদ!আমাদের প্রিয় বোন মারা যায়নি,, মারা যাওয়ার চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছেন লেখাটা পড়লেই বুঝে আসে, জীবন্ত লাশের মতো বেঁচে আছেন😭😭রব্বে কারীম সহায় হন😭🤲©️©️

মুসলিম জাতির উদ্দেশ্যে একজন ইহুদি যুবকের মেসেজ!আমি একজন ইহুদি। এতে আমি গর্বিত। কেননা দুনিয়ায় আজ আমাদেরই রাজত্ব। জিহাদে ত...
03/09/2026

মুসলিম জাতির উদ্দেশ্যে একজন ইহুদি যুবকের মেসেজ!
আমি একজন ইহুদি। এতে আমি গর্বিত। কেননা দুনিয়ায় আজ আমাদেরই রাজত্ব। জিহাদে তোমাদের সাথে পেরে উঠতে না পেরে আমরা কি করেছি জানো?? খুব সহজে তোমাদের যুবতিদের থেকে পর্দা উঠিয়ে দিয়েছি। কোরআনের শিক্ষা থেকে তোমাদের সরিয়ে দিয়েছি। তোমাদের কাছে আমাদের পোশাক পাঠিয়ে দিয়েছি, আমাদের সংস্কৃতি পাঠিয়ে দিয়েছি, আমাদের সভ্যতা রপ্তানি করেছি।

তোমাদের শপিংমলগুলোর দিকে তাকাও। কি দেখতে পাচ্ছ?? সব উ'ল'ঙ্গ পোশাকের মেলা। তাই না? মজার ব্যপার হল, তোমরা বড় সহজে তা গ্রহণ করে নিয়েছ। তোমরা কি জানো না?? লু'ত সম্প্রদায়ের এই হাল ছিল?? কত নি'র্বোধ তোমরা!!

স্টেডিয়ামের আলোয়  রাত আলোকিত,আর ১০ই সেপ্টেম্বর—আলোকিত হবে জ্ঞানের প্রাঙ্গণ। ইসলামী বইমেলা ২০২৬—দেখা হবে ১০ই সেপ্টেম্বর...
02/09/2026

স্টেডিয়ামের আলোয় রাত আলোকিত,
আর ১০ই সেপ্টেম্বর—আলোকিত হবে জ্ঞানের প্রাঙ্গণ।
ইসলামী বইমেলা ২০২৬—দেখা হবে ১০ই সেপ্টেম্বর ইনশাআল্লাহ!

এইটুকু বয়সের একটা শিশুর কাছে এর থেকে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে..🥹🖤
02/09/2026

এইটুকু বয়সের একটা শিশুর কাছে এর থেকে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে..🥹🖤

আচ্ছা 🙏😌
02/09/2026

আচ্ছা 🙏😌

ক্যানসারের সাথে লড়াইয়ের দিনগুলোতে নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াত ও প্রার্থনা মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি জুগিয়েছে বলে জানিয়...
02/09/2026

ক্যানসারের সাথে লড়াইয়ের দিনগুলোতে নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াত ও প্রার্থনা মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি জুগিয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা নওমান ইজাজ। সম্প্রতি এক পডকাস্ট অনুষ্ঠানে নিজের ক্যানসার জয়ের আবেগঘন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।

জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনে নওমান ইজাজের লিম্ফোমা ও একটি টিউমার শনাক্ত হয়। পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি টিউমার অপসারণ করা হয় এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কেমোথেরাপির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি।

সেই মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করে নওমান ইজাজ বলেন, ‘আমার রোগ শনাক্তের পর বন্ধু গোহর বাট নিয়মিত সূরা আর-রহমান পাঠের পরামর্শ দেন। আলহামদুলিল্লাহ, সূরা তিলাওয়াত শুরু করার পর চিকিৎসকেরা আর কোনো টিউমার খুঁজে পাননি।

অথচ আমাদের জীবন নিয়ে কত অভিযোগ।
01/09/2026

অথচ আমাদের জীবন নিয়ে কত অভিযোগ।

Address

Mirpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Johir Bin Muslim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share