DDC Crushes and Confessions

DDC Crushes and Confessions For sending your Confession to your Crush, must do Read & Check fully the Pinned-Up post of this page & Follow the Rules & Instructions accordingly

This is a confession page for all the students of DDC
you can share your unexpressed feelings here...post about your crushes anonymously.. Feel free to express your feelings about your long cherished crush and make your secrete confession about him or her

Those who will confess here their names and identites will be completely kept secrete here , even in it will be kept secrete from the concern

ed admins .To confess u will have to go to the following link here

https://docs.google.com/forms/d/1I8YHRPjxvCn_igFfzo8bX8h-9q1zYmTeUInUl88dlwY/viewform

write down your inner feelings about your crush here then click sumbit for reviewing for the admin panels . Don't need to give your name or ID

24/05/2026


Yusha Adham (D-56)

এই পেজে এই ধরনের কনফেসন আগে কখনো হয়নি, হয়তো আর কখনো হবেও না । কিন্তু আমি সাহস করে বলেই ফেললাম! 😟

আমি খুব হিসেব করে চলা মানুষ। কিন্তু আপনার কাছে এসে সব হিসেব গুলিয়ে যায়। 😣

আপনাকে দেখলে মনে হয়, পৃথিবীতে এত noise এর মাঝেও কিছু মানুষকে আলাদা করে notice করতেই হয়।🥰
আপনি আমার কাছে ঠিক তেমন। 😇

তাই আজ straightforward বলছি — আমি আপনার প্রতি দুর্বল।💓 আর এই দুর্বলতাটা আমার ভালো লাগে। 🙈

I really admire your beauty and you. কিন্তু আফসোস আমার varsity হলে হয়তো আপনাকে প্রতিদিন দেখতে পেতাম! 💔

জানি এই দুর্বলতা ও ভালোলাগার কোন পরিণতি নেই......তাও দূর থেকে আপনাকে admire করে যাব। 🙂

যাই হোক এতোটুকুই কথাটা বলার দরকার ছিল,তাই বলে ফেললাম।
ভালো থাকবেন। 😊

 *** ** *** (ডি-৫৯)আজকে এমন একজনের এমন কিছু চরিত্র নিয়ে লিখতে চাই, যার বারো-ভাতা-রি ভাবসাব দেখা যাচ্ছে বর্তমানে। "***'' ...
23/05/2026


*** ** *** (ডি-৫৯)

আজকে এমন একজনের এমন কিছু চরিত্র নিয়ে লিখতে চাই, যার বারো-ভাতা-রি ভাবসাব দেখা যাচ্ছে বর্তমানে। "***'' - তেমনই একটা পোলা।

যাইহোক সত্যি কথায় ফেরত যাই - এই পোলায় যে দল ক্ষমতায় আসে সে দল সাপোর্ট করে। তার বাসার সবাই তো খাস জামাতিই (এলাকায় জামাতের রাজনীতি করে), কলেজে এখন বিএনপির ভাইয়েরা আছে দেখে তেলে তেলে বিএনপি করে।
আগের সময় (২৪ জুলাই পূর্ববর্তী সময়ে) সে ছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দালাল। ছাত্রলীগের এমন একটাও মিছিল-মিটিং নাই, যেখানে সে ছিলো না! এমনকি *** ও *** ভাইদের আশেপাশে থাকতে ভালো লাগে তার এরূপ কথাও শোনা গেছে!
জুনিয়রদের মিটিং নামক rag দেওয়া থেকে শুরু করে গালি কোনটাই তার বাদ ছিল না। ইভেন ৫৯ এর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বেও তার নাম ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

আপনারাই বলুন এই বারো-ভাতা-রীর কি করা উচিত?

আজ নয়তো কাল তেলায় তেলায় পদ পাবে, কিন্তু ক্ষতি হবে ডেডিকেটেড অনেক ছেলের।

উত্তরটার অপেক্ষায় থাকলাম
পত্রান্তে,
ডিডিসির সিনিয়র একজন।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কুরবানির পশু হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে ডেন্টাল কেয়ারে নিয়ে ছাগলের দাঁত তোলার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানাজ...
22/05/2026

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কুরবানির পশু হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে ডেন্টাল কেয়ারে নিয়ে ছাগলের দাঁত তোলার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার পৌরসভার মহিলা কলেজ গেট-সংলগ্ন আলভি ডেন্টালে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনা সম্পর্কে জানার পর পৌরসভার জামে মসজিদ রোড এলাকা থেকে লিটন নামের এক ব্যক্তি ও তার একজন সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয়দের চাপের মুখে ছাগলের দাঁত তোলার কথা স্বীকার করেন তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্তরা জানান, ছাগলের দাঁতটি নড়বড়ে ছিল বলে সেটি তুলে ফেলা হয়েছে। পরে ছাগলটি বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। কিন্তু ছাগলের দাঁত তোলার জন্য মানুষের ডেন্টাল কেয়ারে কেন নেয়া হয়েছিল? জানতে চাইলে অভিযুক্তরা বলেন, এখানে দাঁত তোলা হয় জানার পর এসেছি।

এদিকে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কুরবানির মতো ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়কে নিয়ে এ ধরনের প্রতারণা করা মোটেও ঠিক নয়, এটি নিন্দনীয়। অপরিপক্ক ছাগলের দাঁত তুলে সেটির বয়স গোপন করে কুরবানিযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করা প্রতারণা।একই সঙ্গে প্রাণীর প্রতিও নিষ্ঠুর আচরণ। আবার মানুষের সঙ্গেও প্রতারণা করা হচ্ছে। কেননা, ছাগলের দাঁত তোলার পর একই সরঞ্জাম দিয়ে মানুষের চিকিৎসা করা হবে।

এ ব্যাপারে আলভি ডেন্টাল কেয়ারের মালিক দন্ত চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন মানিক বলেন, ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। আমার প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী না বুঝেই ছাগলের দাঁত তুলেছে।

রাকিব নামের এক ব্যক্তি দাঁত তোলার কথা স্বীকার করে বলেন, পরিচিত একজন নিয়ে এসেছে, এ কারণে দাঁত তুলেছি। এই জন্য কোনো টাকা নেয়া হয়নি।

ত্রিশাল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, প্রাণিকল্যাণ আইন অনুযায়ী বিষয়টি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

20/05/2026

স্বপ্ন ছিল মেডিকেলে পড়বা, চান্স না পেয়ে ব্রোকেন হার্ট নিয়ে ডেন্টালে পড়তে আসছ, ঠিক না বেঠিক?
রাগ করলা?
একবার বলো "প্রাউড টু বি এ ডিডিসিয়ান", আরেকবার বলো "ডিএমসির পরেই ডিডিসি"
ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হওয়ার পর ফ্রেন্ডস ফরেভার গ্রুপ খুলে বন্ধুত্ব মারাও, এরপর একটা প্রফ যেতেই ফ্রেন্ডস ফরেভার ভেঙ্গে ৮-১০টা ফ্রেন্ডস ফরেভার গ্রুপ হয়ে যায়, ঠিক না বেঠিক?
রাগ করলা?
একবার বলো "ডেন্টুদের কেউ দাম দেয় না", আরেকবার বলো "অনেক মেডিকেলের চেয়ে ডিডিসি বেটার''
যখন সবাইকে বলো যে ডিডিসিতে পড়ি, তখন সবাই বলে এটা কোথায় সোবাহানবাগে?
ঠিক না বেঠিক?
রাগ করলা?
বাসায় গেলে কেউ জিজ্ঞাসা করলে বলো ডেন্টালে পড়ো। তখন কেউ যদি বলে ''ওহ! দাতের ডাক্তার''
তখন মনে মনে বলো ''দাতের সমস্যা হলে আসিয়েন দেখে নিব''
ঠিক না বেঠিক?
রাগ করলা?
একবার বলো "একবার যাও সেকেন্ড টাইম দিতে", আরেকবার বলো "ডিডিসি সেরা রে"
পরীক্ষার হলে বসে ম্রা খেতে খেতে সিদ্ধান্ত নাও পরের টার্মে/ প্রফে কোপ দিবা। পরীক্ষা শেষ হলেই সব ভুলে যাও এবং পরের টার্মে/প্রফেও ম্রা খাও, ঠিক না বেঠিক?
রাগ করলা?
একবার বলো "মারা খাওয়া শুরু", আরেকবার বলো "অনেক মেডিকেলের চেয়ে ডিডিসি বেটার''"
এডমিশনের সময় কোন এক বড় ভাই বলেছিল পরবর্তী লাইফ শুধু চিল আর চিল, এখন ডিডিসিতে এসে দেখো সকাল আট'টা থেকে দুপুর আড়াইটা টা পর্যন্ত একটানা ক্লাস, ওয়ার্ড। সোবাহানবাগীদের শুরু 7 টায়, শেষ 3 টায়।তাই উঠতে বসতে সেই বড় ভাইকে গালি দাও
ঠিক না বেঠিক?
রাগ করলা?
একবার বলো'' মিরপুরে
টিউশন তো মরুভূমির মরিচীকা,খুজে পাইলেও পাছায় জুটে না ত্যানা। আরেকবার বলো আমি তো সেরা রে''
রাগ করলা!!

© রিফাত আল হাসান (ডি-৫৯)

15/05/2026


Montajir Billah (D-59)

"তুমি এলে হৃদয় জুড়ে
ফুলের মতো সুবাস ছড়িয়ে
সুন্দর তুমি শুধু চেহারায় নয়,
মায়া লুকায় তোমার নামে"

বিল্লাহ,আপনাকে যেদিন প্রথম দেখেছিলাম আপনার দুচোখের মায়ায় পড়েছিলাম।আপনার চলন,কথা বলার ভঙ্গির প্রেমে পড়েছিলাম। আপনি আমাকে সবসময়ই আমার ছোটবেলার ক্রাশ হৃত্বিক রোশানের কথা মনে করিয়ে দেন🥹। আপনি যেমন দেখতে সিনেমার হিরোর মত,আপনার কাজও সিনেমার হিরোর মত।লোডশেডিং,ঝড় -বৃষ্টি কিংবা সুখ-দুঃখের কোনটাই আপনাকে ভাবার কাজ থেকে আমাকে ভোলাতে পারে না।একদিনের ঘটনা মনে আছে - আপনি বৃষ্টি ভিজে কোথাও যাচ্ছিলেন সুন্দর ইন করা ফরমাল লুকে, আপনাকে কি যে অসম্ভব সুন্দর আর মায়াবী লাগতেছিলো😘। আজও আজও সেই ঘটনা মনে পরে।আমার হয়তো টাকা নেই,গাড়ি -বাড়ি নেই; আছে শুধু একটা ভালোবাসা হৃদয় দিয়ে গড়া এক মন। আমি আপনার ভবিষ্যত গল্পে থাকতে চাই,আপনাকে নিয়ে বহুবছর বাঁচতে চাই।আপনি কি আমার সেই গল্পের নায়ক হবেন?
আমাকে আপনি থেকে প্রিয়তম শব্দ "তুমি" বলার অনুমতি দিবেন?🥹

A love letter from
Your junior💌

ঢাকা ডেন্টাল কলেজে (ডিডিসি) গেস্ট রুম তৈরির জন্য জায়গা করে দেওয়ার নামে কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ছাত্রাবাসের ১১৬ নম্বর র...
15/05/2026

ঢাকা ডেন্টাল কলেজে (ডিডিসি) গেস্ট রুম তৈরির জন্য জায়গা করে দেওয়ার নামে কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ছাত্রাবাসের ১১৬ নম্বর রুমের তালা ভেঙে তিন শিক্ষার্থীর জিনিসপত্র তছনছ ও রুম দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (১৩ মে) দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রশাসনের নির্দেশে এটি করা হয়েছে দাবি করা হলেও কোনো ছাত্রদের এ রকম দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন হল সুপার ও কলেজ অধ্যক্ষ।

এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকা ডেন্টালের ওই রুমের তিন শিক্ষার্থীর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ায় একাধিক জুনিয়র শিক্ষার্থী। ভাঙচুর ও হাতাহাতিতে জড়িতরা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সমর্থক বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন ডিডিসি ৬১ ব্যাচের রায়হানুল ইসলাম, মোন্তাকিম ও তানজিম ওভি। অন্যদিকে অভিযোগের মুখে থাকা শিক্ষার্থীরা হলেন ৫৮ ব্যাচের আবরার জাওয়াদ, মৃণাল কান্তা রায়, অর্ণব সাহা ও সামিউল্লাহ্ অনিক।

শিক্ষার্থী ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হলে রুমের তালা ভেঙে অনুপ্রবেশ ও রুম তল্লাশির অভিযোগ করে অধ্যক্ষের কাছে সুরক্ষা ও আবাসন নিশ্চিতের আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রায়হানুল ইসলাম, মোন্তাকিম ও তানজিম ওভি।

এতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তারা বলেন, ‘বুধবার (১৩ মে) দুপুর ৩.১৫ মিনিটে আমার ব্যাচের মনিটর ফোনে জানতে চায়, কোথায় আছিস? ৫ মিনিটের মধ্যে রুমে আয় (রুম নং-১১৬)। বললাম যে আমি তো দূরে আছি, আসতে আসতে বিকাল বা সন্ধ্যা হবে। তখন সে আমাকে বললো, তোরা কেউ না আসলে তালা ভেঙে রুমে ঢোকা হবে। আমি কারণ জানতে চাইলে সে বললো, উপরের নির্দেশ আছে দ্রুত আসতে। আমি বললাম, আমার আসতে রাত হবে। আমার রুমমেটও বাইরে ছিল তারও দেরি হবে। এরপর পাশের রুমের ব্যাচমেটদের থেকে জানতে পারলাম যে, আমাদের রুমের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকা হয়েছে। কারা করেছে জানতে চাইলে বলে, ডি-৫৮ ব্যাচের জাওয়াদ ভাই, অর্ণব ভাই এদের কথা বলা হলো, তারপর সন্ধ্যায় আমি এসে দেখি, আমার রুমের জিনিসপত্র অগোছালো করে রাখা হইছে। কয়েকটি ব্যাগ ছিল ওগুলোও নিচে ফেলে দিছে, আবার রাতে ব্যাচ মনিটর সিফাত এসে হুমকি দিয়ে গেল যে, রাতের মধ্যে রুম না ছাড়লে সকালে ৫৮ ব্যাচের ভাইরা এসে সব বের করে দিবে।’

‘পরবর্তীতে সহকারী হল সুপারকে জানানো হলে তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে অবহিত নন বলে জানান এবং সকালে দেখা করতে বলেন। সকালে দেখা করতে গেলে তিনি পুরো ঘটনা শুনে আমাদের রুমকে গেস্ট রুম করার বিষয়ে তার পরিকল্পনার কথা জানান এবং নোটিশ না পাওয়া পর্যন্ত রুম না ছাড়ার কথা বলেন। তালা ভেঙে ঢোকার জন্য আমাদেরকে হল সুপার মামুন স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। হল সুপার তখন কলেজে ছিলেন না তিনি রোববার আসবে বলে জানান। এবং সে আলোকে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। এমতাবস্থায় আমরা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এটা বলার পর তিনি আমাদের আশস্ত করেন যে এমন কিছু আর হবে না’—বলা হয় আবেদনে।

এ ঘটনা নিয়ে হল সুপারে কাছে করা অভিযোগপত্রে শিক্ষার্থী বলেন, ‘গত ১৩ মে ২০২৬ বুধবার দুপুর ৩টা নাগাদ মিরপুর ছাত্রাবাসের রুম নম্বর এ সোবহানবাগ ছাত্রাবাস থেকে আগত কিছু শিক্ষার্থী রুমের তালা ভেঙে ভিতরের জিনিসপত্র তছনছ ও তল্লাশি করে। তারা জানায়, গেস্টরুম তৈরি করার উদ্দেশ্যে এ কাজটি হল সুপারের নির্দেশে করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ৫৮ ব্যাচের চার শিক্ষার্থী।’

যা বললেন ঢাকা ডেন্টালের অধ্যক্ষ

জানতে চাইলে ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে অবগত হয়েছি। হোস্টেল সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি। বিষয়টি সমাধানের জন্য রোববার পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাদের সাথে দেখা করতে এলে বসার জায়গা দিতে পারে না। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই রুমকে গেস্টরুম করার আবেদন জানিয়েছে। সেখানে বর্তমানে যারা রয়েছে প্রয়োজনে তাদের অন্যরুমে স্থানান্তর করা হবে।’

নতুন বাংলাদেশে পুনরায় গেস্টরুম-গণরুম প্রথা চালু হবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই রুমটা ছাত্রদের থাকার জন্য বরাদ্দ ছিল না। এটি হোস্টেলের জিমনেশিয়াম ছিল। প্রথম বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন ছাত্রের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এটিকে বসবাসযোগ্য করা হয়।’

জানতে চাইলে সহকারী হোস্টেল সুপার ডা. আতিক মাহমুদ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পরিবারের নারী সদস্যরা তাদের সাথে দেখা করতে এলে হোস্টেলের ভিতরে ঢুকে পড়তো। এটি যেহেতেু ছাত্র হোস্টেল, তাই বিষয়টি বিব্রতকর। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন ছাত্র গেস্টরুম চালুর আবেদন করে। সবদিক বিবেচনা করে আমরা একটি গেস্টরুম চালুর সিদ্ধান্ত নিই। পূর্বে এই রুমটা গেস্টরুম এবং জিমনেশিয়াম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রথম বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন ছাত্রের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়। তবে এটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে ওই রুমের শিক্ষার্থীরা আমাকে বললো, স্যার কয়েকজন আমাদের রুমে এসে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলেছে। আমি তাদের বলেছি, আমরা এ রকম একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু সেটা তোমাদের নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে, এভাবে না।’

পরে বিষয়টি সমাধান করতে উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসেছেন জানিয়ে ডা. আতিক মাহমুদ বলেন, ‘এখানে দুই পক্ষেরই বক্তব্য হচ্ছে, আমাদের মধ্যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটেছে। আমি জানতে চেয়েছি, এখানে কারা জড়িত? তারা বলছে, আমরা নিজেরাই বিষয়টি সমাধান করে ফেলব।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতিথিদের জন্য যে কক্ষ বরাদ্দ থাকবে, সেটি আমরা নির্দেশনা দেওয়ার পর কার্যকর হবে। এর আগে তা কার্যকর করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এ বিষয়ে আমরা বসব, শিক্ষকরা বসবেন। পরবর্তীতে নির্দেশনা জারি হলে তখন থেকেই অতিথিদের জন্য কক্ষ বরাদ্দ কার্যকর থাকবে।’

কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই রুমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা জায়গায় সিট বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান হোস্টেল সুপার।

তালা ভাঙার ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থার আশ্বাস

এই ঘটনায় বিশেষ কোনো সংগঠনের হাত আছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এসব বিষয়ে কিছু জানি না। রুমের তালা যারা ভেঙেছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর ওই রুমে থাকা শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে, তারা যেন তাদের সুবিধাজনক সময়ে বরাদ্দকৃত রুমে চলে যায়। গেস্টরুম চালুর বিষয়ে যেহেতু সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, এখান থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।’

জানতে চাইলে এই অভিযোগের মুখে থাকা অর্ণব সাহা মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমি এখন কথা বলতে চাচ্ছি না। আপনি হল সুপারের সঙ্গে এসে কথা বলেন। এটা তাঁর বিষয়, তিনি ঘোষণা দিবেন। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলেই হবে। এ নিয়ে আমি এখন কথা বলবো না, বললেও পরে বলবো।’

আপনারা তালা ভেঙে ফেলেছেন, এমন অভিযোগ সত্য কিনা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না এগুলো আমরা স্বীকার করছি না। আপনার সঙ্গে এ নিয়ে পরে কথা বলবো। আমি এখন ব্যস্ত আছি।’

এ ছাড়া অভিযোগের মুখে থাকা আরেক শিক্ষার্থী আবরারকে একাধিকবার চেষ্টা ফোনেও পাওয়া যায়নি। অন্য শিক্ষার্থী মৃণালের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। আরেকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

© মেডিভয়েস

ঢাকা ডেন্টাল কলেজের মিরপুর ছাত্রাবাসের একটি কক্ষ দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (১৩ মে) তালা ভে...
14/05/2026

ঢাকা ডেন্টাল কলেজের মিরপুর ছাত্রাবাসের একটি কক্ষ দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (১৩ মে) তালা ভেঙে কক্ষটিতে প্রবেশ করার পর সকালের মধ্যে রুম ছাড়তে হুমকি দিয়েছিলেন তারা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে পুনরায় কক্ষটি দখল নিতে গেলে অন্য শিক্ষার্থীরা বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে সহকারী হোস্টেল সুপারের হস্তক্ষেপে সাময়িক মীমাংসা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ঢাকা ডেন্টাল কলেজের মিরপুর ছাত্রাবাসের নিচতলার ১১৬ নম্বর কক্ষটি নিয়ে এই সংঘাতের সূত্রপাত। কক্ষটি মূলত অতিথি কক্ষ হিসেবে নির্ধারিত। তবে কোনো কোনো ব্যাচে ছাত্র সংখ্যা বেড়ে গেলে এই কক্ষেও আবাসন বরাদ্দ দেয়া হয়ে থাকে। কক্ষটিতে বর্তমানে তিনজন বাস করছেন।

ভুক্তভোগী তিনজন কলেজের ৬১ ব্যাচের (২০২৩-২৪ সেশন) শিক্ষার্থী। অপরদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—
৫৮তম ব্যাচের,
☞ আবরার জাওয়াদ,
☞ সানাউল্লাহ অনিক,
☞ মৃণাল কান্ত রায় ও
☞ অর্ণব সাহা।

তারা ৪জনই কলেজের সোবহানবাগ হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ঘোষিত কোনো কমিটি না থাকলেও অভিযুক্তদের ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা যায়। এ ছাড়া ঘটনার সময় তাদের সঙ্গে ৬১ ব্যাচের ব্যাচ মনিটরসহ আরও বেশ কয়েকজন অংশ নেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটা-তিনটার দিকে আবরার, মৃণাল ও অর্ণবসহ পাঁচ থেকে সাতজন মিরপুর হোস্টেলে আসেন। সে সময়ে ১১৬ নম্বর কক্ষটিতে কেউ ছিলেন না। তারা ৬১ ব্যাচের ব্যাচ মনিটরের মাধ্যমে ওই কক্ষের আবাসিক ছাত্রদের কল দেন। তাদের ৫ মিনিটের মধ্যে কক্ষে আসতে বলেন। তবে ভুক্তভোগীরা অপারগতা প্রকাশ করলে তালা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করেন। একইসঙ্গে মুঠোফোনে তাদের বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে কক্ষ ছাড়তে হুমকি দিয়ে যান।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে সহকারী হোস্টেল সুপার ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে বিষয়টি জানান শিক্ষার্থীরা। তারা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানিয়েছেন, সহকারী হোস্টেল সুপার বিষয়টি সমাধানে শনি অথবা রবিবার পর্যন্ত সময় চান। কিন্তু আজ দুপুর দুইটার দিকে আবারও হোস্টেলে আসেন অভিযুক্তরা। ওই কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থীদের জোর করে বের করে দিতে চাইলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী এগিয়ে এলে দুই পক্ষে হাতাহাতি শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী একজন শিক্ষার্থী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গতকালই তারা হুমকি দিয়ে গিয়েছিল ওই রুমের তিনজনকে। আজকে তারা একেবারে ইনটেনশন নিয়ে এসেছিল যে ওদেরকে বের করে দিবে। এ সময় একজন ছিল রুমে। ওকে সাত-আটজন মিলে মারতে গেছে। এ সময় একজন আটকাতে গেলে জুনিয়ররাও তার গায়ে হাত তুলেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি একটু শান্ত আছে। তবে যে কোনো সময় আবার খারাপ হতে পারে।

তিনি বলেন, মূলত তারা ওই রুম থেকে ওদেরকে বের করে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চাচ্ছে। সবাইকে একটু ডমিনেট করার চেষ্টা করছে। হল সুপার বা কলেজ প্রশাসনও দ্বিচারিতা করছে বলেও অভিযোগ করেন এই প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘটনার বিবরণ দিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী একজন ছাত্র দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গতকাল তারা রুমে এসে পাঁচ মিনিটের সময় দিয়ে ওই তিনজনে রুমে আসতে বলে। কিন্তু তারা আসতে না পারায় তালা ভেঙে রুমে ঢোকে। এরপর তাদের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো করে দিয়ে যায়। একইসাথে তাদেরকে রাতের মধ্যে রুম ছাড়তে হুমকি দেয়।

তিনি বলেন, হল সুপারের নির্দেশে রুমের তালা ভাঙা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন অভিযুক্তরা। কিন্তু এ ঘটনায় আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা হল সুপারকে ফোন দিয়ে পাননি। পরে সহকারী হল সুপারকে বিষয়টি জানালে তিনি সমাধানের জন্য শনিবার পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, অফিশিয়াল নির্দেশ না পেলে ওই তিন ছাত্রের রুম ছাড়ার দরকার নাই। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্তরা আবার দলবল নিয়ে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এই শিক্ষার্থী বলেন, মূলত অতিথিকক্ষে দুটি আলাদা রুম আছে। কোনো ব্যাচে বেশি ছাত্র ভর্তি হলে তখন গেস্টরুমেও সিট বরাদ্দ দেয়া হয়। আমাদের ব্যাচে ছাত্র একটু বেশি হওয়ায় হোস্টেল সুপার রুমে অ্যালটমেন্ট দিয়েছিলেন। পরে ব্যাচে লটারির মাধ্যমে ভুক্তভোগী তিনজন ওই রুম বরাদ্দ পান। এছাড়া অতিথিকক্ষের ভেতরেই পাশের রুমে আরও দুজন ছাত্র অবস্থান করেন। কিন্তু অভিযুক্তরা কেবল ওই কক্ষটিই দখল করতে চাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত অর্ণব কান্ত রায় ও মৃণাল সাহার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে। আবরার জাওয়াদ গাড়িতে থাকায় পরে কথা বলবেন বলে জানান। তবে পরবর্তীতে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে হোস্টেল সুপার ও সহকারী হোস্টেল সুপারের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুল আওয়াল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সকালে শিক্ষার্থীরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা বলছিল যে, স্যার এরকম এরকম, আমাদেরকে চলে যেতে বলেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম হল সুপার কী বলেছে, তারা বলল যে হল সুপার বলেছে শনিবার বা রবিবারে আমরা বসে ঠিক করে দেব। এখন পর্যন্ত এমনটিই হওয়ার কথা। আজকে কিছু হয়েছে কিনা— আমি জানি না। হোস্টেল সুপারের সঙ্গে কথা বলে দেখব।

© The Daily Campus

09/05/2026


মিম (Batch Not Mentioned**)

শুরুটা কীভাবে লিখবো জানি না। তোমার আর আমার প্রথম দেখা হয়েছিল ডিডিসির কোনো এক সিঁড়িতে (সম্ভবত হসপিটালের)। সেদিন তোমার মায়া জড়ানো চোখের প্রেমে পড়েছিলাম। একেবারে লাভ এট দ্যা ফার্স্ট সাইট। তারপর তো বহুবার ডিডিসির কালচারাল প্রোগ্রাম, ডিবেটের প্রোগ্রামে দেখা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের অভাব আর ব্যর্থতার বেড়াজালে আবদ্ধ এ জীবনে বলা আর হয়ে উঠেনি তোমার প্রতি জন্মানো তীব্র ভালোবাসার কথা । তোমার ড্রেস সেন্স,চেহারার মাধুর্যতা শুধু আমাকে নয় যে কাউকেই মুগ্ধ করারই কথা। আমি সত্যিই তোমাকে পাওয়ার জন্য বড্ড ব্যাকুল। প্রথম দেখা হওয়ার প্রায় ১ বছর পর আজ মৃদু শীতল সন্ধ্যায় গরম গরম চা খেতে আমি এই লেখাটি লিখেছি।আমি জানিনা আমার এই লিখা তোমার হৃদয় ছুয়ে যাবে কিনা। শুধু এটুকুই বলব তোমাকে দেখার পর থেকে অনুভূতিই বাড়ছে শুধু,সেটার রেশ কখনো কমবেও বলে মনে হয় না।

অনেক অনেক ভালোবাসি তোমাকে, প্রিয় 😊।
সুখে থেকো,ভালো থেকো🫠।

08/05/2026


Afia Anjum Chowa(D-59)

প্রিয়, অনেকদিন ধরে একটা কথা মনে লুকিয়ে ছিল, কিন্তু কখনো বলা হয়নি। আজ ভাবলাম, না বললে হয়তো কথাটা অপূর্ণই থেকে যাবে। একই ক্লাসে তোমাকে যতবার দেখেছি, ততবারই মনে হয়েছে তুমি সত্যিই খুব সুন্দর একজন মানুষ। শুধু তোমার চেহারায় না, তোমার হাসিতে, কথায়, ব্যবহারেও একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। তোমার কথা বলার ধরনটা খুব মিষ্টি, আর তোমার শান্ত স্বভাবটা সত্যিই অনেক ভালো লাগে। আর তোমার হাসি... সেটা তো আলাদা করেই বলার মতো। তুমি যখন হাসো, তোমার গালে যে টোল পড়ে, সেটা এত সুন্দর লাগে যে চোখ সরানো কঠিন হয়ে যায়। তোমার হাসি দেখলে অকারণেই মন ভালো হয়ে যায়। হয়তো এসব কথা তোমাকে আগে বলা হয়নি, কিন্তু সত্যিটা হলো—অনেকদিন ধরেই তোমাকে আমার খুব ভালো লাগে। তাই আজ সাহস করে মনের কথাটা বলে দিলাম।
পরিশেষে আরও একবার বলতে চাই— "টোল পড়া ওই হাসি, আমি খুব ভালোবাসি।"

ইতি,
তোমার পরিচিত একজন।

27/04/2026


Yusha Adham (D-56)

প্রিয় ইউশা, অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি, তোমার কথা আমি অন্যভাবে ভাবি। এটা খুব বড় কিছু না, নাটকীয়ও না। শুধু তোমার সাথে কথা বললে ভালো লাগে।শুধু তোমার কথাই ভাবি। আমি কোনো প্রত্যাশা নিয়ে বলছি না, শুধু তোমায় জানাতে চাই যে, দূর থেকে তোমারে দেখেছি, আর মুগ্ধ এ চোখে চেয়ে থেকেছি। ইন্টার্নশিপ শেষ হলে কি ডিডিসি তে আর আসবে না?? আর একটা জিনিস জানতে চাই, তোমার কি কেউ আছে? নিরিবিলিতে কার সাথে এতো কথা বলো? যাই হোক, এইটুকুই। কথাটা বলা দরকার ছিল, তাই বলে ফেললাম।

ইতি,

Address

14
Mirpur
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DDC Crushes and Confessions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DDC Crushes and Confessions:

Share

Category