Fish Farming World

Fish Farming World মাছ চাষ।

07/11/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
মাছের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ইং শা আল্লাহ।
যোগাযোগ :- 01622-398990

28/10/2025

Say Mah Sha Allah 🤍

21/10/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।১ মাস বয়সী অরজিনাল টাইগার, মিশরী ফাউমি,লেয়ার সহ সাদা কক পাবেন ইং শা আল্লাহ।৩ টা ভ্যাকসি...
19/10/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
১ মাস বয়সী অরজিনাল টাইগার, মিশরী ফাউমি,লেয়ার সহ সাদা কক পাবেন ইং শা আল্লাহ।
৩ টা ভ্যাকসিন ✅
বিস্তারিত জানতে
WhatsApp :- 01622-398990

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।আমাদের কাছে পাবেন ৫০-৬০ লাইনের অরজিনাল থাই পাঙ্গাশ মাছ, আরো পাবেন অরজিনাল টাইগার ও ফাউম...
16/10/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আমাদের কাছে পাবেন ৫০-৬০ লাইনের অরজিনাল থাই পাঙ্গাশ মাছ, আরো পাবেন অরজিনাল টাইগার ও ফাউমি মুরগী বয়স ২৫ দিন।
যাদের লাগবে দ্রুত ইনবক্স করুন।

পিক ফর অ্যাটেনশন 🤡

09/10/2025

মাশা আল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ
চোখ জুড়িয়ে যায় 🤍🤍 আলহামদুলিল্লাহ

07/10/2025

আলহামদুলিল্লাহ

28/09/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের পুকুরের জন্য ৬ হাজার থাই পাঙ্গাশ আনা হইছে।সব কিছু অল্প থেকে শুরু করতেছি সবাই দু'আ করবেন ইং শা আল্লাহ। মাছ গুলোর সাইজ কালার কোয়ালিটি মাশা আল্লাহ 🤍 ইং শা আল্লাহ ভালো কিছুর অপেক্ষায়

25/09/2025

পুকুর শুকানো ও পুনরায় প্রস্তুত: সফল মাছ চাষের প্রথম ধাপ

মাছ চাষের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করে পুকুর কতটা ভালোভাবে প্রস্তুত করা হলো তার উপর। অনেক সময় মাছ চাষিরা শুধু পুকুরে জল ভর্তি করে মাছ ছাড়লেই ফল পাবেন বলে মনে করেন। কিন্তু আসল কথা হলো, পুকুরকে সঠিকভাবে শুকানো ও পুনরায় প্রস্তুত না করলে উৎপাদন কমে যায়, রোগবালাই বাড়ে এবং মাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। তাই ধাপে ধাপে সঠিকভাবে কাজ করলে মাছ চাষ হবে আরও লাভজনক।

১. পুরনো মাছ ধরা ও পুকুর শুকানো

চাষ শেষ হলে প্রথমেই পুকুরে থাকা সব পুরনো মাছ ধরে ফেলতে হবে। তারপর যতটা সম্ভব পুকুর শুকিয়ে নিতে হবে। পুকুর সম্পূর্ণ শুকানো সম্ভব হলে ভালো, না হলে অন্তত কাদার উপর ফাটল ধরার মতো করে শুকাতে হবে। এতে ক্ষতিকর জীবাণু, শত্রু মাছ ও রোগের জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়।

২. কাদা ও আগাছা পরিষ্কার করা

শুকানোর পর পুকুরের তলায় জমে থাকা অতিরিক্ত কাদা ও আগাছা সরাতে হবে। পুকুরের তলায় খুব বেশি কাদা থাকলে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয় এবং মাছের জন্য ক্ষতিকর গ্যাস তৈরি হয়। তাই প্রয়োজনীয় পরিমাণ কাদা রেখে বাকি অংশ অপসারণ করাই ভালো।

৩. চুন প্রয়োগ

পুকুর শুকানোর পর প্রতি শতকে ১-১.৫ কেজি হারে চুন ছিটাতে হবে। চুন ব্যবহারে পুকুরের মাটি জীবাণুমুক্ত হয়, অম্লত্ব কমে এবং মাছের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়।

৪. পুকুরে জল ভর্তি করা

চুন প্রয়োগের পর ধীরে ধীরে পুকুরে জল ভর্তি করতে হবে। সরাসরি বেশি জল ঢেলে দেওয়া উচিত নয়, এতে চুনের প্রভাব কমে যায়। ধীরে ধীরে জল বাড়ালে পুকুরের প্রাকৃতিক খাদ্য যেমন প্ল্যাংকটন তৈরি হতে শুরু করে, যা ছোট মাছের জন্য আদর্শ খাবার।

৫. সার প্রয়োগ ও প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি

পুকুরে জল ভরার পর প্রতি শতকে ২-৩ কেজি গোবর এবং সামান্য ইউরিয়া ও টিএসপি সার প্রয়োগ করা যায়। এতে প্রাকৃতিক খাদ্য দ্রুত গড়ে ওঠে। জলে সবুজ আভা দেখা দিলে বুঝতে হবে মাছ ছাড়ার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

৬. মাছ ছাড়ার প্রস্তুতি

সবশেষে, জল ও পরিবেশ ঠিক আছে কি না তা দেখে মাছ ছাড়তে হবে। সাধারণত ৭-১০ দিন পর পুকুরে মাছ ছাড়ার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়।

সারাংশ:
পুকুর শুকানো ও পুনরায় প্রস্তুতকরণ হলো সফল মাছ চাষের মূল চাবিকাঠি। এটি করলে মাছ রোগমুক্ত থাকবে, দ্রুত বাড়বে এবং উৎপাদনও অনেক বেশি হবে। তাই প্রতিবার মাছ চাষের আগে পুকুরকে সঠিকভাবে শুকিয়ে পুনরায় প্রস্তুত করা উচিত।

একক পাংগাস চাষে ঘনত্ব কত হওয়া উচিতপাংগাস মাছ (Pangasius) ইন্ডিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে একটি জনপ্রিয় মাছ। এককভাবে পাংগাস চাষ...
22/09/2025

একক পাংগাস চাষে ঘনত্ব কত হওয়া উচিত

পাংগাস মাছ (Pangasius) ইন্ডিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে একটি জনপ্রিয় মাছ। এককভাবে পাংগাস চাষ করলে উৎপাদন বেশি হয়, তবে সফল হতে হলে সঠিক ঘনত্ব বজায় রাখা জরুরি। অতিরিক্ত ঘনত্বে পোনা ছাড়া হলে অক্সিজেন ঘাটতি, খাদ্য প্রতিযোগিতা ও রোগের ঝুঁকি বাড়ে। আবার ঘনত্ব কম হলে পুকুরের উৎপাদন ক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায় না। তাই সঠিক ঘনত্ব নির্ধারণ করাই লাভজনক চাষের মূল চাবিকাঠি।

১. ঘনত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়

পুকুরের আকার ও গভীরতা: গভীরতা যত বেশি হবে, ঘনত্বও তত বাড়ানো যায়।

জলের মান: দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO), pH, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি সঠিক রাখতে পারলে ঘনত্ব বাড়ানো সম্ভব।

খাদ্যের ব্যবস্থা: প্রাকৃতিক খাদ্যের প্রাপ্যতা কম হলে কৃত্রিম খাদ্য নিয়মিত সরবরাহ করতে হবে।

পরিচর্যা ও প্রযুক্তি: আধুনিক পদ্ধতি, যেমন এয়ারেটর ব্যবহার, জল পরিবর্তন, চুন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহার করলে উচ্চ ঘনত্বে চাষ সম্ভব।

২. একক পাংগাস চাষে সাধারণ ঘনত্বের মান

প্রচলিত পদ্ধতি:
প্রতি শতকে (৪০ বর্গমিটার) ৫০–৬০ টি পোনা মজুত করা যায়।

আধা নিবিড় পদ্ধতি:
প্রতি শতকে ৮০–১০০ টি পোনা মজুত করা যায়।

নিবিড় বা বাণিজ্যিক পদ্ধতি:
প্রতি শতকে ১২০–১৫০ টি পোনা পর্যন্ত মজুত করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে এয়ারেটর ব্যবহার, নিয়মিত জল বিনিময় এবং মানসম্মত খাদ্য দেওয়া জরুরি।

৩. ঘনত্ব ও সম্ভাব্য উৎপাদন (প্রতি বিঘা হিসেবে, ১ বিঘা = ৩৩ শতক ধরা হয়েছে)

চাষ পদ্ধতি ঘনত্ব (প্রতি শতক) প্রতি বিঘা মোট পোনা অনুমানিত উৎপাদন (টন/বিঘা)

প্রচলিত ৫০–৬০ ১,৬৫০ – ১,৯৮০ ১.৬৮ – ২.০২ টন
আধা নিবিড় ৮০–১০০ ২,৬৪০ – ৩,৩০০ ২.৫৩ – ৩.১৭ টন
নিবিড় ১২০–১৫০ ৩,৯৬০ – ৪,৯৫০ ৩.০৫ – ৩.৮১ টন

৪. অতিরিক্ত পরামর্শ

1. পুকুরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ও বাতাস চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

2. মাছ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতি মাসে অন্তত একবার জলের মান পরীক্ষা করা উচিত।

3. জলে দ্রবীভূত অক্সিজেন সব সময় ৪–৫ মি.গ্রা./লিটার এর উপরে রাখতে হবে।

4. মাছের আকার অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়াতে হবে।

✅ সংক্ষেপে:
ইন্ডিয়ায় একক পাংগাস চাষের জন্য প্রতি শতকে ৮০–১০০ টি পোনা মজুত করাই সবচেয়ে উপযুক্ত। এতে ঝুঁকি কম থাকে, খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং উৎপাদনও লাভজনক হয়।

01/09/2025

চিটাগুড় (মোলাসেস বা আখের গুড়ের তরল অংশ) মাছ চাষে একটি উপকারী উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত প্রোবায়োটিক ও উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাবার হিসেবে কাজ করে এবং পানির মান উন্নত করতে সহায়তা করে।

✅ মাছ চাষে চিটাগুড়ের কাজ

1. প্রোবায়োটিক সক্রিয় করে – পুকুরে ব্যবহৃত প্রোবায়োটিক (উপকারী ব্যাকটেরিয়া) দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে চিটাগুড় শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।

2. জৈব পদার্থ ভাঙতে সাহায্য করে – পানিতে থাকা বর্জ্য, খাবারের অবশিষ্টাংশ ও জৈব পদার্থ ভেঙে দেয়, ফলে পানির গুণগত মান ভালো থাকে।

3. অক্সিজেনের ভারসাম্য রাখে – পানি অতিরিক্ত দূষিত হতে দেয় না, ফলে দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

4. শৈবাল ও প্রাকৃতিক খাবার বাড়ায় – গুড় পানিতে দিলে শৈবাল ও প্রাকৃতিক প্ল্যাঙ্কটন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, যা মাছের জন্য অতিরিক্ত খাবারের উৎস হয়।

5. রোগ প্রতিরোধে সহায়ক – উপকারী ব্যাকটেরিয়ার আধিক্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দমন হয়, ফলে মাছের রোগ কম হয়।

✅ পুকুরে চিটাগুড় ব্যবহারের নিয়ম

সাধারণত প্রতি একর পানিতে ১–২ কেজি চিটাগুড় ব্যবহার করা হয়।

চিটাগুড় সরাসরি না দিয়ে পানি মিশিয়ে গোলা করে দিতে হয়।

প্রোবায়োটিকের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। যেমন:

১ কেজি চিটাগুড় + ১ কেজি চালের ভূষি + নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রোবায়োটিক পানিতে ভিজিয়ে রেখে ১২–২৪ ঘণ্টা পর পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হয়।

সপ্তাহে ১ বার নিয়মিত ব্যবহার করা উত্তম।

বৃষ্টির পরে বা পানির রঙ ফ্যাকাশে হলে ব্যবহার করা বিশেষভাবে কার্যকর।

👉 সহজভাবে বললে, চিটাগুড় সরাসরি মাছকে না খাইয়ে পুকুরের পানির পরিবেশ ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং মাছের জন্য প্রাকৃতিক খাবার তৈরি করে।

© Fish Info

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।কিছু থাই পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি করা হব৷ কেজিতে ১২-১৫ টা।লোকেশন এছাক ড্রাইবার হাট,বামুন সুন্...
31/08/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

কিছু থাই পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি করা হব৷ কেজিতে ১২-১৫ টা।
লোকেশন এছাক ড্রাইবার হাট,বামুন সুন্দর, মিরসরাই চট্টগ্রাম।
যোগাযোগ : 01622398990

Address

Mirsarai

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fish Farming World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share