Joybangla Television

Joybangla Television Joybangla Television is a Television Channel. We will share more details about us soon. Please stay

15/04/2022

মনের মধ্যে জমে থাকা বিষণ্ণতার মেঘ সরিয়ে দিলো ওদের এই সাইকেলযাত্রায় নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তা।
*
নড়াইলের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। সেখানকার সদর উপজেলায় শেখহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেই বিদ্যালয়ে সাড়ে তিন শতাধিকের বেশি শিক্ষার্থী যার মধ্যে তিনশত(৩০০) মেয়ে শিক্ষার্থী সাইকেল চালিয়ে ১১টি গ্রাম ঘুরে ঘুরে পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা করে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন।

সকলের জানার সুবিধার্থে উল্লেখ করছি এই মেয়েরা নববর্ষের প্রস্তুতির জন্য ফেস্টুন প্ল্যাকার্ড আলপনা এবং প্রয়োজনীয় সবকিছুই করেছেন, আনন্দ উপভোগ করেছেন। নূতনের আগমনের সাথে নিজেদের এই সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে জানান দিয়েছেন বাঙালির সংস্কৃতি বাঙালির নিজস্বতা।

বাঙালির সাহসিকতার বিষয়ে যাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই তারাই আপনারা ধর্মের নাম দিয়ে কখনো সংস্কৃতিকে কখনো নারীকে আঘাত করতে উঠেপড়ে লাগেন। যত আঘাত করতে প্রস্তুতি নিবেন তত সাহস নতুনরূপে জেগে উঠবে। সকল অন্ধত্বের ব্যবসায়িক রাজনীতির মুখে ছাই!

শুভ নববর্ষ ১৪২৯🌸🌿

ভিডিওটি নড়াইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোনো এক মেয়ে শিক্ষার্থীর করা, মেয়ে আপনাকে নূতনের উদ্যমী ভালোবাসা💗

লেখা ও ভিডিও কৃতজ্ঞতা : রুমকী রুসা

শুভ জন্মদিন শিল্পাচার্যজী ব ন  তা প স  ত ন্ম য়আজ বাংলাদেশের চিত্রশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১০৭ তম...
29/12/2021

শুভ জন্মদিন শিল্পাচার্য
জী ব ন তা প স ত ন্ম য়

আজ বাংলাদেশের চিত্রশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১০৭ তম জয়ন্তী। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমায় জন্মগ্রহণ করেন।বাবা তমিজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন পুলিশের দারোগা (সাব-ইন্সপেক্টর), মা জয়নাবুন্নেছা গৃহিনী। নয় ভাইবোনের মধ্যে জয়নুল আবেদিন ছিলেন সবার বড়। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি জাহানারা আবেদিনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন।

ছোটবেলা থেকেই তিনি ছবি আঁকতে পছন্দ করতেন। চোখের সামনে যা দেখতেন আঁকতে সচেষ্ট হতেন। শুধু ছবি আঁকার প্রতি এতো বেশি মনোযোগী ছিলেন যে, স্বাভাবিক একাডেমি পাঠাভ্যাসে মনোনিবেশ করতে পারেননি।এমনকি ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক (ম্যাট্রিক) পরীক্ষার আগেই স্কুলের পড়ালেখা বাদ দিয়ে কলকাতায় চলে যান এবং গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন। তাঁর মা জয়নুল আবেদিনের আগ্রহ দেখে নিজের গলার হার বিক্রি করে ছেলেকে কলকাতার তখনকার আর্ট স্কুলে ভর্তি হতে সাহায্য করেন। জয়নুল আবেদিন ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলে পড়েন। ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টসের ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে পুরান ঢাকার জনসন রোডের ন্যাশনাল মেডিকেল স্কুলের একটি জীর্ণ কক্ষে গভর্নমেন্ট আর্ট ইন্সটিটিউট স্থাপিত হয়। সূচনায় এর ছাত্র সংখ্যা ছিল মাত্র ১৮। জয়নুল আবেদিন ছিলেন এ প্রতিষ্ঠানের প্রথম শিক্ষক। ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে এই আর্ট ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচার একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে আর্ট ইন্সটিটিউটটি শাহবাগে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে এটি একটি প্রথম শ্রেণির সরকারি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং এর নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পর একই প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়’। তিনি ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই মহিরুহ প্রতিষ্ঠানটি আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট (ফাইন আর্টস) উন্নীত হয়েছে। সারাদেশে এর আদলে চারু ও কারুকলা প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। জয়নুল ছিলেন এর পথিকৃৎ। এইসব চারু ও কারুকলা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পথিকৃৎ হিসেবে নমস্য।

এদেশে চিত্রশিল্প বিষয়ক শিক্ষার প্রসারে আমৃত্যু প্রচেষ্টার জন্য জয়নুল আবেদিন শিল্পাচার্য অভিধা লাভ করেন।১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য জয়নুল আবেদিন বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে- নৌকা, সংগ্রাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাডোনা প্রভৃ‌তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।তাঁর দীর্ঘ দু’টি স্ক্রল ‘নবান্ন’ এবং ‘মনপুরা-৭০’ জননন্দিত দু’টি শিল্পকর্ম।বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংগৃহীত তাঁর শিল্পকর্মের সংখ্যা ৮০৭।অন্যান্য সংগ্রশালায় আরও পাঁচ শতাধিক চিত্রকর্ম সুরক্ষিত আছে।

এই বিশ্বনন্দিত কিংবদন্তি বাঙালি চিত্রশিল্পী ২৮ মে ১৯৭৬ সালে ৬১ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন।তাঁর কর্মে তিনি বেঁচে থাকবেন অযুতকাল!..................................................
ছবি ও তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

ধৃ ধাতু থেকে উৎপত্তি। ধর্ম। ধর্ম মানে ধারণ করা। জগতের সব ধর্মই নৈতিক-মানবিক শিক্ষা দেয়। কোন ধর্মই খারাপ নয়। মন্দ নয়। শান...
25/12/2021

ধৃ ধাতু থেকে উৎপত্তি। ধর্ম। ধর্ম মানে ধারণ করা। জগতের সব ধর্মই নৈতিক-মানবিক শিক্ষা দেয়। কোন ধর্মই খারাপ নয়। মন্দ নয়।

শান্ত-সুন্দর মনোভাবাপন্ন হয় খৃস্ট ধর্মের ধারক। কোন কুসংস্কার কোন জঙ্গিপনা কোন নেতিবাচকতা নেই খৃষ্টীয় সম্প্রদায়ে। তারাই আচারে-সংস্কারে জানান দেয়, ধর্ম হচ্ছে শান্তির।

প্রকৃত ধার্মিক কখনওই নেতিবাচক আচারশীল হয় না। নিরবে-নিভৃতে পালন করে ধর্মাচার। নিজের। অন্য ধর্মকে কটাক্ষপাত না করে আপন মনে-মননে নিজের ধর্ম পালন করা হোক।

ধর্ম যার যার, উৎসব সবার হোক। শুভ বড়দিন!

রাতে বাসায় ফিরি। কাজ শেষে। ক্ষুধা লাগে। বাইরে খেয়ে নিই। আজ খেতে যাই। ধানমণ্ডি। হারফিতে। বরাবরের মতোই। হারফিতে ঢুকতে যাব।...
10/11/2021

রাতে বাসায় ফিরি। কাজ শেষে। ক্ষুধা লাগে। বাইরে খেয়ে নিই। আজ খেতে যাই। ধানমণ্ডি। হারফিতে। বরাবরের মতোই। হারফিতে ঢুকতে যাব। হঠাৎ পথ আটকে দাঁড়ায় একটা ছেলে। পাঞ্জাবি পা'জামা ও টুপি পরা। মাদ্রাসায় পড়ে। বলল, স্যার আমি একটা আইসক্রিম খেতে চাই। সাহায্য করেন। তাড়াহুড়ো করে ঢুকে যাই। রীতিমতো কানে তুলিনি কথাটা। যথারীতি অর্ডার করি। ক্যাশিয়ার জাওয়াদ সাহেব আমাকে অভ্যর্থনা জানান। বেশ ভদ্র শিক্ষিত মার্জিত ও আন্তরিক ছেলে। স্মার্ট। তার ব্যবহার খুবই আন্তরিক। থিয়েটার করেছে। মঞ্চে নাটকে কাজ করেছে। পরিচালনা শিক্ষণেও একটা সময় খরচ করেছে। তো জাওয়াদের কাছে অর্ডার করে আমি একটা টেবিলে এসে বসি। কিছুক্ষণ অপেক্ষা শেষে খাবার চলে আসে। খেতে প্রস্তুতি নিই। হঠাৎ মাথায় কাজ করে, ছেলেটির কথা। স্যার, আমি একটা আইসক্রিম খাইতে চাই। সাহায্য করেন! তখনই হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে যাই৷ টেবিলে খাবার রেখেই। দরোজার কাছে দারোয়ানকে শুধু বলি, টেবিলে ব্যাগ আর খাবার রাখা। আমি একটু আসছি। দেইখেন। যদিও আমি যে টেবিলে বসি, যারা কাজ করেন হারফিতে, সবাই জানে। ব্যাগট্যাগ রেখেই ওয়াশরুমে যাই। ওরা খেয়াল রাখে।

বাইরে এসে ছেলেটিকে দেখছি না! খুব খারাপ লাগছে! হঠাৎ দূরে চোখ পড়লো। সেই ছেলেটির মতন। মহিলাকে নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে। মহিলার কোলে একটা বাচ্চা। কাছে যাই। ছেলেটির পোষাক মনে আছে। চেহেরাটা মনে নেই। খেয়াল করিনি। সামনে গিয়ে দাঁড়াই। ইতস্তত করি। যদি সেই ছেলেটা না হয়। তাহলে অসম্মান বোধ করবেন। আমারও শঙ্কা হচ্ছে। মহিলাটা তখনই বলল, 'স্যার আমার ছেলেটা একটা আইসক্রিম খাইতে চাইসে। একটু সাহায্য করবে? ভিতরে যাইতে পারিনি। দারোয়ান যাইতে দেয় না।' আমি তৎক্ষনাৎ ছেলেটাকে নিয়া হারফিতে ঢুকি। দারোয়ান হা করে তাকায়ে আছে। বললাম, ও আমার সাথে এসেছে। একবার আমার দিকে তাকায়। মনে হয় বিশ্বাস হচ্ছে না। তবে কিছু বলেনি। আমি জাওয়াদ সাহেবকে বললাম, ছেলেটাকে একটা আইসক্রিম দেন। জাওয়াদ সাবকে টাকা দিয়ে ছেলেটাকে লাইনে দাঁড় করিয়ে আমি টেবিলে গিয়ে বসি। ছেলেটা আইসক্রিম নিলো। কথা বললাম। মাদ্রাসায় পড়ে। মা ই কষ্ট করে পড়ায়। বাবা আরেকটা বিয়ে করেছে। খোঁজ নেয় না। আমি ফোন নম্বরটা দিয়ে বললাম, যখন দরকার হয়, ফোন দিও। আর কিছু টাকা দিলাম। বললাম, অন্য কিছু খাবে কী না। না করলো। পরে বললাম অন্য কিছু কিনে খেও। এরই মাঝে ছেলেটা চলে যাবে। আরেকজন ভদ্রলোক তাকে একটা আইসক্রিম দিলেন। সপরিবারে এসেছেন খেতে। হারফিতে। রাত ১২:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে৷ কখনও আরও বেশি। তখনও বেশ ভিড় থাকে। এই ভদ্রলোক যখন ছেলেটাকে আইসক্রিম কিনে দিলো, আমার কী যে ভালো লাগছিল! ইচ্ছে হচ্ছিল ভদ্রলোককে গিয়ে জড়িয়ে ধরি। ধন্যবাদ জানাই। ইচ্ছে থাকলেও সবসময় তা পুরণ হয় না। ছেলেটা দুটো আইসক্রিম নিয়ে খুশিতে চলে যাচ্ছে। আমার খুব ভালো লাগছে। পরম।তৃপ্তি নিয়ে আমি খাবার খেলাম। রিজিকের মালিক আল্লাহ। মানুষ উসিলা মাত্র। স্বপ্ন দেখি সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য কিছু করব। একটা অনাথ শিশু ও বৃদ্ধাশ্রম করার স্বপ্ন দেখি। আমার মা যেভাবে এখনও খাওয়ার সময় কাজের বুয়াকে না দিয়ে খান না। রাস্তায় বেরুলে ভিখারি দেখলে গল্প করেন এগিয়ে গিয়ে। সাহায্য করেন। মা যেন এই স্বপ্নটা জীবদ্দশায় দেখতে পান। এই জীবনে যেন মহতি এই কাজটা করার সুযোগ পাই। আল্লা'র কাছে প্রার্থনা।

©- জীবন তাপস তন্ময়

23/04/2021

বই এমন এক বন্ধু, যে প্রতারণা করে না। ছলনা করে না। চাহিদা পুরণ শর্তে ভালোবাসা বিনিয়োগ করে না। বই মস্তিষ্ক স্বচ্ছ রাখে আর জীবনের টানাপোড়েনে স্বস্তি সঞ্চারিত করে। বইবন্ধু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ঐশ্বর্যমণ্ডিত হয়। বই বন্ধুতায় কেউ হতাশ হয় না। শান্তি ও সুস্থতা নিশ্চিত হয় বই পড়ে। জ্ঞান প্রজ্ঞা মেধা বুদ্ধিমত্তা সৃজনশীলতা ও মুক্তির আস্বাদ তৈরি হয় বইবন্ধুতায়।

বিশ্ব বই দিবসের শুভেচ্ছা 📖🪔

Send a message to learn more

আমার অ্যাপার্টমেন্টে যখন ১৭ জন সহযোগী নিয়ে যাত্রা শুরু করলাম, আমাদের লক্ষ্য ছিল অনেক বড়। বলেছিলাম, আমরা পৃথিবীর সেরা ১০ট...
04/04/2021

আমার অ্যাপার্টমেন্টে যখন ১৭ জন সহযোগী নিয়ে যাত্রা শুরু করলাম, আমাদের লক্ষ্য ছিল অনেক বড়। বলেছিলাম, আমরা পৃথিবীর সেরা ১০টা ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বা ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্যতম হব। বলেছিলাম, আমাদের প্রতিষ্ঠান অন্তত ১০২ বছর টিকবে। অথচ তখনো জানতাম না, পরের মাসের বেতন কোথা থেকে দেব। চোখে স্বপ্ন থাকলে নিজেকে কখনো দরিদ্র মনে হয় না। আমরা বলিনি, কাল আমরা জিতব। বলিনি আগামী বছরের মধ্যে আমরা সফল হব। বলেছিলাম, আগামী ২০ বছরের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাব। আলিবাবা প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পেরিয়েছে। হ্যাঁ, এখন আমরা বিশ্বের সেরা ১০টি ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি। ১৯ বছর আগে কেউ ভাবতেও পারেনি, চীনের একটা প্রতিষ্ঠান বিশ্বের সেরা ১০ প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের একটি হতে পারে। আপনারা যদি স্বপ্ন না দেখেন, কাজ শুরু না করেন, তাহলে কখনোই এটা সম্ভব হবে না।

~ জ্যাক মা
বিশ্বখ্যাত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা

© সংগৃহীত

নিজে স্কুলের গণ্ডিও পার হননি৷ অথচ পড়ান কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের৷ জ্ঞান যে প্রথাগত শিক্ষার ধার ধারে না, তার জলজ্যান...
15/01/2021

নিজে স্কুলের গণ্ডিও পার হননি৷ অথচ পড়ান কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের৷ জ্ঞান যে প্রথাগত শিক্ষার ধার ধারে না, তার জলজ্যান্ত উদাহরণ তিনি৷ কেউ বলেন পুঁথিদাদু৷ কেউ বলেন চলমান এনসাইক্লোপিডিয়া৷ নিন্দুকে তো বইপাগলও বলে৷ গুরুচরণ গড়াই বললে অবশ্য ৭৭ বছরের এই বৃদ্ধকে চিনতে পারবেন না প্রায় কেউই৷ পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার বুড়দা গ্রামের এই মানুষটাকে পুঁথিদাদু নামে এক ডাকে চেনেন ব্লকের প্রায় সকলেই৷ চিনবে না-ই বা কেন? সাহিত্য হোক বা ব্যাকরণ, দর্শন হোক অথবা সাধারণ জ্ঞান - পড়ুয়াদের মুশকিল আসান পুঁথিদাদু ও তাঁর গ্রন্থাগার৷

পেশায় কৃষক পুঁথিদাদুর কাছে পড়তে আসেন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ছাত্রছাত্রীরা৷ এহেন মানুষটির পড়াশোনা কিন্তু সপ্তম শ্রেণি অবধি৷ ছাত্রছাত্রীদের অনায়াস দক্ষতায় যখন সাহায্য করেন, তখন কে বলবে প্রথাগত ডিগ্রি নেই তাঁর? সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন ‘চৈতন্য গ্রন্থাগার’৷ বইয়ের সংখ্যা এক হাজারেরও বেশি৷ সেখানে গেলেই বই পড়তে পাওয়া যায় সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে৷ পড়াশোনায় সাহায্যের জন্য পুঁথিদাদু প্রস্ত্তত সবসময়৷ কোন বইয়ের কোন পাতায় কী লেখা রয়েছে, সবই নখদর্পণে তাঁর৷ টিউশনের পয়সা পুরোটাই প্রায় খরচ হয়ে যায় গ্রন্থাগারের পিছনে৷ নিজেই জানালেন ছোটবেলার কথা৷ মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবা মারা গিয়েছিলেন৷ সংগ্রামের সেই শুরু৷ কিন্তু ভাঁটা পড়েনি বইপ্রীতিতে৷ অভাবে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়৷ চেয়েচিন্তে বই আনতেন গুরুচরণ৷ মা ফুটিবালা নিরক্ষর হলেও বইয়ের কদর জানতেন৷ হতদরিদ্র পরিবারে ধান বিক্রির টাকায় ৷
কেনা হত বই৷ স্কুলে যাওয়া বন্ধ হওয়ার বছর তিনেক পর ১৯৫৩ সালে নিজের বাড়িতে গ্রন্থাগার গড়ে তোলেন গুরুচরণ৷ নাম দেন চৈতন্য গ্রন্থাগার৷ চাষের কাজের পাশাপাশি চলতে থাকে বই সংগ্রহের কাজ৷ সেই সঙ্গে পড়াশোনা৷ একটু স্বাচ্ছন্দ্যের আশায় ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে শুরু করেন৷ লোকমুখে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি৷ এখানেই শেষ নয়, সাহিত্যচর্চাও করেন গুরুচরণ৷ ‘কোরক’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে তাঁর৷ গুরুচরণের দুই ছেলেও চাষবাস করেই সংসার চালান৷ সংসারে টানাটানি থাকলে কি হবে, বাবাকে উত্‍সাহ জোগান তাঁরা৷ পুঁথিদাদুর বড় ছেলে শিবরাম গড়াই জানালেন, যতই দারিদ্র থাকুক, বাবাকে বাধা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই৷ একমুখ খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি৷ পরনে আধময়লা সাদা ধুতি৷ নিতান্তই সাধারণ চেহারার মানুষটা যে এমন অসাধারণ সাধনায় মেতে রয়েছেন , তা নিয়ে গর্বিত প্রতিবেশীরাও৷ বুড়দা গ্রামের বাসিন্দা প্রাক্তন বিধায়ক তথা ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য কমিটির সদস্য নিশিকান্ত মেহেতা বলেন, ‘পুঁথিদাদু ও তাঁর লাইব্রেরি না থাকলে এলাকায় এত দ্রুত শিক্ষার প্রসার ঘটত না৷ এখানে এমন কেউ নেই, যিনি পড়াশোনায় পুঁথিদাদুর সাহায্য নেননি৷

✍️ সংগৃহীত

আংটির ভেতর দিয়ে গলে গেল আস্ত একটি শাড়ি! ঢাকাই মসলিন ফিরিয়ে আনলেন বাংলাদেশের গবেষক-এক্সপার্টরা, এর চেয়ে আনন্দের দৃশ্য আর ...
12/01/2021

আংটির ভেতর দিয়ে গলে গেল আস্ত একটি শাড়ি! ঢাকাই মসলিন ফিরিয়ে আনলেন বাংলাদেশের গবেষক-এক্সপার্টরা, এর চেয়ে আনন্দের দৃশ্য আর কী হতে পারে!

পুরো গল্পটিই রুদ্ধশ্বাস দুর্দান্ত। ঢাকাই মসলিনের তুলাগাছ ঠিক কোনটা, কোথায় সেই গাছের বীজ পাওয়া যাবে, কীভাবে তুলা থেকে সুতা হবে, সেই সুতা কীভাবে বুনতে হবে, সেই স্কিল কাদের আছে, কোনরকম তথ্যই শুরুতে ছিল না! এক্সপার্টরা ঘাঁটাঘাঁটি করে একটি স্কেচ তৈরি করলেন তুলাগাছ দেখতে কীরকম, সেই স্কেচ প্রচার করা হল, যদি বন্য অবস্থায় হলেও তুলাগাছটি খুঁজে পাওয়া যায়! কাপাসিয়ায় এক ভদ্রলোক জানালেন এরকম গাছ আছে ওখানে, গবেষকরা নমুনা আনলেন। কিন্তু এটাই যে ঠিক গাছ শিওর হবেন কীভাবে? অরিজিনাল ঢাকাই মসলিনের স্যাম্পল তো হাতের কাছে নেই। বহু যন্ত্রণার পর লন্ডনের মিউজিয়াম থেকে নমুনা আনা হল, ডিএনএ তুলনা করে শিওর হওয়া গেল যে গাছ ঠিকঠাক, সেই গাছ চাষও করা হল রাজশাহীতে। ভালো কথা, কিন্তু তুলা থেকে সুতা হবে কী করে? কুমিল্লায় কারিগর পাওয়া গেল যারা ১০ 'কাউন্টের' মোটা সুতা তৈরি করেন, অথচ দরকার ৫০০ কাউন্ট! সেই সুতা তৈরিতে তিন আঙুলের কারিশমা প্রয়োজন, আর সেই আঙুল হতে হবে একেবারে নরম। কারিগরদের আঙুলে সারারাত লোশন মেখে সকালে সুতা কাটার কাজ করা হল, ধীরে ধীরে একটি দল দাঁড়িয়ে গেল যারা ৩০০ কাউন্টের সুতা তৈরি করতে পারছেন। একেবারে হয়তো মিললো না, কিন্তু কিছু তো এগুলো। এবার শাড়ি বুনবেন কীভাবে? এক্সপার্ট তাঁতি খুঁজে বের করা হল, আর্দ্রতা ঠিক রাখার জন্য মাটির গর্তে তাঁত বসানো হল, সুতা বারবার ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করার জন্য বালতিতে পানি রেখেও কাজ করা হল। তৈরি হল মসলিনের শাড়ি!

চারদিকে লুটপাট ছাড়া আর কোন খবর শুনি না, এদিকে এই প্রজেক্ট ১৪ কোটি টাকা বাজেট নিয়ে শুরু করে মাত্র সোয়া চার কোটিতে পুরোটা এগিয়ে নিতে পেরেছে, বাকি টাকার সিংহভাগ সরকারকে ফেরতও দিয়েছে। পুরো টিমের সবার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন, ভালোবাসা!

✍️ সংগৃহীত

Address

11/6 Prominent Housing, Road-3, Shekhertek, Mohammadpur, Adabor
Muhammadpur
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Joybangla Television posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Joybangla Television:

Share

Category