Mas roni

Mas roni Facebook.com/pagese/mas roni

With Tahmina Ferdaus – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
21/07/2025

With Tahmina Ferdaus – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

30/03/2016

১২ বসরের ভাই এর কাছে ৮ বসরের ছোট
বোন প্রশ্ন করলো ভাইয়া ভালোবাসা
কাকে বলে, বড় ভাই বললো তুই যে
প্রতিদিন আমার পকেট থেকে চকলেট
ছুরি করিস তা জেনে ও আমি প্রতিদিন
তোর জন্য চকলেট কিনে রাখি এটাকে
ই ভালোবাসা বলে

13/11/2015

মা ও মেয়ে একটি বাস্তবতাঃ-
মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর যখন
সে আবার বাবার
বাড়ি আসে তখন মা খুব আগ্রহ
ভরে জানতে চায়
যে ঐ বাড়িতে তার কেমন লেগেছে ?
মেয়ে জবাবে বলে- “ আমার ওখানে
ভালো
লাগেনা। মানুষগুলো কেমন
যেন। পরিবেশটাও আমার
ভালো লাগছেনা”। মেয়ের
ভেতর এক ধরনের হতাশা
দেখতে পায় তার মা। দেখতে দেখতে
বেশ কিছুদিন
কেটে যায়। মেয়ের
চলে যাবার সময় চলে আসে।
চলে যাবার ঠিক আগের
দিন মা তার মেয়েকে নিয়ে রান্না
ঘরে প্রবেশ করেন। মা হাড়িতে পানি
দেন এবং তা গরম
করতে থাকেন।
একসময় যখন তা ফুটতে
থাকে তখন মা হাড়িতে গাজর,
ডিম আর কফির বিন দেন।
এভাবে বিশ মিনিট পর মা আগুন
নিভিয়ে ফেলেন।
একটি বাটিতে গাজর, ডিম
এবং কফির বিন নামিয়ে রাখেন।
এবার তিনি মেয়েকে উদ্দেশ্য
করে বলেন- “তুমি এখান
থেকে কি বুঝতে পারলে আমাকে
বল” ?
মেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে-
“আমি দেখলাম তুমি গাজর,
ডিম আর কফির বিন সিদ্ধ
করলে মাত্র”। .
মেয়ের কথা শুনে মা বললেন-
“হ্যাঁ, তুমি ঠিকই দেখেছ।
তবে তুমি কি আরও কিছু
লক্ষ্য করনি?”
মেয়ে বলে- “ না- মা,” .
মা বলে-
“গাজর মোটামুটি শক্ত ধরনের,
ডিম খুব হালকা আর কফির
বিন খুবই শক্ত। কিন্তু যখন
এগুলিকে গরম পানিতে রাখা হল তখন
তিনটি জিনিসের তিন
রকম অবস্থা হল। গাজর খুব
নরম হয়ে গেল, আর ডিম শক্ত
হয়ে গেল আর কফির বিন
সুন্দর ঘ্রান আর
মিষ্টি স্বাদে পানিতে মিশে
গেল”। .
মা এবার দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে
যেন অনেক অতীতে চলে যেতে
চাইলেন। তারপর আবার
বাস্তবে ফিরে এসে মেয়ের দিকে
ফিরে বললেন- “আমি তোমাকে এখন
যে কথাগুলি বলব,
আমার মাও ঠিক এইভাবেই
আমাকে এ কথাগুলি বলেছিল।
আমি জানিনা কথাগুলি
তোমার কতটুকু উপকারে
আসবে, তবে আমার জীবনকে অনেক
প্রভাবিত করেছিল”।
মা কিছুক্ষন বিরতি দিয়ে বলতে
লাগলেন-
“তুমি যদি তোমার স্বামীর
বাড়িতে নিজেকে কঠিনভাবে
উপস্থাপন কর, তবে প্রতিকূল
পরিবেশের সাথে তোমার সংঘর্ষ
হবে- তোমাকে দুর্বল করে ঠিক
গাজরের মতই নরম
করে ফেলবে- তোমার
ব্যক্তিত্বকে ভেঙে ফেলবে। .
যদি তুমি নিজেকে নরম-ভঙ্গুর
করে উপস্থাপন কর
তবে প্রতিকূল পরিবেশ
তোমাকে কব্জা করে ফেলবে,
আঘাতের পর আঘাত এসে তোমার
হৃদয়কে একসময়
কঠিন করে ফেলবে ঠিক ডিমের মত।
কিন্তু তুমি যদি তোমার
ভালবাসা দিয়ে নিজেকে
প্রতিকূল পরিবেশের সাথে মিশিয়ে
দিয়ে তার
অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পার
তবে পরিবেশ সুন্দর হয়ে উঠবে
ঠিক যেমন কফির বিন গরম
পানির সাথে নিজেকে মিশিয়ে
দিয়ে পানিকে সুস্বাদু আর চারপাশকে
মিষ্টি ঘ্রানে
ভরিয়ে দিয়েছে”।
পরের দিন যখন মেয়েটি তার
স্বামীর বাড়িতে যাচ্ছিল তখন
তার ভিতর এক আশ্চর্য শান্ত ভাব আর এক
দৃঢ় প্রত্যয়
প্রকাশ পাচ্ছিল।
আমাদের চারপাশের পরিস্থিতি
সবসময় অনুকুল থাকবেনা, তাই বলে
নিজেকে পরিস্থিতির
কাবু না করে র্ধৈয্য ,ভালবাসা,
সহমর্মিতা নিয়ে পরিস্থিতিকে
কাবু করতে হবে । সুখ সবসময়
নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়

02/11/2015

ক্লাসে টিচার ছাত্রদের একটা ছোট
গল্প বলছেনঃ
এক দম্পতি শিপ এ করে বেড়াতে
গেছেন। হঠাৎ
করে শিপটা ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়।
সাথে সাথে দুইজনই চিন্তা করল লাইফ
বোটে ঊঠবে। কিন্তু সেই লাইফ বোটে
মাত্র একজনের দাড়ানোর মত জায়গা
ছিল।
-
সেই মুহূর্তে লোকটা ওয়াইফ কে ধাক্কা
দিয়ে পিছনে ফেলে দেয় এবং লাইফ
বোটে এ লাফ দিয়ে ঊঠে পড়ে। ওয়াইফ
সেই ডুবন্ত শিপ এর ভেতর দাড়িয়ে
চিৎকার করে মাত্র একটা কথা তার
স্বামীকে বলে।
-
এরপর টিচার থামলেন এবং ছাত্রদের
জিজ্ঞাসা করলেন..
“ বলত ওয়াইফ টা চিৎকার করে তার
স্বামীকে কি বলেছিল”?
বেশীর ভাগ ছাত্র বলল যে
“ আমি তোমাকে ঘৃণা করি, তুমি খুব
খারাপ”।
“তুমি আমাকে ফেলে যেতে পারলে”?
সবাই নেগেটিভ উত্তর দিল। হঠাৎ করে
টিচার আবিস্কার করলেন যে একটা
ছাত্র কোন উত্তর দেয়নি সে চুপ করে
বসে আছে। টিচার তাকে জিজ্ঞাসা
করলেন এবং সে উত্তর দিল
“ টিচার আমি বিশ্বাস করি, “ওই মহিলা
চিৎকার করে বলেছিল দয়া করে
আমাদের বাচ্চার যত্ন নিও, ওর যেন
কোন কস্ট না হয়।”।
টিচার খুব অবাক হয়ে বললেন,.
“তুমি কি এই গল্প আগে কোথাও শুনেছ”?
ছাত্রটি তার মাথা ঝাকিয়ে উত্তর
দিল না।
“কিন্তু এই কথাটাই আমার মা আমার
বাবাকে বলেছিল মারা যাবার
আগে”।
তখন টিচার বললেন
“তোমার উত্তর সঠিক। টিচার আবার
বলা শুরু করলেন, শিপ ডুবে গেল। লোকটা
বাড়ি ফিরে একা একা তার
মেয়েটাকে বড় করে তুলল।
-
লোকটা মারা যাবার অনেকদিন পর
মেয়েটা একটা ডায়রি খুঁজে পায়।
সেখানে লেখা ছিল,
“আমরা শিপ এ বেড়াতে যাবার আগেই
জানতে পারি যে তোমার মা একটা
বড় অসুখে ভুগছেন
এবং ডক্টর বলেছিলেন যে কিছুদিনের
মধ্যেই মারা যাবে। সেই জন্য আমি
সেদিন তোমার মাকে পেছনে ফেলে
লাইফ বোটে ঊঠেছিলাম, শুধু তোমার
কথা ভেবে।
“আমার খুব ইচ্ছা ছিল তোমার মার
সাথে আমি ও ওই সাগরের পানিতে
ডুবে যায়, কিন্তু শুধুমাত্র তোমার কথা
চিন্তা করে তোমার মাকে
চিরদিনের জন্য সাগরে ফেলে
এসেছিলাম”।
-
আসলে মানুষের জীবনে প্রতিটা
ঘটনার
পিছনে একটা কারন বা কমপ্লিকেশন
থাকে,
যেটা সহজে বোঝা যায়না

-
কিন্তু আমরা সেই কারণ গুলোকে
পজিটিভ ভাবে না দেখে প্রথমেই
নেগেটিভ ভেবে নেই। আর সেই জন্যই
আমরা মানুষকে না বুঝে তার বিচার
করে ফেলি, তার সম্পর্কে একটা
খারাপ ধারনা করে ফেলি। ভুল বুঝি।
-
আমাদের আজকের নয় বহুদিনের অভ্যেস
মানুষকে নেগেটিভ ভাবে কথা বলা।
এতে এক প্রকার মানুষ হেয় হয় আর অন্য পক্ষ
বেশ আনন্দিত হয়।কিন্তু এটা হয়তো সঠিক
নয় !
“ আসুন আজ থেকে সবাই পজিটিভ
চিন্তা করি”।
"নেগেটিভ কে না বলি"।

02/11/2015

কলেজ লাইফে একবার স্যান্ডেল
কেনার জন্য বাবার কাছে ১৫০০ টাকা
চেয়েছিলাম।অনেকগুলো কথা
বলেছিল বাবা,আমাদের জামানায়
আমরা এই করছি,খালি পায়ে স্কুলে
গেছি,বাবার টাকায় খাও এজন্যে
গায়ে লাগেনা,নিজে ইনকাম করবি
যখন তখন বুঝবি।আমি মুখের উপর কিছু
বলিনি,আব্বুকে একটু ভয় ই পেতাম,তবে
মনে মনে খুব রাগ হচ্ছিল,মাত্র ১৫০০
টাকার জন্যে এতগুলো কথা শোনা
লাগে,ইচ্ছে হচ্ছিল বাসা থেকেই চলে
যায়।তবে বকাবকি শেষে ঠিক ই
মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে
হাতে ধরিয়ে বলেছিলেন,ভালো
দেখে কিনিস,স্যান্ডেলের টাকা
আবার ফোনে ভরিস না....

ভার্সিটি তে আসার পর এখন যেখানে
সেই ১৫০০ টাকার জন্যেই সপ্তাহে ৪
দিন খেয়ে না খেয়ে স্টুডেন্টের
বাসায় ছুটতে হয়,মাঝে মাঝে রাতের
ঘুম নষ্ট করে নোটস ও বানিয়ে দেয়া
লাগে,তখন বাবার ওই কথা গুলো ই মনে
পড়ে বারবার,আর কতটা কষ্ট করার পর
টাকা টা আসে এটাও বুঝতে পারি।তখন
আপনা আপনি ই শ্রদ্ধায় মাথা টা নিচু
হয়ে যায়,আর মানুষটার জন্যে কিছু
করতে ইচ্ছে করে।

আজ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়
পৃথিবীতে সবথেকে সহজ কাজ কি,তবে
আমি নির্দিধায় বলব,বাপের টাকা
ওড়ানো।আসলেই বাবার পরিশ্রমের
টাকা ওড়ানো টাই সবথেকে সহজ
কাজ,তবে সেই ওড়ানো টাকা নিজে
ইনকাম করে বাবার পকেটে ফেরত
পাঠানো টা কঠিন,অনেক বেশি
কঠিন....

17/10/2015

গতকাল থেকে শিক্ষা নিয়ে আর
ভবিষ্যতের আশা বুকে নিয়ে আজকের
দিনটিতে বাঁচুন।মনে রাখবেন, আজকের
দিনটিই আপনার সেই ভবিষ্যৎ যা নিয়ে
আপনি গতকাল চিন্তিত ছিলেন।

05/10/2015

দাঁত সুস্থ রাখার জন্য আমরা টুথপেস্ট
ব্যবহার করে থাকি। বাজারঘুরলে নানা
ব্রান্ডের নানা রকম টুথপেস্টের দেখা
পাওয়া যাবে। এর কোনোটা দাঁত
সাদা করে তোলে, আবার কোনটা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দাঁত মজবুত করে
থাকে। কিন্তু বাস্তবে একটি ভালো
টুথপেস্ট পাওয়া অনেক কঠিন। অনেক সময়
দেখা যায় আপনি নিয়ম করে দু’বেলা
ভালো টুথপেস্ট দিযে় দাঁত ব্রাশ করছেন
কিন্তু ভালো ফল পাচ্ছেন না। বরং
দেখা গেল আপনার দাঁতের এনামেল
নষ্ট হযে় ডেন্টিস্টের কাছে যেতে
হচ্ছে। ঘরে যদি টুথপেস্ট তৈরি করা যায়
তবে কেমন হয় বলুন তো? দারুণ না? ঘরেই
বানিযে় ফেলুন নিজের টুথপেস্ট। এটি
আপনার দাঁত পরিষ্কার করার
পাশাপাশি দাঁত মজবুতও করবে। আসুন তা
হলে জেনে নিই ঘরে টুথপেস্ট তৈরি
করার উপায়।
যা যা লাগবে
নারকেল তেল
বেকিং সোডা
এ্যসেন্সিয়াল অযে়ল বা মিন্ট অযে়ল
(ইচ্ছা)
যেভাবে তৈরি করবেন
১। একটি পরিষ্কার পাত্র নিন। পাত্রটির
যেন ঢাকনা থাকে।
২। ৫ চা চামচ বেকিং সোডা, ৪ চা
চামচ নারকেল তেল এবং ১৫ ফোঁটা
এ্যসেন্সিয়াল অযে়ল ভালো করে
মিশিযে় পেস্ট তৈরি করে নিন।
৩। তারপর খুব ভালো করে পাত্রের মুখটি
লাগিযে় ফেলুন।
৪। এ্যসেন্সিয়াল অযে়ল যেকোনো
ফ্লেভারের ব্যবহার করতে পারেন।
আপনি চাইলে মিন্ট অযে়ল ব্যবহার
করতে পারেন। আবার এটি বাদও দিতে
পারেন।
যেভাবে কাজ করবে
বেকিং সোডা দাঁত সাদা করে
থাকে। নারকেল তেল
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে
কাজ করবে আর মিন্ট অযে়ল মুখের দুর্গন্ধ
দূর করে মুখের ভেতরের পরিচ্ছন্নতা
নিশ্চিত করে।

28/09/2015

যে মেয়েটিকে দেখে ভাবছি সে কত
কালো, খাটো, হয়তো সেই মেয়েটিই
তার পিতার কাছে একজন রাজকন্যা,
তার স্বামীর কাছে রাজরানী।
যে লোকটিকে দেখে বলছি, সে কি
মোটা বা দেখতে কত বাজে... সে
লোকটিই হয়তো তার সন্তানদের কাছে
একজন সুপার হিরো কিংবা স্ত্রীর
কাছে আদর্শবান স্বামী।
আসলে পৃথিবীতে কেউ অসুন্দর নয়।
একজনকে হয়তো অসুন্দর বলছি, দেখা
যাবে সেই অন্য একজনের কাছে
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সুন্দর।
পিরিতের পেত্নিও ভাল। কখন কাকে
কার কাছে সুন্দর লাগে কেউ বলতে
পারবেনা।
সৌন্দর্য জিনিসটা আপেক্ষিক।
জায়গা ভেদে বা যুগ ভেদে
সৌন্দর্যের সংজ্ঞার পার্থক্য হয়। মানুষ
ভেদেও একেক রকম হয়।
মা-বাবা, ভাই-বোন দেখতে যেমনি
হোক, তাদেরকে কিন্তু পৃথিবীর
সবচেয়ে সুন্দর মানুষ বলেই মনে হয়
আমাদের কাছে।
মিশরের মেয়েরা সৌন্দর্যের জন্য সেই
প্রাচীন কাল থেকেই বিখ্যাত।
সেখানে ছিল নেফারতিতি আর
ক্লিওপেট্রার মত জগতভুলানো
সুন্দরীদের বাস। তারা ছিল স্লিম,
চিকন কোমরের অধিকারিণী, কারণ
সেসময় মেয়েদের এটাই সৌন্দর্যের
মাপকাঠি ছিল।
কিন্তু এসব সুন্দরী মেয়েরা যখন বিয়ে
করতো, তখন তারা বেঁছে বেঁছে মোটা
ভুঁড়িওয়ালাদেরই বিয়ে করতো। কারণ
সেসময় মোটা ভুঁড়িওয়ালা ছেলেদের
অধিকতর যোগ্য মনে করা হত। সবাই ভাবত
ধনীরা গরীবদের চেয়ে বেশি খেতে
পারে... তাই ধনীরা মোটা হয়।
অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু বিয়ে
করেছে... আর অমনি চারিদিকে হৈ
হৈ, পেজগুলোর ট্রল... শিমুর মত সুন্দরী
শেষে কি না কালা জামাই বিয়ে
করল!!
আরে ভাই, কে কাকে বিয়ে করল
সেটা নিয়ে আপনার কি? নাকি
আপনি গিয়ে তাকে তিন বেলা ভাত
কাপড় দেন?
আপনার মত মেন্টালিটির মানুষদের
কারনেই এদেশে এখনো রেসিজম বা
বর্ণবাদ জীবিত আছে, এখনো এদেশে
মানুষকে যোগ্যতা দিয়ে নয় গায়ের রঙ
বা চেহারা দিয়ে বিবেচনা করা হয়।
ইউরোপ আমেরিকায় একজন শ্বেতাঙ্গ
যদি কৃষ্ণাঙ্গ কাউকে বিয়েও করে, সে
তাকে ভুলেও কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে
দেখেনা...আর এদেশে মেয়ে একটু
কালো হলেই শ্বশুর বাড়িতে হৈ চৈ
বেঁধে যায়।
আসলে মানুষের দোষ তারাই ধরে
বেড়ায় যারা কখনো কোন কিছু করতে
পারে না, যাদের সেই যোগ্যতা
নিজের ভেতরে নেই।
কাউকে কালো বলে নিজে কখনো
ফর্সা হওয়া যায় না। কাউকে মোটা
বলে নিজে কখনো স্লিম হওয়া যায়
না। কাউকে কুৎসিত বলে নিজে কখনো
সুন্দর হওয়া যায় না।
যে সৃষ্টিকর্তা আপনাকে সৃষ্টি
করেছেন, সেই একই সৃষ্টিকর্তা অন্যদেরও
সৃষ্টি করেছেন। কাউকে দেখতে পচা
বলা মানে সৃষ্টিকর্তাকে তার সৃষ্টি
নিয়েই বিদ্রুপ করা।
একটা কথা মনে রাখবেন, প্রেমিক হতে
হয়তো যোগ্যতা লাগে না কিন্তু
স্বামী হতে হলে যোগ্যতা ঠিকই
লাগে। আর যোগ্যতাই একজন পুরুষের আস

Address

Muktagachha

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mas roni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share