Sumaiya's layout

Sumaiya's layout Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sumaiya's layout, Digital creator, Dhaka, Munshiganj.
(1)

সন্তানের দেহের সুগন্ধি জান্নাতের সুগন্ধির মধ্যে একটি❤️❤️
27/03/2026

সন্তানের দেহের সুগন্ধি জান্নাতের সুগন্ধির মধ্যে একটি❤️❤️

20/03/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ।

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
তাক্বাব্বালাল্লহু মিন্না ওয়া-মিনকুম।

আল্লাহ তাআলা আমাদের এবং আপনার নেক আমল তথা ভালো কাজগুলো কবুল করুন।

ঈদ মুবারক

20/03/2026
" আ'ফিয়াহ্! " আমি ভাবছিলাম এই টপিক নিয়ে লিখবো না। তবে রোজার সময়ে যেহেতু অনেকেই রোজা রাখবেন, সাহরি ইফতারে দু'আ করে অনেক ক...
15/03/2026

" আ'ফিয়াহ্! "

আমি ভাবছিলাম এই টপিক নিয়ে লিখবো না। তবে রোজার সময়ে যেহেতু অনেকেই রোজা রাখবেন, সাহরি ইফতারে দু'আ করে অনেক কিছু চাইবেন আল্লাহর কাছে তাই এটা লিখছি একটু এওয়ারনেসের জন্য৷

২০২৩ সালের রমাদান মাসে আমি প্রচুর দু'আ করতাম একজন মানুষ আমাদের কাছে ফিরে আসার জন্য৷ প্রতিদিন সাহরিতে, ইফতারে, নামাজে সব জায়গায় দু'আ করতাম। আল্লাহর কাছে বলতাম, "আল্লাহ যেভাবেই হোক তাকে ফেরত দিন৷ আমাদের সংসারটা পূর্ণ হোক"৷
আল্লাহ দু'আ কবুল করলেন, অবশেষে ২০২৩ সালের শেষে সে ফেরত আসে আবার ২০২৪ সালের শেষে চলে যায় আমাদের একা করে। ভীষণ ভাবে ভেঙ্গে পরি আমরা৷ কারণ এই সময়টার মধ্যে অনেক ঝড় তুফান পার করেছি শুধু ঐ মানুষটার জন্য।

এরপর ২০২৫ সালে আমি দু'আতে পরিবর্তন আনলাম৷
যেখানে যত দু'আ করতাম সব জায়গায় বলতাম, "ইয়া আল্লাহ! আ'ফিয়াহ্ র সাথে আপনি এটা সম্পন্ন করে দিন।" আর সত্যি বলতে সেই কাজটা এত সুন্দর ভাবে হয়ে যেতো যা কল্পনারও বাহিরে।
আ'ফিয়াহ্' শব্দটা আমি শিখি একটা স্টোরি পড়ে৷ সেটা কমেন্টে দিয়ে দিবো৷ আপাতত এভাবে দু'আ করে আমার যে দু'আ গুলো কবুল হয়েছে তার কিছু উদাহরণ দেই।

১. আমার নানু অনেক অসুস্থ ছিলো৷ তার ৬/৭
টা সিরিয়াস রোগ৷ ডাক্তার বললো অপারেশন লাগবে তবে হাই রিস্ক৷ অপারেশন রুমেই যেকোনো কিছু হয়ে যেতে পারে!
আমি দু'আ করলাম আল্লাহ আ'ফিয়াহ্ র সাথে আমার নানুকে সুস্থ করে দিন অপারেশন সম্পন্ন করুন৷
আলহামদুলিল্লাহ আমার নানুর অপারেশন তো ভালো ভাবে হয়েছেই, এখন নানু বাসায় এসে একা একা হাঁটতেও পারে মাশাআল্লাহ।

২. আমার শশুড়বাড়িতে যখন যাই আসার পথে কোনো রিক্সা থাকে না৷ আসার সময় আমার অনেক কষ্ট হয়৷ আমি বের হওয়ার সময় দু'আ করলাম, "আল্লাহ! আ'ফিয়াহ্ র সাথে একটা রিক্সা মিলিয়ে দেন আমাকে"।
বিশ্বাস করুন গেইট থেকে বের হতেই দেখি রিক্সা আছে, আল্লাহু আকবার!

৩. আমি অনেকদিন থেকে একজন ভালো সাপ্লায়ার খুঁজছিলাম আমার প্রোডাক্টসের জন্য৷ এর আগে যেখান থেকে আনতাম আমার কিছু সমস্যা হচ্ছিলো সেখানে। একদিন বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় দু'আ করলাম কঠিন ভাবে, "আল্লাহ! এই যে আমি বের হচ্ছি, আপনি আমাকে আ'ফিয়াহ্ র সাথে ভালো সাপ্লায়ার মিলিয়ে দিন"৷ সেইদিন আমি যার সন্ধান পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ এখন সেখান থেকেই আনি সব৷

৪. আমি গত ডিসেম্বরে চীন গেলাম বিজনেস পারপাশে।
সেখানে যে আশা করে গিয়েছিলাম তার ৫% ও পূরণ হয়নি৷ তার উপর ভাষার ব্যারিয়ার ছিলো অনেক৷ একদিন একটা দোকানে কিছু কিনতে গেলাম। দোকানে যাওয়ার পর চাইনিজ ঐ মহিলার সাথে আমি কথা বলতে পারছিলাম না, আমি ইংরেজি বললেও সে ইংরেজি বুঝেনি একেবারেই৷ আমি দু'আ করলাম, "আল্লাহ! আ'ফিয়াহ্ র সাথে সহজ করে দিন"। এর মধ্যেই ঐ দোকানে একজন চাইনিজ লোক কেনাকাটা করতে আসলো। সে যখন দেখলো আমি তাকে বুঝাতে পারছিলাম না, সে আমাদের দোভাষী হিসেবে কাজ করলো! আমি পুরো হতবাক সে এত ভালো ইংরেজি জানে এটা আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না৷ কারণ ওরা ইংরেজিকে কেউ এত প্রায়োরিটি দেয় না।
সেদিন সুন্দর ভাবে সেই প্রোডাক্ট কিনে আমরা পরদিন বাংলাদেশে ফেরত চলে এসেছিলাম৷ আলহামদুলিল্লাহ।

এখন অব্ধি আমি যতবার আল্লাহর কাছে এভাবে দু'আ করেছি আল্লাহ ঠিক ততবার আমাকে সব সমস্যা দূর করে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।
উল্লেখ্য আমি কোনো বিশেষ আমল করি না৷ সব সময় দু'আ এবং ইস্তেগফার করে থাকি আর এই বলেই দু'আ করি আল্লাহর কাছে৷ আল্লাহ কখনোই নিরাশ করেননি আমাকে৷
আপনারাও যারা দু'আ করবেন এভাবে ভালো নিয়্যতে আল্লাহর কাছে "আ'ফিয়াহ্ র সাথে" সাহায্য চান ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সব কবুল করবেন।

Nooran_✍️

এই গল্প পড়ার পর থেকে আমি এভাবে দু'আ করা শুরু করি।

(আ'ফিয়াহ্ (العافية) অর্থ: শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ ও অকল্যাণ থেকে নিরাপত্তা এবং দুনিয়া-আখিরাতে কল্যাণ লাভ)

সম্মানিত একজন শিক্ষিকা বোন বলেন, আমি স্কুল থেকে ফিরে রান্নাঘরের কাজ শেষ করে বের হতে প্রায় অর্ধ রাত হয়ে যায়। একদিন আমার ভাই এসেছিল।
সে এসব দেখে বলল, আমি তো সবসময়ই তোমাকে রান্নাঘরে দেখি!

আমি বিরক্তির সুরে বললাম, তাহলে কেন তুমি লাইলাতুল কদরে আমার জন্য দু'আ কর না যে, আল্লাহ যেন আমাকে রান্নাঘরের জ্বালা থেকে মুক্তি দান করেন!

এই বলে আমি কিছু সময় চুপ রইলাম কিন্তু মাথায় ইমাম আহমাদ (রাহি)-এর ঘটনাটি ঘুরপাক খেতে শুরু করল। তিনি আল্লাহর কাছে দু'আ করেছিলেন, "হে আল্লাহ! আমাকে হাদিস হিফজ করার মতো সময় দাও।" কিন্তু তিনি আ'ফিয়াহ্ র কথা বলতে ভুলে যান। ফলে তিনি সুযোগ তো পেয়েছিলেন তবে তা বন্দি অবস্থায় জেলখানায়। তাই তো কেউ যখন আল্লাহর কাছে কিছু চাইবে তার তো আ'ফিয়াহ্ ও উত্তম বস্তুটি চাওয়া উচিত।

তাই ঝটপট করে ভাইকে বললাম, "দেখ! আমার রান্নাঘরের ঝামেলা থেকে মুক্তির দু'আ যদি তোমার করতেই হয়, তবে এই দু'আ করবে, যে আল্লাহ যেন আমাকে আ'ফিয়াহ্ র সাথে মুক্তি দান করেন।"
পরেরদিন ছাত্রীদেরকে এই বিষয়টি আমি বুঝিয়ে বলছিলাম এবং সতর্ক করছিলাম৷ তাদেরকে ইমাম আহমাদের গল্পও শুনালাম।

তাদের মধ্য থেকে এককজন ছাত্রী দাঁড়িয়ে পড়ল এবং বলা শুরু করল, উস্তাদ! আমাদের বাড়ির পাশে এক মহিলা আছে। আমি তাকে চিনি। সে সবসময় দু'আ করেন, "হে আল্লাহ! আমাকে বিনা পরিশ্রমে ঘরে বসে বসে তিন মিলিয়ন টাকার মালিক বানিয়ে দাও।" সে যেকোন সম্মানিত জায়গায় যেতেন বা যেকোন বরকতময় রজনীতে এই একি দু'আ করতেন, "তিন মিলিয়ন টাকা বিনা পরিশ্রমে ঘরে বসে বসে।"

উস্তাদ, আল্লাহর শপথ! এভাবে দু'আ করার ফলে কিছুদিন পর তার দু'আ অনুযায়ী ৩ মিলিয়ন টাকা ঘরে বসে বসে কাছে তো আসল কিন্তু-----

কিন্তু কি?!

কিন্তু তার যেহেতু এ পরিমাণ টাকা কামানোর যোগ্যতা ছিল না। আর তার দু'আ ছিল তার লাগবেই। তাই তো তার ছেলেকে যখন কিছু ব্যক্তি হ**ত্যা করে তার দিয়াত হিসেবে সে ৩ মিলিয়ন পেয়ে যায়।

উস্তাদ: এইজন্যই আমি তোমাদেরকে সতর্ক করেছি। অর্থাৎ যখন দু'আ করবা তখন আ'ফিয়াহ্ ও কল্যানও চাইবা।

যদি সম্পদ চাও তাহলে বলবা, "হে আল্লাহ! আমাকে এতটুকু সম্পদ দেন যেন সে সম্পদ আমার দুনিয়া ও আখিরাতে আ'ফিয়াহ্ ও কল্যাণময় জীবন কাটানোর জন্য যথেষ্ট হয়।"

যদি পাত্র/পাত্রী কামনা কর তাহলে বলবা, "হে আল্লাহ! আমাকে এমন ভাল ছেলে/মেয়ে মিলিয়ে দিন যাকে পেয়ে আমি দুনিয়া ও আখিরাত আ'ফিয়াহ্ এবং কল্যাণের সাথে কাটিয়ে দিতে পারি এবং সে আমার চক্ষু শীতলকারী হওয়ার পাশাপাশি আমার সাহায্যকারীও হতে পারে।"

শায়েখ রাতিব নাবুলুসী (হাফি)
অনুবাদ : আব্দুর রহমান

আমিন  ゚viralシfypシ゚viralシalシ
15/03/2026

আমিন

゚viralシfypシ゚viralシalシ

13/03/2026

ইয়া আল্লাহ ..!
আমাদেরকে ঋণমুক্ত, অভাবমুক্ত, রোগমুক্ত, হতাশামুক্ত, শত্রুমুক্ত, দুশ্চিন্তামুক্ত, গুনাহমুক্ত জীবন দান করুন।

আমিন

🟤 লাইলাতুল কদর কি শুধু বিজোড় রাতেই হতে পারে? - লাইলাতুল কদর শুধু বিজোড় রাতে নয়, আমি আবারো বলছি শুধু বিজোড় রাতে সীমাবদ্ধ ...
09/03/2026

🟤 লাইলাতুল কদর কি শুধু বিজোড় রাতেই হতে পারে?
- লাইলাতুল কদর শুধু বিজোড় রাতে নয়, আমি আবারো বলছি শুধু বিজোড় রাতে সীমাবদ্ধ নয়! বরং জোড় রাতেও হতে পারে!
আমরা তো জানিনা কোনটা জোড় আর কোনটা বিজোড় রাত। রমাদান মাস শেষ না হলে আমরা এটা বুঝতেও পারবো না যে কোনটা জোড় রাত ছিলো আর কোনটা বিজোড় রাত!

কারন এক হাদিসে বলা হয়েছে, লাইলাতুল কদর রমাজানের শেষের দিক থেকে ১ দিন আগে তালাশ করো! ৩ দিন আগে তালাশ করো এবং ৫, ৭ ও ৯ দিন আগে তালাশ করো।
আমরা তো আগে থেকে জানিনা রমাদান ২৯ দিন হবে না ৩০ দিন! যদি রমাদান ২৯ দিন হয় তাহলে তো বিজোড় রাত হবে ২২, ২৪,২৬ ও ২৮ রমাদানের রাত্রি!
এজন্যই লাইলাতুল কদর শুধু বিজোড় রাতে সীমাবদ্ধ নয় বরং জোড় রাতেও হতে পারে!

হাদিস দেখুন-
রসুল স. বলেন,তোমরা তা (লাইলাতুল কদর [ক্বদর]) রমাযানের শেষ দশকে অনুসন্ধান কর। লাইলাতুল কদর [ক্বদর] (শেষ দিক হতে গণনায়) নবম, সপ্তম বা পঞ্চম রাত অবশিষ্ট থাকে। (বুখারী ২০২১)

তাই রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেমন শেষ ১০ রাতেই বেশি করে ইবাদত করতেন আমাদেরও তেমন শেষ ১০ রাতেই বেশি করে ইবাদত করা উচিত এবং বিজোড় রাত্রিতে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়! কারন আসলেও আমরা জানিনা কোনটা বিজোড় রাত আর কোনটা জোড়! রমাদান শেষ হওয়ার আগে এটা জানা সম্ভব নয়!

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমজানের শেষ দশকে নামায, কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মধ্যে এত বেশী সময় দিতেন যা অন্য সময়ে দিতেন না। আয়েশা (রাঃ) থেকে ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে, রমজানের শেষ দশরাত্রি শুরু হলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত জেগে ইবাদত করতেন তাঁর পরিবারবর্গকে জাগিয়ে তুলতেন এবং স্ত্রী-সহবাস থেকে বিরত থাকতেন। ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে: “তিনি রমজানের শেষ দশকে এত বেশী ইবাদত করতেন যা অন্য সময়ে করতেন না।” তাই আমাদের পুরো শেষ দশকেই ইবাদত করা উচিত!

🟤 লাইলাতুল কদরে কি কি ইবাদত করবো আর কি কি করবো না?

১. ঘুমানো যাবে না! জ্বি এটাই ইবাদতের লিস্টে এক নাম্বার! ঘুমিয়ে গেলে সব শেষ। এই রাত আবার পাবেন কি না আপনি তো জানেন না। তাই ঘুমিয়ে এক সেকেন্ডও নষ্ট করা যাবে না। ইফতারের পর কিছুটা সময় রেস্ট নিয়ে ইবাদতে লেগে পড়তে হবে।

২. নামাজ!
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের নিয়তে লাইলাতুল ক্বদরে (ভাগ্য রজনীতে) নামায আদায় করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।”[সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম] এই হাদীস প্রমাণ করে যে, ভাগ্য রজনীতে কিয়ামুল লাইল (রাত্রীকালীন নামায) আদায় করা শরয়ি বিধান।

রাতে একটু পরপর বিরতি নিয়ে নিয়ে সারা রাত ধরেই একটু পর পর নামাজ আদায় করা যায়। নিয়ত হবে কিয়ামুল লাইল/তাহাজ্জুদ এর!

৩. কোরআন তিলাওয়াত!
নামাজ এবং নামাজের বাইরে অনেক বেশি পরিমানে কোরআন তিলাওয়াত করা যায়। যেহেতু রাতে প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘন্টা সময় পাওয়া যাবে তাই যতো বেশি পারি কোরআন তিলাওয়াত করা যাবে।

৪. লাইলাতুল ক্বদরে (ভাগ্য রজনীতে) পঠিতব্য সবচেয়ে ভালো দোয়া হচ্ছে- যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়েশা (রাঃ) কে শিক্ষা দিয়েছেন। যেটি তিরমিযি আয়েশা (রাঃ) থেকে সংকলন করেছেন এবং সহীহ আখ্যায়িত করেছেন। দোয়াটি হলো-

اللهمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

(অর্থ: হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করাকে আপনি ভালবাসেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।)

এই দোয়া যতো বেশি বেশি পারা যায় পড়তে হবে সারা রাত্রি ধরে!

উল্লেখ্য: এটি একটি দোয়া। এটি জিকির নয়। অতএব দোয়া যেভাবে পড়তে হয় সেভাবে পড়বেন। মোনাজাতে, সিজদায়, সালাম ফিরানোর আগে পড়তে হবে।
জিকিরের মতো করে দোয়া পড়তে হয় না।

৫. জিকির!
যেকোনো জিকির করতে পারেন সহীহ হাদিসের। সেটা হতে পারে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, আস্তাগফিরুল্লাহ বা দরুদ পাঠ ইত্যাদি!

৬. ইবাদত করতে ক্লান্ত লাগলে শাইখদের লেকচার শুনা যায় কিছুক্ষন, রিফ্রেশমেন্ট এর জন্য। এটাও আল্লাহর নিকটে যাওয়ার মাধ্যম।

৭. গুনাহ থেকে বেচে থাকা! এবং সময় নষ্ট না করা বিশেষ করে মোবাইলে!

৮. কস্মিনকালেও বিদ‘আত (দ্বীনের মধ্যে নতুন প্রবর্তিত বিষয়) করা জায়েয নেই। রমজানের মধ্যেও না, রমজানের বাইরেও না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রমাণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি আমাদের এই শরিয়তে এমন কিছু প্রবর্তন করল যা এর অন্তর্ভুক্ত নয় তা প্রত্যাখ্যাত।” অন্য এক রেওয়ায়েতে আছে, “যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করল যা আমাদের শরিয়তের অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।”

৯. বাবা, মায়ের, স্বামী/স্ত্রীর সেবা করাও ইবাদত। উত্তম আচরনও ইবাদত। আল্লাহর জন্য যা করবেন, সবই ইবাদত। অতএব গুনাহ যেনো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরী।

আল্লাহ আমাদের লাইলাতুল কদর সফলভাবে পাওয়ার তৌফিক দিন!

- Azizun Nahar Bely

Address

Dhaka
Munshiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sumaiya's layout posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sumaiya's layout:

Share