T&T Girl's Collection

T&T Girl's Collection Destination is Jannat

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসালামুআলাইকুম আপুরা,
T & T girls এ আপনাদের স্বাগতম।
এই পেজে আপনারা খুবই রিজনেবল প্রাইস এ মেয়েদের যাবতীয় কসমেটিকস এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাবেন।
তাই অবশ্যই আমাদের পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকবেন।
ধন্যবাদ।

May this Ramadan heal us all ..
06/02/2026

May this Ramadan heal us all ..

15/01/2026
আহ মা… 💔😭অশ্রুর বদলে এখন চোখ দিয়ে রক্ত ঝরে 🥺গাজ্জার এক নির্যাতিত মা—যার চার সন্তানকেই ইসরাইলি বাহিনী শহীদ করেছে—অতিরিক্ত...
15/01/2026

আহ মা… 💔😭
অশ্রুর বদলে এখন চোখ দিয়ে রক্ত ঝরে 🥺
গাজ্জার এক নির্যাতিত মা—যার চার সন্তানকেই ইসরাইলি বাহিনী শহীদ করেছে—অতিরিক্ত কান্নার কারণে তার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে । কান্না করলে এখন অশ্রু নয়, চোখ বেয়ে রক্ত বের হয় 🥺 সন্তানের শোক তাকে এই করুণ অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছে 😢

ছোটবেলায় টনসিলাইটিসে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা মোটেও কম নয়। টনসিলাইটিসের বহু কারণ থাকলেও এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ ...
14/01/2026

ছোটবেলায় টনসিলাইটিসে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা মোটেও কম নয়। টনসিলাইটিসের বহু কারণ থাকলেও এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো টনসিল গ্ল্যান্ডে β-hemolytic Streptococcus দ্বারা সংক্রমণ। এই ব্যাকটেরিয়াটি প্রথমে টনসিল আক্রান্ত করলেও, পরবর্তীতে ফ্যারিংস ও মধ্যকর্ণে ছড়িয়ে Otitis media সৃষ্টি করতে পারে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই সংক্রমণ সুযোগ পেলে শরীরের জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যা আমরা Rheumatic arthritis হিসেবে জানি। একই সঙ্গে Streptococcus সংক্রমণ হৃদযন্ত্রে আক্রমণ করে Rheumatic heart disease–এর সূচনা ঘটাতে পারে। এই অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ভাল্বসমূহ ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রথমে ভাল্বুলার রিগার্জিটেশন তৈরি হয়, যেখানে ভাল্ব সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হতে না পারায় রক্ত রিফ্লাক্স আকারে পিছনে ফিরে যায়।

চলুন বিষয় টা ক্লিয়ার করি, β-hemolytic Streptococcus এর cell wall এ M protein নামক এক ধরনের প্রোটিন থাকে , যা মূলতো ব্যাক্টেরিয়া কে বাচাতে বেড়িয়ে আসে, ( M protein দ্বারা β-hemolytic Streptococcus সুরক্ষিত থাকে) ফলে আমাদের বডির ডিফেন্স সিস্টেম B lymphocyte এবং M protein এর এগিনেস্ট এ একটি আন্টিবডি তৈরী করে যাবে Anti M protein বলা হয়, এর মূল কাজ হলো M protein কে নিউট্রালাইজ করা এবং যেই কোষ থেকে M protein বেড়িয়ে আসে তাদের ধ্বংস করে।।।

এখানে একটি ভয়ংকর প্যাথলজি কাজ করে তা হলো।
M protein এর মলিকুলার প্যাটার্ন দেখতে অনেকটা হার্টের ভাল্ব, জয়েন্ট এর সাইনোভিয়াল এরিয়া এবং কার্ডিয়াক মার্সেল থেকে রিজিল হওয়া প্রোটিন এর মত।

ফলে আমাদের ডিফেন্স ম্যাকানিজম β-hemolytic Streptococcus মনে করে জয়েন্ট , এবং হার্টকে আক্রমন করে,

ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়—রিউমেটিক রোগীদের একটি বড় অংশের পূর্ব ইতিহাসে গলা ব্যথা বা টনসিলাইটিসের উপসর্গ পাওয়া যায়। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ ক্ষেত্রে A*O titre পরীক্ষা করা হয় এবং পজিটিভ হলে দীর্ঘমেয়াদি পেনিসিলিন প্রোফাইল্যাক্সিস দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে টনসিলেক্টমিও করা হয়, যদিও এতে সবসময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।

আমার ব্যক্তিগত প্র্যাকটিসে, লক্ষণভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশি Streptococcinum 200 ব্যবহারে কিছু রিউমেটিক ও ভাল্বুলার হার্ট ডিজিজের ক্ষেত্রে উপসর্গগত উন্নতি লক্ষ্য করেছি। একইভাবে Abrotanum কিছু নির্বাচিত কেসে আমার একটি পছন্দের ও কার্যকর মেডিসিন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
ধন্যবাদ।

"মেয়েটা ফর্সা কিন্তু চেহারার কাটিং ভালো না।" "ফেস কাটিং নাকি দারুণ কিন্তু শ্যামলা।""মাশা আল্লাহ সুন্দর কিন্তু অনেক খাটো...
09/01/2026

"মেয়েটা ফর্সা কিন্তু চেহারার কাটিং ভালো না।"
"ফেস কাটিং নাকি দারুণ কিন্তু শ্যামলা।"
"মাশা আল্লাহ সুন্দর কিন্তু অনেক খাটো।"
"সুন্দর হলেও দোষ একটা মেয়ে হিসেবে বেশি লম্বা।"
"মেয়ে পার্ফেক্ট কিন্তু কত মোটা"
"দেখলে মনে হয় শরীরে কঙ্কাল বাদে কিছু নাই।"

এই যে কথাগুলো, এগুলো শুনতে শুনতে একটা মেয়ের মন ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে যায়। কারণ সমাজের কিছু মানুষ আছেন যারা জাজ না করলে মনে হয় তাদের শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় জানেন কোথায়? এই জাজিংটা সবচেয়ে বেশি হয় বিয়ের সময়। তখন মেয়েটা মানুষ না, যেন একটা প্রোডাক্ট। রং মিলছে না, হাইট ঠিক না, নাক একটু এমন, হাসি একটু তেমন। যোগ্যতা চরিত্র মন এসব যেন সিলেবাসেই নেই। শুধু মাপজোক আর কম্পারিজন।

একটা মেয়ে সারাদিন হাজারটা লড়াই করে। পড়াশোনা করে, কাজ করে, পরিবার সামলায়, নিজের স্বপ্নগুলো চেপে রাখে। আর শেষে এসে শুনতে হয় তুমি ঠিক মতো সুন্দর না। এই কথাগুলো বাইরে থেকে হালকা মনে হলেও ভেতরে ভেতরে গভীর দাগ কাটে। সেলফ কনফিডেন্স ভেঙে যায়। আয়নায় তাকালেই নিজের দোষ খুঁজতে থাকে। এটা কি ন্যায্য?

সমাজের ওইসব লোক থাকবেই। তারা থাকেই। আজ রং নিয়ে বলবে, কাল হাইট নিয়ে, পরশু বয়স নিয়ে। তাদের কথা শেষ হবে না।

কিন্তু প্রশ্ন হলো আমরা কতটা গুরুত্ব দেব। একটা মেয়ের মূল্য কি শুধু বিয়ের বাজারে তার লুক দিয়ে মাপা হবে? সে কি মানুষ না? তার কি অনুভূতি নেই?

সুন্দর মানে শুধু ফর্সা বা শ্যামলা হওয়া না। সুন্দর মানে কনফিডেন্স। সুন্দর মানে নিজের জায়গায় ঠিক থাকা। সুন্দর মানে নিজের মতো করে বাঁচা সমাজের সার্টিফিকেট লাগবে না। আপনি যদি চান নিজের জন্য নিজেকে একটু পরিবর্তন করতে সেটা শুধু হবে নিজের ইচ্ছায়। কারো কথার চাপে পড়ে না।

যদি আপনি এই কথাগুলো শুনে বড় হয়ে থাকেন, জেনে রাখুন সমস্যা আপনার না। সমস্যা ওই মানসিকতার। আপনি যথেষ্ট। আপনি সুন্দর। আপনি নিজের মতো করেই ঠিক আছেন। আর হ্যাঁ, যারা জাজ করে তারা আসলে নিজেদের অসন্তুষ্টির শব্দই ছড়ায়। একটু স্মাইল করুন আর এগিয়ে যান।

🚨অতিরিক্ত রাত জাগা মানেই ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে হাঁটা 🔴🚨রাত জাগা শুধু অভ্যাস না—এটা নীরব ঘাতক।চোখে চোখ রেখে শরীরকে শেষ ক...
09/01/2026

🚨অতিরিক্ত রাত জাগা মানেই ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে হাঁটা 🔴🚨

রাত জাগা শুধু অভ্যাস না—এটা নীরব ঘাতক।
চোখে চোখ রেখে শরীরকে শেষ করে দেওয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর পথ।

⚠️ রাত জাগলে শরীরের ভেতরে কী ঘটে? (ভয়ংকর সত্য)

🧠 মস্তিষ্ক ধ্বংসের শুরু
রাত ১১টা–২টার মধ্যে ব্রেন নিজেকে রিপেয়ার করে।
এই সময় জাগলে—
❌ ব্রেনের সেল ধ্বংস হয়
❌ স্মৃতিশক্তি কমে
❌ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হয়
👉 একসময় ডিপ্রেশন, পাগলামি, আত্মহত্যার চিন্তা জন্মায়।

❤️ হার্ট চুপচাপ মারা যায়
রাত জাগলে কর্টিসল (Stress Hormone) বেড়ে যায়।
➡️ রক্তচাপ বাড়ে
➡️ হার্টে অতিরিক্ত চাপ পড়ে
➡️ হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২–৩ গুণ বেড়ে যায়
⚠️ অনেকেই ঘুম না ভেঙেই মারা যায়—কারণ? রাত জাগা!

🩸 রক্ত বিষে পরিণত হয়
ইনসুলিন কাজ করা বন্ধ করে দেয়
➡️ ডায়াবেটিস
➡️ ফ্যাটি লিভার
➡️ কিডনি ধ্বংস
শরীর ভিতর থেকে পচতে শুরু করে।

🛡️ ইমিউন সিস্টেম ভেঙে পড়ে
রাত জাগা মানুষ—
❌ বেশি অসুস্থ হয়
❌ ইনফেকশন সহজে ধরে
❌ ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়
কারণ শরীরের প্রতিরক্ষা সেনা ঘুমের সময় তৈরি হয়।

😵 চোখ, ত্বক ও যৌন শক্তি শেষ
👁️ চোখ শুকিয়ে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা
😞 ত্বক বুড়িয়ে যায়
🔥 যৌন শক্তি ও হরমোন ধ্বংস
➡️ পুরুষত্ব/নারীত্ব দুর্বল হয়ে যায়



🚫 সবচেয়ে ভয়ংকর সত্য

👉 যারা প্রতিদিন রাত জাগে
তারা হঠাৎ মৃত্যুর দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়—নিজের অজান্তেই।



🚨 FINAL WARNING

🕰️ রাত ১০টা–১১টার মধ্যে না ঘুমালে
আপনি আজ না হোক—কাল নিজের শরীরের লাশ কাঁধে তুলবেন।



👉 নিজের জন্য না—পরিবারের জন্য এই বার্তাটা শেয়ার করুন।
কারণ সতর্কতা আজ, বাঁচা কাল।

🚨 #রাতজাগা_মৃত্যু
#ঘুম_বাঁচায়

08/01/2026

বদ নজরের থেকেও ভয়ংকর একটা জিনিস আছে সেটা হলো hasaad! এটা হলো বদনজরের সর্বোচ্চ স্তর।

আমি hasaad সম্পর্কে প্রথম জানি কয়েকমাস আগে। তখন হাসপাতালে ভর্তি,হাতে প্রচুর সময়।স্পিরিচুয়াল কিছু লেখা পড়ার সময় চোখে পড়ে এই বিষয়ে। এটা একটা আরবি শব্দ। hasad শুধু মাত্র নরমাল জেলাসি বা জাদু না।এটা একটা মনোভাব। এটা হলো কারো ধ্বংস চাওয়া

অনেক সময় বলে না ভালো কিছু মানুষ জানলে নজর লাগে,আর hasaad হলো এমন চাওয়া যেন আপনার ভালো না হোক,যা ভালো আছে সেটাও ধ্বংস হয়ে যাক।

নরমাল হিংসা তে মানুষ বেশির থেকে বেশি কি ভাবে? যে ইশ ওর মত আমার যদি এটা থাকতো।আর হাসাদকারীর মনে হয় যেভাবেই হোক আপনার ব্লেসিং যেন নষ্ট হয়ে যায়। এবং এই কন্সটেন্ট নেগেটিভ এনার্জি মানুষের জীবনে এফেক্ট ফেলবেই

কিভাবে চিনবেন এই ধরনের মানুষ?

- আপনার প্রচুর অপ্রয়োজনীয় প্রশংশা করবে। এপ্রিশিয়েট আর জোর করে প্রশংসা করা দুইটা আপনি অবশ্যই বুঝতে পারবেন। এটা মানুষ সাবকনশাসলি নিজের হিংসা লুকাতে করে
- আপনার এচিভমেন্টকে নালিফাই করার চেষ্টা করবে।এমন ভাব করবে - এ আর এমন কি করে ফেলেছো
- ব্যাকবাইটিং করবে। আপনার পেছনে আপনার নামে হেন খারাপ কিছু নেই যে বলবে না
- আপনার যেকোন ডিসিশনের ভুল ধরবে। কোন না কোন ভাবে এটা প্রমাণ করতে চাইবে আপনি ভুল করছেন
- যেকোন কাজে ডিসকারেজ করার চেষ্টা করবে।তার মনে এই ভয় থাকবে যে আপনি সফল না হয়ে যান!
- আপনার ভালো কিছুতে সূক্ষভাবে অপ্রীতিকর কিছু বলবে

সবচেয়ে ভয়ের হলো - এসব মানুষ সব সময় আমাদের আশেপাশে থাকে। এই যে - ওর এটা নষ্ট হয়ে যাক,ওর ভালো না হোক এই চাওয়া এই নেগেটিভ এনার্জিই আপনার সব ভালো নষ্ট করে দেওয়ার জন্য নষ্ট।

এবং আমরা সবাই একটু হলেও জানি আমাদের জীবনে এই মানুষ কে বা কারা হতে পারে!

এই হাসাদ কতটুকু ভয়ংকর হলে এটা হারাম করা হয়েছে। এবং সূরা ফালাকে একটা আয়াত আছে আল্লাহর কাছে এর থেকে পানাহ চেয়ে Wa min sharri ḥāsidin idhā ḥasad!!

NOW IT EXPLAINS SO MANY THINGS!

‎কেউ যন্ত্রণা দিচ্ছে ? চুপ হয়ে যান। ‎কেউ অনেক ভালবাসার পরও প্রাপ্যটা দেয়নি ? চুপ হয়ে যান। ‎কোন মানুষ অনেক অপমান করছে?চুপ...
07/01/2026

‎কেউ যন্ত্রণা দিচ্ছে ?
চুপ হয়ে যান।
‎কেউ অনেক ভালবাসার পরও প্রাপ্যটা দেয়নি ?
চুপ হয়ে যান।
‎কোন মানুষ অনেক অপমান করছে?
চুপ হয়ে যান।
‎কেউ ঠকিয়ে গেছে ?
‎চুপ হয়ে যান।
‎কেউ আপনাকে নিয়ে তুমুল মিথ্যা দোষারোপ করছে ?
‎চুপ হয়ে যান।
‎কেউ বিশ্বাস ঘাতোকতা করছে ?
চুপ হয়ে যান।

এমন নিরব হয়ে যান যেন সে মানুষগুলো যেনো আর কখনই আপনার শব্দ কিংবা ছায়া না দেখে । মৃত হয়ে যান তাদের কাছে।

‎প্রতিজ্ঞা করুন আর কখনই ঘুরে তাকাবেন না । শুধু এই প্রতিজ্ঞাটা করতে পারলে আপনি কষ্ট পাবেন না । এই যে নিরবতা আপনাকে দম বন্ধ করা আর্তনাদ দিবে কিন্তু অপর পক্ষকে দিবে আফসোস ।

‎আসলে আমরা হারাবার ভয়ে শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করি।
‎কিন্তু আপনি জানেন কি ?
‎যে মানুষগুলো আপনাকে মানুষ বলে মূল্যায়ন করেনি , আপনাকে দমবন্ধ কান্নার অনুভূতি দিয়েছে তারা আপনার কেউ না ।

‎তাই শব্দ দিয়ে, কান্না দিয়ে দুনিয়ার সমস্ত মূল্যবান সময় দিলেও ওরা আপনার মূল্য বুঝবে না ।
‎তাই নিজের স্বার্থে বাঁচুন
‎নিজেকে ভালোবাসুন,,
‎আপনার একজন "সৃষ্টিকর্তা " আছেন.!
‎সকল দুঃখ, কষ্ট, চাওয়া,পাওয়া'র কথা সৃষ্টিকর্তাকে বলুন তিনি সব কিছুর সমাধান করবেন।

স্বামী তার স্ত্রীকে পড়াশোনা করিয়েছে।স্ত্রী এখন জব করে।  কিন্তু সংসারে কোন কন্ট্রিবিউশন করতে আগ্রহী নয়। তার টাকা ছোট ভাই ...
04/01/2026

স্বামী তার স্ত্রীকে পড়াশোনা করিয়েছে।
স্ত্রী এখন জব করে। কিন্তু সংসারে কোন কন্ট্রিবিউশন করতে আগ্রহী নয়। তার টাকা ছোট ভাই পায়, মা বাবা পায়, কিন্তু যে সংসারটা সে করে সেখানে খরচ হয় না। ফ্যাক্ট ইজ স্ত্রীর টাকায় সংসার চালাবা? হাউ লেইম ইউ আর।

এদিকে চাহিদা বাড়তে থাকা সংসার স্বামী একা টানতে টানতে ক্লান্ত।

একটু বিপরীত চিত্র দেখে আসি।
পরিবারের অমতে একটা বেকার ছেলেকে বিয়ে করে এখন সব কিছু হারানোর পথে। নিজে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহায়কের চাকুরী করে যা কামায়, তার সিংহভাগই কেড়ে নেয় স্বামী। সেই টাকায় জু/য়া খেলে। টাকা উড়ায়। সংসারের জন্য আর কিছুই থাকে না। মেয়েটা ফিরতে নিজের পরিবারে। গড়তে পারে না নিজের সংসার।

এইবার একটু ভিন্ন সিনারিও দেখি।
স্বামী স্ত্রী দুজনেই জব করে। দুজনেই সংসারে কন্ট্রিবিউট করে। কিন্তু কেউ কাউকে তেমন সময় দিতে পারে না। দুজন একসাথে ডিনার করে খুব কম সময়েই। ওদিকে স্বামীর বেশিরভাগ সময় কাটে অফিস কলিগ রাইসার সাথে। আর বেচারি স্ত্রীকে বাসার সামনে নামিয়ে দিয়ে যায় তার অফিস কলিগ রফিক সাহেব। এভাবেই চলে জীবন। কারো প্রতি কারো অভিযোগ নেই। সোস্যাল সাইটে নিয়ম করে স্টোরি দেয়া হয়। কোথাও ঘুরতে গেলে নিয়ম করে ২৬ টা পিক আপলোড করা হয়। তারা হ্যাপিলি ম্যারিড ইন সোস্যাল সাইট। রাত বাড়লে বউটা নক দেয় অফিস কলিগ রফিককে। কারণ স্বামী তখন ঘুমে। আর স্বামী বেচারার মন খারাপ হলে শেয়ার করে তার অফিস কলিগ রাইসার সাথে। কারণ তার বউকে সবসময় পাওয়া যায় না। বিজি থাকে।

একদিন আচমকাই শোনা গেলো তাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। মিউচুয়াল রেস্পেক্ট রেখে আলাদা হয়ে গেছে। কেন হয়েছে কেউ বলতে পারে না। স্বামী শুধু তার কলিগ রাইসার কাছে বউয়ের নামে বিষোদগার করে। আর স্ত্রী বেচারি এখন রফিক সাহেবের সাথেই বেশির ভাগ সময় কাটায়।

উপরে যে তিনটা সিনারিও দেখালাম সেটা নতুন কিছু না। আপনার আমার চারপাশের গল্পই।

এখন আর স্ত্রীরা স্বামীর জন্য খাবার টেবিলে অপেক্ষা করে না।

স্বামীরা এখন স্ত্রীর জন্য বাইরে থেকে এটা সেটা কিনে আনে না।

এই শহরের গলি ঘুপচিতে এখন শুধু কাপলেরা ঘুরে বেড়ায়। কমিটেড কাপল, নন কমিটেড কাপল, প্রোটেকশন ইউজ করা কাপল, প্রোটেকশন ইউজ না করা কাপল।

এখন রঞ্জনারা পাশের বাসার দাদার সাথে কথা বললেও প্রেমিকেরা চুপ থাকে। তারা কিছু বলে না। অথচ এক সময় দাদাদের ঠ্যাং ভেংে দেয়া হতো।

রিকশায় ঘুরে বেড়ানো প্রেমটা এখন ব্যাকডেটেড হয়ে গেছে। এখন বুকিং হয় হোটেল রুম আর এস্থেটিক বেলুন।

এখনবার কেউ মা বাবা হতে চায় না। সবাই চায় সেই কাংখিত লং ডিউরেশন। এখন সন্তানেরা গর্ভে আসে না। তাদের পাওয়া যায় ডাস্টবিনে। মরা ভ্রুনের গল্প উড়ে বেড়ায় আকাশে বাতাসে।

এখন আর কেউ মেইড ফর ইচ আদার হয় না। এখন বেশির গিভ এন্ড টেকে বিশ্বাসী।

এখন খুব কম নারীই স্ত্রী হওয়ার জন্য বিয়েতে বসে। খুব কম পুরুষই স্বামী হওয়ার জন্য বিয়ে করে।

এখন সবাই ইকোনোমিক্যালি স্ট্যাবল একটা পুরুষ চায়। স্বচ্ছল একজন স্ত্রী চায়। কেউ কারো জন্য স্ট্রাগল করতে আগ্রহী নয়
এতোকিছুর মধ্যেও ভালো থাকে রিকশাচালক মন্টু মিয়া আর তার স্ত্রী জোনাকি। মন্টু তার বউকে বাসি বেলী ফুলের মালা দেয় সুযোগ পেলেই। জোনাকি তাতেই খুশি।

মন্টু হোটেলে খায় না।
খাবার সময় হলেই বাসায়।চলে আসে। জোনাকির সাথে বসে একসাথে খায়। জোনাকি খুশি হয় তার প্রতি স্বামীর ভালোবাসা দেখে।

মন্টুর বউকে সোস্যাল মিডিয়ায় নাচতে দেখা যায় না। তারা ২৬ টা পিক আপলোড করে না।

এক জীবনে সাধারণ হয়ে থাকতে পারাটাই সবচেয়ে অসাধারণ একটা ব্যাপার।

Arafat Abdullah ( মধ্যরাতের অশ্বারোহী)

04/01/2026

মানুষ যখনই কারোর প্রশংসা করে তখন খুব কম লোকেই তা বিশ্বাস করে,
কিন্তু যখন কিনা কারোর বদনাম করা হয় তখন প্রায় সবাই তাকে বিশ্বাস করে।🤍

“জুতা আর মানুষ যদি ব্যাথা দেয়—তাহলে বুঝবেন ওরা আপনার যোগ্য না।”এই কথাটা মিষ্টি করে বোঝানোর কিছু নেই।কারণ সত্য কখনো নরম হ...
03/01/2026

“জুতা আর মানুষ যদি ব্যাথা দেয়—তাহলে বুঝবেন ওরা আপনার যোগ্য না।”

এই কথাটা মিষ্টি করে বোঝানোর কিছু নেই।
কারণ সত্য কখনো নরম হয় না।

যে জুতা পায়ে ফোসকা তোলে, রক্ত ঝরায়—
ওটা আপনি যত দাম দিয়েই কিনে থাকুন,
শেষ পর্যন্ত খুলে ফেলতেই হয়।
কারণ পা ভাঙলে জুতা বদলানো যায়,
কিন্তু পা বদলানো যায় না।

ঠিক একইভাবে—
যে মানুষটা বারবার আপনাকে অপমান করে,
আপনার আত্মসম্মানকে ভাঙে,
আপনার নীরবতাকে নিজের অধিকার ভাবে—
সে মানুষটা আপনার জন্য না।
পিরিয়ড।

ভালোবাসার নামে কষ্ট সহ্য করা মহত্ত্ব না,
এটা আত্মসম্মানের মৃত্যু।
সব সহ্য করা মানুষ ভালো না,
অনেক সময় তারা শুধু ভাঙা।

মনে রাখবেন,
যেখানে আপনাকে চুপ থাকতে হয় শান্তির জন্য,
সেখানে আপনি শান্তিতে নেই—আপনি দমবন্ধ অবস্থায় আছেন।

জুতা পাল্টালে মানুষ কিছু বলে না,
কিন্তু ভুল মানুষ ছাড়লে সবাই উপদেশ দেয়।
কারণ তারা আপনার ব্যাথা বহন করে না,
আপনিই করেন।

নিজেকে ছোট করে
কারো জীবনে ফিট হওয়ার চেষ্টা করবেন না।
আপনি কারো ট্রায়াল ভার্সন না।

যে আপনাকে ব্যাথা দেয়—
সে জুতা হোক বা মানুষ—
দুটোই খুলে ফেলার জিনিস।
✍️কলমে-তাহমিনা আক্তার লিলি

Address

Munshiganj

Telephone

+8801303507352

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when T&T Girl's Collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share