Sobkhobor24

Sobkhobor24 Hi

29/12/2025

**রাতের আঁধারে দাফন, পুলিশের অজ্ঞাতে সমঝোতা

এইচএসসি ছাত্রী সালেহা আক্তারের মৃত্যু ঘিরে রহস্য ও বিতর্ক**

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জের গোপাল নগরে মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সালেহা আক্তার (১৮) এর মৃত্যু ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রথমে হত্যার অভিযোগ উঠলেও পরে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সমঝোতার মাধ্যমে পুলিশকে অবহিত না করেই রাত সাড়ে ১০টার দিকে লাশ দাফন করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিহত সালেহা আক্তার গোপাল নগর এলাকার ভাড়াটিয়া লিটনের মেয়ে। শনিবার সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে তার মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহতের মা হামিদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘সাত ঘাটের পানি মেয়েকে দিয়েই আনা হয়েছে। মেয়ের ঠান্ডাজনিত রোগ ছিল। কিছুদিন আগে অপারেশনও করা হয়েছিল।’ তবে কী পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।

এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, মাছ ব্যবসায়ী ইলিয়াসের বাড়িতে প্রায়ই রাত যাপন করত সালেহা। তাদের দাবি, ইলিয়াস একজন অর্থশালী ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে নারীদের প্রতি দুর্বলতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, কোনো এক ঘটনায় সালেহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে এবং বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, গোপনীয়ভাবে মোটা অংকের অর্থ দিয়ে সালেহার পরিবারের সঙ্গে সমঝোতা করা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। তাদের ভাষ্য, নিহতের বাবা ও ভাই নেশাগ্রস্ত হওয়ায় সহজেই অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, ফকির হিরার মাধ্যমে কালো জাদু প্রয়োগ করে প্রভাবশালী মাছ ব্যবসায়ী ইলিয়াস সালেহাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। তবে এ দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি।

সব অভিযোগ অস্বীকার করে মাই ফরাশ মাছ ব্যবসায়ী ইলিয়াস বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে নিজের সন্তানের মতো করে লালন-পালন করেছি। তার চিকিৎসার খরচও দিয়েছি। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি আমার জানা নেই।’

ইলিয়াসের ছেলে শামীম বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি গত রাতেই মিমাংসা হয়েছে। মিমাংসার পর লাশ দাফন করা হয়। মেয়েটি আমাদের বাসায় কাজ করত। তার বাবা ও ভাই নেশাগ্রস্ত হওয়ায় সে সেখানে থাকতে ভয় পেত।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টার দিকে সালেহার মৃত্যু হয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে দাফন সম্পন্ন করা হয়। পুলিশকে অবহিত না করেই দাফন সম্পন্ন হওয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমি এই মেয়েটির মৃত্যুর বিষয়ে কিছুই জানি না। ঠান্ডাজনিত কারণে মারা গেছে শুনেছি। দাফনের জন্য সমস্যা হওয়ায় আমি দুই হাজার টাকা দিয়েছিলাম। কোনো ধরনের সমঝোতা বা বিচার-শালিশ সম্পর্কে আমি অবগত নই।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ঘটনার প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

29/12/2025

**পুলিশকে না জানিয়ে দাফন কতটা আইনসম্মত?
সালেহা আক্তারের মৃত্যু ঘিরে যে প্রশ্নগুলো উঠছে**
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জের গোপাল নগরে এইচএসসি ছাত্রী সালেহা আক্তারের মৃত্যুর পর পুলিশকে অবহিত না করেই দাফন সম্পন্ন হওয়ার ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে আইন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে। বিশেষ করে যখন মৃত্যুকে ঘিরে হত্যার অভিযোগ, সমঝোতার কথা এবং ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য সামনে আসছে, তখন বিষয়টি আর সাধারণ মৃত্যু হিসেবে দেখার সুযোগ কমে যাচ্ছে।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো অস্বাভাবিক, সন্দেহজনক বা অভিযোগযুক্ত মৃত্যুর ক্ষেত্রে থানাকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। পুলিশ চাইলে সুরতহাল রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত কিংবা অপমৃত্যু মামলা করতে পারে। কিন্তু এই ঘটনায় সন্ধ্যার দিকে মৃত্যু হলেও রাত সাড়ে ১০টার মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় দ্রুত সমঝোতার পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। এটি সত্য হলে প্রশ্ন আসে, সমঝোতা কি আইনকে পাশ কাটানোর বৈধ উপায় হতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ফৌজদারি অপরাধের সম্ভাবনা থাকলে ব্যক্তিগত সমঝোতা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিহত একজন এইচএসসি ছাত্রী। বয়স কম হওয়ায় তার মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও সন্দেহের মাত্রা বাড়ে। বিশেষ করে যখন তার বসবাস, কাজ এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে একাধিক বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রেই সাধারণত প্রশাসনের ভূমিকা জরুরি হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, পরিবারের দুর্বলতা ও সামাজিক অবস্থানও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, পরিবারের আর্থিক সংকট ও অভিভাবকের নেশাজনিত সমস্যার সুযোগ নিয়ে সহজেই সমঝোতা করা হয়েছে। এটি সত্য হলে সমাজের একটি ভয়াবহ বাস্তবতা সামনে আসে, যেখানে দরিদ্র ও অসহায় পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।

কালো জাদুর মতো অভিযোগও উঠেছে, যা প্রমাণসাপেক্ষ নয়। তবে এমন অভিযোগ ওঠার অর্থ হলো, পরিবার ও এলাকাবাসীর মনে গভীর সন্দেহ ও অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। এসব সন্দেহ দূর করার একমাত্র উপায় ছিল একটি স্বচ্ছ তদন্ত, যা দাফনের মাধ্যমে আর সম্ভব নয়।

প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু লাশ দাফন হয়ে যাওয়ায় তদন্তের পরিধি সীমিত হয়ে গেছে বলেই মনে করছেন আইনজ্ঞরা। ফলে ভবিষ্যতে এই ঘটনা একটি অনিরসনযোগ্য প্রশ্ন হয়েই থেকে যেতে পারে।

সালেহা আক্তারের মৃত্যু তাই শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়। এটি স্থানীয় ক্ষমতা, সামাজিক বৈষম্য, আইনের প্রয়োগ এবং প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার একটি বড় উদাহরণ হয়ে উঠছে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কতটা সক্রিয় ভূমিকা নেয় এবং এই রহস্য কতটা উন্মোচিত হয়।

29/12/2025

**অসহায় পরিবার, প্রভাবশালীর ছায়া
সালেহা আক্তারের মৃত্যু ও মানবাধিকারের প্রশ্ন**
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
এইচএসসি ছাত্রী সালেহা আক্তারের মৃত্যু শুধু একটি রহস্যজনক ঘটনা নয়, এটি মানবাধিকারের একাধিক মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। বিশেষ করে যখন একটি কিশোরী মেয়ের মৃত্যু নিয়ে অভিযোগ ওঠে, অথচ রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কোনো সংস্থাই তাৎক্ষণিকভাবে জড়িত হয় না, তখন বিষয়টি গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মানবাধিকারের সবচেয়ে মৌলিক অধিকার হলো জীবনের অধিকার। কোনো মানুষের মৃত্যু স্বাভাবিক কি না, তা নির্ধারণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই ঘটনায় পুলিশকে অবহিত না করেই দাফন সম্পন্ন হওয়ায় সেই দায়িত্ব পালনের সুযোগই হারিয়ে গেছে। এর ফলে সালেহা আক্তারের জীবনের অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র কার্যত ব্যর্থ হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন উঠছে।

এখানে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো ন্যায়বিচারের অধিকার। একটি মৃত্যুর পেছনে যদি সহিংসতা, অবহেলা বা অপরাধের সামান্যতম সন্দেহও থাকে, তবে ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় সমঝোতার নামে যদি তদন্তের পথ রুদ্ধ করা হয়, তবে তা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

আরও উদ্বেগজনক দিক হলো সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, নিহতের পরিবার ছিল দুর্বল ও অসচ্ছল। অভিযোগ উঠেছে, এই দুর্বলতাকেই কাজে লাগিয়ে প্রভাবশালী পক্ষ দ্রুত সমঝোতা চাপিয়ে দিয়েছে। মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলেন, দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারগুলো প্রায়ই এমন পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।

একজন কিশোরী ছাত্রী হিসেবে সালেহার বিশেষ সুরক্ষার অধিকারও ছিল। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ ও শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী, কিশোরী মেয়েরা রাষ্ট্রের বিশেষ সুরক্ষা পাওয়ার কথা। কিন্তু এই ঘটনায় সেই সুরক্ষা দৃশ্যমান হয়নি।

ঘটনার পর পরিবারের বক্তব্যে ভয়, দ্বিধা ও অস্পষ্টতা স্পষ্ট। মানবাধিকার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ‘নীরব সম্মতি’ নয়, বরং চাপ ও পরিস্থিতিগত অসহায়তার প্রতিফলন হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক চাপ, ভয়ভীতি বা আর্থিক প্রলোভনের কারণে পরিবার অভিযোগ তুলতে পারে না।

মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন, লাশ দাফন হয়ে গেলেও প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রয়োজন হলে প্রশাসন স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করতে পারে। অন্তত মৃত্যুর পরিস্থিতি, সমঝোতার প্রক্রিয়া এবং কারা মধ্যস্থতা করেছে, তা খতিয়ে দেখা মানবাধিকারের দৃষ্টিতে জরুরি।

সালেহা আক্তারের মৃত্যু আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানবাধিকার কেবল কাগজে লেখা অধিকার নয়। এটি বাস্তবে কার্যকর না হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সমাজের দুর্বল মানুষগুলো। এখন প্রশ্ন হলো, এই ঘটনায় রাষ্ট্র ও সমাজ কি সেই দায়িত্ব নেবে, নাকি সালেহার মতো আরও অনেক মৃত্যু নীরবে চাপা পড়ে যাবে।

29/12/2025

গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হ...

29/12/2025

নিখোঁজের তিন দিন পর নদী থেকে উদ্ধার যুবকের লাশ, দুই বন্ধু পলাতক মুন্সীগঞ্জে
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার ২৫ বছর বয়সী যুবক উমায়ের হাসানকে (২৫) নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর গজারিয়া উপজেলার মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে কাজীপুরা গ্রামের সংলগ্ন নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের ধারণা, নদীপথে ভেসে লাশটি গজারিয়া অংশে পৌঁছেছে।

নিহত উমায়েরের মা আনার কলি অভিযোগ করেছেন, গত ২৪ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে উমায়েরকে তার দুই বন্ধু সোহাগ ও বায়েজিদ ফোন করে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি বাড়ি ফেরেননি। ঘটনার পরপরই সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও উমায়েরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে তার দুই বন্ধু পলাতক রয়েছে। তিনি সন্দেহ করেন, ওই দুই বন্ধু পরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে হত্যা করেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শরজিৎ কুমার ঘোষ বলেন, লাশ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

29/12/2025

Address

Munshiganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sobkhobor24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share