The Qur'an is a Guide to Islam

The Qur'an is a Guide to Islam It will speak for Islam

22/10/2025

Hud 11:6

وَمَا مِنْ دَآبَّةٍ فِي الْاَرْضِ اِلَّا عَلَي اللّٰهِ رِزْقُهَا وَيَعْلَمُ مُسْتَقَرَّهَا وَمُسْتَوْدَعَهَا ؕ كُلٌّ فِيْ كِتٰبٍ مُّبِيْنٍ

Bangla - Bayaan Foundation

আর যমীনে বিচরণকারী প্রতিটি প্রাণীর রিয্কের দায়িত্ব আল্লাহরই এবং তিনি জানেন তাদের আবাসস্থল ও সমাধিস্থল* । সব কিছু আছে স্পষ্ট কিতাবে**।

* এখানে مستقر বা আবাসস্থল বলতে মাতৃগর্ভে অবস্থান মতান্তরে মৃত্যু পর্যন্ত দুনিয়ায় অবস্থানকে বুঝানো হয়েছে। আর مستودع দ্বারা কবরস্থ করার স্থান মতান্তরে জন্মের পূর্বে পিতৃমেরুদন্ডে অবস্থান কিংবা মৃত্যুর সময় বা স্থান বুঝানো হয়েছে।

Bangla - Tafsir Ibn Kathir

আল্লাহ তাআ’লা সংবাদ দিচ্ছেন যে, ছোট-বড় স্থলভাগে অবস্থানকারী এবং জলভাগে অবস্থানকারী সমস্ত মাখলুকের জীবিকা তাঁরই যিম্মায় রয়েছে। তিনিই ওগুলির চলা, ফেরা, আসা, যাওয়া, স্থির থাকা, মৃত্যুর স্থান, গর্ভাশয়ের মধ্যে অবস্থানের স্থান ইত্যাদি সম্পর্কে পূর্ণভাবে অবহিত রয়েছেন। এটা মুজাহিদ (রঃ), ইবনু আব্বাস (রাঃ), যহ্‌হাক (রঃ) এবং একদল মনীষী বর্ণনা করেছেন। এখানে ইবনু আবি হা’তিম (রঃ) মুফাসসিরদের উক্তিগুলি উল্লেখ করেছেন। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআ’লাই সর্বাধিক জ্ঞানের অধিকারী।

এসব ঘটনা ঐ কিতাবে লিখিত আছে যা আল্লাহ তাআ’লার নিকট রয়েছে এবং ঐ কিতাবই এর ব্যাখ্যা দান করে থাকে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ
وَ مَا مِنْ دَآبَّةٍ فِی الْاَرْضِ وَ لَا طٰٓىٕرٍ یَّطِیْرُ بِجَنَاحَیْهِ اِلَّاۤ اُمَمٌ اَمْثَالُكُمْؕ-مَا فَرَّطْنَا فِی الْكِتٰبِ مِنْ شَیْءٍ ثُمَّ اِلٰى رَبِّهِمْ یُحْشَرُوْنَ
অর্থাৎ “ভূ-পৃষ্ঠে বিচরণকারী যে কোন প্রাণী রয়েছে এবং যে কোন পাখী তার ডানার সাহায্যে উড়ে থাকে, সবগুলিই তোমাদের মতো এক একটি জাতি, কোন কিছুই আমি কিতাবে লিখতে ছাড়ি নাই, অতঃপর সবকিছুকেই তাদের প্রতিপালকের নিকট একত্রিত করা হবে।” (৬: ৩৮) আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ
وَ عِنْدَهٗ مَفَاتِحُ الْغَیْبِ لَا یَعْلَمُهَاۤ اِلَّا هُوَؕ-وَ یَعْلَمُ مَا فِی الْبَرِّ وَ الْبَحْرِؕ-وَ مَا تَسْقُطُ مِنْ وَّرَقَةٍ اِلَّا یَعْلَمُهَا وَ لَا حَبَّةٍ فِیْ ظُلُمٰتِ الْاَرْضِ وَ لَا رَطْبٍ وَّ لَا یَابِسٍ اِلَّا فِیْ كِتٰبٍ مُّبِیْنٍ
অর্থাৎ “অদৃশ্যের চাবিকাঠি তাঁরই কাছে রয়েছে, তিনি ছাড়া কেউই তা জানে না, যা কিছু জলে ও স্থলে রয়েছে সেগুলির খবরও একমাত্র তিনিই জানেন, যে পাতা ঝরে পড়ে সে

16/09/2024

#জ্ঞান

15/09/2024

#গাজোয়াহিন্দ

At-Taghabun 64:1يُسَبِّحُ لِلّٰهِ مَا فِي السَّمٰوٰتِ وَمَا فِي الْاَرْضِ ۚ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ ۫ وَهُوَ عَل...
14/09/2024

At-Taghabun 64:1

يُسَبِّحُ لِلّٰهِ مَا فِي السَّمٰوٰتِ وَمَا فِي الْاَرْضِ ۚ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ ۫ وَهُوَ عَلٰي كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

Bangla - Bayaan Foundation

যা কিছু রয়েছে আসমানসমূহে এবং যা কিছু রয়েছে যমীনে, সবই আল্লাহর জন্য পবিত্রতা ঘোষণা করে। বাদশাহী তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

English - Sahih International

Whatever is in the heavens and whatever is on the earth is exalting Allāh.[1] To Him belongs dominion, and to Him belongs [all] praise, and He is over all things competent.

English - Tafsir Ibn Kathir (Abridged)

11/09/2024

Al-Baqarah 2:208

يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا ادْخُلُوْا فِي السِّلْمِ كَآفَّةً ۪ وَلَا تَتَّبِعُوْا خُطُوٰتِ الشَّيْطٰنِ ؕ اِنَّهٗ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِيْنٌ

হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না । নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য স্পষ্ট শত্রু।

11/09/2024

হে উম্মতে মুহাম্মদ!
হে উম্মতে মুহাম্মদ!
হে উম্মতে মুহাম্মদ!
হে আদমের শ্রেষ্ঠ সন্তানের উম্মত।
তোমার নবীকে ব্যাঙ্গ করা হয়েছে।
কেন তোমাদের প্রতিক্রিয়া নেই।
আল্লাহর কসম! আমদের কেনো কল্যান নেই, যদি এভাবেই আমরা নিশ্চুপ হয়ে থাকি।
যে জাতি তার নেতার সম্মান রক্ষা করতে পারে না সেই জাতি কখনোই তার শত্রুর বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে পারে না।
আল্লাহর নিকট কেদে কেদে বলুন যেন আল্লাহ আমদের পরবর্তী প্রজন্মকে আমাদের মতো না করেন,
আমরাত দূষিত পরিবেশ থেকে লাঞ্চনা অপমানে বেড়ে ঊঠেছি।
আমাদের উচিৎ নারীদের মত পর্দা করে রাস্তায় বেড় হওয়া এবং তখন তারা আমাদের দেখে হাসি ঠাট্টা করুক.....
তারা বলে-
"আমরা যা করছি তা একধরনের মত স্বাধীনতা!"
আমরা তো কখনো তাদের কোনো ইহুদি বা হিন্দুদের নিয়ে বিদ্রুপ করতে শুনি না।
গরুর উপসনা কারীরা (হিন্দুরা) কখন আমাদের চেয়ে বেশি মর্যাদাসম্পন্ন হয়ে গেল!??
আমাদের ভালোবাসা কোথায়?
মুসলিম শাসকদের প্রতিক্রিয়া কোথায়?
বিলিয়ন সংখ্যার উম্মার প্রতিক্রিয়া কোথায়?
আমাদের কেউ কেউ জাহিলিয়াতের ক্ষেত্রে শক্তিশালী, ইসলামের ক্ষেত্রে দুর্বল!

খ্রিষ্টান পন্ডিতদের একটি দল খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণকারী একজন মোঙ্গল রাজার সাথে দেখা করতে জড়ো হয়েছিল
ওখানে খ্রিস্টান পন্ডিত দের মধ্যে একজন হযরত মোহাম্মদ সঃ (নবী) কে ঠাট্টা বিদ্রুপ করতে শুরু করে এবং কাছাকাছি একটি শিকারী কুকুর বাধা ছিল।
তখন কুকুরটি জোরে ঘেঊ ঘেঊ করে উঠে এবং খ্রিস্টান পাদ্রীর প্রতি হিংস্র হয়ে উঠে..... অনেক কষ্টে কুকুরটি তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিল তারা!
একজন লোক বললো -
হযরত মোহাম্মদ সঃ সম্পর্কে বক্তব্যের কারণ এ সে এমন করেছে।
খ্রিস্টানটি বললো -
"না কুকুরটি উগ্র, আমি কিছু ইশারা করেছিলাম তাই সে ভেবেছে আমি তাকে আঘাত করব"
এরপর পুনরায় সে আরও জঘন্যভাবে হযরত মোহাম্মদ সঃ কে নিয়ে উপহাস করতে লাগলো।

হঠাৎ করে কুকুরটি তার বাধন ছিড়ে খ্রিস্টান ব্যক্তিটির উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই তার গর্দান বিচ্ছিন্ন করে দেয়....
এই ঘটনায় চল্লিস হাজার মোঙ্গল ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল....
কুকুরাও ক্রোধে ফেটে পড়েছিল..
তাহলে আমাদের ক্রোধ কোথায়??
গাছপালাও আপনাকে ভালোভাসে
"ইয়া হাবীবুল্লাহ"
তাহলে আমাদের ভালোবাসা কোথায়??
হযরত মোহাম্মদ সঃ সবসময় তার সাহাবীদেরকে বলতেন -
"আমি আমার ভাইদের সাক্ষাতের আকাঙ্খা রাখি।
তারা বলতেন-
আমরা কি আমরা আপনার ভাই নই?
হযরত মোহাম্মদ সঃ বলতেন- "তোমারাতো আমার সাথী। আমার ভাই হলো তারা, যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে, আমাকে বিশ্বাস করবে এবং আমাকে অনুসরণ করবে।"
- শাইখ খালিদ আর রশিদ

08/03/2023

ঘুম থেকে উঠে এই দু’আ পড়বে

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ اَحْيَانَا بَعْدَ مَا اَمَاتَنَا وَ اِلَيْهِ النُّشُوْرُ

আলহামদু লিল্লাা হিল্লাযী আহ ইয়াানাা বা‘দা মাা আমাা তানাা ওয়া ইলাইহিন নুশূর।

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি আমাদের মৃত্যু দানের পর পুনরায় জীবন দান করেছেন এবং মৃত্যুর পর তাঁ‍রই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন করতে হবে।

(সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৮৭৩), মুসলিম হা নং ২৭১১

(১) حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ قَالَ ‏"‏ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا ‏"‏‏.‏ وَإِذَا قَامَ قَالَ ‏"‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ ‏"‏‏.‏

কাবীসা (র)....... হুযায়ফা ইবন ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, নবী (সা) যখন বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতে যেতেন, তখন তিনি এ দু’আ পড়তেন:

بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَ

আর তিনি যখন জেগে উঠতেন তখন পড়তেন:

الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ

(সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৮৭৩)

(২) حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ حُذَيْفَةَ ـ رضى الله عنه قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ مِنَ اللَّيْلِ وَضَعَ يَدَهُ تَحْتَ خَدِّهِ ثُمَّ يَقُولُ ‏"‏ اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا ‏"‏‏.‏ وَإِذَا اسْتَيْقَظَ قَالَ ‏"‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ ‏"‏‏.‏

হযরত হোযাইফা (রাযিঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাত্রে আপন বিছানায় শয়ন করিতেন তখন নিজের হাত গালের নিচে রাখিতেন এবং এই দু’আ পড়িতেন--

"اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَ"

অর্থাৎ আয় আল্লাহ্, আমি আপনার নামে মৃত্যুবরন করি--অর্থাৎ ঘুমাই এবং জীবিত হই--অর্থাৎ জাগ্রত হই।

আর যখন জাগ্রত হইতেন তখন এই দু’আ পড়িতেন--

"الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ"

অর্থাৎ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ তা’আলার জন্য যিনি আমাকে মৃত্যুর পর জীবন দান করিয়াছেন এবং আমাদেরকে কবর হইতে উঠিয়া তাহারই দিকে প্রত্যাবর্তন করিতে হইবে। (বোখারী - ৬৩১৪)

07/03/2023

ঘুম না এলে এ দু‘আ পড়বে

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا اَظَلَّتْ وَرَبَّ الْاَرَضِيْنَ وَمَا اَقَلَّتْ وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنَ وَمَا اَضَلَّتْ كُنْ لِّيْ جَارًا مِّنْ شَرِّ خَلْقِكَ كُلِّهِمْ جَمِيْعًا اَنْ يَفْرُطَ عَلَيَّ اَحَدٌ مِّنْهُمْ اَوْ اَنْ يَّبْغِيَ عَزَّ جَارُكَ وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ لَاۤ اِلٰهَ غَيْرُكَ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اَنْتَ .

আল্লাাহুম্মা রব্বাস সামাওয়াা তিস সাব‘ই ওয়ামাা আযা ল্লাত ওয়া রব্বাল আরাযীনা ওয়ামাা আক্বাল লাত ওয়া রব্বাশ শায়াা ত্বীনি ওয়ামাা আযাল লাত কুন লী জাা রন মিন শাররি খলক্বিকা কুল্লিহিম জামী‘আন আন ইয়াফরুত্বা ‘আলাইয়্যা আহাদুন মিনহুম আউ আন ইয়াবগিয়া ‘আযযা জাা রুকা ওয়া জাল্লা সানাা উকা ওয়ালাা ইলাহা গইরুকা লাা ইলাাহা ইল্লাা আনতা।

হে আল্লাহ! আপনি সপ্ত আকাশের প্রতিপালক এবং ঐ সকল বস্তুর প্রতিপালক, যার উপর সপ্তম আকাশ বিস্তার করে আছে এবং যিনি সমগ্র জমিনের প্রতিপালক এবং ঐ সকল বস্তুর প্রতিপালক যা সমগ্র জমিন বহন করে আছে এবং যিনি শয়তান ও ঐ লোকদের প্রতিপালক যাদেরকে শয়তান গোমরা করেছে। হে প্রতিপালক আল্লাহ! আপনি সমগ্র মাখলুকের অনিষ্ট হতে আমার রক্ষাকারী এবং আশ্রয়দাতা হয়ে যান। যাতে এ সকল মাখলুকের মধ্য হতে কোন মাখলুক আমার উপর অত্যাচার-অবিচার করতে না পারে। নিশ্চয়ই একমাত্র আপনার আশ্রিত ব্যক্তিই প্রভাবশালী নিরাপদ এবং একমাত্র আপনার প্রশংসাই অতি মহান। আপনি ছাড়া অপর কোন মা‘বুদ নেই। একমাত্র আপনি ইবাদতের যোগ্য।

(তিরমিযী হাদীস নং-৩৫২৩)

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ الْمُؤَدِّبُ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ ظُهَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَلْقَمَةُ بْنُ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ شَكَا خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ الْمَخْزُومِيُّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا أَنَامُ اللَّيْلَ مِنَ الأَرَقِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا أَوَيْتَ إِلَى فِرَاشِكَ فَقُلِ اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظَلَّتْ وَرَبَّ الأَرَضِينَ وَمَا أَقَلَّتْ وَرَبَّ الشَّيَاطِينِ وَمَا أَضَلَّتْ كُنْ لِي جَارًا مِنْ شَرِّ خَلْقِكَ كُلِّهِمْ جَمِيعًا أَنْ يَفْرُطَ عَلَىَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَوْ أَنْ يَبْغِيَ عَلَىَّ عَزَّ جَارُكَ وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ لَيْسَ إِسْنَادُهُ بِالْقَوِيِّ ‏.‏ وَالْحَكَمُ بْنُ ظُهَيْرٍ قَدْ تَرَكَ حَدِيثَهُ بَعْضُ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَيُرْوَى هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏
সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রাহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ আল-মাখযুমী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অভিযোগ করে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! দুশ্চিন্তা বা স্নায়ুবিক চাপের কারণে রাতে আমি ঘুমাতে পারি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন তুমি বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ কর তখন বল, “হে আল্লাহ! সাত আকাশের প্রতিপালক এবং যা কিছুর উপর তা ছায়া বিস্তার করেছে, সাত যমিনের প্রতিপালক এবং যা কিছু তা উত্থাপন করেছেন, আর শাইতানদের প্রতিপালক এবং এরা যাদেরকে বিপথগামী করেছে। তুমি আমাকে তোমার সকল সৃষ্টিকুলের খারাবী হতে রক্ষার জন্য আমার প্রতিবেশী হয়ে যাও, যাতে সেগুলোর কোনটি আমার উপর বাড়াবাড়ি করতে না পারে অথবা আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে না পারে। সম্মানিত তোমার প্রতিবেশী, সুমহান তোমার প্রশংসা। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তুমি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই"।

07/03/2023

ঘুমের পূর্বে পড়ার দু’আ

اَللّٰهُمَّ بِاسْمِكَ اَمُوْتُ وَاَحْيَا

আল্লাাহুম্মা বিসমিকা আমূতু ওয়া আহইয়াা।

হে আল্লাহ! আমি আপনারই নামে মৃত্যুবরণ করব, আপনার নামের সাথেই জীবিত থাকব।

(সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৮৭৩)

(১) حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ قَالَ ‏"‏ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا ‏"‏‏.‏ وَإِذَا قَامَ قَالَ ‏"‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ ‏"‏‏.‏

কাবীসা (র)....... হুযায়ফা ইবন ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, নবী (সা) যখন বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতে যেতেন, তখন তিনি এ দু’আ পড়তেন:

بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَ

আর তিনি যখন জেগে উঠতেন তখন পড়তেন:

الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ

(সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৮৭৩)

(২) حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ حُذَيْفَةَ ـ رضى الله عنه قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ مِنَ اللَّيْلِ وَضَعَ يَدَهُ تَحْتَ خَدِّهِ ثُمَّ يَقُولُ ‏"‏ اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا ‏"‏‏.‏ وَإِذَا اسْتَيْقَظَ قَالَ ‏"‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ ‏"‏‏.‏

হযরত হোযাইফা (রাযিঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাত্রে আপন বিছানায় শয়ন করিতেন তখন নিজের হাত গালের নিচে রাখিতেন এবং এই দু’আ পড়িতেন--

"اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَ"

অর্থাৎ আয় আল্লাহ্, আমি আপনার নামে মৃত্যুবরন করি--অর্থাৎ ঘুমাই এবং জীবিত হই--অর্থাৎ জাগ্রত হই।

আর যখন জাগ্রত হইতেন তখন এই দু’আ পড়িতেন--

"الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ"

অর্থাৎ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ তা’আলার জন্য যিনি আমাকে মৃত্যুর পর জীবন দান করিয়াছেন এবং আমাদেরকে কবর হইতে উঠিয়া তাহারই দিকে প্রত্যাবর্তন করিতে হইবে। (বোখারী - ৬৩১৪)

06/03/2023

শবে বরাত এর আমল সম্পর্কে অধিকাংশ মোহাদ্দেসের সহীহ মত হচ্ছে -এ রাতে নির্দিষ্ট কোনো আমল নেই।

আমল সম্পর্কে যদিও মত পার্থক্য রয়েছে কিন্তু এই রাতে আল্লাহ তায়ালা মুশরিক (শীরক-কারী) এবং বিদ্বেষকারী (হিংসুক) ব্যক্তি ব্যথিত সকলকে সাধারণ ক্ষমা করেন।(ইবনে হিব্বান,হাদিস-৫৬৬৫)
এ সম্পর্কে সকল আলেম,মোহাদ্দেস একমত।

তাই শবে বরাত বা "লাইলাতু নিফসি মিন শাবান" এর প্রধান আমল হচ্ছে নিজেকে শীরক ও হিংসা মুক্ত করা।তাহলেই আল্লাহ তায়ালার কাছে এ রাতে ক্ষমা পাবো।ইন শা আল্লাহ্।

যেহেতু আল্লাহ তায়ালা বান্দার দিকে দৃষ্টি দেন ক্ষমা করার উদ্দেশ্যে,তাই এই রাতে আমাদের দায়িত্ব বেশি বেশি নফল এবাদত ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

রাসূল (সাঃ) প্রতি চন্দ্র মাসের তিন দিন ১৩,১৪,১৫ তারিখ রোজা রাখতেন।যাকে আইয়ামে বীজ বলে। (আবু দাউদ)
তাই নফল রোজা হিসেবে আমরা মার্চের ৬,৭,৮ তারিখ রোজা রাখতে পারি।অনেক ফজিলত পূর্ণ।

আল্লাহ আমাদেরকে শীরক মুক্ত ও হিংসা মুক্ত রেখে জীবনের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করুন,আমীন।

06/03/2023

কালেমা তাইয়্যেবা

لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।

আল্লাহ্‌ ব্যতীত ইবাদত বন্দেগীর উপযুক্ত আর কেহই নাই। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ্‌র প্রেরিত রাসূল।

ইবনে মাজাহ-৩৭৯৬,আহমাদ ২১৪৯৩, ২১৫০৪, ২১৫৫৫

হাদিসটি বিশুদ্ধ (সহীহ)।

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ هِصَّانَ بْنِ الْكَاهِلِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَا مِنْ نَفْسٍ تَمُوتُ تَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَرْجِعُ ذَلِكَ إِلَى قَلْبٍ مُوقِنٍ إِلاَّ غَفَرَ اللَّهُ لَهَا ‏"‏ ‏.‏

আবদুল হামীদ ইবন বায়ান ওয়াসিতী (র)……মুঁআয ইবন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ যে কোন ব্যক্তি একবার সাক্ষ্য দিয়ে মৃত্যুবরণ করলে যে আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসুল, আর উক্ত সাক্ষ্য বিশ্বাসী হৃদয়ের দিকে প্রত্যবর্তন করবে (অর্থাৎ খালিস দিলে এ সাক্ষ্য দিবে) আল্লাহ অবশ্যই তাকে মাগফিরাত দান করবেন । ইবনে মাজাহ-৩৭৯৬

11/12/2022

Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

يٰۤـاَيُّهَا النَّا سُ اِنْ كُنْـتُمْ فِيْ رَيْبٍ مِّنَ الْبَـعْثِ فَاِ نَّـا خَلَقْنٰكُمْ مِّنْ تُرَا بٍ ثُمَّ مِنْ نُّـطْفَةٍ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍ ثُمَّ مِنْ مُّضْغَةٍ مُّخَلَّقَةٍ وَّغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ لِّـنُبَيِّنَ لَـكُمْ ۗ وَنُقِرُّ فِى الْاَ رْحَا مِ مَا نَشَآءُ اِلٰۤى اَجَلٍ مُّسَمًّى ثُمَّ نُخْرِجُكُمْ طِفْلًا ثُمَّ لِتَبْلُغُوْۤا اَشُدَّكُمْ ۚ وَمِنْكُمْ مَّنْ يُّتَوَفّٰى وَمِنْكُمْ مَّنْ يُّرَدُّ اِلٰۤى اَرْذَلِ الْعُمُرِ لِكَيْلَا يَعْلَمَ مِنْۢ بَعْدِ عِلْمٍ شَيْـئًـا ۗ وَتَرَى الْاَ رْضَ هَا مِدَةً فَاِ ذَاۤ اَنْزَلْنَا عَلَيْهَا الْمَآءَ اهْتَزَّتْ وَرَبَتْ وَاَ نْۢبَـتَتْ مِنْ كُلِّ زَوْجٍۢ بَهِيْجٍ
ইয়াআইয়ুহান্না-ছুইন কুনতুম ফীরাইবিম মিনাল বা‘ছি ফাইন্না-খালাকনা-কুম মিন তুরা-বিন ছু ম্মা মিন নুতফাতিন ছুম্মা মিন ‘আলাকাতিন ছুম্মা মিম মু দগাতিম মুখালিলকাতিওঁ ওয়া গাইরি মুখাল্লাকাতিল লিনুবাইয়িনা লাকুম ওয়া নুকিররু ফিল আরহা-মি মা-নাশাউ ইলাআজালিম মুছাম্মান ছুম্মা নুখরিজুকুম তিফলান ছুম্মা লিতাবলুগূআশুদ্দাকুম ওয়া মিনকুম মাইঁ ইউতাওয়াফফা-ওয়া মিনকুম মাইঁ ইউরাদ্দুইলাআরযালিল ‘উমুরি লিকাইলাইয়া‘লামা মিম বা‘দি ‘ইলমিন শাইআওঁ ওয়া তারাল আরদা হা-মিদাতান ফাইযা আনঝালনা-‘আলাইহাল মাআহতাঝঝাত ওয়া রাবাত ওয়া আমবাতাত মিন কুল্লি ঝাওজিম বাহীজ।

"হে মানুষ! পুনরুত্থানের ব্যাপারে যদি তোমরা সন্দিহান হও, তাহলে (চিন্তা করে দেখ) আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি মাটি থেকে, অতঃপর শুক্র হতে, অতঃপর জমাট রক্ত থেকে, অতঃপর মাংসপিন্ড হতে পূর্ণ আকৃতিবিশিষ্ট বা অপূর্ণ আকৃতিবিশিষ্ট অবস্থায় (আমার শক্তি-ক্ষমতা) তোমাদের সামনে স্পষ্ট করে তুলে ধরার জন্য। আর আমি যাকে ইচ্ছে করি তাকে একটা নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত মাতৃগর্ভে রাখি, অতঃপর তোমাদেরকে বের করে আনি শিশুরূপে, অতঃপর (লালন পালন) করি যাতে তোমরা তোমাদের পূর্ণ শক্তির বয়সে পৌঁছতে পার। তোমাদের কারো কারো মৃত্যু ঘটাই, আর কতককে ফিরিয়ে দেয়া হয় নিস্ক্রিয় বার্ধক্যে যাতে (অনেক) জ্ঞান লাভের পরেও তাদের আর কোন জ্ঞান থাকে না। অতঃপর (আরো) তোমরা ভূমিকে দেখ শুষ্ক, মৃত; অতঃপর আমি যখন তাতে পানি বর্ষণ করি তখন তাতে প্রাণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, তা আন্দোলিত ও স্ফীত হয়, আর তা উদগত করে সকল প্রকার নয়নজুড়ানো উদ্ভিদ (জোড়ায় জোড়ায়)।"
(QS. Al-Hajj 22: Verse 5)
The Qur'an is a Guide to Islam

Address

Muradnagar
3540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Qur'an is a Guide to Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category