Sheikh Towhid

Sheikh Towhid Engr. Sheikh Towhid is a dedicated Cybersecurity Specialist with expertise in securing IT infrastructure, risk management, and cyber defense strategies.

Masters in Information & Cyber Security from University of Dhaka.

26/08/2026

আপনাকে কি করে ভালো না বেসে থাকতে পারি, ইয়া রাসূলাল্লাহ?
আপনি তো আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছিলেন সেই ১৪০০ বছর আগে। অশ্রুসিক্ত নয়নে ভাই বলে সম্বোধন করেছিলেন। আসন্ন সে বিভীষিকাময় দিনে আমার জন্য পেরেশান হয়ে উম্মাতি উম্মাতি বলে কাঁদবেন। মাকামে মাহমুদে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমার মুক্তির জন্য আকুতি জানাবেন। কি করে আপনাকে ভালো না বাসি, ইয়া রাসূলাল্লাহ?

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।🩵
*আমাদের ভালবাসা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম* ❤️❤️❤️

Top SOC TOOLS 2026
25/08/2026

Top SOC TOOLS 2026

SIM Swapping Attack: Is Your Mobile Number Really Safe?🚨 SIM Swapping Attack: Is Your Mobile Number Safe?Your mobile num...
24/08/2026

SIM Swapping Attack: Is Your Mobile Number Really Safe?

🚨 SIM Swapping Attack: Is Your Mobile Number Safe?

Your mobile number is no longer used only for making calls. It is now linked to your banking accounts, email, Facebook, Mobile Financial Services (MFS), and many other important accounts. If someone takes control of your mobile number, it can create a serious security risk.

🔴 What is SIM Swapping?

SIM Swap is a type of cyber fraud where an attacker tricks a mobile operator into transferring your phone number to a SIM/eSIM controlled by the attacker.

Once the swap is successful, calls, SMS messages, and OTPs sent to your number may reach the attacker.

⚠️ How does a SIM Swap attack usually happen?

1️⃣ The attacker collects your personal information
2️⃣ Contacts the mobile operator while impersonating you
3️⃣ Requests SIM replacement/activation
4️⃣ Your mobile number is transferred to the attacker’s SIM
5️⃣ The attacker attempts to use OTPs to take over important accounts

🚨 Warning Signs to Watch For:

🔹 Sudden loss of mobile network/service
🔹 You stop receiving calls or SMS
🔹 Notification that your SIM has been activated on another device
🔹 Banking OTPs suddenly stop arriving
🔹 Unexpected password-reset notifications
🔹 Login alerts from an unknown device
🔹 Unusual or unauthorized banking transactions

🛡️ How to Protect Yourself:

✅ Set a PIN/password for your mobile operator account
✅ Enable SIM replacement and port-out protection if available
✅ Where possible, use an Authenticator App or stronger MFA instead of SMS-based OTP
✅ Use unique and strong passwords for Facebook, Gmail, banking, and other important accounts
✅ Consider using a reputable Password Manager
✅ Avoid unnecessarily sharing your NID, date of birth, address, and other sensitive information on social media
✅ Enable banking transaction alerts
✅ Never share your OTP, PIN, password, or CVV with anyone

🚨 What to Do If You Suspect a SIM Swap?

👉 Contact your mobile operator immediately and verify the status of your number.
👉 Notify your bank immediately and, if necessary, temporarily block digital banking services or transactions.
👉 Change passwords for your important accounts.
👉 Preserve records of suspicious transactions and login alerts.
👉 Report the incident to the appropriate authorities if necessary.

💡 Remember:

“A sudden loss of mobile network service may not always be just a network problem.”

A SIM Swap can potentially create a chain of risk:

Mobile Number → OTP → Email/Social Media → Banking Account

🔐 Cyber Security begins with awareness.

Stay alert. Stay secure.
Protect yourself and help others stay safe.


ইহা একটি রম্য(Satire) কথন! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বনাম খাঁটি বাংলাদেশী দালাল: একটি অসম লড়াই বটে! --------------------------...
18/06/2026

ইহা একটি রম্য(Satire) কথন!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বনাম খাঁটি বাংলাদেশী দালাল: একটি অসম লড়াই বটে!
------------------------------------------------
আজকাল চায়ের দোকানে গেলেই শোনা যায়—"AI নাকি মানুষের চাকরি খেয়ে দিচ্ছে!" চ্যাটজিপিটি কবিতা লিখছে, রোবট গাড়ি চালাচ্ছে, আর দুনিয়ার বাঘা বাঘা ইঞ্জিনিয়াররা চাকরি হারানোর ভয়ে রাতে ঘুমাতে পারছেন না!

কিন্তু আমেরিকার সিলিকন ভ্যালির বিজ্ঞানীরা যদি জানতেন যে বাংলাদেশের ৪টি চিরন্তন চাকুরীর মহাশক্তিমান হোল্ডারদের সামনে তাদের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্রেফ "নবিশ" ছাড়া আর কিছুই নয়, তবে তারা হয়তো ল্যাপটপ বন্ধ করে হিমালয়ে চলে যেতেন। ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান শত চেষ্টা করলেও নিচের ৪টি সেক্টরের ‘দালাল’ ভাইদের চুলও স্পর্শ করতে পারবেন না।

আসুন দেখি, কীভাবে আমাদের দেশি ইন্টেলিজেন্সের সামনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা 'Error' খেয়ে ক্র্যাশ করবে:

১। বিআরটিএ (BRTA) এর দালাল: যেখানে অ্যালগরিদম স্রেফ জ্যামে আটকে যায়!

বিআরটিএ-তে গিয়েছেন অথচ একজন দালেরের ঐশ্বরিক ও স্নিগ্ধ স্পর্শ পাননি, এমন বাংলাদেশী খুঁজে পাওয়া আর অমাবস্যার চাঁদ দেখা একই কথা।

যেখানে AI মুখ থুবড়ে পড়বে: একটি AI হয়তো নিখুঁত ট্রাফিক সাইন চিনতে পারবে, কিন্তু বিআরটিএ-র ফাইলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা "আন্ডার দ্য টেবিল" বা টেবিলের তলার মেকানিজম রিড করার কোনো সেন্সর চ্যাটজিপিটির জেনারেশনে নেই।

বাস্তব চিত্র: আপনি লাইসেন্সের ছবি তুলতে গেলেন, আর ওমনি অপারেটর জানালো—"সার্ভার ডাউন।" AI সেখানে বড় বড় চোখে ‘Error 404’ দেখিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে। কিন্তু আমাদের দালাল ভাই? তিনি ম্যাজিকের মতো সার্ভার রুমের অপারেটরের সাথে চোখে চোখে ইশারা করবেন, পকেট থেকে একটা গোল্ডলিফ সিগারেট বের করে অফার করবেন, আর ৫ মিনিটের মধ্যে সার্ভার সচল করে আপনার কাজ করিয়ে দেবেন। এই যে ‘সিগারেট ডিপ্লোমেসি’ আর ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’—এটা কি কোনো পাইথন কোড দিয়ে মেলানো সম্ভব?

২। পাসপোর্ট অফিসের দালাল: সার্ভার ডাউনের মহৌষধ!

পাসপোর্ট অফিসের সার্ভার কখন ডাউন হবে আর কখন আপ হবে, তা স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা আর ঐ অফিসের দালাল ভাই ছাড়া দুনিয়ার আর কেউ জানে না।

যেখানে AI মুখ থুবড়ে পড়বে: একটা রোবট বড়জোর আপনার এনআইডি আর জন্ম নিবন্ধন স্ক্যান করতে পারে। কিন্তু এনআইডি-র নামের বানানের 'ম' আর পাসপোর্টের 'মো' এর মধ্যকার যে মহাজাগতিক দূরত্ব, তা দূর করার ক্ষমতা কোনো অ্যালগরিদমের নেই।

বাস্তব চিত্র: পাসপোর্ট অফিসের লাইনে দাঁড়িয়ে যখন আপনার রোবট-সহকারী যান্ত্রিক গলায় বলবে, "দুঃখিত, আপনার স্থায়ী ঠিকানার পুলিশ ভেরিফিকেশনে ত্রুটি আছে, আবেদন বাতিল।" তখনই পাশ থেকে পানের পিক ফেলে জিন্স আর শার্ট পরা এক দেবদূত এসে ফিসফিস করে বলবেন, "মামা, পাঁচটা হাজার টাকা লাগবে। পুলিশ আপনার ঘরে গিয়ে সোফায় বসে চা খেয়ে সই করে দিয়ে আসবে, আপনার যাওয়া লাগবে না।" এই অন-স্পট ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের কোনো ব্যাকআপ ডাটা কি গুগলের সার্ভারে আছে? নেই!

৩। হাসপাতালের দালাল: মানবিকতা ও ইমোশনাল মার্কেটিং-এর পিএইচডি!

হাসপাতালের দালালদের রয়েছে এক অদ্ভুত ‘সাইকোলজিক্যাল সুপারপাওয়ার’। একজন রোগী সরকারি হাসপাতালের গেট দিয়ে পা রাখা মাত্রই তারা এক্স-রে ছাড়াই চোখের পলকে বুঝে যান রোগীর পকেটের সাইজ এবং রোগের গভীরতা।

যেখানে AI মুখ থুবড়ে পড়বে: বড় বড় মেডিকেল AI হয়তো এমআরআই (MRI) রিপোর্ট দেখে রোগ ধরতে পারে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালের ট্রলি কখন খালি হবে, কোন ওয়ার্ডের আয়াকে কত টাকা দিলে বেড পাওয়া যাবে, আর কোন প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তারকে কত পার্সেন্ট "কাটমানি" বা কমিশন দেওয়া যাবে—এই জটিল ডাইনামিক ডেটাবেজ কোনো ক্লাউড সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে না।

বাস্তব চিত্র: হাসপাতালের দালাল ভাই পরম মমতায় রোগীর কান্নারত আত্মীয়ের কাঁধে হাত রেখে বলবেন, "আহা ভাই, সরকারি ডাক্তাররা তো কসাই! রোগীটারে মাইরা ফেলব। চলেন আমার পরিচিত ক্লিনিকে যাই, পানির দামে একদম সিঙ্গাপুরের মতো অপারেশন করাইয়া দিমু।" এই যে চোখের পানি মুছে পকেট কাটার নিখুঁত ‘কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট’ (CRM), এটা সোফিয়া রোবট কোথা থেকে শিখবে? সে তো ইমোশনই বোঝে না!

৪। ভূমি অফিসের দালাল: ডার্ক ওয়েবের চেয়েও রহস্যময় গোলকধাঁধা!

ল্যান্ড অফিস বা ভূমি অফিস হলো এমন এক ব্ল্যাকহোল, যেখানে খোদ আলবার্ট আইনস্টাইন সাহেব এসেও নিজের পৈতৃক জমির খতিয়ান মেলাতে পারতেন না।

যেখানে AI মুখ থুবড়ে পড়বে: ব্লকচেইন টেকনোলজি দিয়ে হয়তো ডিজিটাল ল্যান্ড রেকর্ড রাখা যায়, কিন্তু ‘পর্চা’, ‘দাখিলা’, ‘নামজারি’ আর ‘ভায়া দলিল’-এর ভেতরে যে অদৃশ্য কুয়াশা থাকে, তা ভেদ করার ক্ষমতা কোনো কোয়ান্টাম কম্পিউটারেরও নেই।

বাস্তব চিত্র: একটা AI বড়জোর স্যাটেলাইট ম্যাপ দেখাতে পারবে। কিন্তু সিএস (CS) খতিয়ানের জমি আরএস (RS) খতিয়ানে কীভাবে গায়েব হয়ে ফুফাতো ভাইয়ের শাশুড়ির নামে উঠে গেল এবং সেটাকে আবার কীভাবে সামান্য কিছু "নোটের" গরমে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা যায়—এই বিদ্যা সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক। এই আধ্যাত্মিক বিজ্ঞান আমাদের ভূমি অফিসের দালাল ভাইয়েরা ছাড়া আর কেউ চর্চা করতে পারে না।

সুতরাং, হে তরুণ সমাজ! কোডিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা কনটেন্ট রাইটিং শিখে ক্যারিয়ার গড়ার ভুল সিদ্ধান্ত আর নেবেন না। AI যে কোনো সময় আপনার চাকরি খেয়ে আপনাকে ‘বেকার’ বানিয়ে দিতে পারে। যদি জীবনে ১০০% রিসেশন-প্রুফ এবং জেনুইন জব সিকিউরিটি চান, তবে ল্যাপটপ বিক্রি করে আজই উপরোক্ত ৪টি সেক্টরের যেকোনো একটিতে ‘দালাল’ হিসেবে ইন্টার্নশিপ শুরু করে দিন।

মনে রাখবেন, পৃথিবীতে জিপিটি-৫ (GPT-5) আসতে পারে, সায়েন্স ফিকশনের রোবট আসতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশে আমাদের দালাল ভাইদের যুগ ছিল, আছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে!
------------------------------------------------
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এ রম্য(Satire) নিবন্ধটি লেখা হয়েছে Avro কীবোর্ড ব্যবহার করে এবং এর ভাষাগত মানোন্নয়ন করে দিয়েছে Gemini.
------------------------------------------------
তারিখঃ জুন ১৮, ২০২৬।

একদিন তারাও ছিল স্বপ্নে ভরা,নরম বিছানা আর আরামদায়ক বালিশে ঘুমাতো।আজ তারা নীরব,ভেজা মাটির নিচে চিরনিদ্রায়।জীবন সত্যিই ক...
30/04/2026

একদিন তারাও ছিল স্বপ্নে ভরা,
নরম বিছানা আর আরামদায়ক বালিশে ঘুমাতো।
আজ তারা নীরব,
ভেজা মাটির নিচে চিরনিদ্রায়।
জীবন সত্যিই ক্ষণস্থায়ী।
একদিন আমরাও হবো কারও স্মৃতি।

#শেষ_ঠিকানা #কবরে_পানি #নীরব_বাস্তবতা

Data Centre Essentials – Quick Revision Notes  A data centre is the beating heart of modern IT infrastructure. My hand‑d...
15/04/2026

Data Centre Essentials – Quick Revision Notes

A data centre is the beating heart of modern IT infrastructure. My hand‑drawn infographic breaks it down into 8 crucial parts every engineer, student, or IT manager should know:

1️⃣ Servers (Compute Power) – Rack & blade servers hosting apps, VMs, and workloads.
2️⃣ Networking (Traffic Flow) – Routers, switches, firewalls, and spine‑leaf topologies keeping everything connected.
3️⃣ Storage Systems (Data Repository) – SAN & NAS with RAID, HDDs, SSDs for scalable capacity.
4️⃣ Power Systems (Reliability) – UPS, generators, PDUs ensuring uptime with redundancy.
5️⃣ Cooling Systems (Heat Management) – CRAC, chillers, hot/cold aisle design, liquid cooling emerging.
6️⃣ Security (Protection) – Biometrics, CCTV, fire suppression, strict access control.
7️⃣ Monitoring & Management (Visibility) – DCIM, sensors, alerts, remote management.
8️⃣ Backup & Disaster Recovery (Continuity) – Offsite backups, RPO/RTO planning, DR sites.

💡 Takeaway: Every part is interconnected — servers need stable power, power needs cooling, cooling needs monitoring, and all of it needs security + backup. Without these, uptime and reliability collapse.

🔥 Whether you’re revising for exams, preparing for interviews, or brushing up on fundamentals, this visual guide is your quick refresher!

Death Anniversary of my Nana… Khan Bahadur Badi Ahmad Chowdhury  🤍A man of royal dignity and strong legacy — a respected...
13/04/2026

Death Anniversary of my Nana… Khan Bahadur Badi Ahmad Chowdhury 🤍

A man of royal dignity and strong legacy — a respected politician, landowner, and a deeply pious servant of Allah. Honored as Amirul Hajj, he was known for leadership, integrity, and unwavering faith.

He leaves behind a legacy of honor, service, and devotion that continues to shape our family values and inspire generations.

May Allah ﷻ forgive him, have mercy on him, and grant him the highest place in Jannatul Ferdous. Ameen 🤲

Please read below article about Nana

স্মরণ: মানবদরদী খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী
( জনাব আহমদুল ইসলাম চৌধুরীর পিতা )

লেখক: গোলামুর রহমান, প্রধান শিক্ষক (অবঃ), বৈলছড়ী নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, দৈনিক পূর্বকোণ Dainik Purbokone

খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী এতদাঞ্চলের বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। বাঁশখালী উপজেলার মধ্যবর্তী স্থান বৈলছড়ী তাঁর জন্ম। একই ইউনিয়নের চেচুরিয়াতে আমার বাড়ী। তাঁরই প্রতিষ্ঠিত নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে এসএসসি পাস করি। এই বিদ্যালয়েই দীর্ঘ দিন সহকারী শিক্ষক, অতঃপর সহকারী প্রধান শিক্ষক, এরপর দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বপালন করে অবসরে যাই।

এলাকার মুরব্বিগণের মুখে মুখে জেনে আসতেছি তাঁর জীবনটা মানবের কল্যাণে উৎসগীর্কৃত বলা যায়। তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর বৈলছড়ী ও কাথারিয়া ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলেন (ঐ সময় কাথারিয়া ইউনিয়ন বৈলছড়ী ইউনিয়নের সাথে সম্পৃক্ত ছিল)। অবিভক্ত বাংলায় ১৯২৯ সালে এম,এল,সি ছিলেন। ঐ সময় তাঁর নির্বাচনী এরিয়া ছিল রাঙ্গুনিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত। ১৯৪৩ সালে এম,এল,এ নির্বাচিত হন জমিদার প্রতিনিধি হিসেবে। তাঁর নির্বাচিত এলাকা ছিল বৃহত্তর সিলেটসহ চট্টগ্রাম বিভাগ। ১৯৩৫ সালে আমিরুল হজ উপাধি লাভ করেন। ১৯৩৬ সালে ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল কতৃর্ক খান বাহাদুর উপাধি লাভ করেন।

তাঁর পূর্ব পুরুষ মহান হযরত সৈয়দ আবদুর রহমান ছিদ্দিকী। তাঁরই অধস্তন পুরুষ জনাব শায়েস্তা খান এর নায়েবে উজির সৈয়দ মুহাম্মদ খান ছিদ্দিকী। খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর অগ্রজ ফার্সি ভাষার উকিল মুহাম্মদ আলী খান ছিদ্দিকী বৈলছড়ী বাড়ীর সামনে মসজিদ ও মকতব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী নিজ দুই ভ্রাতা ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা নিয়ে বৈলছড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈলছড়ী নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়, সম্মুখে প্রকান্ড খেলার মাঠ অতঃপর বাজার, বাজারে এবাদতখানা, জনকল্যাণে সাব পোস্ট অফিস ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। ঐ সময় সাব পোস্ট অফিস জনকল্যাণে বহুবিধ অবদান রাখে। গ্রামাঞ্চলে ব্যাংক ছিল না বিধায় ব্যাংকের কাজও করত। সকাল ৯ টা থেকে বিকেল পর্যন্ত সেবা নিতে মানুষ পোস্ট অফিসে আসা—যাওয়া করত। ঐ সময় ব্রিটিশ আমলে পাকিস্তান আমলের শুরুর দিকে গ্রামাঞ্চলে পাস করা ডাক্তার ছিল না বললেই চলে। খান বাহাদুর সাহেব হাসপাতালের পাশে কোয়াটার নির্মাণ করে দেন। রাউজান থেকে একজন এল,এম,এফ ডাক্তার নিয়ে আসেন। বহু বছর স্ব—পরিবারে থাকেন। অসংখ্য নারী—পুরুষ চিকিৎসা সেবা পেতে থাকেন। বর্তমান কালেও সাব পোস্ট অফিস ও হাসপাতাল জনগণের কল্যাণে সেবা দান করে চলেছে।
বৈলছড়ী খান বাহাদুর বাজার ঐ সময় তথা ব্রিটিশ আমলে জনসংখ্যা কম ছিল বিদায় সাপ্তাহিক মঙ্গলবার একবেলা হাট বসত। পাকিস্তান আমলে এসে সাপ্তাহে ৫ দিন, শনিবার বুধবার বাদে হাট বসত।
তিনি যেমনি ছিলেন অতীব ধার্মিক তেমনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক। ন্যায়ের প্রতীক খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ বিভাগের সময় বাঁশখালী সংখ্যালুঘুদের নিরাপত্তায় সাহসী ভূমিকাপালন করেছেন। যা এলাকার মুরব্বিগণের মুখে মুখে শুনে আসছিলাম।
তিনি এত বেশি সাহসী ছিলেন যে ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষের সময় কলকাতা পালার্মেন্টে ব্রিটিশের শাসনে জীবনের ঝুঁকিকে তোয়াক্কা না করে সাহসী ভূমিকাপালন করেন। ফলে চট্টগ্রামবাসী ট্রেনে স্টিমারে ব্যাপক চাউল পেয়ে দুর্ভিক্ষ নিবারণে সহায়তা লাভ করেন।

বৈলছড়ী কাথারিয়া ইউনিয়নে তাঁর আমলে কোন অপরাধ ছিল না বললেই চলে। এই এলাকায় পুলিশ আগমনের কোন প্রয়োজন ছিল না। তাঁর ন্যায়পরায়ণ আইনের শাসনের প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা করত ভয় পেত।
তিনি ছিলেন জমিদার জগতের অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। বৃহত্তর চট্টগ্রাম, বৃহত্তর নোয়াখালী, ত্রিপুরাসহ বৃহত্তর কুমিল্লা, বৃহত্তর সিলেট তথা চট্টগ্রাম বিভাগীয় জমিদার এসোসিয়েশনের তিনি ছিলেন সেক্রেটারী জেনারেল। ব্যারিস্টার জামিনী কান্তি ঘোষাল ছিলেন প্রেসিডেন্ট।
সেই পাকিস্তান আমলে আমরা বৈলছড়ী নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র থাকা অবস্থায় দেখেছি। স্কুলের শিক্ষক বেতন, টুল, টেবিল অন্যান্য আসবাবপত্র (ঈড়হঃরহমবহপু ) সহ তিনি নিজ তহবিল থেকে প্রদান করতেন।

খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী জীবনে অনেক সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। যথা—
■ সদস্য, ক্যালকাটা পোর্ট হজ কমিটি—পরপর ৩ টার্ম
■ সদস্য, ইন্ডিয়া রোড বোর্ড কমিটি
■ সদস্য, আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে এডভাইজারী কমিটি—পরপর ৩ টার্ম
■ সদস্য, বেঙ্গল এক্সাইজ ষ্ট্যান্ডিং কমিটি
■ সদস্য, বেঙ্গল মেডিকেল ষ্ট্যান্ডিং কমিটি
■ সদস্য, বেঙ্গল ইরিগেশন ষ্ট্যান্ডিং কমিটি
■ সদস্য, বেঙ্গল রেভেনিউ ষ্ট্যান্ডিং কমিটি
■ সদস্য, বেঙ্গল এগ্রিকালচার বোর্ড
■ সদস্য, জেনারেল হসপিটাল এন্ড মেডিক্যাল স্কুল
■ সদস্য, চট্টগ্রাম ডিস্ট্রিক বোর্ড (১৫ বছর)
■ কমিশনার, চট্টগ্রাম পৌরসভা ২ টার্ম
■ সদস্য, স্কুল বোর্ড, চট্টগ্রাম
■ সদস্য, ইন্ড্রাস্ট্রি বোর্ড, চট্টগ্রাম
■ ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, পটিয়া টি কোম্পানী লিঃ, কলিকাতা
■ ডাইরেক্টর, দেশপ্রিয় সুগার মিল, কলিকাতা
■ ডাইরেক্টর, কো—অপারেটিভ ট্রেডার্স ব্যাংক
■ ডাইরেক্টর, ইন্দো বার্মা ট্রেডার্স ব্যাংক
■ ডাইরেক্টর, মহালক্ষ্মী ব্যাংক, চট্টগ্রাম
■ ডাইরেক্টর, ইউনাইটেড কমন ইনস্যুরেন্স কোং লিঃ
■ ভাইস প্রেসিডেন্ট বেঙ্গল লাইব্রেরী এসোসিয়েশন, কলিকাতা
■ সেক্রেটারী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় জমিদার এসোসিয়েশন
■ সেক্রেটারী,এন্টি ম্যালেরিয়াল সোসাইটি, চট্টগ্রাম
■ পৃষ্টপোষক, চট্টগ্রাম মোছলেম সমিতি, কলিকাতা
তিনি ১৯১৯ সালে তুর্কি গভর্নর শরীফ হোসাইনের আমলে প্রথম হজব্রতপালন করেন। অতঃপর ১৯৩৫ সালে ভারতীয় হজ প্রতিনিধি হয়ে মুম্বাই থেকে সাগর পথে আমিরুল হজ হিসেবে হজে গমন করেন। ঐ সময় সৌদি বাদশাহ আবদুল আজিজ রিয়াদ থেকে সড়কপথে ৫/৬ দিন সময় নিয়ে পবিত্র মক্কায় আসেন। খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী বাদশাহ আবদুল আজিজের সাথে একাধিক বার সাক্ষাৎকার করেন ভারতীয় হজযাত্রীগণের সুযোগ সুবিধা নিয়ে। ঐ সময় হাজীদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতা না থাকাসহ নানান প্রতিকূলতা ছিল।

খান বাহাদুর সাহেব ১৯৪৯ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া মিয়াখাননগর তথা চাক্তাইখালের পূর্বপাশে বাড়ী নির্মাণ করেন। এই বাড়ীটি আনোয়ারা বাঁশখালী বৃহত্তর চকরিয়ার মুসাফিরখানা বললে বাড়িয়ে বলা হবে না। এখানে ঐ সমস্ত এলাকার যে কেউ প্রয়োজনের তাগিদে চট্টগ্রাম শহরে আসলে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা থাকত। রাত্রিযাপনের আসবাবপত্র রাখা থাকত, রাতের খাবারের ব্যবস্থা হত। ঐ সময় দক্ষিণ গ্রামাঞ্চলে পুকুরের পানি পান করত। গ্রামাঞ্চলে নলকূপের প্রচলন ছিল না। বাকলিয়া চট্টগ্রামের শহরের বগলের ভিতর। খান বাহাদুর সাহেব তাঁর দালানের সামনে জনগণের পানি পানের জন্য নলকূপ বসিয়ে দেন। শত শত মানুষ রাত দিন বিভিন্ন পাত্র করে পানি নিয়ে যেতেন পান করার জন্য।

তাঁর জীবনের শেষ কৃতি হল—পূর্ব পুরুষের এর নির্মিত পারিবারিক মসজিদটি পুনঃ নির্মাণ করা। ১৯৬৯ সালে এই নির্মাণ কাজ শুরু করে সমাপ্ত করেন। তাঁরই নির্মিত মসজিদে ১৯৬২ সালে ১৩ এপ্রিল শুক্রবার জুমার নামাজ পড়েন। ঐ দিন বিকেলে ৭৬ বছর বয়সে বৈলছড়ী নিজ বাস ভবনে ইন্তেকাল করেন। আগেকার আমলে কেউ ইন্তেকাল করলে আত্মীয় স্বজনের ঘরে লোক পাটিয়ে সংবাদ দেয়া হত। তাঁর ইন্তেকালের সংবাদ প্রচারের বাঁশখালী প্রধান সড়কের দুই দিকে দুটি রিক্সা যোগে প্রচারের জন্য মাইক পাঠানো হয়। বয়স্ক জনের কাছে জানা তাঁর ইন্তেকালই প্রথম মাইক দিয়ে জানাযার সংবাদ প্রচার করা হয়। পরদিন বিকেল ৪ টায় জানাযা হয় তাঁরই প্রতিষ্ঠিত স্কুলের মাঠে। তাঁর নির্মিত মসজিদের দক্ষিণ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
৬৪ তম ইন্তেকাল বার্ষিকীতে খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

মোবাইল সেট রেজিস্ট্রেশন বিষয়ক আধুনিক ও যুগোপযোগী সিস্টেম ‘NEIR’ চালু করার মাধ্যমে ডিজিটাল নিরাপত্তা, ভোক্তা সুরক্ষা ও প্...
08/01/2026

মোবাইল সেট রেজিস্ট্রেশন বিষয়ক আধুনিক ও যুগোপযোগী সিস্টেম ‘NEIR’ চালু করার মাধ্যমে ডিজিটাল নিরাপত্তা, ভোক্তা সুরক্ষা ও প্রযুক্তিগত শৃঙ্খলায় দেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

এই দূরদর্শী ও জনবান্ধব উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। সাইবারস্পেসে জননিরাপত্তার পথে এগিয়ে চলার এই অগ্রযাত্রায় আমরা গর্বিত ❤️

এ বিষয়ে উদ্ভূত সমস্যাসমূহ প্রযুক্তি বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান, স্টেকহোল্ডার এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্যের সাথে পরামর্শ এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন।

🎯 Viral Issue - একব্যক্তির নামে অধিক সংখ্যক সেট রেজিস্ট্রেশন❗

🔰 একব্যক্তির নামে অধিক সংখ্যক সেট রেজিস্ট্রেশনের ইস্যুটি সাধারণ মানুষের মনে আতংক সৃষ্টি করে। এ ব্যপারে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ফিজিক্যাল মোবাইল সেটের ক্লোন বা ডুপ্লিকেট, ফিজিক্যাল সেটের ভার্চুয়াল বক্স বা ভার্চুয়াল সেট এর বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারে (উল্লেখ্য, অনেক ব্যবহারকারী তাদের মোবাইল সেটে গুগল এর ভার্চুয়াল বক্স ব্যবহার করে থাকেন; এতে একটি ফিজিক্যাল সে্টের মধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল সেট ব্যবহার হয়ে থাকতে পারে)।

🔰 অধিক সংখ্যক সেট রেজিস্ট্রেশনের অন্যতম একটা কারণ হতে পারে, মোবাইল সেটের সাথে সংযুক্ত IoT ডিভাইস সমূহের অটো রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাওয়া। এ ব্যপারে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান (সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, নেটওয়্যার্ক) এবং মোবাইল অপারেটর সমূহ যথাযথভাবে সমন্বয় করে ডিভাইস কাউন্টিং এলগরিদম রিভাইজ বা পুন;ডিজাইন করতে পারে।

📌 সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি বাস্তবায়নে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো—

১. স্পষ্ট পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ:

প্রযুক্তি বাস্তবায়নের আগে কেন এটি প্রয়োজন, কী সমস্যার সমাধান করবে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কী—তা দেশের সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় এমন ভাষায় স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ তৈরি করা জরুরি।

২. ব্যবহারকারী-কেন্দ্রিক নকশা (User-Centric Design):

যারা প্রযুক্তিটি ব্যবহার করবেন, তাদের প্রয়োজন, সক্ষমতা ও অভ্যাস বিবেচনায় নিয়ে সিস্টেম ডিজাইন/রি-ডিজাইন করা। প্রয়োজনে চালু করে ব্যবহারকারীর মতামত গ্রহণ এবং সে অনুসারে যৌক্তিক ভাবে ডিজাইন পরিবর্তন করা যেতে পারে।

৩. দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ:

নতুন প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকাগনকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ/সচেতনতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যেতে পারে। টেকনিক্যাল স্কিলের পাশাপাশি পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা (Change Management) বিষয়েও প্রশিক্ষণ/সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

৪. অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি:

হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ সরবরাহ—সব দিক থেকে পর্যাপ্ত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা ও ডাটা সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন।

৫. ধাপে ধাপে (Phased) বাস্তবায়ন:

একবারে পুরো সিস্টেম চালুর পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করলে ঝুঁকি কমে এবং সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত ও সমাধান করা যায়।

৬. আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়:

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান/দপ্তর ও অংশীজনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। তথ্য ভাগাভাগি ও দায়িত্ব বণ্টন স্পষ্ট না হলে প্রযুক্তি পুরোপুরি কার্যকর হয় না।

৭. পরিবর্তনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা:

নতুন প্রযুক্তির কারণে কর্মপদ্ধতিতে পরিবর্তন আসতে পারে—এ বিষয়ে আগেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে। প্রযুক্তিকে হুমকি নয়, সহায়ক হিসেবে উপস্থাপন করা জরুরি।

৮. নিয়মিত মূল্যায়ন ও উন্নয়ন:

বাস্তবায়নের পর নিয়মিত মনিটরিং ও মূল্যায়নের মাধ্যমে দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আপডেট ও উন্নয়ন করা যেতে পারে।

৯. বাজেট ও সময় ব্যবস্থাপনা:

বাস্তবসম্মত বাজেট নির্ধারণ এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা থাকতে প্রয়োজন , যাতে প্রকল্প দীর্ঘসূত্রতায় না পড়ে।

১০. নীতিমালা ও আইনগত সহায়তা:

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও ডাটা প্রাইভেসি নীতির সাথে সামঞ্জস্য যথাযথভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিলে ভবিষ্যতে নতুন ডিজিটাল প্রযুক্তি বাস্তবায়নের জটিলতা অনেকাংশে কমবে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সহজ হবে।

Address

Muradpur

Telephone

+8801818322770

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheikh Towhid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sheikh Towhid:

Shortcuts

Share