29/08/2026
৫০ বার পেছালো তদন্ত: মাওলানা ফারুকী হত্যার নেপথ্য নায়করা আজও অধরা
‘ওয়ান উম্মাহ’ (One Ummah) পডকাস্টের একটি বিশেষ খণ্ডাংশে মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতা ও আইনি জটিলতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার। আলোচনার মূল বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো:
‘ডেড ম্যান এভিডেন্স’ ও আইনি প্রেক্ষাপট: হত্যাকাণ্ডের আগে মাওলানা ফারুকী নিজের নিরাপত্তা নিয়ে যে আশঙ্কা প্রকাশ করে গিয়েছিলেন, আইনি ভাষায় তাকে ‘ডেড ম্যান এভিডেন্স’ বলা হয়। এসব বক্তব্য সংগ্রহ করে আদালতের নির্দেশে মূল মামলার তদন্তে যুক্ত করা হয়েছিল।
তদন্তের হাতবদল ও বাধা: মতাদর্শগত বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটলেও প্রভাবশালী একাধিক গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার কারণে শুরু থেকেই তদন্ত বাধাগ্রস্ত হয়। গোয়েন্দা পুলিশ (DB) থেকে মামলা CID-তে পাঠানো এবং বারবার তদন্ত কর্মকর্তা (IO) বদল করেই সময় পার করা হয়েছে।
৫০ বারেরও বেশি ‘টাইম পিটিশন’: ড. মাহবুবুর রহমান ও আবুল কাশেম ফজলুল হকের মতো নিকটজনদের জবানবন্দি নেওয়া হলেও অদৃশ্য কারণে বিচার ঝুলে থাকে। উল্টো তদন্ত সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে ৫০ বারেরও বেশি সময় আবেদন (Time Petition) করে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে।
সিআইডির ‘দায়সারা’ রিপোর্ট: ২০২৪ সালে সিআইডি আদালতে যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইমরান হোসেন তুষার বলেন, অন্য মামলার কয়েকজন জঙ্গিকে আসামি বানিয়ে মূল পরিকল্পনাকারী ও নেপথ্যের মূল হোতাদের কৌশলগতভাবে আড়াল করা হয়েছে।
📌 পুরো পডকাস্টের লিংকটি কমেন্টে দেওয়া হলো।