Bangladesh A H

Bangladesh A H মানুষ মানুষের জন্য,

🌍 বাংলাদেশে কার্যরত ৯টি বিদেশি ব্যাংক: কেন এসেছে, কী সেবা দেয় এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে দেশীয় ব্যা...
07/08/2026

🌍 বাংলাদেশে কার্যরত ৯টি বিদেশি ব্যাংক: কেন এসেছে, কী সেবা দেয় এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে দেশীয় ব্যাংকের পাশাপাশি ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং দেশের ব্যাংকিং খাতে আন্তর্জাতিক মানের সেবা, বিদেশি বিনিয়োগ এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যরত ৯টি বিদেশি ব্যাংক
🇬🇧 Standard Chartered Bank (যুক্তরাজ্য)
🇬🇧 HSBC Bangladesh (যুক্তরাজ্য)
🇺🇸 Citibank N.A. Bangladesh (যুক্তরাষ্ট্র)
🇶🇦 Commercial Bank of Qatar (বাংলাদেশ) PLC (কাতার)
🇦🇪 Dubai Islamic Bank Bangladesh PLC (সংযুক্ত আরব আমিরাত)
🇨🇳 Industrial and Commercial Bank of China – ICBC (চীন)
🇯🇵 Sumitomo Mitsui Banking Corporation – SMBC (জাপান)
🇯🇵 Mizuho Bank Ltd. (জাপান)
🇰🇷 Woori Bank Bangladesh PLC (দক্ষিণ কোরিয়া)
বিদেশি ব্যাংকগুলো বাংলাদেশে কেন এসেছে?
✅ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অর্থায়ন করতে।
✅ বিদেশি বিনিয়োগকারী ও বহুজাতিক কোম্পানিকে ব্যাংকিং সেবা দিতে।
✅ আমদানি-রপ্তানির এলসি (L/C), বৈদেশিক মুদ্রা ও ট্রেড ফাইন্যান্স সহজ করতে।
✅ আন্তর্জাতিক মানের করপোরেট ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা দিতে।
✅ বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ও বৈদেশিক লেনদেনে সহায়তা করতে।
বিদেশি ব্যাংকের প্রধান সুবিধা
✔️ আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকিং সেবা।
✔️ শক্তিশালী বৈদেশিক লেনদেন ব্যবস্থা।
✔️ বহুজাতিক কোম্পানির জন্য বিশেষায়িত সেবা।
✔️ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং।
✔️ বৈদেশিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায় সহায়তা।
কিছু সীমাবদ্ধতা
⚠️ অধিকাংশ বিদেশি ব্যাংকের শাখা সংখ্যা তুলনামূলক কম।
⚠️ সাধারণ খুচরা (Retail) গ্রাহকের পরিবর্তে করপোরেট গ্রাহকের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
⚠️ কিছু সেবার চার্জ দেশীয় ব্যাংকের তুলনায় বেশি হতে পারে।
⚠️ সব জেলায় সেবা পাওয়া যায় না।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বিদেশি ব্যাংক হলেও বাংলাদেশে পরিচালিত প্রতিটি ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন, নীতিমালা ও তদারকি মেনে চলতে হয়। এগুলো দেশের আর্থিক ব্যবস্থার অংশ এবং বৈদেশিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
📌 পরবর্তী পোস্টে প্রতিটি বিদেশি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠার সাল, বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর বছর, প্রধান স

🇧🇩 বাংলাদেশের ৬৩টি ব্যাংক: কোন ব্যাংক কেমন?বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বর্তমানে বাংলাদ...
07/08/2026

🇧🇩 বাংলাদেশের ৬৩টি ব্যাংক: কোন ব্যাংক কেমন?
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ৬৩টি তফসিলি (Scheduled) ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছে। এসব ব্যাংক ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্প, কৃষি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ব্যাংকগুলোর ধরন সংক্ষেপে: 🏛️ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক – ৭টি
সরকারের মালিকানাধীন। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান এবং সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
🌾 বিশেষায়িত ব্যাংক – ৩টি
কৃষি, শিল্প, রপ্তানি বা নির্দিষ্ট খাতে অর্থায়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত।
🏦 বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি
দেশীয় উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন। আধুনিক ব্যাংকিং, ডিজিটাল সেবা, ঋণ, কার্ড ও বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করে।
🌍 বিদেশি ব্যাংক – ৯টি
আন্তর্জাতিক ব্যাংকের বাংলাদেশ শাখা। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও করপোরেট গ্রাহকদের সেবায় বেশি সক্রিয়।
💻 ডিজিটাল ব্যাংক – ১টি
শাখাবিহীন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য অনুমোদিত।
ব্যাংক বেছে নেওয়ার আগে যেসব বিষয় দেখবেন:
✅ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত কি না।
✅ আমানত, ঋণ, কার্ড, মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা।
✅ এটিএম ও শাখা নেটওয়ার্ক।
✅ গ্রাহকসেবা ও সেবার মান।
✅ সেবা চার্জ ও অন্যান্য ফি।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
কোনো ব্যাংককে শুধু "নিরাপদ" বা "অনিরাপদ" বলে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা যায় না। একটি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি, মূলধন, তারল্য, সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে।
📌 এই সিরিজের পরবর্তী পোস্টগুলোতে ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ব্যাংকের নাম, প্রতিষ্ঠার সাল, মালিকানা, প্রধান সেবা, সুবিধা, সীমাবদ্ধতা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হবে।

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট আমানত বেড়েছে—কিন্তু পুরো বিষয়টি বোঝা জরুরি।সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (SNB)-এর প্রকাশিত তথ্য অ...
07/08/2026

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট আমানত বেড়েছে—কিন্তু পুরো বিষয়টি বোঝা জরুরি।
সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (SNB)-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৩৪ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১২,৭০০–১২,৮০০ কোটি টাকা। আগের বছরের তুলনায় এই পরিমাণ প্রায় ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে এই তথ্য প্রকাশের পর সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটি উঠেছে, সেটি হলো—এই টাকার মালিক কারা?
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। SNB-এর প্রকাশিত পরিসংখ্যানে শুধু ব্যক্তিগত আমানত নয়, বরং— ✔️ বাংলাদেশি ব্যক্তি
✔️ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান
✔️ বাংলাদেশি ব্যাংকের বৈধ আমানত
✔️ বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের বৈধ আমানত
—সবই অন্তর্ভুক্ত থাকে।
অর্থাৎ, এই তথ্যের ভিত্তিতে সব অর্থই অবৈধ বা পাচারের টাকা—এমন দাবি করা সঠিক নয়। একইভাবে, সব অর্থই বৈধ—এমন দাবিও করা যায় না। কারণ সুইস ব্যাংক হিসাবধারীদের পরিচয় প্রকাশ করে না।
যদি কোনো অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়ে থাকে, তাহলে সেটি খুঁজে বের করা এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্ব। জনগণের প্রত্যাশা—দেশের সম্পদ যেন সুরক্ষিত থাকে, অর্থপাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়।
দেশের অর্থ দেশের উন্নয়নে ব্যয় হোক—এটাই সবার প্রত্যাশা।

দালাল,ভারতের এজেন্ট, সে ভারতের 🇮🇳 গুপ্তচর দেশের মাটিতে বসবাস করেও যারা বিভাজনের রাজনীতি উসকে দেয়, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে...
21/06/2026

দালাল,ভারতের এজেন্ট,
সে ভারতের 🇮🇳 গুপ্তচর

দেশের মাটিতে বসবাস করেও যারা বিভাজনের রাজনীতি উসকে দেয়, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের বিরুদ্ধে যেকোনো বক্তব্য বা কার্যক্রম গভীর উদ্বেগের বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন— এসব কি শুধুই ব্যক্তিগত মতামত, নাকি এর পেছনে রয়েছে বৃহত্তর কোনো উদ্দেশ্য?

ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ সবসময় সচেতন। দেশের অভ্যন্তরে বিভক্তি সৃষ্টি, উসকানি কিংবা বিদেশি স্বার্থ রক্ষার অভিযোগ উঠলে তা অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা উচিত।

আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। প্রয়োজনে তদন্ত হোক, জবাবদিহি হোক, সত্য সামনে আসুক। দেশের স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের কালক্ষেপণ কাম্য নয়।
#ইন্ডিয়া_এজেন্ট #দালাল #বাংলাদেশ #হিন্দু

(গরুর মল ) (গোবর) এক অদ্ভুত জিনিস,পানিতে গেলে হয় মাছের খাদ্য, চুলায় গেলে হয় জ্বালানি, জমিতে গেলে হয় জৈবসার, ভারতে গেলে হ...
21/06/2026

(গরুর মল ) (গোবর) এক অদ্ভুত জিনিস,
পানিতে গেলে হয় মাছের খাদ্য,
চুলায় গেলে হয় জ্বালানি, জমিতে গেলে হয় জৈবসার, ভারতে গেলে হয় প্রসাদ,
আর মস্তিষ্কে গেলে হয় হিন্দু অথবা কট্টর হিন্দুত্ববাদী অথচ গরু বেটা নিজেও জানে না,তার মল অর্থাৎ গোবর একটা ধর্মের প্রোভিত্রতা মূল উপাদান , ধন্যবাদ । মন্দির কোথায় হবে আর মসজিদ কোথায় হবে এটা ঠিক করে দিয়েছেন মিষ্টার জিন্নাহ সাহেব ও ইন্দিরা গান্ধীরা , এখানে মুসলিম দেশ এখানে বড়ো বড়ো মন্দিরের কোনো কাজ নেই , ৯২ পার্সেন্ট মুসলমানের দেশে পূজা লোক নেই , অযথা রামের মাথায় পাখিদের টয়লেট বানাবেন না, আপনারা ভারতের কোটি কোটি একর খালি জমি পড়ে আছে ওখানে গিয়ে বড়ো বড়ো রাম মন্দির কালি লোকনাত মন্দির তৈরি করেন ওখানে পূজো করার লোকের অভাব নেই, অযথা বাংলাদেশের মতো ৯২% মুসলিমের এই সব রাম ছাম মন্দিরের কোনো কাজ নেই

কারো পোষ মাস, কারো সর্বনাশ, রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ...
20/06/2026

কারো পোষ মাস, কারো সর্বনাশ,
রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, দেয়াল কেটে দোকানে প্রবেশ করে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রূপার অলংকার এবং নগদ ২০ লাখ টাকাসহ আনুমানিক সাত কোটি টাকার মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনাটি ঘটেছে কারুশ্রী জুয়েলার্সে। দোকানটির মালিক তুর্য সরকার। ঘটনার খবর পেয়ে দোকানে এসে বারবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ব্যবসায়ী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার ভোরের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা প্রথমে পাশের আফিয়া জুয়েলার্সের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দুই দোকানের মাঝের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে ঢুকে স্বর্ণ, রূপা ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। আফিয়া জুয়েলার্সে মূল্যবান মালামাল না থাকায় সেখান থেকে কিছু খোয়া যায়নি।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা বাড়ি চলে যান। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বাজার বন্ধ ছিল। শনিবার সকালে দোকান খুলতেই চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে।

খবর পেয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছেন।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম অপু জানান, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ছয় কোটি টাকার ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রূপা এবং নগদ ২০ লাখ টাকা লুট হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাত কোটি টাকা।

তবে পুলিশ ঘটনাটিকে চুরি হিসেবে দেখলেও জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা এটিকে পরিকল্পিত ডাকাতি বলে দাবি করছেন। তাদের অভিযোগ, এত বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সাধারণ চুরি নয়।

ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার রাজশাহীর জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব জুয়েলার্সের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মালামাল উদ্ধার ও দায়ীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজশাহীরাজশাহী নগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, দেয়াল কেটে দোকানে প্রবেশ করে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রূপার অলংকার এবং নগদ ২০ লাখ টাকাসহ আনুমানিক সাত কোটি টাকার মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনাটি ঘটেছে কারুশ্রী জুয়েলার্সে। দোকানটির মালিক তুর্য সরকার। ঘটনার খবর পেয়ে দোকানে এসে বারবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ব্যবসায়ী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার ভোরের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা প্রথমে পাশের আফিয়া জুয়েলার্সের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দুই দোকানের মাঝের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে ঢুকে স্বর্ণ, রূপা ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। আফিয়া জুয়েলার্সে মূল্যবান মালামাল না থাকায় সেখান থেকে কিছু খোয়া যায়নি।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা বাড়ি চলে যান। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বাজার বন্ধ ছিল। শনিবার সকালে দোকান খুলতেই চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে।

খবর পেয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছেন।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম অপু জানান, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ছয় কোটি টাকার ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রূপা এবং নগদ ২০ লাখ টাকা লুট হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাত কোটি টাকা।

তবে পুলিশ ঘটনাটিকে চুরি হিসেবে দেখলেও জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা এটিকে পরিকল্পিত ডাকাতি বলে দাবি করছেন। তাদের অভিযোগ, এত বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সাধারণ চুরি নয়।

ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার রাজশাহীর জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব জুয়েলার্সের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মালামাল উদ্ধার ও দায়ীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজশাহী

কঠিন দৃশ্য, সকালটা ছিল অন্য দিনের মতোই। মধুপুর গড়ের টেলকি গ্রামের মানুষ যার যার কাজে ব্যস্ত। হঠাৎ খবর ছড়িয়ে পড়ল— টিলকি গ...
20/06/2026

কঠিন দৃশ্য,
সকালটা ছিল অন্য দিনের মতোই। মধুপুর গড়ের টেলকি গ্রামের মানুষ যার যার কাজে ব্যস্ত। হঠাৎ খবর ছড়িয়ে পড়ল— টিলকি গ্রামের এক বাড়ির ছাগলটি একটি গভীর গর্তে পড়ে গেছে। একটি অবলা প্রাণী, তার আর্তচিৎকার যেন আশেপাশের মানুষের হৃদয়কে নাড়িয়ে দিল।
একজন মানুষ গর্তে নামলেন ছাগলটিকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু কিছুক্ষণ পর আর তার কোনো সাড়া পাওয়া গেল না। গ্রামের আরেকজন ভাবলেন, "আমি না গেলে মানুষটাকে বাঁচাবে কে?" তিনিও নামলেন। এরপর তৃতীয়জন, তারপর চতুর্থজন...
কেউ নিজের জীবনের কথা ভাবেননি। সবাই ভেবেছিলেন অন্যের জীবন বাঁচানোর কথা। কিন্তু নির্মম নিয়তি! একে একে চারজনই প্রাণ হারালেন। আর গ্রামের আকাশে নেমে এলো শোকের কালো ছায়া।
সন্ধ্যায় যখন চারটি লাশ বাড়িতে ফিরল, তখন কোনো মায়ের বুকের কান্না থামছিল না, কোনো স্ত্রীর চোখের পানি শুকাচ্ছিল না, কোনো সন্তানের প্রশ্নের উত্তর ছিল না—
"আমার বাবা আর ফিরবে না?"
একটি ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে চারটি পরিবার হারিয়ে ফেলল তাদের সবচেয়ে আপন মানুষটিকে।
এই ঘটনাটি আমাদের অনেক কিছু শেখায়। মানবতা অবশ্যই মহৎ গুণ। অন্যকে বাঁচানো মহান কাজ। কিন্তু বিপদে আবেগের পাশাপাশি প্রয়োজন সতর্কতা ও সঠিক ব্যবস্থা। বিশেষ করে কূপ, গর্ত বা বন্ধ জায়গায় বিষাক্ত গ্যাস জমে থাকতে পারে, যা মুহূর্তেই মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে পারে।
আজ টিলকি গ্রামের এই ঘটনা শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা—

যে কারণে ভেঙে তিন টুকরো হলো তৃণমূল কংগ্রেসঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ছবি: বিবিসি ব...
20/06/2026

যে কারণে ভেঙে তিন টুকরো হলো তৃণমূল কংগ্রেস
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ছবি: বিবিসি বাংলা
পশ্চিমবঙ্গে একটানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনি ফল প্রকাশের মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভেঙে খানখান হয়ে গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পূর্বাভাস করলেও এত দ্রুত এমন বিপর্যয় ঘটবে তা কেউ ধারণা করতে পারেননি। ২৮ বছরেরও বেশি পুরোনো এই দলটি মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে তিন টুকরো হয়ে গেছে।

বর্তমানে দলটির বেশির ভাগ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আলাদা ব্লক গঠন করে নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করছেন। তারা কলকাতায় রাজ্য বিধানসভায় মূল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছেন।
অন্যদিকে, দিল্লিতে তৃণমূলের অন্তত ২০ জন লোকসভা এমপি স্পিকারকে চিঠি দিয়ে পুরোনো দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা ‘এনসিপিআই’ নামের একটি দলে যোগ দিয়ে কেন্দ্রে শাসক জোট এনডিএকে সমর্থন করছেন।

আর মূল দল কাগজে-কলমে মমতা ও তার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা এখন ‘কালীঘাট তৃণমূল’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেস এত দ্রুত ভেঙে যাওয়ার পেছনে মূল তিনটি কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো

১. নির্বাচন-সর্বস্ব ও আদর্শহীন রাজনীতি

তৃণমূল কংগ্রেসের নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক দর্শন বা মতাদর্শ ছিল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতি মূলত জনমোহিনী নীতি বা ‘পপুলিজম’-এর ওপর ভিত্তি করে চলত। ১৯৯৮ সালে দল গঠনের পর থেকে ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসা পর্যন্ত তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল সিপিআইএমকে হঠানো। ফলে শুধু নির্বাচন জেতার ওপর নির্ভরশীল এই রাজনীতি দলটির জন্য চড়া মূল্য ডেকে এনেছে।

৪ মে নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর দলটির নেতারা বুঝতে পারেন যে ভোটে হারার পর তাদের আঁকড়ে ধরার মতো কোনো আদর্শিক ভিত্তি নেই। ভারতে কংগ্রেস, বিজেপি বা বামপন্থিদের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আদর্শ ও সংগঠন থাকায় তারা ভোটে হারলেও টিকে থাকে। এমনকি বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী যখন নিষিদ্ধ ছিল, তখনো তারা আদর্শগত ভিত্তি দিয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। কিন্তু তৃণমূলের ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। ফলে ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েও নির্বাচন-কেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে দলটিকে বিস্তৃত করতে না পারায় এটি সহজে ভেঙে গেছে।
২. ক্যাটালিস্টের ভূমিকায় বিজেপি

নির্বাচনি বিপর্যয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্বলতম মুহূর্তে তাকে আঘাত করার কোনো সুযোগ ছাড়েনি বিজেপি। এই দল ভাঙার পেছনে বিজেপির সক্রিয় মদত ছিল। বিদ্রোহী বিধায়কদের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ভাঙার আগে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন এবং বিদ্রোহী এমপিরা বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। পুরো বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আড়াল থেকে তদারক করেছেন বলে জানা গেছে।

বিজেপি চেয়েছে রাজপথের আন্দোলনকারী মমতার বদলে পশ্চিমবঙ্গে এমন একটি ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ বিরোধী দল আসুক, যারা শুধু গঠনমূলক সমালোচনা করবে।

অন্যদিকে, দিল্লিতে ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (২৪০ আসন) না পাওয়ায় শরিকদের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশ এমপিকে ভাঙিয়ে এনডিএর শক্তি ৩০০ পার করাই ছিল বিজেপির লক্ষ্য। তবে বিজেপি বিদ্রোহীদের নিজেদের দলে সরাসরি ঠাঁই দেয়নি।

৩. অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফ্যাক্টর

তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতারা প্রায় প্রত্যেকেই দলের ভেতর দমবন্ধ পরিস্থিতির জন্য মমতার ভাইপো ও অঘোষিত উত্তরাধিকারী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। অভিষেক ‘কর্পোরেট কায়দায়’ দল পরিচালনা করতেন এবং নিজের একটি ঘনিষ্ঠ বলয় তৈরি করে রাখতেন। এর ফলে তৃণমূলের নিচুতলার সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বের বড় দূরত্ব তৈরি হয়।

অভিষেক দলের ভেতর করপোরেট শৃঙ্খলা আনতে গিয়ে আমজনতার সঙ্গে দূরত্ব বাড়ান। কয়েক বছর আগে তিনি ‘আই-প্যাক’ নামের একটি নির্বাচনী পরামর্শদাতা সংস্থাকে যুক্ত করেন। আই-প্যাকের বেতনভুক কর্মীরা কার্যত দলটিকে হাইজ্যাক করে নিয়েছিল এবং কে টিকিট পাবেন বা কে কী ভাষণ দেবেন তা তারাই ঠিক করত। এর পাশাপাশি অভিষেকের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির নানা অভিযোগ দলটির ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। ক্ষুব্ধ নেতারা এখন অভিষেকের দিকে আঙুল তুলেই নিজেদের দলবদলকে জাস্টিফাই বা বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

হোমদেশচট্টগ্রাম বিভাগবৈঠকের কথা বলে বারে ডাক, এনসিপির দুই নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগনিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ২...
20/06/2026

হোমদেশচট্টগ্রাম বিভাগ
বৈঠকের কথা বলে বারে ডাক, এনসিপির দুই নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
২০ জুন ২০২৬, ১৩:০৭
এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন ও চট্টগ্রাম মহানগর নেত্রী সাদিয়া আফরিন
এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন ও চট্টগ্রাম মহানগর নেত্রী সাদিয়া আফরিন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম মহানগরের নেত্রী সাদিয়া আফরিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন দলটির এক পদপ্রত্যাশী নারী কর্মী।

শুক্রবার (১৯ জুন) নগরের কাজীর দেউড়ির একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন।

অভিযোগকারী নিজেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী, এনসিপির কর্মী ও চট্টগ্রাম মহানগর নারীশক্তির একটি পদের প্রত্যাশী হিসেবে পরিচয় দেন।তার দাবি, সংগঠনের একটি পদ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাকে চট্টগ্রাম নগরের একটি অভিজাত হোটেলের বারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং অস্বস্তিকর প্রস্তাব দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সাংগঠনিক বৈঠকের কথা বলে তাকে একটি আবাসিক হোটেলের বারে ডাকা হয়েছিল। সেখানে তাকে যৌন হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্ররোচিত করার চেষ্টা করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৪ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি চট্টগ্রামের পেনিনসুলা হোটেলে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, হোটেলের শীর্ষতলার বারে সুজা উদ্দিন কয়েকজনের সঙ্গে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া আফরিন।

অভিযোগকারীর দাবি, সেখানে বসার পর সুজা উদ্দিন তাকে ধূমপান ও মদ্যপানে উৎসাহিত করেন এবং বিভিন্ন ধরনের পানীয় গ্রহণের প্রস্তাব দেন। নিজের অস্বস্তির কথা জানালে সাদিয়া আফরিন তাকে সুজা উদ্দিনের নির্দেশনা অনুযায়ী চলার পরামর্শ দেন বলেও অভিযোগ করেন।

তিনি দাবি করেন, কিছু সময় পর সাদিয়া আফরিন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান। এরপর সুজা উদ্দিন তাকে কয়েকবার পাশে গিয়ে বসতে বলেন। তার আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও অঙ্গভঙ্গি ছিল অশালীন ও যৌন হয়রানিমূলক।

তিনি আরও দাবি করেন, পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হয়ে উঠলে তিনি সেখান থেকে চলে যান। পরে প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় সুজা উদ্দিন তাকে ‘ডিল অর ডেথ’ বলে হুমকিসদৃশ মন্তব্য করেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক সুযোগ-সুবিধা, পদ-পদবি এবং আর্থিক সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন।

অভিযোগকারী জানান, হোটেল থেকে বের হওয়ার পর তিনি সাদিয়া আফরিনকে ফোন করে ঘটনার প্রতিবাদ জানান। তখন সাদিয়া তাকে বলেন, ‘রাজনীতি করতে হলে বড় পদ-পদবিধারীদের ব্যক্তিগত সময় দিতে হয়। এটাই রাজনৈতিক কালচার।’

এ ঘটনায় আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন ও সাদিয়া আফরিনের বিরুদ্ধে গত ১৭ জুন চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী।

চকবাজার থানার ওসি নুর হোসেন মামুন বলেন, এ ঘটনায় একটি জিডি হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করা সম্ভব নয়।নেতা-নেত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে নিন্দা জানিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপি।

এ ঘটনায় এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের প্রধান রিদুয়ান হৃদয় সই করা শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার দুই নেতার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব সাদিয়া আফরিন ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজা উদ্দিনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক এবং রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যসাধনের অপচেষ্টা।

এদিকে, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটি ইতিমধ্যে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানানো হয়।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে অনুমাননির্ভর, বিভ্রান্তিকর বা মনগড়া মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

নারী কত প্রকার এবং কি কি? বড় আফসোস!!!!কত পরিশ্রম, কত সাধনা নারীর রূপের আগুনে মুহুর্তেই ঝলসে গেলো!৫০ কিমি. সাইকেল চালিয়ে ...
20/06/2026

নারী কত প্রকার এবং কি কি?
বড় আফসোস!!!!

কত পরিশ্রম, কত সাধনা নারীর রূপের আগুনে মুহুর্তেই ঝলসে গেলো!
৫০ কিমি. সাইকেল চালিয়ে এসে ক্লাস করে এইচ এস সি শেষ করা কে এই গোলাম সাকলায়েন শিথিল?
১) ৩০ তম বি সি এসে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম।
২) পুলিশ একাডেমিতে বুনিয়াদী প্রশিক্ষণেও হয়েছিলেন সেরা, পেয়েছিলেন বেস্ট প্রবেশনারি অ্যাওয়ার্ড।
৩) বেস্ট অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড।
৪) পেশাগত দক্ষতা বাড়িয়ে নিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মাস্টার্স অব পুলিশ সায়েন্সেও হয়েছিলেন প্রথম।
৫) পেয়েছেন রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)।

চাকরি থাকলে তার আরো কত কত অর্জন যে হতো! চাকরি থাকলে হয়তো একদিন পুলিশের আইজিপিও হতো তুখোড় মেধাবী ও পরিশ্রমী এই কর্মকর্তা!
ছিলো সুখের সংসারও। সাকলায়েনের স্ত্রীও প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। সংসারে রয়েছে একটি আদরের সন্তান। সেই সংসারও আজ শেষ।
এক নারীর আগুনে সব শেষ। ব্যবসায়ী নাসির জেলে গেলো, রাজের সংসার ভেঙে গেলো, এডিসি সাকলায়েনের চাকরিও গেলো, সংসারও গেলো।
থেকে গেলো শুধু মহান নায়িকা পরীমনি!
নারী টাকার কাছে বিক্রি হয়, পুরুষ নয়।

Address

Savar
Mymensingh
2290

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh A H posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share