anindabangla

anindabangla অনিন্দ্যবাংলা। নাগরিক সাংবাদিকতার পথিকৃত। ৮৭ হাজার গ্রামে ৮৭ হাজার সাংবাদিক। দেশের খবর, দশের খবর, আমাদের খবর।। চোখ রাখুন।। .com.

https://anindabangla.com/details/mha-oshtmeete-mymnsingher-brhmputre-lakho-punzarthee   #অনিন্দ্যবাংলা
26/03/2026

https://anindabangla.com/details/mha-oshtmeete-mymnsingher-brhmputre-lakho-punzarthee



#অনিন্দ্যবাংলা

 হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব অষ্টমী স্নান উপলক্ষে ময়মনসিংহের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে আজ লাখো পু....

রমজানে স্বস্তি: ময়মনসিংহে সুলভ মূল্যে মাংস ও ডিম বিক্রি শুরুঅনিন্দ্যবাংলা প্রতিনিধি:পবিত্র রমযান মাসে নিম্নআয়ের মানুষে...
10/03/2026

রমজানে স্বস্তি: ময়মনসিংহে সুলভ মূল্যে মাংস ও ডিম বিক্রি শুরু

অনিন্দ্যবাংলা প্রতিনিধি:
পবিত্র রমযান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে ময়মনসিংহে সুলভ মূল্যে গরুর মাংস ও ডিম বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ এবং ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা মনোরঞ্জন ধর, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ওয়াহেদুল আলম এবং জেলা ভেটেরিনারি অফিসার ডা. এ.জেড.এম. ওয়াহিদুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্বস্তি আনতেই এই বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ চলবে আসন্ন ঈদুল ফিতর পর্যন্ত।

কর্মসূচির আওতায় গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে, যেখানে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ১ কেজি কিনতে পারবেন। এছাড়া ১৪টি ডিম ১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে (হালি প্রতি ২৮ টাকা হিসেবে)। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ১৪টি ডিম সংগ্রহ করতে পারবেন।

জেলা ভেটেরিনারি অফিসার ডা. এ.জেড.এম. ওয়াহিদুল আলম জানান, রমজান মাসে অনেক নিম্নআয়ের পরিবারের পক্ষে বাজারদরের কারণে মাংস ও ডিম কেনা কঠিন হয়ে পড়ে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় প্রকৃত দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “ঈদের আগ পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। উদ্যোগটি সফল হলে ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।”

সুলভ মূল্যে পণ্য কিনতে আসা এক নারী ক্রেতা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “বাজারে মাংসের দাম এত বেশি যে আমাদের মতো মানুষের পক্ষে কেনা প্রায় অসম্ভব। অনেক দিন পর কম দামে মাংস ও ডিম কিনতে পেরেছি। আজ সন্তানদের নিয়ে অন্তত একবার তৃপ্তি করে মাংস খেতে পারবো।”

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

05/03/2026

৫৯০ টাকার প্যাকেজ!
গতকালও গাড়ি আসেনি, আজও গাড়ি আসেনি! দুপুরের তপ্ত রোদে এখনো তারা প্রতীক্ষায়!

ময়মনসিংহ শশীলজের সামনে।।

05/03/2026

চট্টগ্রামে প্রেসক্লাবের আধিপত্য!

05/03/2026

গায়ে হাত দেয়!

আমাদের ময়মনসিংহ
05/03/2026

আমাদের ময়মনসিংহ

🌿 নতুন লোগো, নতুন অঙ্গীকার, নতুন পথচলা- অনিন্দ্য বাংলা ১৮ বছর পেরিয়েও আবারও আপনাদের মাঝে...সুপ্রিয় পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও...
02/03/2026

🌿 নতুন লোগো, নতুন অঙ্গীকার, নতুন পথচলা- অনিন্দ্য বাংলা ১৮ বছর পেরিয়েও আবারও আপনাদের মাঝে...

সুপ্রিয় পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও প্রিয় বন্ধুগণ,
অনিন্দ্য বাংলার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

সময় বদলায়, প্রযুক্তি বদলায়, সংবাদমাধ্যমের ধরন বদলায়; কিন্তু সত্য, দায়িত্ব এবং মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার বদলায় না। সেই অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করতে আপনাদের প্রিয় অনলাইন গণমাধ্যম -অনিন্দ্য বাংলা ডটকম- www.anindabangla com নতুন লোগো নিয়ে আবারও নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছে।

এই পথচলা আজকের নয়।
একটি স্বপ্ন, একটি বিশ্বাস, এবং একটি দায়িত্ববোধ থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে ডিজিটাল তথ্যসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা প্রথম কাজ শুরু করি। পরে ২০০৫ সালে অনিন্দ্যবাংলা ডটকম নামে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়, আর ১২ অক্টোবর ২০০৯ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন পত্রিকা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

দীর্ঘ এই পথচলায় আমরা কখনো বড় পুঁজির কর্পোরেট শক্তি ছিলাম না,
ছিল আপনাদের ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং অংশগ্রহণ।

আমরা বিশ্বাস করি;
পাঠক শুধু খবর পড়বে না,
পাঠকই খবরের উৎস হবে।
সাংবাদিক শুধু লিখবে না,
সাংবাদিক মানুষের কণ্ঠস্বর হবে।

এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের মূল স্লোগান -
“পাঠকই সাংবাদিক, সাংবাদিকই পাঠক”

অনিন্দ্য বাংলা সবসময় চেষ্টা করেছে তৃণমূলের কথা তুলে ধরতে,
গ্রামের কথা বলতে,
অবহেলিত মানুষের কথা লিখতে,
উন্নয়নের খবর প্রকাশ করতে,
আর খবরের পেছনের খবর সামনে আনতে।

আমাদের বিশেষ উদ্যোগ ৬০ মিনিট সংবাদ পরিক্রমা -
মাত্র ৬০ মিনিটে দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, যা ইতোমধ্যেই পাঠকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

আমাদের আরেকটি বড় স্বপ্ন -
বাংলাদেশের ৮৭ হাজার গ্রামে ৮৭ হাজার প্রতিনিধি তৈরি করা।
যাতে দেশের প্রতিটি গ্রামের সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন, সংগ্রাম এবং সাফল্যের গল্প বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা যায়।

এই নতুন লোগো সেই স্বপ্নেরই নতুন প্রতীক।
এই পরিবর্তন শুধু ডিজাইনের নয়,
এটি নতুন শক্তি, নতুন পরিকল্পনা, নতুন অঙ্গীকারের ঘোষণা।

আপনিও হতে পারেন অনিন্দ্য বাংলার অংশ।
আপনি লিখতে পারেন সংবাদ, ফিচার, কলাম, উপসম্পাদকীয়, মতামত।
আপনি পাঠাতে পারেন আপনার প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বা পণ্যের সংবাদ ও বিজ্ঞপ্তি।
আপনার কণ্ঠস্বর বিশ্বজুড়ে পৌঁছে দিতে অনিন্দ্য বাংলা সবসময় পাশে আছে।

📍 প্রধান কার্যালয়
অনিন্দ্যবাংলা ডটকম
৩৮ ছোটবাজার, মুক্তিযোদ্ধা স্মরণী
জিএম প্লাজা, ময়মনসিংহ-২২০০

📍 বাণিজ্যিক কার্যালয়
১৮ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন
মগবাজার, ঢাকা-১২১৭

📞 মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১১৬১৫৬৭
📧 ইমেইল : [email protected]
📧 [email protected]

🌐 ভিজিট করুন
www.anindabangla.com

📘 ফেসবুক পেইজ
https://www.facebook.com/anindabanglanews

📩 সংবাদ পাঠান
[email protected]
[email protected]

আপনাদের ভালোবাসা থাকলে পথ থেমে থাকে না। আপনাদের অংশগ্রহণ নিয়েই একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম চাই।
আপনাদের সহযোগিতা থাকলে সত্যের কণ্ঠ কখনো বন্ধ হবে না।

লাইক দিন 👍
কমেন্ট করুন 💬
শেয়ার করুন 🔁
আর সাথে থাকুন

শান্তি ও আনন্দে জেগে উঠুক পৃথিবী
অনিন্দ্য বাংলা www.anindabangla com হোক সত্য, সাহস ও মানুষের পক্ষে এক নির্ভরযোগ্য নাম।

অনিন্দ্যবাংলার সদস্য হোন, দেশ গঠনে অংশ নিন।।

ময়মনসিংহ শহরের কোতোয়ালী থানাধীন টাউন মৌজায় ১নং খাস খতিয়াভুক্ত সরকারি জমিতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জাল দলিল ও ভুয়....

ম্যাজিস্ট্রেট নেই, অনুমতি নেই; নাকি নীরব সমঝোতা?ময়মনসিংহে ২৭৫ অবৈধ ইটভাটা, ছয় মাসে নেই উল্লেখযোগ্য অভিযান অনিন্দ্যবাংল...
26/02/2026

ম্যাজিস্ট্রেট নেই, অনুমতি নেই; নাকি নীরব সমঝোতা?
ময়মনসিংহে ২৭৫ অবৈধ ইটভাটা, ছয় মাসে নেই উল্লেখযোগ্য অভিযান

অনিন্দ্যবাংলা প্রতিবেদন | ময়মনসিংহ
আইন রয়েছে, দায়িত্ব নির্ধারিত; তবু ময়মনসিংহ জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব স্পষ্ট। পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে ম্যাজিস্ট্রেট সংকট, জেলা প্রশাসন বলছে সহযোগিতা আছে। কিন্তু মাঠের তথ্য বলছে, গত ছয় মাসে তিনটি অভিযানও হয়নি।

জেলার অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ নিয়ে প্রশাসনের দুই দপ্তরের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে তৈরি হয়েছে অস্বচ্ছতার আবহ। একদিকে বলা হচ্ছে ম্যাজিস্ট্রেটের অভাবে অভিযান ব্যাহত, অন্যদিকে জেলা প্রশাসন বলছে; সহযোগিতায় ঘাটতি নেই। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা বলছে, গত ছয় মাসে তিনটি অভিযানও হয়নি। এ সময়ে শতাধিক চিমনি থেকে প্রতিদিন ধোঁয়া উঠেছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। এদিকে ২৭৫টি অবৈধ ভাটার ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন, উঠেছে চাঁদা গ্রহণের গুরুতর অভিযোগও।

আইন অনুযায়ী ইটভাটা লাইসেন্স প্রদান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা জেলা প্রশাসনের হাতে; পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান, পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের দায়িত্ব -এর। কাগজে-কলমে কাঠামো সুস্পষ্ট হলেও বাস্তবায়নে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র।

পরস্পরবিরোধী বক্তব্য, স্থবির অভিযান
পরিবেশ অধিদপ্তরের এক পরিচালক বলেন, “ম্যাজিস্ট্রেটের অভাবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে ডিসি অফিসে অনুমতি চাইলে অনেক সময় অনুমতি মেলে না।”
অন্যদিকে জেলা প্রশাসক দাবি করেন, “অভিযানে সবসময় সহযোগিতা করে আসছি। প্রস্তাব এলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

তবে প্রশাসনিক সূত্র ও মাঠতথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে জেলায় তিনটি অভিযানও পরিচালিত হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে; সমন্বয়হীনতা, নাকি নীরব সমঝোতা?

তবে কী অবৈধতার জয় !
জেলায় অবৈধ ইটভাটার সংখ্যা ২৭৫টি; বৈধ মাত্র ৩৩টি। অর্থাৎ প্রায় ৮৯ শতাংশ ভাটা লাইসেন্সবিহীন অথবা শর্তভঙ্গকারী। ত্রিশাল (৪১), ময়মনসিংহ সদর (৩৭) ও নান্দাইল (৩৫) উপজেলায় অবৈধ ভাটার সংখ্যা সর্বাধিক। বৈধ’র চেয়ে অবৈধ’র সংখ্যা বেশী হওয়ায় জনমনে একটিই প্রশ্ন, তবে কী অবৈধতার জয়?

আইন অনুযায়ী কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ির নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক হলেও বহু ভাটা এসব শর্ত উপেক্ষা করে পরিচালিত হচ্ছে। বেশ কিছু ভাটায় এখনো পরিবেশবান্ধব জিগজ্যাগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি।

“টাকা দিয়ে চালাই” মালিকদের বিস্ফোরক দাবি
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ইটভাটা মালিক বলেন, “ইট না তৈরি করলে নির্মাণ কাজ কীভাবে হবে? বৈধ-অবৈধ বুঝি না। আমরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই ইটভাটা চালাই।” আরও অভিযোগ এসেছে, গত ১৬ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রশাসনের লোকজন ভাটাপ্রতি প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা নিয়েছেন।

এই অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। যদি তা সত্য হয়, তবে তা কেবল পরিবেশ আইন লঙ্ঘন নয়; দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সামিল। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

জনজীবনে বিপর্যয়
অবৈধ ইটভাটার প্রভাবে জেলার গ্রামীণ ও শহরতলির জনজীবনে বহুমাত্রিক প্রভাব পড়ছে-
কৃষিজমির উর্বর টপসয়েল কেটে নেওয়ায় ফসল উৎপাদন কমছে
বায়ুদূষণে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও চোখ জ্বালার ঘটনা বাড়ছে
স্কুল-কলেজের পাশে কালো ধোঁয়া; শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি
ভারী ট্রাক চলাচলে গ্রামীণ সড়ক ভেঙে পড়ছে
পুকুর-খাল ভরাট ও জলাধার সংকুচিত হচ্ছে
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় কোন বৈধ ইটভাটা নেই। এক বাসিন্দা বলেন, “দিনে আকাশ কালো, রাতে চুল্লির আগুন; শান্তিতে থাকা যায় না। দরজা-জানালা বন্ধ রাখলেও ধুলা ঢোকে।”
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, টপসয়েল কেটে নেওয়ার ফলে জমির উৎপাদনক্ষমতা কয়েক বছরের জন্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যনিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রশাসনিক জবাবদিহিতা: কোথায় ঘাটতি?
আইন অনুযায়ী ভাটা স্থাপনের আগে পরিবেশগত ছাড়পত্র, লাইসেন্স এবং নির্ধারিত দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। শর্ত ভঙ্গ করলে জরিমানা, ভাটা সিলগালা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে-
নিয়মিত মনিটরিং নেই
অভিযানের পূর্বঘোষণা ফাঁসের অভিযোগ
জরিমানার পর পুনরায় ভাটা চালুর নজির
দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই খাতে স্বচ্ছতা আনতে হলে- জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ টাস্কফোর্স গঠন, ডিজিটাল লাইসেন্সিং ও জিপিএস-ভিত্তিক ট্র্যাকিং, অভিযানের তথ্য ও জরিমানার পরিসংখ্যান প্রকাশ, দুর্নীতির অভিযোগে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে।
ধোঁয়ার আড়ালে প্রশাসনিক নীরবতা?

ময়মনসিংহে অবৈধ ইটভাটা এখন শুধু পরিবেশগত সংকট নয়; এটি আইনের শাসন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন। “ম্যাজিস্ট্রেট নেই” কিংবা “অনুমতি নেই”; এই অজুহাতের আড়ালে যদি ২৭৫টি অবৈধ ভাটা চলতে থাকে, তবে আইনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।

জনস্বার্থে দ্রুত, দৃশ্যমান ও ধারাবাহিক অভিযান; এখন সময়ের দাবি। নইলে ধোঁয়ার কুণ্ডলীর আড়ালে হারিয়ে যাবে পরিবেশ, কৃষিজমি এবং মানুষের মৌলিক অধিকার।

ময়মনসিংহ সদর ও পৌর ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান! ভূমি সেবার মানোন্নয়ন, নথিপত্র সংরক্ষণ জোরদার এবং ...
25/02/2026

ময়মনসিংহ সদর ও পৌর ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান!

ভূমি সেবার মানোন্নয়ন, নথিপত্র সংরক্ষণ জোরদার এবং দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও পৌর ভূমি অফিস পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি অফিসের সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় ভূমি সেবা প্রদান প্রক্রিয়া, রেকর্ড সংরক্ষণ, নামজারি ও খাজনা আদায় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে সেবা প্রদানের মান আরও উন্নত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসক ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। পরিদর্শন শেষে তিনি কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং জনবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। এছাড়া ভূমি অফিসের ডিজিটাল সেন্টার ও রেকর্ড রুম পরিদর্শন করে কক্ষের সংস্কার ও নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রদান করেন।

এর আগে জেলা প্রশাসক অফিসে পৌঁছালে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা এবং পৌর কর্মকর্তা জীবন কুমার বিশ্বাস ফুল দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।

24/02/2026
23/02/2026

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বানরাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন। খ...

https://youtu.be/XKlngMKySqk
23/02/2026

https://youtu.be/XKlngMKySqk

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বানরাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন। খ...

Address

38 Chotobazar, G. M. Plaza
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when anindabangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to anindabangla:

Share