Niloy Vai

Niloy Vai সবাই এই ফেসবুক পেজের সঙ্গে থাকবেন সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ধন্যবাদ��

06/05/2023

-তোর শাড়ির আঁচল বারবার খুলে খুলে পরে যায় কেন? পুরুষ মানুষকে কি শরীর না দেখালে চলে না? নাকি তাদের ছোঁয়া পেতে শাড়ি পরিস?
কথাটা বলেই একটানে অহনার ব্লাউজের হাতাটা ছিড়ে ফেলে আবির।অহনা কিছু বলতে যাবে তার আগেই আবির ঠাসসস! করে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দেয়।
-তোকে আমি আগেও বলেছি পুরুষ মানুষের থেকে একশত গজ দূরত্ব বজায় রাখবি।তোর কি আমার কথা কানে যায় না?
কথাটা বলে অহনাকে টেনে হিচড়ে সিঁড়ি দিয়ে ঘেষতে ঘেষতে রুমে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়।অহনা উঠে দাড়াতেই আবির অহনার শাড়ির আঁচলটা ধরে একটানে খুলে ফেলে।আর বলে চেঞ্জ করে নিতে।অহনা ভয়ে ভয়ে আবিরের দিকে তাকায়।আবিরের এমন রূপ আগে কখনো অহনা দেখেনি।অহনা আবিরকে বোঝাতে যায় আসলে ঘটেছিলোটা কি! কিন্তু আবির কিছুই শুনতে চাই না।সে অহনার প্রতি আরও বেশি রেগে যায়। আর রাগের বসে অহনার ব্লাউজের আরেকপাশের হাতাটাও টেনে ছিঁড়ে ফেলে।তারপর অহনার গালটা শক্ত করে চেপে ধরে বলে,
-আজ থেকে বাড়ির বাইরে যাওয়া তোর জন্য বন্ধ।
কথাটা বলে শব্দ করে দরজারটা বন্ধ করে আবির রুম থেকে বেড়িয়ে যায়।
আর আবির চলে যাওয়ার পর অহনা সেঠায় বসে পরে।আর কাঁদতে থাকে।আবিরের এই রূপটা অহনার ভেতরটা যেন দুমড়ে মুচড়ে দিচ্ছে।অনেকটা কস্ট হচ্ছে অহনার।

আবির বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা পার্টিতে যায়। সেখানে গিয়ে দেখে বন্ধু আদি ড্রিক করতে করতে মেয়েদের গা ঘেঁষে ড্রান্স করছে।
আবির সেটা দেখে আর নিজের রাগ কন্ট্রোল করতে পারে না।ওই মেয়েগুলোর মধ্যে যেন অহনাকে দেখতে পায় আবির।যেটা আবির সহ্য করতে না পেরে আদিকে ভীরের মধ্যে থেকে টেনে দূরে নিয়ে আসে।তারপর পার্টির মিউজিকটা অফ করে দিয়ে আদিকে মারে।মারতে মারতে রক্তাক্ত করে ফেলে। তারপর বলে,
-তোর সাহস কি করে হয় আমার অহনাকে স্পর্শ করার? তোকে তো আমি..
আবির ব্লেড খুলে আদিকে আবারও মারতে যায় আর জলি এসে আবিরের হাত থেকে ব্লেডটা কেড়ে নেয় আর বলে,
-ওকে কেন মারছিস আবির? তুই চিনিস না ওকে? ওতো এমনই।মেয়েদের প্রতি আসক্ত। কিন্তু তোর অহনা? ও কেন নিজের সতিত্ব বিলিয়ে দিতে এর কাছে এসেছিলো সেটা একবার গিয়ে নিজের অহনাকে জিজ্ঞাসা কর!
আবির আর কিছু না বলেই পার্টির থেকে চলে আসে।আর ড্রিক করতে করতে গাড়ি ড্রাইভ করে বাড়ির দিকে যায়।আর ভাবে, অহনাকে কিভাবে আদি স্পর্শ করছিলো।দূর থেকে দাড়িয়ে আবির দেখেছে আদির স্পর্শে অহনা একটুও অস্বস্তিবোধ করে নি।
-তাহলে কি জলি ঠিকই বলে অহনা..নাহ কি ভাবছি আমি..

অহনা সেখানেই বসে থাকে।আর কাঁদতে থাকে।ভা

05/05/2023

বাসর রাতেই বুঝতে পারলাম বউ ভার্জিন না। পারিবারিক ভাবেই বিয়ে করেছি অথচ ভাবতেই পারছিনা নববধূ কুমারী না। অনেক চিন্তায় পরে গেলাম তবে কি আমার আগে অন্য কেউ এসেছিল তার জীবনে? না, এটা কি করে হয়।

গতকাল, বর সেঁজে বউ নিয়ে বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। বউ দেখতে অনেক সুন্দর, চেহারাই একটা মায়াবী ভাব আছে। রাত ১২ টায় আমাকে বাসর ঘরে ঢুকতে দেওয়া হলো। অনেক আশা, ভালোবাসা নিয়ে নববধূর কাছে এগিয়ে গেলাম। নববধূর লম্বা গুমটা তুলে পলকবিহীন তাকিয়ে বললাম,

- আচ্ছা তোমার নাম কি?
নববধূ আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে বলে,
- আমার নামও জানেন না?
- না, এখন বলো।
- আমার নাম প্রাচী!
- প্রাচী খুব সুন্দর নাম, আসলে হঠাৎ করেই আমাদের বিয়ে হয়ে গেল তাই আর নাম জানা হলো না। এখন এই সব বাদ দিয়ে চলো একটু...
- এভাবে বলতে নেই, আমার লজ্জা করে।

আমাদের নতুন জীবনের প্রথম রাত কাটলো ভালোই। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, প্রাচী একপাশে শুয়ে আছে। বিছানায় কুমারীত্বের কোনো লক্ষণের দাগ নেই, মাথায় যেনো আকাশ ভেঙে পরলো। তাহলে কি প্রাচী কুমারী না! বিছানা ভালো করে দেখেও ভার্জিনের কোন চিহ্ন বিন্দু পেলামনা।

ফ্রেশ হয়ে এসে টেবিলে বসে ভাবছি গত রাতের কথা গুলো। একটু পরই প্রাচী ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে আসলো নাস্তা করতে। পরিবার বলতে মা, ছোট বোন, আমি আর নতুন এলো প্রাচী। সবাই একসাথে বসে নাস্তা করছি তখন প্রাচী হাত বাড়িয়ে আমাকে নাস্তা দিতে চাইলো আমি মাথা নেড়ে বুঝালাম নাস্তা করার কোন ইচ্ছা নাই।

মা কারন জানতে চাইলো, আমি কিছুই বললাম না। আমি ভাবছি, এটা কি করে হয় প্রাচী ভার্জিন না। নাস্তা না করেই টেবিল থেকে উঠে রুমে চলে আসলাম। প্রাচী ও আসলো রুমে, আমি চুপ করে ভাবছি প্রাচীকে জিগ্যেস করে দেখবো নাকি।

- তুমি কি কিছু নিয়ে চিন্তিত?
প্রাচীর কন্ঠ শুনে ওর চোখে তাকালাম আর বললাম,
- না, কেনো?
-না মানে, নাস্তা করলে না আবার মুখেও চিন্তার ছাপ।
- এমনিই।

বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম, হাঁটতে হাঁটতে চলে আসলাম পার্কে। পার্কের এক পাশে বসে ভেবেই চলছি প্রাচীর কুমারীত্ব কে নষ্ট করলো। প্রাচীকে নিয়ে চিন্তায় মগ্ন তখনই পিছনে শুনতে পেলাম পুরাতন প্রেমিকার আওয়াজ। পিছনে তাকিয়ে দেখি সে আমার দিকেই আসছে।

- ইথান, কেমন আছো?
রাইসার কথা শুনে মুচকি হেঁসে বললাম,
- ভালো, তুমি?
- আমিও ভালোই! এতদিন পর দেখা আর তুমি কি কোনোকিছু নিয়ে চিন্তিত!
- তেমন কিছুনা, তা এতদিন পর কোথায় থেকে?
- বেড়াতে আসছি আর তুমি চিন্তিত

05/05/2023

যখন খারাপ সময় আসে,তখন সবার ব্যবহার হয়ে যায় ঠিক চোখে পড়ার মতো!যে মানুষটাকে আপনি কখনোই এক চুল পরিমাণ মূল্যও দেননি কখনোই,সেই মানুষটাই আপনাকে আঙ্গুল তুলে কথা বলবে!

রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাবেন,রাস্তায় পড়ে থাকা কোনো অদৃশ্য কিংবা দৃশ্যমান জিনিসে হোঁচট খেয়ে আঘাত পাবেন!ব্যথায় গোংরাতে থাকবেন,তবে মলম তো দূরের কথা;সান্ত্বনা দেয়ার জন্যও কাউকে পাশে পাবেন না!

আবার একা থাকতে চাইবেন,লোকসমাগমে আপনি একপ্রকার বিরক্তই হবেন বৈকি!যেখানে যাবেন,সেখানেই একটা না একটা ঝামেলা ঘটবেই।

যে বিষয়ে সতর্ক থাকতে চাইবেন,সেই বিষয়টা নিয়েই আপনাকে দুঃখ কিংবা ঝামেলা পোহাতে হবে!

সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো যে বিষয় তখন খেয়াল করবেনঃ
যে মানুষটা আপনার মানসিক শান্তির কারণ,সেই মানুষটাই আপনাকে যন্ত্রণা দিবে!যার সাথে কথা বললে একটু শান্তি পাবেন মনে করবেন,সেই মানুষটাই থাকবে অতিশয় ভীষণ ব্যস্ত!

তাহলে যাবেন কোথায়?

রাস্তায় যাবেন?
সেখানেও ইটপাটকেলে হোঁচট খাওয়ার সম্ভাবনা!
নদীতে যাবেন?
সেখানেও অথৈজলে ডুবে যাওয়ার ভয়!
আপনজনের কাছে যাবেন?
তাদের কাছেও আপনি নিতান্তই অসহায়,আপনাকে কিংবা আপনার পরিস্থিতি বিন্দুমাত্র বুঝার চেষ্টাটুকুও কেউ করবে না!

তাহলে আপনি ঠিক করবেন টা কি?

হুম,
এই সময়ে আপনি একদম স্থির থাকুন,স্থীর থাকতে নিজেকে প্রশিক্ষিত করুন।সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে একা থাকার চেষ্টা করুন,প্রার্থনা করুন।মনে অসীম ব্যথা নিয়ে মানুষের সামনে দাঁড়ালে কেবল উপহাস কিংবা বিনা পয়সায় সান্ত্বনা কিংবা উপদেশ আর নয়তো অবহেলাই করে,তবে মনে তীব্র ব্যথা নিয়ে উপরওয়ালার সামনে দাঁড়ালে সে বান্দার মনের কষ্ট বুঝতে পারে।

মনে রাখবেনঃ
স্বার্থের পৃথিবীতে নিজের বলতে কিচ্ছু নেই,যা আছে তা কেবল ক্ষনিকের মায়া।স্বার্থে আঘাত লাগলে যেখানে নিজের রক্তের সম্পর্কের মানুষগুলো পর হয়ে যায়,সেখানে পর মানুষ কভু আপন হতে পারে না–কস্মিনকালেও না!

অনেকটা আঘাত দিয়ে ফেলেছেন নিজেকে,মানুষের ভালোবাসা-সহানুভূতি কিংবা নিজের একটু মানিসক শান্তির জন্য!এবার না হয় নিজেই একা থাকার চেষ্টা করুন।

প্রয়োজন নেই এমন মানুষের;যারা কেবল আপনার মাধ্যমে ভালো থাকতে চায়–ভালো থাকতে আসে।কিন্তু আপনাকে কিংবা আপনার অসহায়ত্ব অনুভূতিটুকুন বুঝার ক্ষমতা কিংবা ইচ্ছা,কোনোটাই রাখে না,আপনার খারাপ সময়ে যারা ভীষণ ব্যস্ত থাকে!

লেখায়ঃ মোঃ উবাইদুল হক নিলয় 🥀

05/05/2023

চার বছর পর নিজের বাসায় ফিরছে আহান।
বাসার কলিংবেল বাজাতেই সাথে সাথে একটা মেয়ে দৌড়ে এসে দরজা খুলে দিল.
দরজার সামনে অপরিচিত কাউকে দেখতে পেয়ে কিছু বলতে যাবে হঠ্যাৎ আহান খেয়াল করলো
মেয়েটির পুরো শরীর ময়দা দিয়ে মাখা মাখি।
মনে হচ্ছে একটু আগেই ময়দা দিয়ে গোসল করে উঠেছে।
আহানঃ এই মেয়ে তুমি কে??(কৌতুহল হয়ে)
মেয়েটিঃ আমার কথা বাদ দেন। আগে সেটা বলুন আপনি কে(কোমড়ে হাত রেখে)
আহানঃ তুমি জানো না আমি কে।তাই আমাকে এই ভাবে প্রশ্ন করার সা্হস পাচ্ছো।এখন দরজা সামনে থেকে সরো। আমায় যেতে দাও ভিতরে।(রাগি কন্ঠে)
মেয়েটিঃ ইস রে মামা বাড়ির আবদার। উনি বললেন আর আমি যেতে দিলাম(মুখ ভেংচি কেটে)
মেয়েটির কথা শুনে বেশ রাগ আসে আহানের।
তাই মেয়েটির পাশ কাটিয়ে ভেতরে ঠুকতে নিলে
মেয়েটি শক্ত করে জরিয়ে ধরে আহানকে।
আহানঃ এই মেয়ে কি করছো কি। ছারো আমায়।
মেয়েটি আহানের কথা শুনে আরও শক্ত করে জরিয়ে ধরলো।
মেয়েঃ কাকি মা জলদি আসো। চোর ঠুকেছে বাসায়।
আহানঃ ওয়াট চোর।তা আবার আমি।
মেয়েটির ডাক শুনে সাবিনা খান দৌড়ে আসলেন ছাড়ু হাতে নিয়ে।
সাবিনাঃ কই কই চোর কই (চারু)
চারুঃ এইতো শক্ত করে ধরে রেখেছি।তুমি তারাতারি
করে পুলিশকে খবর দাও।
আহানঃ মা.....
মিসেস সাবিনা তার ছেলের কন্ঠ শুনে চমকে উঠলেন। হাত থেকে ছাড়ু ফেলে দিয়ে -
দরজার সামনে গিয়ে দেখলেন ছেলেটি আর কেউ নয় তার আদরের ছোট ছেলে আহান।
সাবিনা খান চারুর থেকে নিজের ছেলেকে ছাড়িয়ে সজোরে ওর গালে একটা থাপ্পড় মেরে বসলেন ।
থাপ্পড় টা এতোই জোড়ে ছিলো যে চারু তাল সামলাতে না পেরে দেয়ালে সাথে ধাক্কা খায় যার কারনে চারুর কপাল বেয়ে রক্ত পরতে থাকে।
সাবিনা ঃতোর সাহস কি করে হয় হতভাগিনি আমার ছেলেকে চোর বলার।
আহানঃ উফফ মা তুমি ওকে বকে তোমার প্রেসার বারিয়ো না তো। আর তাছাড়া মেয়েটি কে মা?
সাবিনা ঃ বোঝা ছারা আর কিছুই না।তুই তো জানিস তোর বাবার স্বভাব। তার কোন বন্ধু নাকি রোড এক্রিডেনট করে মারা গেছে তাই তোর বাবা তার মেয়েকে আমাদের ঘরে এনে রেখেছেন।
চারু সাবিনার কথা শুনে সইতে না পেরে কান্না করতে করতে চলে যায় সেইখান থেকে।
আহান অপলক দৃশটিতে চেয়ে থাকে চারুর চলে যাওয়ার দিক এ।
সাবিনা ঃ চল বাবা ঘরে চল।ফ্রেশ হয়ে আস।তারপর সবাই মিলে ডিনার করবো।
আহান তার মায়ের কথা মতো তার রুমে চলে যায়
ফ্রেশ হতে।

ডায়নিক টেবিল এ.......
সবাই বসে ডিনার করলে হঠাৎ সাবিনা জোড়ে চিৎকার দিয়ে বলে উঠলেন কি রে চারু কোথায় মরে গেলি রে।
সাবিনা ডাক শুনে চারু দৌড় দিয়ে রান্না ঘর থেকে ছুটে আসলো।
চারুঃ জ্বি কাকিমা বলুন।
এই বার আহান চারুর দিক এ ভালো ভাবে তাকালো।
চারুকে দেখে কোনো ভাবেই নিজের চোখ ফেরাতে পারছেন আহান।হা করে তাকিয়ে আছে ওর দিকে
আহানঃ কোনো মেয়ে এতো সুন্দর হয় কিভাবে।
মনে হচ্ছে আল্লাহ নিজ হাতে মেয়েটিকে বানিয়েছে।মনে মনে
হঠ্যাৎ মার কথা শুনে ধ্যান ভাঙে আহানের।
সাবিনা ঃ কি রে নবাবজাদি খাবার বেরে দিবে কে শুনি।
মিরাজ খান তার বউ এর কথা শুনে
উফফ সাবিনা তুমি সব সময় এতো বেশি বাড়াবারি করো কেন বলোতো।
মিরাজঃ চারু মা বসো আমাদের সাথে ডিনার করো।
চারু মিরাজ সাহেব এর কথা শুনে একটা চেয়ার নিয়ে যেই বসতে যাবে।
তখনি মিসেস সাবিনা বলে উঠলেন এই মেয়ে তোর তো সাহস কম বড় নয় সে বললো আর তুই বসে পরলি
মায়ের কথা শুনে বেশ রাগ আসে আহানের কিন্তু নিজের রাগ কন্টোল করে সে চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে
আহানঃ মা আমার একটা জরুরি ফোন করতে হবে তাই ডিনার
নিজের রুমেই করবো।
আহান চারুর দিক এ তাকিয়ে
এই মেয়ে মা কি বললো শুনতে পাওনি।
চেয়ারে বসে না থেকে আমার রুমে আমার জন্য খাবার নিয়ে আসো। কথাটি বলে চলে যায় আহান
কিছুক্ষ পর চারু খাবার নিয়ে আহানের রুমে সামনে আসলে। খাবার হাতে নিয়ে
চারুঃ ভাইয়া আসবো।
আহানঃ হুম আসো।
অনুমতি পেয়ে চারু আস্তে আস্তে আহানের রুমে প্রবেশ করে।
চারুঃ ভাইয়া খাবার।। এন্ড সরি সকালের জন্য। আমি বুজতে পারিনি। আপনিই আহান(মাথা নিচু করে)
আহানঃ খাবার টেবিলে রাখো।
চারু আহানের কথা মতো খাবার টেবিল এ রেখে যেতে নিবে ঠিক তখনি আহান বলে উঠে
এই মেয়ে আমি তোমাকে যেতে বলেছি।?
চারুঃনা মানে ভাইয়া।
আহান চারুর সামনে গিয়ে চারুকে সোফায় বসিয়ে দেয়।
আলমারি থেকে ফাস্ট এট বক্স বের করে চারুর সামনে হাটু গেড়ে বসে ব্যান্ডেজ করতে নিবে
চারু বলে উঠে
ভাইয়া কি করছেন কি
আহানঃ দেখতে পাচ্ছো না ব্যান্ডেজ করছি। কতো খানি কেটে গেছে। চারুর কপালে হাত রেখে।
চারু আহানের হাত ওর কপাল থেকে সরিয়ে
ভাইয়া আমি করে নিবো।
আহানঃ এই মেয়ে চুপ করে বসো। না হলে থাপ্পড় মেরে সব দাত ফেলে দিবো।
চারু আহানের কথা শুনে ভয় পেয়ে চুপ হয়ে থাকে।
তারপর আহান চারুর কপালে ব্যান্ডেজ করে দেয়।
আহানঃ খাবার টা কে বানিয়েছে?(শান্ত গলায়)
চারুঃ আমি।
চারুর কথা শুনে মুচকি হেসে আহান খাবারের প্লেট হাতে নিয়ে খাবার খেতে শুরু করে।
এক লানা ভাত মুখে দিয়ে-
আহানঃ ইয়াক ছি। কথাটি বলে মুখ থেকে খাবার ফেলে দেয় আহান।
এইটা খাবার নাকি বিশ।
এই মেয়ে কি বানিয়েছো তুমি।এই সব খাবার মানুষ খায়?? এইগুলা খাইয়ে আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলে?
চারুঃ ভাইয়া আমি সব সময় যেভাবে রান্না করি সেইভাবে করেছি।( কান্নার কন্ঠে)
আহানঃ তুমি এক বার খেয়ে দেখো।এইটা খাবার না অন্য কিছু।
চারু আহানের কথা মতো এক লানা ভাত নিজে খেয়ে দেখলো।
চারুঃ ভাইয়া খাবার তো ঠিকই আছে।নিন আপনি আরেকটু খেয়ে দেখুন।
আহানঃ ওয়াট তোমার মুখের ভাত আমি খাব?
মাথা ঠিক আছে তোমার। এই ভাত এখন তুমি খাবে।
তারাতারি খেয়ে বের হও আমার চোখের সামনে থেকে।চলবে......৷

ছায়া হয়ে থাকবো পাশে
partঃ 1
Writer ঃ humayra khan

ছায়া হয়ে থাকবো পাশে
partঃ 2
Writer ঃ humayra khan

আহানঃ ওয়াট। তোমার মুখের ভাত আমি খাবো।
মাঁথা ঠিক আছে তোমার??
এই ভাত এখন তুমি খাবে। তাড়াতাড়ি খেয়ে বের হও আমার চোখের সামনে থেকে( চিল্লান দিয়ে)।
চারু আহানের থমক শুনে অত্যন্ত ভয় পেয়ে যায়।
তাই কথা না বাড়িয়ে বাধ্য মেয়ের মতো খাওয়া শুরু করে
আর আহান চারু দিকে অপলক দৃশটিতে চেয়ে থাকে।
চারু ভাত এর শেষের লোকমা টা ওর মুখে নিবে ঠিক সে সময় পিছন থেকে মিসেস সাবিনা চারুর চুলের মুঠি ধরে
কিরে হারামজাদি আমার ছেলের জন্য ভাত এনে এখন দেখি তা নিজেই গিলছো।
আহানঃ উফফ মা ওর চুল ছাড়ো। তরকারি অনেক ঝাল ছিলো তাই আমার ছুটো ভাত ওকে খেতে দেই।
মিসেস সাবিনা বেশ অবাক হয় তার ছেলের কথা শুনে
চারুর চুল ছেরে। আহানের সামনে গিয়ে
আহানের মাথায় হাত রেখে
বাবা তোর তো ঝাল অনেক প্রিয়। তাই তো এই চারুকে দিয়ে বেশি ঝাল করে তরকারি রান্না করাই।
আহানঃ মা।মানুষ সময়ের সাথে বদলায়। সাথে মানুষ এর পছন্দ ও।আগে আমার ঝাল পছন্দ ছিলো
কিন্তু এখন না। আচ্ছা এই গুলা বাদ দাও।
এই চারু যা তো আমার জন্য কড়া করে একটা কফি বানিয়ে আন।
চারু আহানের কথা শুনে প্লেট হাতে নিয়ে যেতে নিবে
দূর্ভাগ্যক্রমে চারুর ওড়না বেঝে টেবিলে রাখা কাঁচের গ্লাস মাটিতে পরে ভেঙে যায়।
সাবিনা ঃ হায় হায়।আমার ডিনার সেট এর গ্লাস ভেঙে দিলো। এই অলোক্ষিনী কোনো কাজ কি ভালো মত করতে পারিসনা।এই গ্লাসের টাকা কি তোর বাপে কবর থেকে উঠে আমার হাতে দিবে।
মৃত বাবার ব্যাপারে এমন কথা বলায় চারু নিজেকে আটকে রাখতে পারলো না।
চারু ঃ দেখুন কাকিমা আমাকে যা বলার বলুন আমার মৃত বাবার সম্পর্কে কিছু বলবেন না।
সাবিনা ঃ চোরের মায়ের দেখি বড় গঁলা। কথাটি
বলে মিসেস সাবিনা চারুকে থাপ্পড় মারতে নেয়
সাথে সাথে আহান তার মায়ের হাত ধরে ফেলে।
আহানঃ উফ আম্মু তুমি ওকে থাপ্পড় মেরে তোমার এনার্জি নষ্ট করছো কেনো অযথা।আর তাছাড়া তোমার হাতে থাপ্পড় খেয়ে ওই ততোটা ব্যাথা ও পাবেনা
তুমি বরং আমার জন্য কফি নিয়ে আসো তোমার তরফ থেকে থাপ্পড় টা না হয় আমিই মেরে দিবো।
সাবিনা ঃ সত্যি বলছিস বাবা
আহানঃ হ্যা মা। (মুখে হাসি রেখা টেনে)।
তুমি এখন যাও আমার জন্য কফি নিয়ে আসো।
চারুকে তার ছেলে নিজ হাতে মারবে শুনে খুশি হয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায় মিসেস সাবিনা।
মিসেস সাবিনা রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে
আহান সজোরে একটা থাপ্পড় মেরে বসে।
কিন্তু থাপ্পড় সে চারুর গালে নয় বরং নিজের গালে মারে।
আর মিসেস সাবিনা রুমে বাইরে দাঁড়িয়ে থাপ্পড় এর আওয়াজ শুনে হাঁসতে হাসতে চলে যায় রান্না ঘরের দিক এ।
আহান নিজের গালে থাপ্পড় মারায় চারু হা করে তাকিয়ে থাকে আহানের দিক এ...
আহানঃ এইভাবে হা করে থাকলে মশা ঠুকে যাবে(অন্য দিকে মুখ করে)
চারু আহানের কথা লজ্জা পেয়ে নিজের মুখ বন্ধ করে নিলো।
চারু ঃআপনি আপনার গালে থাপ্পড় মারলেন কেন তা আবার এতো জোড়ে সোড়ে।???
আহানঃ তোমার গালে মা থাপ্পড় মারলে আমি যে তার চেয়ে দশ গুন ব্যথা পেতাম।
তাছাড়া ভালোবাসার মানুষকে নিজ হাতে কিভাবে থাপ্পড় দেই বলো।তোমাকে থাপ্পড় দেওয়া তো দূরের কথা ফুলের টোকাও কোনো দিন দিবোনা আর না অন্য কাউকেও দিতে দিবো। তাই থাপ্পড়টা নিজ গালেই মারলাম।
আমি জানি মা থাপ্পড় এর আওয়াজ না শুনা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলো দরজার সামনে। মনে মনে
আহানঃ আমার গাল আমি থাপ্পড় মেরেছি তার কৌফত আমি তোমাকে কেন দিতে যাবো।
মা আসার আগে আই মিন তাড়াতাড়ি বের হও আমার রুম থেকে। আমি এক থাকতে চাই।গো নাউ।(চিৎকার দিয়ে)
চারু আহানের৷ চিৎকার শুনে দৌড় দিয়ে ওর রুম থেকে বের হয়ে গেল
চারুর এভাবে যাওয়া দেখে বেশ হাসি পায় আহানের
আহানঃ মেয়েটা আসলেই পাগল।আই মিন পাগলি
বাট আই লাইক হার
কথাটি বলে হো হো করে হেসে উঠলো আহান।
কিছুক্ষন পর আহানের মা ওর জন্য কফি আনলে
আহান বাবা তুই কই
আহানঃ মা আমি ওয়াসরুমে।
সাবিনা ঃআমি যে তোর জন্য কফি বানিয়ে আনলাম
আহানঃ মা এখন আমার খেতে ইচ্ছে করছেনা ।তুমিই খেয়ে নিয়ো
আহানের কথা শুনে মিসেস সাবিনা অবাক হয়ে চলে যায় রুম থেকে।

সন্ধাবেলা.....
মা আমি একটু মাকের্ট যাচ্ছি। এই চারু চল আমার সাথে।
সাবিনা ঃওমা. ওই কেনো সাথে যাবে তোর?? আর আহান তোর গালটা টমেটোর মতো লাল হয়ে আছে কেন??
আহানঃ ইস মশার কথা কি বলবো তোমায়।
কামড় দিয়ে দিয়ে আমার শরীরের অর্ধেক রক্ত তো খেয়েছে সাথে আমার গালটাকে লাল করে দিয়েছে।
আচ্ছা মা বাদ দাও তো এ সব কথা। এই চারু শুনতে পাচ্ছিস না কানে চল আমার সাথে।
সাবিনা ঃ হাতের কাজ রেখে দে ওই টা আমি করে নিবো।তুই যা আহানের সাথে।
চারু সাবিনার কথা শুনে কাজ রেখে আহানের সাথে চলে যায়।
আহানঃ আজ রিকশা করে ঘুরবো। রাতে রিকশা করে ঘুরার মজাই আলাদা। যেটা গাড়িতে পাবোনা।
ঘুরার কথা শুনে চারু আহানের দিক এ প্রশ্নসূচক ভাবে চেয়ে থাকলে
আহানঃ আরে মানে মার্কেট যাবো।(শুকনো হাসি হেসে)
আহান একটা রিকশা ভাড়া করে উঠে পরে।চারু রিকশায় না উঠে দাঁড়িয়ে থাকলে
আহানঃ কি হলো।উঠো।
চারু আহানের কথা শুনে হুরহুর করে রিকশায় উঠে পরলো।
রিকশা উঠে আহানের পাশে বসে বেশ অসস্তিবোধ করছিলো চারু। বিষয়টি আহান বুঝতে পারলে
আহানঃ মামা রিকশা থামান।
চারু অবাক হয়ে পরে আহানের কথা শুনে
রিকশাওয়ালা আহানের কথামতো মাঝপথেই রিকশা থামিয়ে দেয়।
আহানঃ নামো চারু আমরা পায়ে হেটে মার্কেট যাবো।
চারু আহানের কথা শুনে রিকশা থেকে নেমে পরে।
রিকশায়ালাকে টাকা দিয়ে দু জনে হাটতে শুরু করে।
চারু ঃআপনি রিকশা থেকে নেমে গেলেন কেন?
আহান চারুর কথা শুনে থেমে যায়।
আহানঃ কারন আমি বুঝতে পেরেছি।আমি তোমার পাশে বসায় অনেকটা আনইসি ফিল করছিলে।
আর আমি চাইনা আমার কারনে তুমি অসস্তিবোধ করো।মনে মনে
আহানঃ আসলে.....
চলবে......

(দয়া করে কষ্ট দিয়ে কেউ কথা বলবেন না।আপনাদের ভালো না লাগলে গল্পটা আর লিখবোনা। ধন্যবাদ।)

05/05/2023

রুমে বসেই শুনতে পেলাম আব্বু-আম্মুর কথা।
আম্মু আব্বুকে বলতেছে,
- তোমাকে না আমি গরুর মাংস আনতে বলেছিলাম। দেখছো তুমি সবসময়ই ভুলে যাও। এখন গিয়ে তাড়াতাড়ি নিয়ে আসো। দেরি করলে ফ্রেশ মাংস পাবে না।

আব্বুর ক্ষীণ কন্ঠ তীরের ফলার মতো আমার বুকে এসে বিঁধলো। আব্বু নিচু স্বরে বললেন,
- আসলে আমি ভুলে যাইনি। মনে ছিল ঠিকই। কিন্তু বাজারে আজ সবকিছুর যে হারে দাম বেড়েছে। সয়াবিন তেলের কেজি ছিল ১৬০ টাকা। সবকিছুর দামই এতো বেড়েছে যে চিনি, দুধ আর সেমাই কিনতেই সব ক'টা টাকা শেষ হয়ে গেল। কি করবো তুমিই বলো?

আব্বুর এমন কথা শুনে আম্মু দেখলাম চুপ হয়ে গিয়েছে। কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে তারপর বলল,
- কী যে গরম পরেছে দেখেছো? ভালোই হয়েছে এই গরমে গরুর মাংস আনোনি। এতো গরমে কী আর গরুর মাংস খাওয়া যায় না কী। এই গরমে শাকসবজি খাওয়াই ভালো।

আম্মুর কথা শুনে নিজের অজান্তেই আমার চোখ জোড়া ভিজে গেল। আমি জানি গরুর মাংস আম্মার খুবই পছন্দ। যদিও বছরে দুই ঈদ ছাড়া আমাদের ঘরে গরুর মাংস কেনা হয় না। কিন্তু আম্মা যেভাবে কথাটা এড়িয়ে গেল, তাতে করে নিজের বেকারত্বের জন্য নিজের উপর ঘৃণা হতে লাগলো। আব্বা লাস্ট কবে নিজের জন্য নতুন কাপড় কিনেছেন আমার জানা নেই। তবুও বাজার থেকে আসার সময় আমার জন্য নতুন পাঞ্জাবি কিনে এনেছেন। যেন আমি নতুন কাপড় পড়ে ঈদের মাঠে যেতে পারি।

আমি দ্রুত বাসা থেকে বেরিয়ে পড়লাম। এখন মাত্র বিকেল ৫ টা বাজে। হাতে এখনও সময় আছে।

দ্রুত পায়ে হেঁটে চলেছি দেশের নামকরা এক প্রকাশনীর প্রকাশকের উদ্দ্যেশ্যে। সেখানে আমিও আগেও কয়েকবার গিয়েছি নিজের লেখা পাণ্ডুলিপি জমা দিতে, নিজের নামে বই বের করার জন্য। কিন্তু প্রতিবারই আমাকে নিরাশ হতে হয়েছে। যদিও আমার পান্ডুলিপি তাদের পছন্দ হয়েছে। কিন্তু আমার নামে বই বের হলে ব্যবসা সফল হবে কি না দ্বিধাদন্দে থাকায় তিনি আর বই বের করতে রাজি হননি। তবে উনাকে দোষ দিয়ে কী লাভ! যেখানে অন্য কোন প্রকাশক আমার পান্ডুলিপি পড়েই দেখেননি; সেখানে উনি আমার পান্ডুলিপি পুরোটা পড়ার পরে বেশ প্রশংসা করেছেন। এবং দিয়েছেন টাকার বিনিময়ে যেন আমি আমার পান্ডুলিপিটা উনার নিকট বিক্রি করে দেই। উনি অন্য কারো নামে বই ছাপাবেন। বিনিময়ে আমি মোটা অংকের টাকা পাবো। কিন্তু বইটিতে নিজের ক্রেডিট পাবো না। বইটি বের হবে খ্যাতিসম্পন্ন কোন এক লেখকের নামে।
আর তাই আমি এতোদিন রাজি হইনি৷ কিন্তু আজ যে আমার দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে।

পঁচিশ হাজার টাকা।
এত

03/03/2023

বন্ধু যখন সাদিয়ার প্রেমে পড়ে 🤣🤣

Follow to Followফলো করলে ফলো ব্যাক পাবেন
17/01/2023

Follow to Follow
ফলো করলে ফলো ব্যাক পাবেন

17/01/2023

ছ্যাকা খাওয়া tiktoker/

15/01/2023

Thor_Use_Heimdall_Magic_[in_Hindi]_-_Thor:_Love_And_Thunder_Movie_Clips_Hd_2023(480p).mp4

12/01/2023

tiger Shroff/Best action movie clip (HD)mp4

Address

Mymensingh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Niloy Vai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share