08/06/2026
চিনা হাঁস পালন পদ্ধতি :
১। ২৪-৪০ ঘন্টার মধ্যে আলাদা করবেন।
২। আলাদা করে প্রথম খাবার পানি দিবেন।
৩। সর্ব প্রথম লাইসুভিট মেডিসিন টা খাওয়াবেন ১ লিটার পানিতে ১গ্রাম মিশিয়ে।
খাওয়ানোর পর বাচ্চা গুলোকে ব্রুডিং এ ছাড়বেন।
৪। ব্রুডিং দেয়ার ২০-৩০ মিনিট পরে প্রথম খাবার দিবেন।
৫। প্রথম খাবার হিসেবে বয়লার স্টারটার বা সোনালী স্টারটার খাবার দিবেন।
৬। ৪-৫ দিন লাইসুভিট খাওয়াবেন।
৭। ৪-৫ দিন লাইসুভিট দেয়ার পর ৩-৪ দিন এনরোসিন ভেট দিবেন ঠান্ডার জন্য।
৮। বাচ্চা সুস্থ থাকলেও ঠান্ডার ডোজ করবেন।
৯। বাচ্চার ঠান্ডা লাগলে আমরা অনেকেই বুজি না তাই বাচ্চার বয়স ৪-৫ দিন হলেই এনরোসিন দিবেন এতে ঠান্ডা থাকলে কেটে যাবে।
১০। বাচ্চার বয়স ১০-১১ দিন হলে জিংক খাওয়াবেন ৩দিন এতে বাচ্চা দ্রুত বড় হবে।
১১। বাচ্চার বয়স ১৪-১৫ দিন হলে থায়াবিন বি১ বি২ দিবেন ৩দিন এতে পা প্যারালাইসিস বা ঘার বাকা থেকে রক্ষা পাবে।
১২। বাচ্চার বয়স ২০ দিন হলে এডি৩ই দিতে পারেন এতে বাচ্চার চঞ্চলতা অনেক বাড়বে এবং সুস্থ থাকবে।
১৩। ১মাস বয়স হলে ডাক প্লেগ ভ্যাক্সিন করাবেন।
১৪। ১মাস আগে পানিতে দিবেন না।
১৫। ৪৫দিন বয়সে ডাক প্লেগ ২য় ডোজ করে নিবেন।
১৬। ৬০ দিন হলে কলেরা ১ম ডোজ করে নিবেন।
১৭। ৭৫দিন হলে কলেরা ২য় ডোজ করে নিবেন।
১৮। ৩মাস হলে কৃমি ডোজ করে নিবেন।
১৯। প্রতি ৫-৬ মাস পর পর কলেরা এবং ডাক প্লেগ ভ্যাক্সিন করে নিবেন।
২০। প্রতি ৩মাস পর পর কৃমি ডোজ করে নিবেন।
২১। হাঁসের বয়স ৪মাস হলে লেয়ার লেয়ার১ খাবার দিবেন এতে দ্রুত ডিমে আসবে।
২২। ডিমে আসার আগে ভিটামিন ক্যালসিয়াম নিয়মিত খাওয়াবেন।
২৩। হাঁস যেখানে ডিম দিবে সেখানেই ডিম রেখে দিবেন।
২৪। ডিম যদি একেক দিন একেক জায়গায় দেয় তাহলে কুচি হবে না।
২৫। জায়গায় ১টা ডিম রেখে বাকি ডিম সরিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন
২৬। ১০+ ডিম দেয়া হলে জায়গায় ডিম রেখে দিবেন।
পোষ্ট ভালো লাগলে পেইজটি ফলো দিবেন।
ধন্যবাদ