04/04/2026
তেল ও গ্যাস সিলিন্ডার সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি মুক্তাগাছার সাধারণ ক্রেতারা,,,
প্রশাসনের তদারকির অভাব মনে করছেন স্থানীয়রা।
বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। এমন অভিযোগ যাচাইবাছাই করতে শনিবার মুক্তাগাছায় সরেজমিনে মাঠে ছিল টিম ভয়েজ অফ ময়মনসিংহ। অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া যায়। অধিকাংশ দোকানেই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বিক্রেতাদের দাবি, ২ হাজার ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে তাদের এবং বিক্রি করছেন ২ হাজার একশত টাকায়। যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭২৮ টাকা।
তবে ময়মনসিংহ গ্যাস সিলিন্ডার ডিলারদের দাবি,বিক্রেতারা যে ক্রয় বলছেন তা মটেও সত্য নয়। সিন্ডিকেট করে তারা ক্রেতাদের থেকে দাম বেশি নিচ্ছেন।
এপ্রিল ২০২৬ অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম (বিইআরসি নির্ধারিত):
১২ কেজি সিলিন্ডার: ১,৭২৮ টাকা (বেসরকারি)।
১২.৫ কেজি সিলিন্ডার: ৭৭৬.৯৩ টাকা (সরকারি)।
২০ কেজি সিলিন্ডার: ২,৪৫৭ টাকা।
৩০ কেজি সিলিন্ডার: ৩,৬৮৬ টাকা।
৩৫ কেজি সিলিন্ডার: ৪,৩০০ টাকা।
৪৫ কেজি সিলিন্ডার: ৫,৫২৯ টাকা।
দাম বেশি নেওয়ার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন সরবরাহ কম,তাই নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ভোক্তা পর্যায়ে সিলিন্ডার অতিরিক্ত দামে কেনা হলে ১৬১২১ নম্বরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের হটলাইনে অভিযোগ জানানে বলছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এখানেই শেষ নয়। মুক্তাগাছায় তেল নিয়েও চলছে তেলেসমতি কারবার।
এদিকে মটরসাইকেল বাইকারদের দাবি,তেল পাম্পে লাম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে মিলছে ২ শত থেকে ৪ শত টাকার তেল। অথচ রাজনৈতিক নেতারা তাদের কর্মীদের নিয়ে সিরিয়াল ছাড়াই ট্যাংকি ফুল করছেন এবং গ্যানেল ভরে ভরে তেল নিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে তেল পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন,একপ্রকার নেতাদের কাছে জিম্মি তারা। তাদের ইচ্ছে মত তেল না দিলে পাম্পে এসে ঝামেলা করছে এমনকি মারধর করার হুমকিও দিচ্ছেন। আমরা কর্মচারী আমাদের বলে লাভ নেই ভাই। আমার এভাবে তেল দিতে চাইছি না। তবুও নিরুপায় হয়েই দিতে হচ্ছে। আমাদের করণীয় কিছুই নেই।
অধিকাংশ সাধারণ মটরসাইকেল চালকদের অভিযোগ,পাম্পে গিয়ে তেল না পাওয়া গেলেও ঠিকই খোলা বাজারে ৩ শত টাকা লিটারে মিলছে তেল। যাদের ক্ষমতা আছে লাইন ছাড়াই তেল নিয়ে যাচ্ছে।
আর আমরা চো/দ/না জনগণ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে এবং এ পাম্প সে পাম্পে ঘুরেও তেল পাচ্ছি না। দেখার কেউ নেই,,,
প্রশাসন সঠিকভাবে মনিটরিং করে তেল ও গ্যাস সিলিন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করবেন এমনটাই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।