04/04/2026
আত্মাহত্যা সব সমস্যার সমাধান না, 🥲
১০৯ টা ঘুমের ট্যাবলেট খাইছে, সেন্ট্রাল মেডিকেলের নওশিন নামের একটা মেয়ে আত্মহত্যা করছে!
কেন করছে?
সহজ ভাষায়, এক স্বৈরাচার 'ডা. শিক্ষকের' মানসিক টর্চারে!
মেয়ে থাকার কথা ৫ ম বর্ষে।
স্বৈরাচার শিক্ষক ৫ বারের বেশি মেয়েটারে এনাটমি সাবজেক্টে ফেইল করাইয়া ৪ বছরই প্রথম বর্ষে রাখছে।
মেডিকেলে একটা ফা**ক সিস্টেম আছে!
মানে প্রত্যেকটা কোর্সে ৩০০ নাম্বারের পরীক্ষা হয়।
১০০ লিখিত।
১০০ প্রাকটিক্যাল!
১০০ মৌখিক!
স্টুডেন্টদের বাঁশটা দেয় প্রাকটিকাল আর মৌখিক পরীক্ষাতে!
৬০% এর কম পেলে ফেইল আবার তিনটার ১ টাতে ফেল মারলে পুরো কোর্সে ফেল!
এখানেই কিছু শিক্ষক দাদাগিরি মানে মাস্তানি করে!
শিক্ষার্থীদের মরার উপরে খাড়ার কোপ মারে!
কেন মারে?
হিংসায়,প্রতিহিংসায়, শত্রুতায়, ইগু!
মেডিক্যালের এক শিক্ষার্থী আমার কাছে অভিযোগ করছে,
কোন কোন শিক্ষক ছাত্রীকে পছন্দ করে প্রেমের ফাঁদে ফেলতে না পারলেও নাকি শুরু হয় প্রতিহিংসার খেলা।
আবার হেডমওয়ালা শিক্ষকের কথামতো না করলেই শুরু হয় চিরশত্রুতা।
ম্যামদের কাছে সব ছেলেরা আবার প্রিয় ছাত্র হতে পারে না! তেল মারার ঘাটতি হলেই নাকি শুরু হয় কাহিনী!
বেচারা শিক্ষকরা ইগুর কারণে রাগ করেই স্টুডেন্টকে মারা দেয়। (সবাই না ,মাত্র গুটি কয়েক)
কোন কোন মেডিক্যাল কলেজে ইচ্ছাকৃতভাবে নিদিষ্ট কিছু শিক্ষার্থীদের ড্রপআউট দেয়।
মেডিক্যালের প্রশাসনও চুপ, কারণ সা***রা করে রমরমা ব্যবসা!
স্টুডেন্ট ১ বছর বেশি পড়লে ১ বছর ব্যবসা করা যাবে।
কেউ কেউ আবার পলিটিক্যালি বড় হেডমওয়ালা শিক্ষক। মতের বিরুদ্ধে গেলে মারা দিতে বসেই থাকে।
দেশের অলিতে-গলিতে মেডিকেল করে রাখছে। ব্যবসায় করছে আর মানুষের আবেগ নিয়া ইচ্ছেমতো খেলছে।
এসব ফা*ক সিস্টেমের পরিবর্তন জরুরি।
মেডিক্যালের মতো একটা জায়গায় যেখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার প্রেশারে সবসময় পেইনে থাকে সেখানে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়া যে সা***রা গেইম খেলে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়া সময়ের দাবি।
যারা মেডিকেলের স্টুডেন্ট আছেন, আপনারা কমেন্টে সমস্যাগুলো বইলেন।
জানি ,রানিং শিক্ষার্থীরা ভয়েও কিছু বলবেন না! প্রয়োজনে কোন বন্ধুবান্ধবদের মাধ্যমে বলায়েন।
এদেশের সাধারণ মানুষ মেডিক্যালের বাস্তব চিত্রটা জানুক!
আর হ্যাঁ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মূল অপরাধীকে সনাক্ত করে নওশিনদের পরোক্ষ খুনীর বিচারের দাবি জানাচ্ছি!!!