R U Ready For 313 Mymensingh Dhaka Bangladesh

  • Home
  • R U Ready For 313 Mymensingh Dhaka Bangladesh
23/06/2026
31/03/2025

বলা হয়। ইহার ডিফিংলা অলীদের নিকট গেলে পাওয়া যায়। অলীদের

মুখের কথায় ঔষধের মত কাজ করে থাকে। অলীগণ রোগীর দিকে একবার মজয় করলেই রোগ ভাল হয়ে যায়। যে ডাক্তার যে চিকিৎসা জানে সে ঐ চিকিৎসাই করতে পারে। যে ডাক্তার গরলে বেলের রোগ ভাল হয় সেই ডাক্তার ডাকলে ইসলাম ভাল লাগবে। যেলের গ্রহানী ব্যাবিয় চিকিৎসা কেবল পীর সাহেফাগই পারেন, অল্প কেহ পারে না। আপনায় বেলে বিদার হয়েছে, আপনি একজন পীর সাহেবকে বরেন। টুপি মাথায় দেওয়া সুন্নত। যদি সুন্নতি টুপি মাথায় রাখতে ইচ্ছা না হয়, তবে মনে বরুন আপনার দেলে রোগ হয়েছে। কলবের জ্ঞান কেবল যৌমেন মুসল-মানদের, বিধর্মীদের কলবের জ্ঞান হয় না, এবং খারা গভীর কাছে গেছেন কেবল তা দের দেলের বিমারীর ডিকিৎসা হ.ব অল্প কারোর নায়। এজর পীর দরা অবশ্য কত'বা।

এক অন্ত বুড়ী এস ডাক্তারের নিকট গেল তার চক্ষু ভাল করার অঙ্গ। ডাক্তার চুক্তি করল বুড়ীর বাড়ী যেয়ে চিকিৎসা করবে। সে যেদিন বুড়ীর বাড়ী যার কিছু কিছু মালপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। প্রভাবে সে বুড়ীর ঘরের সব মালপত্র নিয়ে গেল। যুড়ীর চক্ষু ভাল হল। তারপর নে বুড়ীর নিকট চিকিৎসার মূল। ও এনাম বানী করল। কিন্তু বুড়ী বলল, আমার চক্ষু ভাল হয় নাই কারণ আমার ঘরের দালমাত্র কিছুই দেখিতেছি না। আমার চকু ভাল হলে নিশ্চয়ই ঘরের মালপত্র দেখতে পারতাম। অতপর ডাক্তার নাকাল হয়ে ফিরে গেল।

সবাই ডাক্তার, কিন্তু গুনায় মরডে ধরা দেল চক্ষুর চিকিৎসা বয়ে ভাল করে দেন দেখব আপনারা কেমন চিকিৎসক হয়েছেন। যদি আল্লাহর কোরলান ও নবী করিম (সা)এর ভালবাসা দেলে এনে দিতে না পারন্ধন তবে আপনারা ভাল চিকিৎসক নন। যখন ইসলাম বুঝবেন তখন কি পরিমাণ জ্ঞান হাছেল হবে, তা আমি দেখার। আল্লাহ আসমান জমিন ও দিনে ত্যৈয়্যার করেছেন। প্রথম তৈয়ার করলেন একটা গরম আগে। তাপ ৬৮ শক্তিশালী জানেন? একটা আগুনের ভূও তৈয়ার করে তার উপর কিছু পাতা বা হালকা জিনিস

ছেড়ে দিলে দেখবেন তাপ শক্তি ঐগুলো উড়িয়ে নিয়ে যাবে। এত শক্তিশালী তাগ। নেই তাপের উপর তৈয়ার করলেন বাতাস। যেখানেই তাপ তৈয়ার হয় সেখানেই হাওয়া আসে। বাতাসের উপর পানি তৈয়ার করলেন পানির উপর ঘাট তৈয়ার করে রেখে দিলেন। মাইর উপরে বাত তবক আসমান তৈয়ার করলেন। নাত তরক আসমানের উপর সাত দোজগ তৈয়ার করলেন। গোজখের উপর শুল,ছয়াও তৈয়ার করলেন তার উপর আট বেহেস্ত থৈয়ার করলেন। যেহেন্ডের উপর আল্লাহর আরশ তৈয়ার করলেন। আরশের উপর নানুত, লাহুত, জাবারুত এবং মালাকৃত মোকাম তৈয়ার করলেন। তার উপর ফুয়াদ ফুয়াদের মধ্যে বলব-কলবের মধ্যে রূহ-রূহের মধ্যে খড়ি খফির মধ্যে আধফা আগফার মধ্যে ছের তৈয়ার করলেন সেই ছেরের মধে, নুর-সেই নূরই হলেন আল্লাহ।

এই সমস্ত খবর নেবার জঞ্জ আল্লাহ মানুষ কৈতার করেছেন। যিনি চোখের পলকে ঐ সমর খবর নিতে পারেন তিনিই গুলী। বাকী সবলোক হিন্দুর সমান।

মাওলানা রুমী (রাঃ) বলেন:-

পাঁচ বাহরে দূরে অলীয়ে কায়েমাস্ত-তা কিয়ামত আজমায়েশ বায়েমাস্ত পাঁচ ইয়ান হাইয়ে।ও কাইয়ে।য অলয়ান্ত গা নম্বল ওমর খাহ আজ আলিয়াত ওকে হুরাশ ও গেরাদ ছিত্রীলেও আ অলিয়ে কমান্ত ও গান দিলে ও যাকে হাফসাহ্ পরমা ঘ.রাদ ঘুরে হক পরণা হয়ে দুয়ে ধানুচান্দী তবক

দুনিয়ায় সাগরে যেমন সর্বদা যতি পাওয়া যায় তেমনি (দুনিয়ার) অলীদের সালাশ করলে সব সবর পাওয়া যায়। হুনিয়ার অলীগণ জিন্দা ও কায়েম খাকবেন। সেই অলীগণ হবেন হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) বা হংরক জানী (রাঃ)এর বংশ হতে। ঐ অলীগণ যারা নয় লাভ করবেন তাঁরা জিব্রাইইন (আঃ) মত জ্ঞানী হবেন। আল্লাহ সাত শত নূরের পরদার আড়ালে গোপন সায়েন। আর এক এ.টি পরদ্য সাত এবক আদিমান জমিন ব্যাবর প্রশস্ত।

আল্লাহ তায়ালা সাগরের মধ্যে যেমন মতি তৈয়ার করে রেখেছেন ঠিক তেমনি জমিনের উপর অলী কায়েম রেখেছেন। সাগরের মতি যেমন কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে তেমনি ছনিয়ার অনীগনও কিয়ামত পর্যন্ত কায়েদী ও দায়েদী অবস্থায় বিদ্যমান থাকবেন। আমারও আপনাদের মত বোকারা কেবল খুঁজ পেল না। আর নিজেরা দাবী করেন, 'আমরা ভাল হয়ে গেছি" কোরাইশ বংশ ছাড়া অল্প কোন বংশ হতে বড় পীর বা বড় অলী হতে পারেনা। বড় বড় অলীগণ হবেন হযরত আবু বকর ছিদ্দিক (রাঃ), হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) এবং হযরত আলী (রাঃ) এই তিন বংশ হতে অন্তর কোন বাশ হতে যদি কেহ পীর বা মুজাদ্দিদ দাবী করে তার দিকে চেয়েও দেখবেন না লাখী মেরে ফেলে দিবেন-আর ছেপ-খুলু দিয়ে তার নিকট থেকে সরে পড়েন, অলী হওয়া সোজা কথা নয়। মনে করেছেন, "সবাই ভাল মানুষ হয়ে গেছি।" ভুলে যাবেন না। জুয়াদের মধ্যে যে দুরের কথা বলেছি ঐ গুর যার কলবে ঢুকেছে সে বিদ্রাইল (আঃ) এর চেরেও বেশী জ্ঞানী হয়েছে। ভিক্রাইল (আঃ) এর ক্ষমতা মানুষের চেয়ে অনেক কম। আল্লাহর অলীগণ ইচ্ছা করলে সারা দুনিয়া উল্টায়ে দিতে পারেন। আল্লাহর অলী যদি একটা খামড় মারেন তবে একফুটা পানি ছনিয়ায় থাকবে না।

সাতশত নূরের পরদার আড়ালে আল্লাহ গোপন রয়েছেন। কেছ এমি আল্লাহকে দেখতে চায় তবে এঐ নুয়ের তৎকাগুনি তয় করে যেতে হবে। যিনি একটা নূরের পরণাও তন্ন করতে পারবেন তিনিও আল্লাহর ছোট অনী হতে পারবেন। যে যতটা নুরের পরদা জয় করে যেতে পারবে সে ততটা উচ্চ কর লাভ করবে।

হযরত ইমাম মেহেদী (আঃ) ঐ সাতশত নূরের পরদাই তয় করে যেতে পারবেন। এক একটা নূরের পরদা সাত তরক আসমান ও জমিন বরাদর প্রশস্ত। একটা নূরের গরণা দেখলে আর দেখা যাবেনা। প্রথম নূরের বার দেখতে পারেন, পরের জর আর নয়। যে অদী যতটা নুরের পয়দা পার হয়ে

141

13/02/2025

মাতৃভূমি নাকি মৃত্যু? ইসলাম নাকি শ|হাদ|ত?

• ইমাম হাসান বসরি (রাহি.) বলেন —
“মুসলমানরা কখনোই জাতি বা গোত্রবাদের জন্য যু-দ্ধ করেনি। তারা যু-দ্ধ করেছে শুধুমাত্র দ্বীনের জন্য এবং মুসলমানদের রক্ষার জন্য।”
[তাবাকাত ইবন সা'দ, ৭/১৬৫]

• ইমাম ইবন রজব (রাহি.) বলেন —
“জিহ|দ বৈধ হয়েছে দ্বীন এবং মুসলমানদের রক্ষার জন্য, মাটি বা সীমান্ত রক্ষার জন্য নয়।”
[জামি'উল উলুম ওয়াল হিকাম, ২/১৪৩]

• শাইখ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব (রাহি.) বলেন —
“যদি মুসলমানরা জিহ|দে অংশগ্রহণ করে, তবে তা অবশ্যই আল্লাহর তাওহীদ প্রতিষ্ঠার জন্য হতে হবে, কোনো সীমান্ত বা জাতিগত স্বার্থের জন্য নয়।”
[কাশফুশ শুবুহাত, পৃষ্ঠা ২৯]

• শাইখ আশ-শানকিতি (রাহি.) বলেন —
“শুধু জাতীয়তাবাদের জন্য যু-দ্ধ করা জায়েজ নয়, বরং যু-দ্ধ হতে হবে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” প্রতিষ্ঠার জন্য।”
[আদওয়াউল বায়ান, ২/১০০]

• শাইখ মুহাম্মাদ ইবন ইব্রাহিম (রাহি.) বলেন —
“যদি জাতীয়তাবাদ ভূমির জন্য আত্মনিবেদন বোঝায়, তবে তা জাহেলিয়াতের একটি আহ্বান, যা ইসলামের সাথে সম্পর্কিত নয়।”
[ফাতাওয়া আশ-শাইখ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম, ১/৫৬৮]

• শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহি.) বলেন —
“যু-দ্ধ আল্লাহর পথে হতে হবে। এটি সীমান্ত বা ভূমির জন্য নয়, বরং আল্লাহর কালিমা উচ্চতর করা ও ইসলামকে সাহায্য করার জন্য।”
[মাজমু ফাতাওয়া ইবন বায, ১/৩৭০]

• শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী (রাহি.) বলেন —
“দেশ রক্ষা তখনই বৈধ হবে, যখন তা আল্লাহর পথে হয়। এটি জাতীয়তাবাদের পতাকা উঁচু করার উদ্দেশ্যে হতে পারে না।”
[সিলসিলাতুল আহাদীস আস-সাহিহা, ৩/৪৫৬]

• শাইখ আব্দুল আজিজ ইবন বায (রাহি.) বলেন —
“ইসলামে ভালোবাসা ও শত্রুতা (ওয়ালা এবং বারা) দ্বীনের ভিত্তিতে হয়, ভূমি বা নাগরিকত্বের ভিত্তিতে নয়।”
[মাজমু ফাতাওয়া ইবন বায, ১/৩৬৮]

• শাইখ ইবনু উসাইমিন (রাহি.) বলেন —
“জাতীয়তাবাদ ইসলামের অংশ নয়। তবে যদি দেশ রক্ষা করতে হয়, তা হবে দ্বীনের প্রতিরক্ষার জন্য।”
[লিকাউল বাবিল মাফতুহ, ৫৫/৬]

• শাইখ সালিহ আল-ফাওযান (হাফি.) বলেন —
“যদি কোনো দেশ ইসলাম এবং শ-রীয়|হর উপর প্রতিষ্ঠিত না হয়, তবে সেই জাতীয়তাবাদ অর্থহীন।”
[ফাতাওয়া আল-ফাওযান, ১/২১৫]

• শাইখ সুলাইমান আল-আলওয়ান (হাফি.) বলেন —
“দেশ রক্ষা করা তখনই বাধ্যতামূলক, যখন মুজ|হি-দের উদ্দেশ্য হয় ইসলামকে সমুন্নত করা এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা।”
[দাওরুল মুসলিমীন ফি আসরিনা, পৃষ্ঠা ২৩৮]

عن عبدالله بن عمر (رضي الله عنه) قال:في يوم ما كنا جلسنا عند رسول الله ﷺ. فتحدث طويلاً عن الفتنة، حتى ذكر فتنة الأهلس.فق...
02/02/2025

عن عبدالله بن عمر (رضي الله عنه) قال:

في يوم ما كنا جلسنا عند رسول الله ﷺ. فتحدث طويلاً عن الفتنة، حتى ذكر فتنة الأهلس.

فقال أحدهم:
- ما هي فتنة الأهلس؟

فأجاب ( ﷺ ):
- الفرار والنهب.

ثم ستأتي فتنة ستكون مفرحة؛
ستخرج دخانها المظلم من بين قدمي أحد أفراد عائلتي.
سوف يعتقد أنه من ضمني؛ لكنه ليس من ضمني.
لأن أصحابي هم المتقون.

ثم سيتجمع الناس تحت قيادة شخص، كما يكون الحزام على الخصر.

ثم ذكر ( ﷺ ) فتنة الدهماء أو الفتنة المظلمة:
- تلك الفتنة لن تُخطئ أحدًا من هذه الأمة.
وبدلاً من أن تُقال إنها قد انتهت؛ ستمتد أكثر.

في ذلك الوقت، الشخص الذي كان مؤمنًا في الصباح، سيصبح كافرًا في المساء.

وفي النهاية، سيتقسم الناس إلى معسكرين:
1) معسكر الإيمان، حيث لا يوجد نفاق.
2) ومعسكر الكفر، حيث لا يوجد إيمان.

عندما تصبحون في هذا الوضع، فانتظروا ظهور الدجال؛ من ذلك اليوم أو اليوم الذي يليه.

[ سنن أبي داود، حديث رقم 4243
درجة الحديث: صحيح ]

02/02/2025

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর ( রাঃ ) থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট বসা ছিলাম। তিনি ফিতনা সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা করলেন, এমন কি তিনি আহলাস ফিতনা সম্পর্কে বললেন।

তখন একজন বললো,
- ‘আহলাস’ ফিতনা কি?

তিনি ( ﷺ ) বললেন,
- পলায়ন ও লুটতরাজ।

অতঃপর আসবে একটি ফিতনা, যা হবে আনন্দদায়ক;
এর অন্ধকারাচ্ছন্ন ধোঁয়া বের হবে আমার পরিবারের জনৈক ব্যক্তির দুই পায়ের নিচ হতে।
সে ধারণা করবে যে, সে আমার অন্তর্ভুক্ত; অথচ সে আমার অন্তর্ভুক্ত নয়।
কারণ আমার বন্ধু হচ্ছে আল্লাহুভীরু ব্যক্তিগণ।

তারপর জনগণ এমন এক ব্যক্তির অধীনে একতাবদ্ধ হবে, সে যেন পাঁজরের উপর কোমরের হার সদৃশ।

অতঃপর তিনি ( ﷺ ) ‘দুহায়মা’ বা ঘন অন্ধকারময় ফিতনা প্রসঙ্গে বলেন,
- সেই ফিতনা এই উম্মতের কোন লোককেই একটি চপেটাঘাত না করে ছারবে না।
অতঃপর যখন বলা হবে যে, তা শেষ হয়ে গেছে; তখনই তা আরো প্রসারিত হবে।

এই সময় যে লোকটি সকালে মুমিন ছিল, সন্ধ্যায় সে কাফির হয়ে যাবে।

অবশেষে সব মানুষ দুইটি শিবিরে বিভক্ত হবেঃ-
১) একটি হবে ঈমানের শিবির, যেখানে মুনাফিকী থাকবে না।
২) আর একটি কুফরের শিবির, যেখানে ঈমান থাকবে না।

যখন তোমাদের এই অবস্থা হবে, তখন দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের অপেক্ষা করবে; ঐদিন বা তার পরের দিন থেকে।

[ সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪২৪৩
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস ]

Address


Telephone

+8801766740411

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when R U Ready For 313 Mymensingh Dhaka Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to R U Ready For 313 Mymensingh Dhaka Bangladesh:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share