Abu Yasir Numani

Abu Yasir Numani Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Abu Yasir Numani, Video Creator, Goforga, Mymensing, Mymensingh.

08/04/2026
24/03/2026

20/02/2026

ইসলামী শরীয়তে মেয়েদের সম্পত্তির অধিকার কি?,

বাধ্যতামূলক এবং আল্লাহ নির্ধারিত এটা কোনো দয়া বা সামাজিক রীতি নয়।

কুরআনের মূল বিধান
আল্লাহ তাআলা বলেন

পুরুষদের জন্য আছে পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজন যা রেখে যায় তার অংশ,
আর নারীদের জন্যও আছে পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজন যা রেখে যায় তার অংশ
অল্প হোক বা বেশি, নির্ধারিত অংশ।”
(সূরা নিসা: ৭)

এই আয়াতেই পরিষ্কার মেয়ে হওয়ার কারণে কাউকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হারাম।
উত্তরাধিকার (মীরাসে) মেয়েদের হক
১. কন্যা সন্তান
এক মেয়ে হলে → মোট সম্পত্তির ½ (অর্ধেক)
একাধিক মেয়ে হলে → সম্মিলিতভাবে ⅔ (দুই-তৃতীয়াংশ)
(যদি পুত্র না থাকে)
পুত্র থাকলে →
এক পুত্রের অংশ = দুই কন্যার অংশ
২. স্ত্রী
সন্তান না থাকলে → ¼ (এক-চতুর্থাংশ)
সন্তান থাকলে → ⅛ (এক-অষ্টমাংশ)
৩. মাতা
সন্তান থাকলে → ⅙ (এক-ষষ্ঠাংশ)
সন্তান না থাকলে ও একাধিক ভাইবোন না থাকলে → ⅓ (এক-তৃতীয়াংশ)
জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি দেওয়া (হিবা)
বাবা চাইলে জীবিত অবস্থায় মেয়েকে সম্পত্তি দিতে পারেন।
তবে সব সন্তানকে ন্যায়সঙ্গতভাবে দেওয়া সুন্নত।
কোনো কারণ ছাড়া শুধু ছেলেকে দিয়ে মেয়েকে বঞ্চিত করা জুলুম।

রাসূল ﷺ বলেছেন
“তোমরা তোমাদের সন্তানদের মধ্যে ইনসাফ করো।”
(সহিহ বুখারি)

প্রচলিত ভুল ধারণা (যা হারাম)

👉“মেয়ে তো পরের ঘরে যাবে”—এই অজুহাতে সম্পত্তি না দেওয়া

👉 “বিয়ে দিয়েছি, সেটাই তার অংশ”—এটা শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়
👉চাপ দিয়ে মেয়ের কাছ থেকে লিখে নেওয়া—ঘোর জুলুম

রাসূল ﷺ বলেছেন
“যে ব্যক্তি কোনো ওয়ারিসকে তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করে, আল্লাহ তাকে জান্নাত থেকে বঞ্চিত করবেন।”

ইসলামে মেয়েদের সম্পত্তির অধিকার ফরজ
তা না দেওয়া গুনাহে কবিরা
সমাজের রীতি নয়, আল্লাহর হুকুমই চূড়ান্ত।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সহি বুঝ দান করুন।
আমীন

#ইসলামীক_মাসয়ালা

31/01/2026

নেপালে উ*গ্রবাদী হি*ন্দুদের হাত থেকে মসজিদ বাঁচাতে এক পা নিয়েই প্রতিরোধে মুসলিম তরুণ|

27/01/2026

শরীআ কায়েমের মূল পদ্ধতিগুলো কি?

👉 আকীদা ও ঈমান সংশোধন
শরীআ আগে হৃদয়ে, পরে রাষ্ট্রে।
“নিশ্চয় আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে।”
(সূরা রা‘দ: ১১)

👉শির্ক, বিদ‘আত, কুফরি চিন্তা পরিত্যাগ
কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আকীদা প্রতিষ্ঠা

👉ইলম ও তারবিয়াহ
অজ্ঞ জাতি শরীআ বহন করতে পারে না।
কুরআন–হাদীস শিক্ষা
ফিকহের বাস্তব জ্ঞান
নফসের তাযকিয়া (আত্মশুদ্ধি)
নবী ﷺ ১৩ বছর মক্কায় শুধু মানুষ গড়েছেন—রাষ্ট্র নয়।

👉ব্যক্তিগত জীবনে শরীআ বাস্তবায়ন
রাষ্ট্র বদলানোর আগে নিজেকে বদলাতে হবে।

নামাজ, পর্দা, লেনদেন, আখলাক

হারাম বর্জন, হালাল চর্চা
হাসান বসরী (রহ.) বলেন:
“তোমরা শাসককে গালি দিও না, বরং নিজেদের আমল ঠিক করো।”

👉সমাজ সংস্কার
শরীআ কেবল দণ্ডবিধি নয়।
যুলুম প্রতিরোধ
সুদ, ঘুষ, অশ্লীলতার বিরুদ্ধে সামাজিক চাপ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়া

👉 দাওয়াহ ও সত্যের সাক্ষ্য
শরীআ চাপিয়ে নয়, বোঝিয়ে কায়েম হয়।
“তোমার রবের পথে ডাকো হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে।”
(সূরা নাহল: ১২৫)

👉যোগ্য নেতৃত্ব ও শূরা
ইসলামী রাষ্ট্র মানেই সৎ ও যোগ্য শাসক।
আমানতদার
তাকওয়াবান
উলামায়ে হক-এর পরামর্শে পরিচালিত
“যখন অযোগ্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, কিয়ামতের অপেক্ষা করো।”
(বুখারী)

👉ক্ষমতা এলে পূর্ণ শরীআ প্রয়োগ
ক্ষমতা ছাড়া হুদুদ কায়েম নয়।
ইনসাফভিত্তিক বিচার
অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা—সবখানে শরীআ
ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন


👉যে পদ্ধতি শরীআ কায়েমের নয়
হঠাৎ বিপ্লবের স্লোগান
মানুষের আকীদা না বদলে দণ্ডবিধি চাপানো
ক্ষমতার লোভে আপস
বিদেশি তাগুতী সিস্টেমের কাঁধে ভর করা

নবী ﷺ-এর পদ্ধতি: আকীদা → মানুষ গড়া → সমাজ → নেতৃত্ব → রাষ্ট্র

#শরীয়া_কায়েমের_পদ্ধতী

22/01/2026

ভোটার প্রার্থীর জন্য পোষ্টারে ছবি ছাপিয়ে দেওয়া বিধান কি?

মূল নীতি হলো
জীবন্ত প্রাণীর ছবি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন।
হাদীস:
«إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُونَ»
“কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে ছবি আঁকিয়েদের।”
—সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম
এই হাদীসের ভিত্তিতে:
ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচারমূলক ছবি বানানো ও ছড়ানো মূলত নিষিদ্ধের অন্তর্ভুক্ত।

আধুনিক আলোকচিত্র (ফটোগ্রাফ) প্রসঙ্গ
ফকীহদের মধ্যে দুই মত আছে:

ক) কঠোর মত
ফটোগ্রাফও নিষিদ্ধ ছবির অন্তর্ভুক্ত
সুতরাং পোস্টারে নিজের ছবি ছাপানো নাজায়েয
এই মত অনেক দেওবন্দী, হানাফি আলেমের।

খ) প্রয়োজনের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষ অনুমতি
অনেক সমসাময়িক আলেম বলেন:
ফটোগ্রাফ “ছবি আঁকা” নয়, বরং বাস্তব প্রতিফলন
তবে শর্তযুক্ত বৈধতা:
শর্তগুলো:
চরম প্রয়োজন (ضرورة) থাকতে হবে
ছবি ইবাদত, ফখর, সৌন্দর্য প্রদর্শনের জন্য নয়
বিকল্প উপায় না থাকলে
পর্দা, শালীনতা বজায় রেখে
গুনাহের প্রচার বা ব্যক্তিপূজা যেন না হয়

ভোটের পোস্টারে ছবি: শরীয়তের দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ
বাস্তব অবস্থায় দেখা যায়—
ছবি ছাপানো হয় পরিচিতি ও ভোট টানার জন্য
অধিকাংশ সময় অহংকার, শো-অফ ও প্রতিযোগিতা জড়িত
বিকল্প হিসেবে নাম, প্রতীক, কর্মসূচি দিয়েই প্রচারণা সম্ভব

তাই:
ভোটের পোস্টারে ছবি ছাপানোকে সাধারণত “শরয়ী প্রয়োজন” বলা যায় না।

বিকল্প
নাম
নির্বাচন চিহ্ন
কর্মসূচি
আদর্শ ও যোগ্যতার পরিচয়
লিখিত বার্তা
এসব দিয়েই পরিচিতি যথেষ্ট।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে হেফাজত করুক। আমিন
#ইসলামীক

20/01/2026

“যে ব্যক্তি পরিস্থিতির দাস হয়ে নিজের আকিদা ও অবস্থান বদলায়, সে ইতিহাসে নাম লেখায় না ,লেজুড় হিসেবেই চিহ্নিত হয়।”

09/01/2026

টুপি পড়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি থেকে প্রমাণিত?

(ক্বালানসুওয়া / عمامة-এর নিচে টুপি) পরা রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর সুন্নত—এ কথা সহিহ হাদিস ও সাহাবায়ে কেরামের আমল দ্বারা প্রমাণিত।

রাসুলুল্লাহ ﷺ টুপি পরতেন —
হাদিস–১
হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَلْبَسُ الْقَلَنْسُوَةَ
“রাসুলুল্লাহ ﷺ টুপি পরিধান করতেন।”
সূত্র
সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৭৫৭
শামায়েলে তিরমিজি, باب ما جاء في لباس رسول الله ﷺ
হাদিসটি হাসান (ইমাম তিরমিজি)

পাগড়ির নিচে টুপি পরা
হাদিস–২
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—
كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَلْبَسُ الْقَلَنْسُوَةَ تَحْتَ الْعِمَامَةِ
“নবী ﷺ পাগড়ির নিচে টুপি পরতেন।”
সূত্র
মু‘জামুত তাবরানি আল-কাবীর
বায়হাকি, শু‘আবুল ঈমান
ইবনে হাজার রহ. হাদিসটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন
সাহাবায়ে কেরামের আমল

হাদিস–৩
হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—
الْقَلَنْسُوَةُ مِنْ سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ
“টুপি রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর সুন্নত।”

সূত্র
আল-মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা
কিতাবুল লিবাস

উলামায়ে কেরামের বক্তব্য
ইমাম সুয়ূতী (রহ.)
“টুপি পরা নবী ﷺ–এর অভ্যাসগত সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।”
আল-হাবী লিল ফাতাওয়া
ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.)
“টুপি পরা সুন্নতে মুআক্কাদা না হলেও সুন্নতে আদিয়া।”
রদ্দুল মুহতার

ফিকহী সিদ্ধান্ত
বিষয়
হুকুম
টুপি পরা
সুন্নতে আদিয়া
নামাজে টুপি
মুস্তাহাব
ইবাদতের নিয়তে
সওয়াব

গুরুত্বপূর্ণ নোট
টুপি ফরজ বা ওয়াজিব নয়
তবে রাসুল ﷺ–এর অনুসরণ ও আদবের নিয়তে পরলে সওয়াব আছে
নামাজে মাথা ঢাকা আরও বেশি আদবপূর্ণ
সারসংক্ষেপ

রাসুলুল্লাহ ﷺ টুপি পরেছেন

সাহাবায়ে কেরাম টুপি পরতেন

এটি সুন্নতে আদিয়া

নিয়ত সহকারে পরলে সওয়াব

#ইসলামিক

02/01/2026

👉মাযহাব মানা কেন জরুরী?

মাযহাব ছাড়া চলা বিপজ্জনক।

সাধারণ মুসলিমের জন্য মাযহাব মানাই শরঈভাবে জরুরি।

কুরআনের নির্দেশ: নিজেরা সিদ্ধান্ত নেবে না
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
“তোমরা যদি না জানো, জ্ঞানীদের জিজ্ঞেস কর।” (নাহল ৪৩)

সাধারণ মানুষ মুজতাহিদ নয় → নিজে কুরআন–হাদীস থেকে হুকুম বের করা নিষিদ্ধ।

মাযহাব মানা মানে—আহলুল ইলমের অনুসরণ করা।

সাহাবীদের যুগেই “তাকলীদ” ছিল
সবাই কি মুজতাহিদ ছিলেন? না।
সাধারণ সাহাবীরা
👉 ইবনে মাসউদ (রাঃ)
👉 জায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ)
👉 ইবনে আব্বাস (রাঃ)
এদের ফতোয়া অনুসরণ করতেন।
এটাকেই বলে তাকলীদ—অন্যের ইজতিহাদ মানা।

মাযহাব মানা মানে কুরআন–সুন্নাহ ছাড়া নয়
ভুল ধারণা:
“আমি মাযহাব মানি না, শুধু হাদীস মানি।”
প্রশ্ন:
কোন হাদীস সহীহ?
কোনটা মানসূখ?
কোনটা খাস?
কোনটা আম?

এসব নির্ধারণ করেছে মাযহাবের উসূল।
👉 মাযহাব মানা = কুরআন–সুন্নাহ বুঝে মানা।

চার মাযহাব কেন নির্ভরযোগ্য?
কারণ তারা— হাজার হাজার হাদীস দেখেছেন
সাহাবীদের আমল জানতেন
আরবি, নাসিখ–মানসূখ, ইজমা—সব বিষয়ে পারদর্শী
ব্যক্তিগত মত নয়, নিয়মভিত্তিক উসূল

আজকের কেউ “হাদীস দেখে” তাদের ছাড়িয়ে যেতে পারে—এটা বাস্তবসম্মত নয়।

মাযহাব না মানলে কী হয়? (বাস্তব ফলাফল)
ফিতনা সৃষ্টি হয়
এক হাদীসে আমল, অন্য হাদীস বাতিল
আজ এক আমল, কাল আরেকটা
ইবাদতে স্থিরতা থাকে না

এজন্যই উলামারা বলেন:
“যে মাযহাব মানে না, সে নিজের নফসকে মাযহাব বানায়।”

চার ইমামের বক্তব্য (স্পষ্ট)
🔹 ইমাম আবু হানিফা (রহ.):
“আমাদের কথা হাদীসের বিরুদ্ধে হলে তা দেয়ালে ছুড়ে মারো।”
🔹 ইমাম মালেক (রহ.):
“এই কবরের বাসিন্দা ছাড়া সবার কথা গ্রহণ–বর্জনযোগ্য।” (নবী ﷺ-এর কবর)
🔹 ইমাম শাফেয়ী (রহ.):
“সহীহ হাদীসই আমার মাযহাব।”
🔹 ইমাম আহমদ (রহ.):
“আমার বা অন্য কারো মত অন্ধভাবে গ্রহণ করো না।”

এই কথা বলার যোগ্যতা ছিল মুজতাহিদদের জন্য, সাধারণ মানুষের জন্য নয়।

তাহলে শরঈ সিদ্ধান্ত কী?
🔹 মুজতাহিদ হলে:
👉 সরাসরি কুরআন–সুন্নাহ থেকে নেবে
🔹 সাধারণ মুসলিম হলে:
👉 নির্ভরযোগ্য মাযহাব অনুসরণ করবে (তাকলীদ)

এটিই উম্মাহর ১৪০০ বছরের সর্বসম্মত আমল।
শেষ কথা

“মাযহাব মানা শিরক”—এ কথা জাহেলি
“মাযহাব মানা হলো দ্বীনের নিরাপত্তা বেষ্টনী”
মাযহাব মানা মানে—
নিজের অজ্ঞতা মেনে নিয়ে
আহলুল ইলমের পথ ধরে চলা।

আল্লাহ তাআলা আমাদের দ্বীনের উপর চলাকে সহজ করে দিন।
#মাযহাব_মানা_কেন_জরুরী_ইসলামিকমাসয়ালা

Address

Goforga, Mymensing
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abu Yasir Numani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share