14/04/2025
২০১৬ সাল মাস ছিল জুলাই বা আগস্ট আমি তখন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি। মাঝে মধ্যে কাটখইর বাজারে আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র নামে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন ডাক্তারদের লিফট দিতাম। পরিচয় হলো আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক আল মামুন রেজা ভাইয়ের সাথে, তিনি বললেন শেয়ারে নওগাঁ শহরে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার করার জন্য। তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে গিয়ে ১৯ই নভেম্বর ২০১৬ সাল নওগাঁ দয়ালের মোড়ে tvs মোটরসাইকেল শোরুম এর দ্বিতীয় তলায় উদ্বোধন হলো আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র। উদ্বোধন লগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানের ডাক্তার হিসেবে ছিলেন ডাক্তার বিজয় কুমার রায় এবং ডাক্তার অনুপ্রাণ কুমার পাল। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাস আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র নিয়ে রেজা ভাই চলে গেলেন দয়ালের মোড়ের কাঁচাবাজার আর আমি নওগাঁ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার নাম দিয়ে শুরু করলাম একক প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে আমার সাথে পরিচয় হলো আমার খুব বিশ্বস্ত ম্যানেজার আব্দুর রশিদ। তিনি জয়েন করলেন আমার প্রতিষ্ঠানে এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করলেন তারই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হলেন ডাক্তার সালাহউদ্দিন আমিন, ডাক্তার তুষার কান্তি পাল, এবং মোটামুটি ভালোই চলছিল। এরপর ডাক্তার তুষার কান্তি পাল চলে গেলেন পঞ্চ ভাই ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আর ডাক্তার সালাহউদ্দিন আমিন নিজেই একটি প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করলেন। এরপর ২০২৩ সাল মোটামুটি আব্দুর রশিদ, ডাক্তার অনুপ্রণ কুমার পাল এবং আমার প্রায় পাঁচ থেকে সাত বছরের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। যাইহোক ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ ছিল শুক্রবার ঐদিন যথারীতি নিয়ম অনুসারে চেম্বারে ডাক্তার অনুপ্রণ কুমার পাল এসেছিলেন এবং রুগীও দেখেছিলেন এরপর চলে গেলেন এবং পরবর্তীতে সে আমাকে জানালেন নওগাঁ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই দিন ছিল তার শেষ চেম্বারের দিন যাই হোক তারপর আব্দুর রশিদ তিনিও চলে গেলেন। হয়তো এই সময়ে অনেকেই আমার প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন আবার চলেও গিয়েছেন তবে তাদের দুজনের চলে যাওয়াটা ভিন্ন রকমের ছিল। আজকে তাদের চলে যাওয়ার দ্বিতীয় বছর উপলক্ষে আমার এই পোস্ট। আমি ভালো আছি ইনশাল্লাহ। আগামী হয়তো কোনদিন এই ব্যবসায় নাও থাকতে পারি তবে এই দুইজনের চলে যাওয়া আমার কাছে একটু ভিন্ন রকমের হয়ে থাকবে সারা জীবন। সকলকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।