02/04/2024
কিভাবে বলবো, কি লিখবো, কি-ই বা টাইপিং করবো! আনন্দে তো নিজে নিজেই একা একা হাসতেছি, আবার চোখে জলও এসে যায়; যেটাকে বলে আনন্দাশ্রু! এরকম অনুভূতি আমাকে শুধু রোনালদোই দিতে পারে!
শুধু আমাকে না, আমি জানি প্রতিটা রোনালদো ভক্তেরই এমন হয়।
এইযে আজকে রোনালদোর হ্যাট্রিক, দুইটা এসিস্ট,
যেখানে অনেকেই বলে রোনালদো ফুরিয়ে গেছে, সময় শেষ এসব বলে বেড়ায় তারা কিভাবে হিসাব মেলাবেন?
লক্ষ্য করেছেন কি, হ্যাট্রিক করার পর রোনালদো ডাগআউটের দিকে দৌড়ে গিয়ে বেঞ্চে থাকা প্লেয়ারদের জড়িয়ে ধরে হ্যাট্রিকের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিলেন। সেখানে কেউ রোনালদোর অর্ধেক বয়সেরও ছিলো।
অথচ এই রোনালদোকে আপনারা বলেন, 'সেল্ফিশ, টিমমেট হিসেবে ভালো না, ব্লা ব্লা ব্লা।' ওইযে রোনালদোকে নিয়ে বললেই তো, শিরোনাম হওয়া যায় এজন্যেও অনেকে বলে...
হ্যাট্রিকের পরে যা করেছেন সেসব বাদই দিলাম। গোল পাগল রোনালদো হ্যাট্রিকের দুই মিনিট পরে আল সোলাইহেমকে যেভাবে এসিস্ট করলো, ওটা দেখেছেন?
ওটা তো রোনালদো নিজেই গোল করতে পারতো। রোনালদোর চতুর্থ গোল হতো ম্যাচের এবং ক্যারিয়ারের ৮৮৬ গোল হতো। কিন্তু রোনালদো পাক্কা মিডফিল্ডারের মতো এসিস্ট করলো সতীর্থকে। এমন একটা এসিস্ট মার্সেলো করেছিলো রোনালদোকে, তাই না!
আসলে আরও অনেক অনেক কথা বলতে মন চাচ্ছে, তবে শত লাইন লিখেও আবেগ শেষ করতে পারবো না। তবে লাস্টে এতটুকুই বলতে চাই,
'রোনালদো খেলোয়াড় হিসেবে যেমন বিশাল তাঁর জন্যে আমার ভালোবাসাও তেমন বিশাল। হয়তবা এক মহাসমুদ্র বা এক মহাকাশ সমান।'
রোনালদো আপনি এই ছবির মতো উড়ুন সবসময়, সেটা ঊনচল্লিশেও এবং সামনে চল্লিশ, একচল্লিশেও!
© তানজিম তোহা