17/02/2026
রমজানে ওমরার সওয়াব (হজ করার সমতুল্য)
রমজান মাসে ওমরাহ পালন করাকে অনেক বড় ফজিলতের কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "রমজান মাসে ওমরাহ আদায় করা আমার সাথে (রাসুলুল্লাহর সাথে) হজ করার সমতুল্য।"
সহীহ বুখারী: হাদিস নং ১৮৬৩।
সহীহ মুসলিম: হাদিস নং ১২৫৬।
২. রমজানে আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমার ঘোষণা
রমজানের প্রতি রাতে আল্লাহ তাআলা অনেক মানুষকে ক্ষমা করে দেন।
নবী কারীম (সা.) বলেছেন, "রমজানের প্রতি রাতে এবং দিনে আল্লাহর পক্ষ থেকে (জাহান্নাম থেকে) মুক্তিপ্রাপ্ত বান্দা রয়েছে এবং প্রতি রাতে ও দিনে প্রত্যেক মুসলিমের একটি দোয়া কবুল করা হয়।"
মুসনাদে আহমাদ: হাদিস নং ৭৪৫০।
সহীহ আল-জামি: হাদিস নং ২১৬৯।
৩. তারাবীহ নামাজের ফজিলত (কিয়ামে রমজান)
রাতের সালাত বা তারাবীহ পড়ার মাধ্যমে পাপ মোচনের সুযোগ থাকে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে নামাজে (তারাবীহ বা কিয়ামে রমজান) দাঁড়াবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
সহীহ বুখারী: হাদিস নং ২০০৮।
সহীহ মুসলিম: হাদিস নং ৭৫৯।
৪. ইফতার করানোর ফজিলত
অন্যকে ইফতার করালে নিজের সওয়াব না কমিয়েই অপরিসীম সওয়াব পাওয়া যায়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমান সওয়াব পাবে; তবে রোজাদারের সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না।"
জামে তিরমিজি: হাদিস নং ৮০৭।
সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদিস নং ১৭৪৬ (ইমাম তিরমিজি একে হাসান-সহীহ বলেছেন)।
৫. লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব
হাজার মাসের চেয়ে সেরা এক রাত রমজানের শেষ দশকে লুকিয়ে আছে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদতের জন্য দাঁড়াবে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
সহীহ বুখারী: হাদিস নং ১৯০১।
সহীহ মুসলিম: হাদিস নং ৭৬০।
৬. সেহরির বরকত
সেহরি খাওয়া কেবল খাবার গ্রহণ নয়, এটি একটি বরকতময় কাজ।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে।"
সহীহ বুখারী: হাদিস নং ১৯২৩।
সহীহ মুসলিম: হাদিস নং ১০৯৫।