30/05/2026
সৌদি🇸🇦প্রবাসীরা এই প্র*তারক হতে সা*বধান!!
অসহায় মানুষদের কস্টার্জিত অর্থ লক্ষ লক্ষ রিয়াল আর্ত*সাৎ করছে এই চক্র।
আমার বকেয়া স্যালারী সহ হাজার হাজার প্রবাসী অসহায় ভাইদের বকেয়া না পেয়ে পথের ফকির হয়ে গেছেন।
সৌদি আরব বিভিন্ন শহরে এই চক্র ছড়িয়ে আছে।এদের টার্গেট নতুন প্রবাসী, এরা প্রবাসীদের কাফালা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২/৪ হাজার রিয়াল নেয় এজেন্টদের মাধ্যমে।পরে কোন কাফালা না করিয়ে ক্যাজুয়াল বা অস্থায়ী কাজে লাগিয়ে দেয় বিভিন্ন কোম্পানিতে।
প্রমানসরুপ- আমি সহ বিভিন্ন লোক তাদের জেদ্দা সাইডে কাজের জন্য আসলে, তারা আমাদের জেদ্দা আল হামরা ব্রাঞ্চ ও এ হাউজ কিপিং কাজে জয়েন্ট করিয়ে দেয়, কিন্তু সেখানে সেই কাজ না করিয়ে আমাদের ময়লা কার্পেট ও লোডআনলোড কাজ করায়, এর পাশে লেবারের কাজ করায়।আমরা সেই কাজ করার পরও আমাদের স্যালারি দিচ্ছে না।স্যালারী না দেওয়া অনেকের ডুকমেন্ট বা প্রমান রয়েছে।কিন্তু আমাদের আগে পরে অনেকে স্যালারী না দেওয়া শত শত অসহায় প্রবাসী এখান থেকে বাহির অন্যথায় কাজের সন্ধানে চলে যায় ও অনেকে প্রবাসের এই কস্ট না সইতে পেরে দেশে চলে গেছে এবং এখনো অনেকে চলে যাচ্ছে। বিগত বছরে কয়েক হাজার হাজার প্রবাসী সর্বশান্ত হয়ে গেছে। এমন্তাবস্থায় বাংলাদেশ ও সৌদি আরব প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ও সহযোগিতা কামনা করছি।
চক্রের প্রধান প্রতারক ওয়াহেদ ও তার স্ত্রী বাবলী (জান্নাত), জেদ্দায় তাদের সহযোগী সাদেক।এখনো তাদের জেদ্দা ভিলায় শত শত লোক আছে যাদের স্যালারী আটকিয়ে রাখছে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে যে কোম্পানিতে লোক গুলো কাজ করে তাদের সম্পুর্ন স্যালারী কোম্পানি পরিশোধ করে দেয়,কোম্পানি কর্মীদির ১দিনের স্যালারী আটকিয়ে রাখে না,কিন্তু ওয়াহেদ ও বাবলী স্যালারী না দিয়ে তাদের বিলাসবহুল জীবন যাপন করে।এমন্তাবস্থায় Radisson Blu ও ViViD Hotel Group এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বকেয়া স্যালারী আদায়ে সহযোগিতা করার জন্য এবং ওয়াহেদ ও বাবলী চক্রদের কোন প্রকার কন্ট্রাক্ট না দেওয়ার আহবান। এতে কোম্পানির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।
প্রবাসী মেয়ে নদী Md Polash Gazi Jahirulalam Babur Md Abu Yousuf A R. Onik Sohel Mahmud মোঃ রবিন হোসেন Bashar Ahmed