SAYEM AHMED

SAYEM AHMED - মৃত্যুর চেয়ে ভবিষ্যতের,,
ভয় বেশি..🙂
অথচ মৃত্যু-ই ভবিষ্যৎ..🥀🙃

30/04/2026
27/04/2026

তোফাজ্জল হোসেন ভৈরবীর ওয়াজ ছোট থেকেই শুনি😅

25/04/2026

এক নারীর গর্ভে বাচ্চা থাকা অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করে এবং তারপর খুন! এই নরপশুদের জন্য ফাঁসিও খুব ছোট শাস্তি। এই দেশটা কি এখন শ/কু/নের অভয়ারণ্য?
​বিবেক যখন মরে গেছে: একটি ভ্রূণকে যারা বাঁচতে দিলো না, এক মা-কে যারা ছিঁড়ে খেলো—তাদের কি মানুষ বলবো? ধিক্কার এই সমাজকে, ধিক্কার এই বিচারহীনতাকে!
​ পৈশাচিকতার সব সীমা আজ অতিক্রম হয়ে গেছে। যে দেশে গর্ভবতী নারীও নিরাপদ নয়, সেখানে সভ্যতার গল্প করা বিলাসিতা মাত্র।
​আর কত রক্ত? গর্ভের সন্তানসহ মাকে হত্যা! এর চেয়ে বড় অভিশাপ আর কী হতে পারে? এই জা/নো/য়ারদের প্রকাশ্য রাজপথে শাস্তি দেওয়া হোক।
​বিচারের কাঠগড়ায় আজ আমরা সবাই: এই জঘন্য অপরাধের পরও যদি আমরা চুপ থাকি, তবে পরবর্তী শিকার আমাদেরই কেউ হবে। পশুত্বের চূড়ান্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে এই দেশ!
​"যেখানে মানুষ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে আজ পশুত্ব রাজত্ব করছে। এর শেষ কোথায়?"
SAYEM AHMED

11/04/2026

ইমাম ওয়াইস আল-কারনী (রহ.) একদিন ডাস্টবিন থেকে খাবার কুড়াচ্ছিলেন। এমন সময় অপর পাশ থেকে একটি কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে শুরু করে। তখন তিনি কুকুরটিকে লক্ষ্য করে বললেন, “তুমি তোমার দিক থেকে খাও, আমি আমার দিক থেকে খাই। কাল যদি আমি সীরাত অতিক্রম করতে পারি, তবে আমি তোমার চেয়ে উত্তম; আর যদি না পারি, তবে তুমিই আমার চেয়ে উত্তম।”
(তাবাকাতুল খাওয়াছ)

একবার জাফর ইবন সুলাইমান দেখলেন, একটি কুকুর মালিক ইবন দিনার-এর পেছনে পেছনে হাঁটছে। তিনি বললেন, “হে মালিক, তোমার পেছনে ওটা কী?”
মালিক (রহ.) জবাব দিলেন, “এটি তো এক খারাপ সঙ্গীর চেয়েও উত্তম।
(ফাদলুল কিলাব, হুলিয়াতুল আউলিয়া)
SAYEM AHMED

26/03/2026

কত শত আনন্দ আর কত শত আশা নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না.....!!!💔❤️‍🩹

26/03/2026

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে উদ্ধার কাজের সবশেষ। এদেশে মানুষ মারতে মিসাইল লাগেনা

25/03/2026

আহারে জিবন😭😭😭😭

02/01/2026

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )

হযরত ঈসা (আ.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"

লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"

হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"

লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,

"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।

এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'

হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"

আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।

সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)
© Salman Farsi

Address

Narayanganj
1400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SAYEM AHMED posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share