Conversations with Mustakim

Conversations with Mustakim Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Conversations with Mustakim, Digital creator, Narayanganj, Sonargaon, Narayanganj.

09/02/2026

বর্তমানে আমরা চারদিকে প্রচুর নির্বাচনী জরিপ বা 'Polling Results' দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু এই জরিপগুলোর নেপথ্যে কি কেবল জনমত জানা থাকে, নাকি জনমত তৈরি করা?

আধুনিক প্রোপাগান্ডা তত্ত্ব (Modern Propaganda Theory) এই বিষয়ে আমাদের চোখ খুলে দেয়।

‎চমস্কি (Chomsky), হারমান (Herman) বা শিলার (Schiller)-এর মতো তাত্ত্বিকদের মতে, আধুনিক প্রোপাগান্ডা সরাসরি গায়ের জোরে কাজ করে না, বরং এটি কাজ করে 'Media Manipulation' বা মিডিয়া কারসাজির মাধ্যমে।

‎‎

আজকের (২৭ জানুয়ারি ,২০২৬) প্রথম আলোতে(৫ম পাতা-অভিমত বিশ্লেষণ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং সংবিধান সংস্কার কমিশন...
27/01/2026

আজকের (২৭ জানুয়ারি ,২০২৬) প্রথম আলোতে(৫ম পাতা-অভিমত বিশ্লেষণ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইমরান সিদ্দিক-এর একটি লেখা প্রকাশ হয়েছে, যা প্রস্তাবিত গণভোট নিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থান এবং আমাদের অনেকের মনের দ্বিধা দূর করতে সাহায্য করতে পারে। লেখক খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, এই সরকার কোনো প্রথাগত সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা থেকে আসেনি; বরং এটি ছাত্র-জনতার এক রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের ফসল, যা ছিল দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের চূড়ান্ত প্রত্যাখ্যান। ফলে এই সরকারের ক্ষমতার উৎস ১৯৭২ সালের সংবিধানের কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নয়, বরং জনগণের সেই ‘গাঠনিক ক্ষমতা’ (Constituent Power), যা ২০২৫ সালের ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। আদেশের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে, জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায় অনুযায়ীই এই জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে। তাই এই পুরো প্রক্রিয়ায় সরকার মূলত সেই গণ-ম্যান্ডেটেরই একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। এমতাবস্থায়, নিজের প্রস্তাব করা সংস্কার নিয়ে সরকার ‘নিরপেক্ষ’ থাকবে-এমনটা আশা করা কেবল অযৌক্তিক নয়, বরং এক ধরনের রাজনৈতিক ভুলও বটে।

‎গণতন্ত্রে কোনো প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু সরকার যখন কোনো সংস্কারের প্রস্তাব দেয়, তখন সেই প্রস্তাবের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া এবং এর যৌক্তিকতা জনগণের সামনে তুলে ধরা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। লেখক এখানে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের উদাহরণ টেনে দেখিয়েছেন যে, সরকার যখন কোনো কর্মসূচি বা সংস্কার হাতে নেয়, তখন তার বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অধিকার সরকারের রয়েছে। এটি কোনোভাবেই ভোটারদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নয়। বরং সরকার যখন নিজের দেওয়া সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে নীরব থাকে, তখন তা দায়িত্ব এড়ানোর নামান্তর হয়ে দাঁড়ায় এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলে। সংস্কারের প্রশ্নে এই স্পষ্ট অবস্থান কোনো রাজনৈতিক দলের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ নয়, বরং ভবিষ্যতে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য অপরিহার্য। তাই আসন্ন নির্বাচনে যে গণভোটের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে সরকার তার অবস্থানের সপক্ষে যুক্তি ও তথ্য দিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবে, এটাই প্রত্যাশিত। কারণ দিনশেষে স্বচ্ছতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বই একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।


আপনারা কি মনে করেন? কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত জানান।

25/01/2026

একটি সরকার তার ক্ষমতা যেভাবে টিকিয়ে রাখে।

#বাংলাদেশরাজনীতি
#সরকার

‎একুশে টিভির এই ভিডিওর মাধ্যমে আমরা ডেনিস ম্যাকুয়েল-এর চারটি গণযোগাযোগ তত্ত্বের (Mass Communication theory) প্রয়োগ দেখত...
24/01/2026

‎একুশে টিভির এই ভিডিওর মাধ্যমে আমরা ডেনিস ম্যাকুয়েল-এর চারটি গণযোগাযোগ তত্ত্বের (Mass Communication theory) প্রয়োগ দেখতে পাই।

‎১.সোশ্যাল-সায়েন্টিফিক থিওরি (Social-scientific Theory)

‎এটি হলো গবেষণার বিষয়। গবেষকরা যখন এই ধরণের পোস্টের প্রভাব বা কারণ নিয়ে তথ্য-প্রমাণ দিয়ে বিশ্লেষণ করেন তখন এই তত্ত্ব কাজ করে।

‎এই ক্ষেত্রে: একজন মিডিয়া গবেষক হয়তো বিশ্লেষণ করবেন কীভাবে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে রাজনীতির 'পার্সোনালাইজেশন' করা হচ্ছে। এই ভিডিওটি জনগণের মনে দীর্ঘমেয়াদে কোনো দলের প্রতি সহমর্মিতা তৈরি করছে কি না,তা যখন বৈজ্ঞানিক উপায়ে বা ডেটা দিয়ে বিচার করা হবে, তখন তাকে সোশ্যাল-সায়েন্টিফিক থিওরি বলা হতে পারে।


‎২. নরমেটিভ থিওরি (Normative Theory)

‎নরমেটিভ থিওরি প্রশ্ন তোলে-মিডিয়ার আদর্শগত দায়িত্ব কী হওয়া উচিত?

‎এই ক্ষেত্রে: এখানে একটি বিতর্ক তৈরি হতে পারে। একটি মূলধারার সংবাদমাধ্যমের কাজ কি নীতিগতভাবে কোনো নেতার পানি খাওয়ার দৃশ্য প্রচার করা, নাকি দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু তুলে ধরা? যখন আমরা এই পোস্টটির মান নিয়ে বা সাংবাদিকদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি, তখনই আমরা নরমেটিভ থিওরির চোখে বিষয়টিকে বিচার করি।

‎৩. অপারেশনাল থিওরি (Operational Theory)

‎এই থিওরি মূলত সাংবাদিক বা মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের "পেশাদারী অভিজ্ঞতা" থেকে আসে।

‎এই ক্ষেত্রে: একুশে টিভির সোশ্যাল মিডিয়া টিম যখন এই ক্লিপটি শেয়ার করেছে, তারা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানে যে বাংলাদেশে 'রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পারিবারিক মুহূর্ত' দর্শকরা খুব পছন্দ করে। তাদের কাছে এটি একটি 'নিউজ ভ্যালু'। প্রতিষ্ঠানের কাজের স্টাইল এবং দর্শকদের রুচি বুঝে ভিডিওটি আপলোড করাই হলো অপারেশনাল থিওরির প্রয়োগ।

‎৪. এভরিডে থিওরি (Everyday Theory)

‎এটি সম্পূর্ণ দর্শকদের দৃষ্টিভঙ্গি। সাধারণ মানুষ মিডিয়াকে কীভাবে দেখে বা বিশ্বাস করে।

‎এই ক্ষেত্রে: কমেন্ট বক্সে মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। সাধারণ মানুষ তাদের নিজস্ব 'কমনসেন্স' থেকে এটি দেখছে। কেউ হয়তো দেখছে "বাবার প্রতি মেয়ের মমতা" হিসেবে, আবার কেউ হয়তো এটিকে দেখছে "রাজনীতির ব্র্যান্ডিং" হিসেবে। মিডিয়া যা বলছে মানুষ তা হুবহু গ্রহণ না করে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে যা বুঝছে, তাই এভরিডে থিওরি।

24/01/2026

‎তথ্যটি কতটুকু সঠিক তা শতভাগ নিশ্চিত জানি না, তবে প্রখ্যাত বিদেশি সাংবাদিক এ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাসের লেখা 'বাংলাদেশ একটি রক্তাক্ত দলিল' বইটিতে একটি কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনার উল্লেখ রয়েছে।

‎বইটির তথ্যমতে, ১৯৮১ সালের ১২ ই এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান তার দলের মন্ত্রী এবং এমপিদের জন্য একটি লিখিত পরীক্ষার আয়োজন করেছিলেন। বিষয়টি ছিল বিএনপির আদর্শ ও দর্শন। এই পরীক্ষার আগে তিনি নিজেই বেশ কয়েকটি ক্লাস নিয়েছিলেন নেতাকর্মীদের।

‎পরীক্ষার ফলাফল ছিল চমকে দেওয়ার মতো:

‎অংশগ্রহণকারী: ৫০ জন মন্ত্রী ও দলীয় নেতা।

‎পাশ করেছেন: মাত্র ১০ জন।

‎অকৃতকার্যদের তালিকায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান ও উপপ্রধানমন্ত্রী জামালউদ্দীন আহমেদ!

‎ইতিহাসের এই তথ্য যদি সত্যি হয়ে থাকে, তবে বিষয়টি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর আদর্শিক চর্চা অনেক ক্ষেত্রেই স্তিমিত হয়ে পড়েছে।

‎আমার মনে হয়, বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উচিত তার পূর্বসূরি জিয়াউর রহমানের এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা। বর্তমান বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের জন্য দলীয় আদর্শ ও দর্শনের ওপর এমন একটি পরীক্ষা নেওয়া দরকার।

‎নেতৃত্ব কেবল মিছিলে থাকা বা স্লোগান দেওয়ার নাম নয়, দলের মূল দর্শনের সাথে আত্মিক পরিচয় থাকাও জরুরি। যদি বর্তমান শীর্ষ নেতারাও এমন একটি পরীক্ষায় বসেন, তবে দেখা যেত আসলে কতজন নিজের দলের মূলনীতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন। প্রতিটি রাজনৈতিক দল যদি তাদের কর্মীদের জন্য এমন পরীক্ষা বা যাচাইয়ের ব্যবস্থা করত, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন হয়তো সম্ভব ছিল।a

23/01/2026

ক্ষমতাবানেরা অন্যদের প্রতারণাকে তুলনামূলকভাবে বেশি নিন্দা করেন, কিন্তু প্রতারণায় জড়ানোর প্রবণতা তাঁদের মধ্যেই বেশি। আবার ক্ষমতাবানেরা অন্যদের নৈতিক অপরাধকে নিজেদের একই ধরনের অপরাধের তুলনায় অনেক বেশি কঠোরভাবে মূল্যায়ন করেন। ক্ষমতাবানদের এই আচরণকে বলা হয় নৈতিক দ্বিচারিতা বা ভণ্ডামি। অর্থাৎ এমন এক আচরণ, যেখানে একজন ব্যক্তি অন্যদের জন্য কঠোর নৈতিক মানদণ্ড আরোপ করেন, কিন্তু নিজে তা মানেন না।

‎ ( এ নিয়ে জোরিস ল্যামারস, ডিডেরিক এ স্ট্যাপেল এবং অ্যাডাম ডি গ্যালিনস্কি নামের তিন বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী ২০১০ সালে একটি গবেষণা করেছিলেন। 'ক্ষমতা ভণ্ডামি বাড়ায়: যুক্তিতে নৈতিকতা, আচরণে অনৈতিকতা' (পাওয়ার ইনক্রিজেস হিপোক্রেসি মোরালাইজিং ইন রিজনিং, ইমমোরালিটি ইন বিহেভিয়ার) নামের সেই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছিল আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল সোসাইটির (এপিএস) জার্নাল সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স-এ। এটিকে মনোবিজ্ঞানের অন্যতম প্রভাবশালী ও মর্যাদাপূর্ণ জার্নাল মনে করা হয়। গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতা মানুষকে নৈতিক দ্বিচারিতা বা ভণ্ডামির দিকে ঠেলে দেয় কি না, সেটি বোঝা)

‎এর ব্যাখ্যায় গবেষকেরা বলেছেন, ক্ষমতা মানুষের ভেতরে একধরনের কর্তৃত্ববোধ তৈরি করে। এই বোধ থেকে তাঁরা মনে করেন যে অন্যদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ বা বিচার করা তাঁদের দায়িত্ব। ক্ষমতা মানুষকে ব্যক্তিগত লাভ, পুরস্কার এবং সুবিধার দিকে বেশি মনোযোগী করে তোলে। সামাজিক নিন্দা বা নৈতিক চাপ তখন তাঁদের কাছে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে নিজের ক্ষেত্রে তাঁরা সহজেই নৈতিক মানদণ্ড শিথিল করেন।

‎যেমন:
‎সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন কোভিডের সময় নাগরিকদের জন্য কঠোর লকডাউন চাপিয়েছিলেন। পরে ফাঁস হয় যে তিনি তাঁর দলবল নিয়ে লকডাউনের মধ্যেই ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি করেছেন। এর নাম এখন 'পার্টিগেট স্ক্যান্ডাল'। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি কখনোই তাঁর ছেলে হান্টার বাইডেনের মামলায় হস্তক্ষেপ করবেন না। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তিনি ছেলেকে বিনা শর্তে মাফ করে দিয়েছিলেন। এ তো গেল দুই উন্নত দেশের দুটি উদাহরণ, যাঁরা নৈতিকতাকে উচ্চ আসনে রাখেন বলে জনশ্রুতি আছে।

‎ বাংলাদেশের উদাহরণ দেওয়া শুরু করলে এই লেখা আর শেষ হবে না। বাংলাদেশে নৈতিক ভণ্ডামির লিখিত সাক্ষ্য দেয় রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ম্যানিফেষ্টো। দুর্নীতির প্রতি জিরো টলারেন্স, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বাধীন বিচার বিভাগ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা- এসব হচ্ছে বহুল প্রচারিত লিখিত প্রতিশ্রুতি। ক্ষমতায় যাওয়ার পরে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ঘটনা এখানেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থান নৈতিক ভণ্ডামির বড় উদাহরণ। সাম্প্রতিক সময়ের কথাও বলা যায়। বৈষম্য দূর, মতপ্রকাশের অধিকার, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা-এ রকম অনেক দাবিতেই ছাত্র-জনতা গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু এখন অনেক ক্ষেত্রেই এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনেকই আগে যা বিশ্বাস করতেন, তাঁরাই এখন উল্টো আচরণ করছেন।

‎ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কবিতায় আছে, 'আমার যে বন্ধুরা পৃথিবীকে বদলাবে বলে ছিল/ত্বরা সইতে না পেরে/এখন তারে নিজেরাই নিজেদের বদলে ফেলেছে।' জুলাই আন্দোলনের পরে এ রকম বন্ধুদের দেখার অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়তো হয়েছে।

16/11/2024

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি (২০২৪-২৫) - সিদ্ধান্তগুলো প্রস্তাবিত, চূড়ান্ত নয়।

সি ইউনিট - ৩১ জানুয়ারি
বি ইউনিট - ৭ ফেব্রুয়ারি
ই ইউনিট - ১৪ ফেব্রুয়ারি
এ ইউনিট - ২২ ফেব্রুয়ারি
ডি ইউনিট - ২৮ ফেব্রুয়ারি
সেকেন্ড টাইম না রাখার প্রস্তাব। পরীক্ষা হবে MCQ+লিখিত।

02/11/2024

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা দুই ধাপে নেওয়ার চিন্তা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রথম ধাপে mcq পরীক্ষা ঢাবি ও আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। যারা mcq অংশে পাশ করবে তাদের রিটেন পরীক্ষা ঢাবি ক্যাম্পাসে এসে দিতে হবে।

তথ্যসূত্র :দেশ রূপান্তর।

07/07/2024

৩৩ বিসিএস থেকে ৪৬ বিসিএস পর্যন্ত প্রায় সকল বিসিএস বা নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে।

সূত্র: চ্যানেল ২৪

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
28/06/2024

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

16/06/2024

মনে রাখুন, 'ঈদ' একটি ভুল বানান। বাংলা একাডেমির বানান রীতি অনুযায়ী সঠিক বানান হলো 'ইদ'। একই ভাবে 'গরু' বানানটিও ভুল। সঠিক বানান হলো 'গোরু'।

Address

Narayanganj, Sonargaon
Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Conversations with Mustakim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share