Humayra buri

Humayra buri reels video 7.30 - 8.00 am
reels video 2.00 -2.30 am
long video 6.00 - 6.30am
Reels video 9.30-10.00

11/06/2026

ভালোবাসা ফলের ভালোবাসা দিয়ে ভরা

টগর ফুল আর‌ টগরের বাবা মা
11/06/2026

টগর ফুল আর‌ টগরের বাবা মা

11/06/2026
কয়টা বাজে ঘুমাও এখন ও মোবাইল দেখছো ,কি রাগ করলা???
11/06/2026

কয়টা বাজে ঘুমাও এখন ও মোবাইল দেখছো ,কি রাগ করলা???

আমার টগর ফুল
11/06/2026

আমার টগর ফুল

11/06/2026

জীবন সুন্দর,,,,

সবার থাকে বান্ধবী আর আমার আছে বান্দরনী কখন যে সিঁদুরের মতো করে আবীর দিয়ে দিয়েছে খেয়ালই করিনি,
11/06/2026

সবার থাকে বান্ধবী আর আমার আছে বান্দরনী কখন যে সিঁদুরের মতো করে আবীর দিয়ে দিয়েছে খেয়ালই করিনি,

11/06/2026

Hello

রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধর্ষক একটু আগে জবানবন্...
22/05/2026

রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধর্ষক একটু আগে জবানবন্দি দিল, ধর্ষকদম্পতির আবার সন্তানও আছে। কত বড় জানোয়ার এরা
এদের ফাঁসিটা দ্রুত কার্যকর করা হোক
সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন।
সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হত্যা করা হয়।’
রামিসাকে হত্যার পর দেহ টুকরো করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।
বাসার বাইরে হৈ-হুল্লোরের শব্দে সোহেলের স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। স্বামী তখন সিটকিনি খুলে দেওয়ায় কক্ষের বাইরে এসে তিনি রামিসার গলা কাটা দেহ দেখতে পান। এ সময় স্থানীয়রা বাসার দরজায় বারবার আঘাত করলেও স্বপ্না তাদের ঢুকতে না দিয়ে স্বামী ও তার সঙ্গীকে পালাতে সাহায্য করেন।
একজন নারী, সন্তানের জননী হয়েও কিভাবে এমন ক্রিমিনালদের পালাতে দিলেন সেটাই অবাক করা বিষয়।
মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়।
এই ঘটনার নৃশংসতা এত ভয়াবহ যে ছেলে মেয়ে যেকোনো বাচ্চাকে নিয়েই এখন ভয়ে থাকতে হবে। সম্প্রতি সোহেল কোনো একটা মামলায় জেল খেটে ছাড়া পাওয়া ক্রিমিনাল।
পরিশেষে এটাই বলব নিজের বাচ্চাকে আগলে রাখুন, কাওকে ট্রাস্ট করবেন না। রামিসার মা বাবাও হয়তো প্রতিবেশীকে ট্রাস্ট করেছিল তারও বাচ্চা আছে দেখে।
আমরা এমন একটা জাহেলিয়াতের যুগে এসে পৌঁছেছি যে, পারস্পরিক সম্পর্কের পবিত্রতা, বিশ্বাস সব নষ্ট হয়ে গেছে। তাই প্রতিবেশী কেন, কাউকেই বিশ্বাস করবেন না, যত বড় আত্মীয়ই হোক না কেন.. কারো কাছেই সন্তানকে রেখে যাবেন না, হোক মেয়ে সন্তান কিংবা ছেলে।

মেয়ে বাচ্চার মায়েরা আজকে ঘুমাতে পারবে বলে আমার মনে হয়না।

💔🚫💔আমার নিজের চোখে দেখা---দু' বছরের বাচ্চা। মায়ের হাতে এক বাটি সুজি। বাচ্চার দু'হাত মায়ের পায়ের নীচে চাপা দেয়া। আর মায়ের...
20/05/2026

💔🚫💔আমার নিজের চোখে দেখা---
দু' বছরের বাচ্চা। মায়ের হাতে এক বাটি সুজি। বাচ্চার দু'হাত মায়ের পায়ের নীচে চাপা দেয়া। আর মায়ের এক আত্মীয়া বাচ্চার গালের কাছে গরম পানি ভর্তি কেটলি ধরে আছে। মা বাচ্চার গাল টিপে মুখে সুজি ভরছে, গিলতে দেরি হলে গালে গুতো দিচ্ছে। বাচ্চাটি মূর্তির মত সোজা, চিৎকার করছে আর গিলছে। একটু নড়লেই গালে গরম কেটলির ছেঁকা লাগবে। পাশে কিছু কসটেপ থাকে। কি কাজে ব্যবহৃত হয়, জানিনা। আর্ত চিৎকার আর ভয়ার্ত চোখে গরম কেটলির দিকে তাকানো, আর গবগব করে সুজি গেলা ঘন্টা দু'য়েক চলে। এরপর বমি। বমি শুধু মুখ নয়, নাক দিয়েও বেরোচ্ছে। বিছানা বালিশ বমি দিয়ে সয়লাব। শুরু হলো পেটানো। কিন্তু ততক্ষণে আবার দু'ঘন্টা হয়ে গেছে। দু'ঘন্টা পরপর বাচ্চাকে খাওয়াতে হয়। আবার তৈরি হলো আরেক বাটি। আবার নেক্সট সিটিং। একই পদ্ধতি। সাথে আছে ভুতের ভয়, কিল, গুতা, কান টানা, চড় থাপ্পড়, বিছানা থেকে ছুড়ে ফেলা.....।
স্বামী মহাশয় মিউ মিউ করে মাঝেমধ্যে একটু বুঝানোর চেষ্টা করেন, বিরক্ত হয়ে অফিসে চলে যান, অতটুকুই। বাচ্চা সারাক্ষণ ভয়ে অস্হির, পেট ব্যাথা, মাথা ব্যাথা, কথা শুনেনা, পালিয়ে বেড়ায়, রিভোল্ট করে..... ডাক্তারের পরামর্শ..... সব ফেইল। মা কারো কথা শুনবেন না। বাচ্চা খায় না। মায়ের চেয়ে বেশি কে ভালোবাসে? মায়ের সব কাজই সঠিক। তিনি আদর্শ মা। খারাপ মায়ের বাচ্চা হালকা পাতলা থাকে, অপুষ্ট থাকে। সচেতন মা, নিজের জীবনটা ধ্বংস করে দিচ্ছেন বাচ্চার বাটির পিছনে। এই বাচ্চার প্রাণ হরণ তার অধিকার।

আমরা অপুষ্ট বাচ্চা যেমন দেখি। চারিদিকে মোটাতাজা পরিপুষ্ট বাচ্চাও দেখি। এই হৃষ্টপুষ্ট হবার পেছনের বিভৎস চিত্রটাও আমরা কমবেশি সবাই জানি। মায়ের ভালোবাসার এই অত্যাচার আমরা স্বাভাবিক ভাবে নিতে অভ্যস্ত। দু'এক জন প্রতিবাদ করলে সেটাই অস্বাভাবিক মনে হয়। মায়ের চেয়ে তো আর মাসির দরদ বেশি নয়।

অবশ্যই মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি হতে পারে না। কিন্তু, কেউ যদি মানসিক ভারসাম্য হারায় তার কাছে একটি শিশু নিরাপদ কি? নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিষয়টি বিবেচনার প্রয়োজন আছে। তুলতুলে হৃষ্টপুষ্ট করতে গিয়ে একটি বাচ্চাকে সারাক্ষণ মানসিক শারীরিক নির্যাতনের মধ্যে রাখা, ট্রমাটাইজ করা ফৌজদারী অপরাধ। অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই দেখতে হবে, ভালোবাসা নাম দেয়া যাবে না।

দায়িত্ব আর মমতার নাম দিয়ে, এ ধরনের অপরাধকে উৎসাহ দেয়া যেমন সঠিক নয়, তেমনি একটা কেইসকে গুরতর করার জন্য কথায় কথায় পরকিয়া আবিষ্কার করাটাও গ্রহণযোগ্য নয়। পরকিয়ায় আসক্ত নারী সন্তানের প্রতি উদাসীন হয়, সারাক্ষণ খাবারের বাটি নিয়ে বসে থেকে, নিজের বডি ফিটনেস নষ্ট করে না। আমরা এতটুকু অন্ততঃ বুঝি। কালোকে কালো, সাদাকে সাদা বলুন। সব কিছুতে রঙ চড়াবেন না।

মায়েদের কাছে অনুরোধ। খাবার নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে আপনি আপনার টেম্পার হারাচ্ছেন। এর জন্য একমাত্র আপনার মানসিকতা দায়ী। আপনার শিশুটি, তার বাবা, বা তার পরিবার দায়ী নয়। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন, অথবা সন্তান ধারণ করা থেকে বিরত থাকুন। একটা শিশুর শৈশব, একটা পরিবারের পরিবেশ নষ্ট করার অধিকার আপনার নেই। যা পারবেন না, তা করতে যাবেন না।
অথবা, আপনার অসুখী দাম্পত্য, শশুড়বাড়ির নেগেটিভ পরিবেশের জন্যও শিশুটি দায়ী নয়। ওর উপর ক্ষোভ ঝাড়তে পারেন না। এটা অপরাধ। টর্চার করে একটি শিশুকে বড় করা মানে আরেকটা ট্রমাটিক মানবাত্মা তৈরী করা, সমাজকে, পরিবারকে আরেকটা মানসিক রুগী উপহার দেয়া। শারীরিক গঠনে হৃষ্টপুষ্ট হলেই চলবে না, শিশুর মানসিক সুস্বাস্থ্যও জরুরী।

এমন মা হতে পারিনি বলেই অনেকের মুখে শুনতে হয়েছে বাচ্চা তো শুকনা কেন মোটা না কেন হ্যাঁ ভাই আমার বাচ্চা মোটা না শুকনা তাতে আমি খুশি ও বেঁচে আছে সুস্থভাবে এতেই আমি অনেক খুশি

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Humayra buri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share