The Historical Gossip

The Historical Gossip Hey/Hello,
It's an interesting platform. Where there are all the thrilling stories of the story of the word. Which you can easily read from our page.

Thanks for staying with us.

 #ভুটানের_পতাকার_আত্মকাহিনী ভুটান দীর্ঘদিন রাজতন্ত্রশাসিত দেশ হওয়ায় পতাকার নকশায় রাজকীয় ও ধর্মীয় প্রতীক গুরুত্ব পায়।১৯৪৯...
29/12/2025

#ভুটানের_পতাকার_আত্মকাহিনী

ভুটান দীর্ঘদিন রাজতন্ত্রশাসিত দেশ হওয়ায় পতাকার নকশায় রাজকীয় ও ধর্মীয় প্রতীক গুরুত্ব পায়।
১৯৪৯ সালে ভারতের সঙ্গে চুক্তির সময় ভুটানের একটি আধুনিক জাতীয় পতাকার প্রয়োজন দেখা দেয়
সে সময় রাজপরিবারের উদ্যোগে পতাকার নকশা তৈরি করা হয়।

প্রথম ও চূড়ান্ত নকশাঃ
ভুটানের পতাকার নকশা সময়ের সঙ্গে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান রূপ পায়।

বর্তমান নকশাঃ
তির্যকভাবে বিভক্ত দুই অংশ
উপরের অংশ হলুদ
নিচের অংশ কমলা
মাঝখানে সাদা রঙের ড্রাগন (ড্রুক)।

পতাকা গ্রহণঃ
১৯৬৯ সালে বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হয়
এরপর থেকে এটি রাষ্ট্রীয় পতাকা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

রঙ ও প্রতীকের অর্থঃ
হলুদ রঙ → রাজকীয় ক্ষমতা ও ঐক্য
কমলা রঙ → বৌদ্ধ ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা
ড্রাগন (ড্রুক) → ভুটানের শক্তি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব
ড্রাগনের হাতে থাকা রত্ন → জাতির সমৃদ্ধি।

 #নেপালের_পতাকার_আত্মকাহিনী নেপাল বিশ্বের একমাত্র দেশ যার জাতীয় পতাকা আয়তাকার নয়। বহু শতাব্দী ধরে নেপালে ত্রিভুজাকৃতি পত...
28/12/2025

#নেপালের_পতাকার_আত্মকাহিনী

নেপাল বিশ্বের একমাত্র দেশ যার জাতীয় পতাকা আয়তাকার নয়। বহু শতাব্দী ধরে নেপালে ত্রিভুজাকৃতি পতাকা ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
প্রাচীনকালে রাজপরিবার ও বিভিন্ন বংশ পৃথক পৃথক ত্রিভুজ পতাকা ব্যবহার করত
পরে সেই দুটি ত্রিভুজ একত্র করে একটি জাতীয় পতাকার ধারণা গড়ে ওঠে।

প্রথম ও চূড়ান্ত নকশাঃ
নেপালের পতাকার বর্তমান নকশা ঐতিহ্যগত হলেও সময়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক রূপ পায়।

বর্তমান নকশার বৈশিষ্ট্যঃ
দুটি যুক্ত ত্রিভুজ (হিমালয় পর্বতের প্রতীক)
গাঢ় লাল রঙের জমিন
নীল রঙের সীমানা
উপরের ত্রিভুজে চাঁদ, নিচের ত্রিভুজে সূর্য।

পতাকা গ্রহণঃ
১৬ ডিসেম্বর ১৯৬২ সালে নেপালের নতুন সংবিধানের মাধ্যমে বর্তমান পতাকা সরকারিভাবে গৃহীত হয়
এরপর থেকেই এটি অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

রঙ ও প্রতীকের অর্থঃ
লাল রঙ → সাহস, বীরত্ব ও জাতীয় ফুল রোডোডেনড্রন
নীল সীমানা → শান্তি ও সম্প্রীতি
চাঁদ → শান্ত স্বভাব ও স্থায়িত্ব
সূর্য → শক্তি, তেজ ও চিরস্থায়ীত্ব।

 #ভারতীয়_পতাকার_আত্মকাহিনীভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় একটি সর্বজনগ্রাহ্য জাতীয় পতাকার প্রয়োজন দেখা দেয়।১৯২১ সালে পিংগ...
27/12/2025

#ভারতীয়_পতাকার_আত্মকাহিনী

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় একটি সর্বজনগ্রাহ্য জাতীয় পতাকার প্রয়োজন দেখা দেয়।
১৯২১ সালে পিংগালি ভেঙ্কাইয়া প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা উপস্থাপন করেন
মহাত্মা গান্ধীর পরামর্শে পতাকায় প্রথমে চরকা যুক্ত করা হয়
পরবর্তীতে চরকার পরিবর্তে অশোক চক্র যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রথম ও চূড়ান্ত নকশাঃ
ভারতের পতাকার নকশা ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান রূপ পায়।

প্রথম দিকের নকশা:
তিনটি অনুভূমিক রঙ (গেরুয়া, সাদা, সবুজ)
সাদা অংশে চরকা

চূড়ান্ত নকশা:
তিনটি অনুভূমিক রঙ অপরিবর্তিত
সাদা অংশের মাঝে নীল রঙের ২৪ শলাকার অশোক চক্র।

পতাকা গ্রহণঃ
২২ জুলাই ১৯৪৭ সালে ভারতের গণপরিষদে বর্তমান পতাকা অনুমোদিত হয়
১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার দিন প্রথম জাতীয়ভাবে উত্তোলন করা হয়।

রঙ ও প্রতীকের অর্থঃ
গেরুয়া → ত্যাগ, সাহস ও আত্মবলিদান
সাদা → শান্তি ও সত্য
সবুজ → সমৃদ্ধি ও আশা
অশোক চক্র → ন্যায়, আইন ও অগ্রগতির প্রতীক।

 #পাকিস্তানের_পতাকার_আত্মকাহিনীব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার আগে মুসলিম লীগই ছিল পাকিস্তান আন্দোলনের প্রধান রাজনৈতিক সংগঠ...
26/12/2025

#পাকিস্তানের_পতাকার_আত্মকাহিনী
ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার আগে মুসলিম লীগই ছিল পাকিস্তান আন্দোলনের প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন।
মুসলিম লীগের পতাকাকে ভিত্তি করেই পাকিস্তানের জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করা হয়।
পতাকার নকশাকার ছিলেন আমিরউদ্দিন কিদওয়াই (Ameer-ud-Din Kidwai)
১৯৪৭ সালের আগস্টে পাকিস্তানের গণপরিষদে পতাকাটি অনুমোদিত হয়
প্রথম ও চূড়ান্ত নকশা
পাকিস্তানের পতাকার নকশা শুরু থেকেই প্রায় বর্তমান রূপেই ছিল।
নকশার মূল বৈশিষ্ট্য:
গাঢ় সবুজ জমিন
বাঁ পাশে একটি সাদা উল্লম্ব অংশ
সবুজ অংশের মাঝে একটি সাদা চাঁদ ও পাঁচ কোণা তারা
পতাকা গ্রহণ
১৪ আগস্ট ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের স্বাধীনতার দিন এই পতাকা প্রথম জাতীয়ভাবে উত্তোলন করা হয়
স্বাধীনতার পর থেকেই এটি অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে
রঙ ও প্রতীকের অর্থ
সবুজ রঙ → মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ও ইসলামী ঐতিহ্যের প্রতীক
সাদা অংশ → পাকিস্তানের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান
চাঁদ → অগ্রগতি ও উন্নতির প্রতীক
তারা → জ্ঞান, আলো ও ভবিষ্যতের পথনির্দেশ

 #বাংলাদেশের_পতাকার_আত্মকাহিনী১৯৭১ সালের আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্রনেতারা (বিশেষ করে শিব নারায়...
25/12/2025

#বাংলাদেশের_পতাকার_আত্মকাহিনী

১৯৭১ সালের আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্রনেতারা (বিশেষ করে শিব নারায়ণ দাস) প্রথম বাংলাদেশের পতাকার নকশা তৈরি করেন।
সেই প্রথম নকশায়
সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্ত,
এবং লাল বৃত্তের ভেতরে সোনালি রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল।
এই পতাকাটি ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম উত্তোলন করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই পতাকাই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

বর্তমান পতাকার পরিবর্তনঃ
স্বাধীনতার পর দেখা যায়, কাপড়ে মানচিত্র সঠিকভাবে আঁকা কঠিন, উল্টো দিক থেকে ভুল দেখায়।
তাই ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে পতাকার নকশা পরিবর্তন করা হয়।
বর্তমান নকশা:
সবুজ জমিন
মাঝখানে সামান্য বাঁ দিক ঘেঁষে একটি লাল বৃত্ত
মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়।

রঙ ও প্রতীকের অর্থ:
সবুজ → বাংলাদেশের শ্যামল প্রকৃতি ও সমৃদ্ধি
লাল বৃত্ত → সূর্যোদয় ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রক্ত

ছোট বেলায় ক্রিকেট খেলতে গেলে মাঝে মাঝে বিচিতে বল লাগতো। খুব ব্যথা পাইতাম। বাট লজ্জায় আর বন্ধুদের পচানির ভয়ে বলতাম যে ব্য...
06/08/2022

ছোট বেলায় ক্রিকেট খেলতে গেলে মাঝে মাঝে বিচিতে বল লাগতো। খুব ব্যথা পাইতাম। বাট লজ্জায় আর বন্ধুদের পচানির ভয়ে বলতাম যে ব্যথা পাই নি। কিছুই হয়নি এই রকম একটা ভাব নিয়ে থাকতাম। তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে অনেকের মধ্যে এই রকম একটা অবস্থা তৈরি হইছে।
তারা লজ্জায় কিছু বলতে পারতেছে না, বিচিতে হাত দিয়ে মুতার চেষ্টা করতেছে সম্ভবত।
#কালেক্টেড।

ডব্লিউ জি গ্রেস ‘ফাদার অফ ক্রিকেট’শচীনের সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি, লারার দুর্দান্ত ব্যাটিং, ব্র্যাডম্যানের রেকর্ডময় ক্যারিয়ার,...
27/10/2021

ডব্লিউ জি গ্রেস ‘ফাদার অফ ক্রিকেট’

শচীনের সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি, লারার দুর্দান্ত ব্যাটিং, ব্র্যাডম্যানের রেকর্ডময় ক্যারিয়ার, সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার স্যার গ্যারি কিংবা বোথামরা যদি ২২ গজের সেরা ছাত্র হয়ে থাকেন তাহলে সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নামটি কি হতে পারে? যদি বলি আধুনিক ক্রিকেটের জনকও তিনি। তাহলে আপনি কোন নামটি নিবেন? আপনি যেই নামটিই নেন না কেনো আমার তালিকায় সেই স্থানটিতে থাকবে ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি উইলিয়াম গিলবার্ট গ্রেসের নাম।

গ্রেস পেশায় ছিলেন চিকিৎসক, কিন্তু মনে প্রাণে ধারণ করতেন ক্রিকেটকে। যদি ক্রিকেটকে ধারণ না-ই করতেন তাহলে রোগীকে চেম্বারে বসিয়ে রেখে খেলা শেষ করে আসার কথা নয়! এমনটাও হয়েছে, রোগী বসে থেকেছেন পুরো দিন, তবুও গ্রেস ব্যাট-বলের লড়াই শেষ না করে আসেননি। আসলে এইসবেই বোঝা যায় কতোটা খেলাপ্রেমী ছিলেন এই গ্রেস। এই গ্রেসের খেলা প্রেমী হতে অবশ্য পরিবার দারুণ ভাবে উজ্জীবিত করেছে সেটা বলায় যায়, কেননা গ্রেসের দুই ভাইও ইংল্যান্ডের জার্সিতে মাঠ মাতিয়েছেন। শুধু তাই না, ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবার একই পরিবারের ৩ ভাই একসাথে কোনো দেশের জার্সিতে খেলেছেন। এই একটা দিক দিয়ে গ্রেস পরিবারকে সবার উপরে রাখতেই হয়।

ক্রিকেট মাঠে ব্যাট-বলে মাতিয়ে রাখা গ্রেস আরেকটি জিনিস প্রায় প্রয়োগ করতেন ক্রিকেট মাঠে। সেটি হলো চিকিৎসা বিদ্যা। ইতিহাস ঘাঁটলে বেরিয়ে আসে দারুণ কিছু তথ্য। আচ্ছা এবার ক্রিকেটার গ্রেসের ক্রিকেট মাঠে চিকিৎসা দেওয়ার গল্প শোনা যাক। একদা ক্রিকেট মাঠে গ্রেসের ব্যাট থেকে ছুটে আসা বলটি তালুবন্দি করতে গিয়ে মাথায় ধাতুর ছোট একটি টুকরা বিদ্ধ হয়েছিলো এক ফিল্ডারের। সেদিন সেই ফিল্ডারটি মাঠ থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগে গ্রেসের চিকিৎসা নিয়েছিল। এছাড়া গ্লৌচেস্টারশায়ারের এক ক্রিকেটারের গলা খাঁজকাটা রেলিংয়ের সাথে লেগে কেটে যায়, সেদিন গ্রেস প্রায় আধাঘণ্টা চিকিৎসা দিয়ে রক্তপড়া বন্ধ করেন। এভাবে অনেক ক্রিকেটারের চিকিৎসা করেছেন তিনি।
ক্রিকেটমাঠের একজন অতৃপ্ত ব্যাটসম্যানের নাম ছিলো ডব্লিউ জি গ্রেস। তৎকালীন সময়ে বোলারদের চোখের ঘুম কেড়ে নেওয়া গ্রেসের কাছে ছিলো মামুলি বিষয়। আচ্ছা এই গ্রেসের একটা অতৃপ্ত ব্যাটিংয়ের গল্প শুনি। গ্রেসের ক্যারিয়ারে কোনো একটা সময়, এক সপ্তাহে ধারাবাহিক ব্যাটিং করেছেন তিনি। যেখানে এক সপ্তাহে নামের পাশে যুক্ত করেছিলো ৮৩৯ রান! খেলেছিলেন ৩৪৪, ১৭৭ এবং ৩১৮ রানের তিনটি রেকর্ডময় ইনিংস। একবার কি ভেবেছেন! এক সপ্তাহে এমন ৩টি ইনিংস খেলা কতোটা চ্যালেঞ্জিং ছিলো। তবে সেই চ্যালেঞ্জটা ঠিকই নিয়েছিলেন গ্রেস।

সময়টা ছিলো ১৮৭৬ সাল। প্রতিপক্ষ ‘গ্রিমস-বি’ দলের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন গ্রেস। সেদিন প্রতিপক্ষ দল গ্রেসকে বলেন তারা ১১ জনের জায়গায় ২২ জন ফিল্ডিং করবে। কি ভাবছেন! সেদিন কি রাজি হয়েছিলো গ্রেস? হ্যাঁ, সেদিন ২২ জন ফিল্ডিংয়ের বিপক্ষে ব্যাট হাতে গ্রেস চালিয়েছিলো ব্যাটিং তাণ্ডব। শুধু তাই নয়, সেদিন গ্রেস এতোটাই ভয়ংকর ছিলেন যে তাকে আউটই করতে পারেননি বিপক্ষের বোলাররা। ২২ গজের লড়াকু যোদ্ধা যখন অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ছিলেন তখন তার নামের পাশে জ্বলজ্বল করছিলো ৪০০ রান। একবার কি ভেবেছেন ২২ জন ফিন্ডারের বিপক্ষে এমন ব্যাটিং করা কিভাবে সম্ভব হয়েছিলো! তবে হ্যাঁ, গ্রেস পেরেছিলো তাইতো সেদিনের পর থেকে তাকে উপাধি দেওয়া হয়েছিলো ‘ক্রিকেটের পিতামহ’।

তথ্যসূত্রঃক্রিকেটখোর

Address

Narsingdi Sadar
Narsingdi
1630

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Historical Gossip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Historical Gossip:

Share